🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
স(

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) ✔ যাচাইকৃত

নিউরোসার্জন

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস (নিউরোসার্জারি)
মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু ও মেরুদণ্ড বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন টিউমার, হার্নিয়েটেড ডিস্ক, স্পাইনাল স্টেনোসিস, ব্রেইন অ্যানিউরিজম, মাথায় আঘাতজনিত সমস্যা (Head trauma)

🎓 সহকারী অধ্যাপক (নিউরোসার্জারি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
60191বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (নিউরোসার্জারি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) খুলনা শহরের সেরা নিউরোসার্জন ও ব্রেন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক সার্জিক্যাল সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা নিউরোসার্জন ও স্পাইন সার্জনের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল রোগ নির্ণয়, ব্রেন টিউমার অপারেশন এবং মেরুদণ্ডের উন্নত সার্জারি পেয়ে থাকেন। ব্রেন টিউমার, হার্নিিয়েটেড ডিস্ক, স্পাইনাল স্টেনোসিস, ব্রেন অ্যানিউরিজম এবং হেড ট্রমার জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমএস (নিউরোসার্জারি) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) –মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু ও মেরুদণ্ড বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন, খুলনা

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ব্রেন টিউমার, হার্নিিয়েটেড ডিস্ক, স্পাইনাল স্টেনোসিস, ব্রেন অ্যানিউরিজম এবং গুরুতর হেড ট্রমার মতো জটিল স্নায়ু ও মেরুদণ্ডের রোগের একজন বিশেষ অভিজ্ঞ সার্জন। খুলনায় সেরা নিউরোসার্জন কিংবা ব্রেন ও স্পাইন সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত সার্জিক্যাল সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক মাইক্রো-নিউরোসার্জারি, নিখুঁত অপারেশন এবং সুনির্দিষ্ট পোস্ট-অপারেটিভ যত্ন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নিউরোসার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এমএস (MS in Neurosurgery) অর্জন করেন, যা মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড ও স্নায়ুতন্ত্রের জটিল অস্ত্রোপচারে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নিউরোসার্জন কিংবা অভিজ্ঞ স্পাইন সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন। অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে তিনি নিয়মিত জটিল ব্রেন ও স্পাইন অপারেশন সফলভাবে পরিচালনা করে আসছেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমারের মাইক্রোসার্জিক্যাল অপারেশন, হার্নিিয়েটেড ডিস্কের জন্য মাইক্রো-ডিসকেctomy, স্পাইনাল স্টেনোসিসের ডিকম্প্রেশন সার্জারি, ব্রেন অ্যানিউরিজমের ক্লিপিং এবং গুরুতর হেড ট্রমার জরুরি সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক ও সার্জিক্যাল কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন নিউরো-ইমেজিং, স্টেরিওট্যাকটিক নেভিগেশন এবং আধুনিক মাইক্রো-নিউরোসার্জিক্যাল কৌশল।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ)
প্রধান বিশেষজ্ঞতানিউরোসার্জারি ও ব্রেন সার্জারি
উপ-বিশেষজ্ঞতাস্পাইন সার্জারি ও নিউরো-ট্রমা
পদবীসহকারী অধ্যাপক (নিউরোসার্জারি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমএস (নিউরোসার্জারি) – মাস্টার অব সার্জারি (নিউরোসার্জারি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (নিউরোসার্জারি)

  • কর্মস্থল: নিউরোসার্জারি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ব্রেন টিউমারে নিখুঁত সার্জারি প্রয়োজন।

  • হার্নিিয়েটেড ডিস্কে তীব্র নার্ভের চাপ।

  • স্পাইনাল স্টেনোসিসে চলাফেরা কমে যায়।

  • ব্রেন অ্যানিউরিজমে জরুরি সার্জারি লাগে।

  • হেড ট্রমা জরুরি চিকিৎসা দাবি করে।

  • এপিলেপসি সার্জারিতে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ হয়।

  • ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ায় তীব্র ব্যথা হয়।

  • সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলোসিসে ঘাড়ে ব্যথা হয়।

  • হাইড্রোসেফালাসে শান্ট সার্জারি প্রয়োজন হয়।

  • পেরিফেরাল নার্ভ ইনজুরিতে সার্জারি লাগে।

  • স্পাইনাল কর্ড টিউমারে নিখুঁত অপারেশন।

  • স্ট্রোকের পর নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন প্রয়োজন।

  • ইন্ট্রাক্রানিয়াল হেমোরেজে জরুরি সার্জারি লাগে।

  • কার্পাল টানেল সিন্ড্রোমে হাত অবশ।

  • স্কাল বেস লেশনে জটিল সার্জারি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) ব্রেন, মেরুদণ্ড ও স্নায়ুরোগের আধুনিক সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ব্রেন টিউমার ও নিউরো-অনকোলজি: গ্লিয়োমা, মেনিনজিওমা এবং স্কাল বেস টিউমারের মাইক্রোসার্জিক্যাল অপারেশন ও আধুনিক নেভিগেশন ব্যবহার।

  • স্পাইন সার্জারি ও মেরুদণ্ডের রোগ: মাইক্রো-ডিসকেctomy, স্পাইনাল ফিউশন এবং স্পাইনাল স্টেনোসিসের ডিকম্প্রেশন সার্জারি।

  • ভাসকুলার নিউরোসার্জারি ও অ্যানিউরিজম: ব্রেন অ্যানিউরিজম ক্লিপিং এবং রক্তনালীর জটিল ম্যালফরমেশনের মাইক্রোসার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।

  • নিউরো-ট্রমা ও জরুরি সার্জারি: তীব্র আঘাতজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (Hematoma) অপসারণ ও জরুরি ডিপ্রেশনের সার্জারি।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ব্রেন টিউমারের মাইক্রোসার্জিক্যাল অপারেশন

অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ ও নেভিগেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মস্তিষ্কের সুস্থ টিস্যু সুরক্ষিত রেখে নিখুঁতভাবে টিউমার অপসারণের উন্নত সার্জারি।

হার্নিিয়েটেড ডিস্কের মাইক্রো-ডিসকেctomy

ক্ষুদ্র ছিদ্র ও মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে মেরুদণ্ডের সংকুচিত নার্ভের ওপর থেকে ডিস্কের চাপ অপসারণের আধুনিক পদ্ধতি।

গুরুতর হেড ট্রমার ডিকম্প্রেসিভ ক্রানিওটমি

মস্তিষ্কের মারাত্মক ফোলাভাব ও ইন্ট্রাক্রানিয়াল প্রেশার কমাতে জরুরি ভিত্তিতে মাথার হাড়ের অংশ সাময়িকভাবে অপসারণের জীবনরক্ষাকারী সার্জারি।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ব্রেন টিউমার (Brain Tumor)

মস্তিষ্কের ভেতরে অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি যা মাথার ভেতরে চাপ বাড়ায় এবং স্নায়বিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত করে, যার জন্য সার্জারি অপরিহার্য।

হার্নিিয়েটেড ডিস্ক (Herniated Disc)

মেরুদণ্ডের ডিস্ক ফেটে ভেতরের অংশ স্নায়ুমূলে চাপ সৃষ্টি করা, যার ফলে কোমর ও পায়ে তীব্র ব্যথা ও অবশ ভাব তৈরি হয়।

স্পাইনাল স্টেনোসিস (Spinal Stenosis)

মেরুদণ্ডের নালী সংকীর্ণ হয়ে স্নায়ুচাপ সৃষ্টি হওয়া, যা দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে সমস্যা তৈরি করে।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশ) প্রতিটি রোগীর শারীরিক পরীক্ষা, এমআরআই এবং সিটি স্ক্যান রিপোর্টের নিখুঁত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রেখে টিউমার বা নার্ভের চাপ মুক্ত করতে এবং রোগীর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, আঘাতের পর জ্ঞান হারিয়ে ফেলা, শরীরের কোনো একপাশ হঠাৎ অবশ হয়ে যাওয়া কিংবা খিঁচুনি দেখা দিলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, সোসাইটি অব নিউরোলজিক্যাল সার্জনস অব বাংলাদেশ (SNSB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান এবং নিউরো-রেডিওলজি রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা এবং রক্ত পাতলা করার ওষুধের বিবরণ সাথে রাখুন।

  • লক্ষণসমূহ কতদিন ধরে রয়েছে এবং শারীরিক দুর্বলতার বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস ভালোভাবে বোঝেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে রাখুন।

Last Modified: October 14, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ব্রেন টিউমার অপারেশনের ক্ষেত্রে সার্জারি করা কতটা জরুরি এবং এর উদ্দেশ্য কী?

ব্রেন টিউমারের কারণে যখন মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়, খিঁচুনি বা স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দেয়, তখন সার্জারি অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে সুস্থ ব্রেন টিস্যু অক্ষত রেখে যতদূর সম্ভব নিরাপদ উপায়ে সম্পূর্ণ টিউমার অপসারণ করাই এর মূল উদ্দেশ্য। অপারেশনের পর সংগৃহীত টিস্যুর বায়োপসি পরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী চিকিৎসার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।

মাইক্রো-ডিসকেctomy সার্জারি কীভাবে হার্নিিয়েটেড ডিস্কের ব্যথা দূর করে?

মাইক্রো-ডিসকেctomy হলো একটি আধুনিক ও ন্যূনতম আক্রমণাত্মক সার্জারি যার মাধ্যমে মেরুদণ্ডের সংকুচিত স্নায়ুমূলের ওপর থেকে ফেটে যাওয়া ডিস্কের অংশবিশেষ সরিয়ে ফেলা হয়। মাইক্রোস্কোপের নিচে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই অপারেশন করায় মেরুদণ্ডের স্থায়িত্ব বজায় থাকে। অপারেশন শেষ হওয়ার পরপরই রোগীরা সাধারণত পা ও কোমরের তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পান।

স্পাইনাল স্টেনোসিসের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী এবং কখন সার্জারি প্রয়োজন হয়?

স্পাইনাল স্টেনোসিসের প্রধান লক্ষণ হলো সামান্য হাঁটলে বা দাঁড়ালে কোমর ও পায়ে তীব্র ব্যথা, অবশ ভাব বা ঝিনঝিন করা যা বসলে বা সামনে ঝুঁকলে কমে যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ওষুধ ও ফিজিওথেরাপিতে কাজ না হলে এবং রোগীর হাঁটার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে ডিকম্প্রেশন সার্জারি বা ল্যামিনেক্টমি করা প্রয়োজন হয়।

ব্রেন অ্যানিউরিজম কেন একটি জীবনঘাতী নিউরোসার্জিক্যাল জরুরি অবস্থা?

ব্রেন অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের রক্তনালীর দেওয়ালে দুর্বল হয়ে ফুলে ওঠা অংশ যা যেকোনো সময় ফেটে গিয়ে মারাত্মক রক্তক্ষরণ (সাবঅ্যারাকনয়েড হেমোরেজ) ঘটাতে পারে। অ্যানিউরিজম ফেটার আগে মাইক্রোসার্জিক্যাল ক্লিপিং বা এন্ডোভাসকুলার কয়েলিংয়ের মাধ্যমে এটি বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। হঠাৎ তীব্র বিস্ফোরক মাথাব্যথা দেখা দিলে দ্রুত নিউরোসার্জনের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

মাথায় মারাত্মক আঘাত বা হেড ট্রমার পর রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কী করা হয়?

হেড ট্রমা বা মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত রোগীকে দ্রুত নিউরো-ইনটেনসিভ কেয়ারে রেখে ইন্ট্রাক্রানিয়াল প্রেশার ও অক্সিজেনের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা বড় ধরনের হেমাটোমা থাকলে জরুরি ক্রানিওটমি সার্জারির মাধ্যমে রক্ত জমাট বাঁধা অংশ অপসারণ করা হয়। সঠিক সময়ে এই সার্জারি রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে।

নিউরো-নেভিগেশন প্রযুক্তি ব্রেন সার্জারিকে কীভাবে আরও নিরাপদ করে তোলে?

নিউরো-নেভিগেশন প্রযুক্তি হলো ব্রেনের জিপিএস সিস্টেমের মতো যা আধুনিক এমআরআই স্ক্যানের সাথে সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতির অবস্থান রিয়েল-টাইমে মিলিয়ে দেয়। এর সাহায্যে নিউরোসার্জন মিলিমিটারের নিখুঁত মাপে মস্তিষ্কের গভীরে প্রবেশ করে টিউমার অপসারণ করতে পারেন। ফলস্বরূপ, সুস্থ ব্রেন টিস্যু সুরক্ষিত থাকে এবং অপারেশন অনেক বেশি নিরাপদ হয়।

স্পাইন ফিউশন সার্জারির পর সম্পূর্ণ সুস্থ হতে সাধারণত কত সময় লাগে?

স্পাইন ফিউশন সার্জারির পর হাড় জোড়া লাগতে এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হতে সাধারণত কয়েক মাস সময় লাগে। অপারেশন পরবর্তী সময়ে রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোমর ও পিঠের বিশেষ ব্যায়াম করতে হয় এবং ভারী তোলা থেকে বিরত থাকতে হয়। ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে মেরুদণ্ডের ফিউশন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

অপারেশন ছাড়া কি দীর্ঘমেয়াদী কোমর ব্যথা নিরাময় করা সম্ভব?

হ্যাঁ, অধিকাংশ সাধারণ কোমর ব্যথা ফিজিক্যাল থেরাপি, লাইফস্টাইল পরিবর্তন এবং এপিডুরাল স্টেরয়েড ইনজেকশনের মাধ্যমে অপারেশন ছাড়াই ভালো করা সম্ভব। তবে স্নায়ুতে যদি স্থায়ী চাপ বা অবশ ভাব তৈরি হয়, তবে নিউরোসার্জন সার্জারি করার সিদ্ধান্ত নেন। রোগীর সার্বিক শারীরিক অবস্থা বিচার করে সঠিক চিকিৎসা বেছে নেওয়া হয়।

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ (পলাশের) সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং নিউরো-রেডিওলজি রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল প্রেসক্রিপশন, রক্ত পাতলা করার ওষুধের তালিকা এবং উপসর্গের বিবরণ সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ দীপঙ্কর ঘোষ সঠিক সার্জিক্যাল মূল্যায়ন ও চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন