🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডস

ডাঃ উম্মে সাইমা সানি

ডেন্টিস্ট

বিডিএস (ডিইউ), পিজিটি (ওএমএফএস)
মুখ ও দন্ত সার্জারি বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পাইয়োজেনিক গ্র্যানুলোমা, পেরিফেরাল জায়ান্ট, ইরাপ্টিভ সিস্ট, গ্ল্যান্ডুলার ওডোন্টোজেনিক, ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল

🎓 কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান (ডেন্টাল)

🏛️ গাজী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, খুলনা

💼 ৬+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান (ডেন্টাল) — গাজী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, খুলনা

ডাঃ উম্মে সায়মা সানি খুলনা শহরের সেরা ওরাল ও ডেন্টাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৬ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক দাঁত ও মুখের সার্জিক্যাল চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে পায়োজেনিক গ্রানুলোমা (Pyogenic granuloma), পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা এবং গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্ট-এর মতো মুখের ভেতরের টিউমার ও ঘা-এর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ইরাপটিভ সিস্ট (বাচ্চাদের দাঁত ওঠার সমস্যা), ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল ওডোনটোজেনিক টিউমার এবং কঠিন দাঁতের সার্জারিতে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং ওরাল সার্জারিতে তার অভিজ্ঞতালব্ধ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের মুখের কার্যক্ষমতা ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনেন এবং টিউমার নির্মূল করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Tasnim Dental Care, Khulna · Diagnostic Center

📍 শেখ পাড়া, খুলনা

🕒 Visiting hours: সকাল ১১:০০টা থেকে দুপুর ১:০০টা এবং সন্ধ্যা ৬:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ উম্মে সায়মা সানি – খুলনার সেরা ডেন্টাল সার্জন ও ওরাল স্পেশালিস্ট

ডাঃ উম্মে সায়মা সানি খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান, যার মুখ, চোয়াল এবং দাঁতের জটিল সার্জারিতে ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পায়োজেনিক গ্রানুলোমা, পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা, ইরাপশন সিস্ট, গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্ট এবং ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল ওডোনটোজেনিক টিউমারের মতো মুখের বিরল প্যাথলজির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। মুখ ও মাড়ির যেকোনো জটিল টিউমার, রক্তপাত এবং দাঁতের সার্জারিতে তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ উম্মে সায়মা সানি দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) থেকে সফলতার সাথে বিডিএস (BDS) ডিগ্রি অর্জন করেন। মুখ ও চোয়ালের উন্নত সার্জারিতে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে তিনি ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারিতে (OMFS) পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং (PGT) সম্পন্ন করেন। এই বিশেষায়িত সার্জিক্যাল ট্রেনিং তাকে দাঁতের সাধারণ ফিলিং বা স্কেলিংয়ের বাইরে গিয়ে চোয়ালের কঠিন সিস্ট, টিউমার এবং আক্কেল দাঁতের জটিল অপারেশনে অসামান্য দক্ষতা প্রদান করেছে। খুলনায় সেরা ডেন্টাল সার্জন খুঁজতে গেলে রোগীরা গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তার ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে রক্তপাতযুক্ত পায়োজেনিক গ্রানুলোমার নিখুঁত সার্জিক্যাল এক্সিশন, পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা সমূলে বিনাশ করা, গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্ট সার্জারি করে বের করা এবং শিশুদের ইরাপশন সিস্টের চিকিৎসা। তিনি ওপিজি (OPG), সিবিসিটি (CBCT) স্ক্যান এবং হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল বায়োপসির ওপর ভিত্তি করে মুখের যেকোনো টিউমার বা সিস্টের নির্ভুল সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ উম্মে সায়মা সানি
প্রধান বিশেষজ্ঞতাওরাল অ্যান্ড ডেন্টাল সার্জারি (মুখ ও দাঁতের শল্যচিকিৎসা)
উপ-বিশেষজ্ঞতামাইনর ওরাল সার্জারি (OMFS) ও ওরাল প্যাথলজি
পদবীকনসালটেন্ট, বিভাগীয় প্রধান (ডেন্টাল)
কর্মস্থলগাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা৬+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • বিডিএস (DU) – ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • পিজিটি (OMFS) – পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইন ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট, বিভাগীয় প্রধান (ডেন্টাল)

  • কর্মস্থল: ডেন্টাল বিভাগ, গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • পায়োজেনিক গ্রানুলোমায় (মাড়ির রক্তক্ষরণযুক্ত টিউমার) নিখুঁত সার্জারি ও বায়োপসি।

  • পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমায় পুনরায় টিউমার হওয়া রোধে ডিপ সার্জিক্যাল এক্সিশন।

  • ইরাপশন সিস্টে (শিশুদের দাঁত আটকে থাকা) দাঁত ওঠার রাস্তা পরিষ্কার করতে সার্জারি (Unroofing)।

  • গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্টে (চোয়ালের আক্রমণাত্মক সিস্ট) নিখুঁত সার্জিক্যাল এনুক্লিয়েশন।

  • ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল ওডোনটোজেনিক টিউমারে (পিন্ডবর্গ টিউমার) চোয়ালের টিউমার অপসারণ।

  • ইমপ্যাক্টেড আক্কেল দাঁত (আটকে থাকা দাঁত) সার্জারির মাধ্যমে নিরাপদ এক্সট্রাকশন বা তোলা।

  • ডেন্টাল ক্যারিজ (দাঁত ক্ষয়) বা গর্তের জন্য নিখুঁত কম্পোজিট ফিলিং ও রুট ক্যানেল।

  • মারাত্মক পেরিওডোনটাইটিসে (মাড়ির রোগ) স্কেলিং, রুট প্ল্যানিং ও মাইনর ফ্ল্যাপ সার্জারি।

  • জিঞ্জিভাল হাইপারপ্লাসিয়ায় (মাড়ি ফুলে বড় হওয়া) সার্জিক্যাল জিঞ্জিভেকটমি।

  • ওডোনটোজেনিক অ্যাবসেসে (দাঁতের গোড়ায় পুঁজ) ইমার্জেন্সি পুঁজ বের করা ও চিকিৎসা।

  • ডেন্টাল ট্রমা (দাঁত বা চোয়াল ভাঙা) ইমার্জেন্সি স্প্লিন্টিং ও সার্জিক্যাল স্ট্যাবিলাইজেশন।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • ওরাল প্যাথলজি ও লেশন ম্যানেজমেন্ট: মাড়িতে তৈরি হওয়া যেকোনো মাংসপিণ্ড (টিউমার), রক্তপাতযুক্ত ঘা বা চোয়ালের ভেতরের বিরল সিস্ট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সার্জারি করে বের করা এবং ক্যানসার কি না তা নিশ্চিত করতে বায়োপসি করানো।

  • মাইনর ওরাল সার্জারি (OMFS): ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারির বিশেষ ট্রেনিংয়ের সাহায্যে আটকে থাকা আক্কেল দাঁত তোলা, সিস্ট অপারেশন করা এবং মুখের ভেতরের জটিল ইনফেকশনের চিকিৎসা।

  • জেনারেল ও পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি: দাঁত ক্ষয়, মাড়ির রোগ এবং শিশুদের দাঁত ওঠার সময়কার সমস্যাগুলোর (যেমন ইরাপশন সিস্ট) অত্যন্ত যত্নশীল ও ব্যথামুক্ত চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ওরাল টিউমারের সার্জিক্যাল এক্সিশন ও বায়োপসি

পায়োজেনিক গ্রানুলোমার মতো টিউমারগুলোতে প্রচুর রক্তনালী থাকে, তাই সামান্য ছোঁয়াতেই প্রচুর রক্ত পড়ে। শুধু সাধারণ স্কেলিং দিয়ে এগুলো সারে না। ডাঃ সানি লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে টিউমারটি কেটে বের করেন এবং টিউমার তৈরির মূল কারণ (যেমন দাঁতের পাথর বা ধারালো হাড়) পরিষ্কার করেন। ক্যানসার ঝুঁকি এড়াতে কাটা অংশটি সবসময় বায়োপসির জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়।

গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্ট অপারেশন

এটি চোয়ালের একটি অত্যন্ত বিরল এবং আক্রমণাত্মক সিস্ট, যা অপারেশন করার পরও বারবার ফিরে আসার জন্য কুখ্যাত। ডাঃ সানি অ্যাডভান্সড সার্জিক্যাল এনুক্লিয়েশন (Enucleation) পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তিনি সিস্টের পাতলা আবরণীটি চোয়ালের হাড় থেকে পুরোপুরি ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন এবং হাড়ের ভেতরের গর্তটি ভালোভাবে পরিষ্কার করেন, যাতে সিস্টের কোনো ক্ষুদ্র কোষও বেঁচে থাকতে না পারে।

ইরাপশন সিস্টের জন্য সার্জিক্যাল আনরুফিং (Unroofing)

শিশুদের নতুন দাঁত ওঠার সময় অনেক সময় দাঁতটি মাড়ির শক্ত চামড়া ভেদ করে বের হতে পারে না। সেখানে পানি জমে নীলচে রঙের একটি বেলুন বা সিস্ট তৈরি হয়, যাকে ইরাপশন সিস্ট বলে। এটি নিজে থেকে না ফাটলে শিশু ব্যথায় খেতে পারে না। তখন ডাঃ সানি একটি ছোট ও ব্যথামুক্ত মাইনর সার্জারির (আনরুফিং) মাধ্যমে চামড়াটি সামান্য কেটে দেন, যাতে নতুন দাঁতটি সহজেই মুখে বেরিয়ে আসতে পারে।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

পায়োজেনিক গ্রানুলোমা (Pyogenic Granuloma)

নামে 'পায়োজেনিক' হলেও এতে কোনো পুঁজ থাকে না। এটি মাড়ির ওপর তৈরি হওয়া একটি ব্যথাহীন, টকটকে লাল রঙের এবং দ্রুত বর্ধনশীল মাংসপিণ্ড। এটি পুরোপুরি ছোট ছোট রক্তনালী দিয়ে তৈরি হয়, তাই ব্রাশ করার সময় বা সামান্য ছোঁয়াতেই প্রচুর রক্ত পড়ে। এটি সাধারণত দাঁতের পাথর (Plaque) জমার কারণে বা গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে (যাকে প্রেগন্যান্সি টিউমার বলে) তৈরি হয়।

পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা

এটিও মাড়ির ওপর তৈরি হওয়া একটি টিউমার, যা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী আঘাত বা অপরিষ্কার দাঁতের কারণে হয়। এটি দেখতে কালচে লাল বা বেগুনি রঙের হয়। পায়োজেনিক গ্রানুলোমার মতো এটি শুধু ওপরের মাড়িতে থাকে না, এটি হাড়ের অনেক গভীর থেকে জন্ম নেয়। তাই সময়মতো সার্জারি করে হাড়ের গভীর পর্যন্ত পরিষ্কার না করলে এটি চোয়ালের হাড় গলিয়ে ফেলতে পারে এবং পাশের সুস্থ দাঁতগুলো নড়িয়ে দিতে পারে।

ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল ওডোনটোজেনিক টিউমার (CEOT)

এটি 'পিন্ডবর্গ টিউমার' (Pindborg tumor) নামেও পরিচিত। এটি চোয়ালের একটি অত্যন্ত বিরল টিউমার, যা দাঁতের এনামেল তৈরি করা কোষগুলো থেকে জন্ম নেয়। এটি ধীরে ধীরে নীরবে বড় হয় এবং চোয়ালের হাড়কে ফুলিয়ে দেয়। এই টিউমারের ভেতরে হাড়ের মতো শক্ত দানাদার অংশ তৈরি হয় এবং এটি প্রায়শই নতুন দাঁত উঠতে বাধা দেয়। টিউমারসহ আশপাশের সামান্য সুস্থ হাড় কেটে ফেলাই এর একমাত্র চিকিৎসা।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ উম্মে সায়মা সানি তার ৬ বছরের সার্জিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে এমন সব মুখের টিউমার ও ঘা-এর চিকিৎসা করেন, যেগুলো সাধারণ ডেন্টিস্টরা করতে ভয় পান বা রেফার করে দেন। তার লক্ষ্য থাকে মিনিম্যালি ইনভেসিভ (যতটা সম্ভব কম কেটে) সার্জারির মাধ্যমে মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখা, প্রতিটি টিউমারের বায়োপসি নিশ্চিত করা এবং সার্জারির ভয়ে ভীত রোগীদের অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও ব্যথামুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি মাড়ির কোনো টিউমার বা দাঁত তোলার পর একটানা রক্ত পড়া শুরু হয় যা কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না, নিচের চোয়াল বা গলা হঠাৎ দ্রুত ফুলে গিয়ে ঢোক গিলতে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয় (লুডউইগস অ্যাঞ্জাইনা - মারাত্মক ডেন্টাল ইনফেকশন), অথবা মুখে মারাত্মক আঘাত পাওয়ার পর ওপরের ও নিচের দাঁত একসাথে ঠিকমতো না মেলে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • বিভাগীয় প্রধান (ডেন্টাল), গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

  • পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইন্ড (PGT), ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা যেকোনো দাঁত বা চোয়ালের এক্স-রে (OPG), সিবিসিটি (CBCT) স্ক্যান এবং মুখের ঘা বা টিউমারের বায়োপসি রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন। বিশেষ করে রোগী যদি গর্ভবতী হন (প্রেগন্যান্সি টিউমার বোঝার জন্য) বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তবে তা চিকিৎসককে অবশ্যই জানাবেন।

  • মাড়ির টিউমারটি কত দ্রুত বড় হয়েছে, ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়ে কি না বা ঠোঁট-থুতনিতে কোনো অবশ ভাব আছে কি না তা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।

  • ইরাপশন সিস্টে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে, মুখ ফুলে যাওয়ার সময়কাল এবং দাঁতের সমস্যার পূর্বের ইতিহাস চিকিৎসককে সঠিকভাবে জানাবেন।

Last Modified: October 28, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারিতে PGT বলতে কী বোঝায়?

পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং (PGT) ইন OMFS মানে হলো, সাধারণ ডেন্টাল ডিগ্রি (BDS) শেষ করার পর ডাঃ সানি হাসপাতালে শুধুমাত্র মুখের সার্জারির ওপর বছরের পর বছর বিশেষ ট্রেনিং নিয়েছেন। এর ফলে তিনি দাঁতের সাধারণ ফিলিংয়ের বাইরে গিয়ে জটিল আক্কেল দাঁত তোলা, চোয়ালের সিস্ট অপারেশন করা এবং মুখের ভেতরের টিউমার কাটার মতো কঠিন কাজগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে করতে পারেন।

আমার পায়োজেনিক গ্রানুলোমা (Pyogenic Granuloma) থেকে এত বেশি রক্ত পড়ে কেন?

পায়োজেনিক গ্রানুলোমা মূলত সদ্য তৈরি হওয়া প্রচুর ভঙ্গুর রক্তনালী দিয়ে তৈরি একটি মাংসপিণ্ড। দাঁতে পাথর জমার কারণে মাড়িতে ইনফেকশন হলে শরীর তা ঠিক করতে গিয়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে এই মাংসপিণ্ডটি তৈরি করে। যেহেতু এর পুরোটাই পাতলা দেয়ালের রক্তনালী দিয়ে তৈরি, তাই খাবার চিবানো বা ব্রাশ করার মতো সামান্য ঘষাতেই এটি থেকে প্রচুর রক্তপাত হয়।

গ্ল্যান্ডুলার ওডোনটোজেনিক সিস্ট (Glandular Odontogenic Cysts) কি ক্যানসার?

না, এগুলো বিনাইন বা ক্যানসার নয়। তবে এগুলোকে "লোকালি অ্যাগ্রেসিভ" বলা হয়, যার মানে হলো এরা খুব দ্রুত বড় হয়ে চোয়ালের অনেক বেশি হাড় নষ্ট করে দেয়। সবচেয়ে বড় সমস্যার কথা হলো, এই সিস্ট অপারেশন করার পরও বারবার ফিরে আসার (Recurrence rate) প্রবল ঝুঁকি থাকে। তাই একজন দক্ষ সার্জনের মাধ্যমে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এটি পুরোপুরি পরিষ্কার করতে হয়।

শিশুদের ইরাপশন সিস্ট (Eruption Cysts) হলে কি সবসময় সার্জারি করতে হয়?

না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর নতুন দাঁত যখন মাড়ি ফুঁড়ে বের হয়, তখন পানির মতো নরম এই সিস্ট বা বেলুনটি নিজে থেকেই ফেটে যায়। তবে যদি সিস্টটিতে ইনফেকশন হয়, শিশুর প্রচণ্ড ব্যথা হয় যার কারণে সে খেতে পারে না, অথবা যদি নতুন দাঁতটি কোনোভাবেই বের হতে না পারে, শুধুমাত্র তখনই ডাঃ সানি সামান্য কেটে (Unroofing) দাঁতটি বের হওয়ার রাস্তা করে দেন।

ক্যালসিফাইং এপিথেলিয়াল ওডোনটোজেনিক টিউমার (CEOT) বা পিন্ডবর্গ টিউমার কী?

এটি চোয়ালের একটি অত্যন্ত বিরল টিউমার যা দাঁতের এনামেল তৈরি করা কোষগুলো থেকে জন্ম নেয়। এটি সাধারণত কোনো ব্যথা ছাড়াই ধীরে ধীরে নীরবে বড় হয় এবং চোয়ালের হাড়কে ফুলিয়ে দেয়। এই টিউমারের ভেতরে হাড়ের মতো শক্ত দানাদার অংশ (ক্যালসিফিকেশন) তৈরি হয়। টিউমারসহ আশপাশের সামান্য সুস্থ হাড় কেটে ফেলাই এর একমাত্র চিকিৎসা।

পেরিফেরাল জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা কি আমার চোয়ালের হাড় নষ্ট করতে পারে?

হ্যাঁ, পারে। যদিও বাইরে থেকে দেখতে এটিকে মাড়ির ওপর একটি সাধারণ লাল টিউমার মনে হয়, কিন্তু এটি আসলে মাড়ির অনেক গভীর থেকে (দাঁত ও হাড়ের সংযোগস্থল থেকে) জন্ম নেয়। সময়মতো সার্জারি করে না ফেললে এটি চোয়ালের ভেতরের হাড় গলিয়ে ফেলতে পারে (Resorption), যার ফলে আশপাশের সুস্থ দাঁতগুলো নড়ে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

গর্ভাবস্থায় (Pregnancy) মুখের টিউমার সার্জারি করা কি নিরাপদ?

গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে অনেক নারীর মাড়িতে পায়োজেনিক গ্রানুলোমা হয়, যাকে 'প্রেগন্যান্সি টিউমার' বলে। যদি এটি ছোট হয় এবং বেশি রক্ত না পড়ে, তবে ডাঃ সানি বাচ্চা হওয়ার পর পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন, কারণ অনেক সময় এটি নিজে থেকেই ছোট হয়ে যায়। তবে যদি এটি খুব বড় হয়, ব্যথা করে বা অতিরিক্ত রক্ত পড়ে, তবে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে এটি নিরাপদে সার্জারি করা যায়।

ডাক্তাররা দেখেই যদি টিউমার চিনতে পারেন, তবে বায়োপসি (Biopsy) করতে দেন কেন?

মুখের ভেতরের অনেক টিউমার (যেমন পায়োজেনিক গ্রানুলোমা, জায়ান্ট সেল গ্রানুলোমা এবং এমনকি মুখের ক্যানসার) খালি চোখে দেখতে একদম একই রকম লালচে মাংসপিণ্ডের মতো লাগে। হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল বায়োপসি (মাইক্রোস্কোপের নিচে টিস্যু পরীক্ষা করা) হলো একমাত্র শতভাগ নিশ্চিত উপায় যা প্রমাণ করে যে টিউমারটি ক্যানসার নয়। ক্যানসারের ঝুঁকি এড়াতে প্রতিটি টিউমার কাটার পর অবশ্যই বায়োপসি করা উচিত।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01911740267 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন