অধ্যাপক ডাঃ শেখ আমির হোসেন – মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ খুলনা
খুলনায় প্রবীণ ও অভিজ্ঞ মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে চান? অধ্যাপক ডাঃ শেখ আমির হোসেন অ্যাজমা, সিওপিডি, গাউট বা ইউরিক এসিড, সেপসিস, মেটাবলিক সিন্ড্রোম ও ভিটামিনের ঘাটতিতে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন।
পেশাগত জীবন ও অভিজ্ঞতা
খুলনা অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবায় অধ্যাপক ডাঃ শেখ আমির হোসেন খুলনা শহরের সেরা মেডিসিন ডাক্তারদের মধ্যে অন্যতম প্রবীণ ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় চিকিৎসক। তিনি সফলভাবে এমবিবিএস পাসের পর মেডিসিনে এফসিপিএস (FCPS), বক্ষব্যাধিতে ডিটিসিডি (DTCD) এবং আমেরিকা থেকে এমএসিপি (MACP) ও এফসিসিপি (FCCP) ডিগ্রি অর্জন করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জটিল ইন্টারনাল মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি রোগীদের সুচিকিৎসা দিয়ে আসছেন।
এক নজরে ডাক্তার প্রোফাইল
| তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | অধ্যাপক ডাঃ শেখ আমির হোসেন |
| বর্তমান পদবি | অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল |
| মূল বিশেষজ্ঞতা | মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ |
যোগ্যতা ও শিক্ষাগত ব্যাকগ্রাউন্ড
এমবিবিএস – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
এফসিপিএস (মেডিসিন) – ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস
ডিটিসিডি – ডিপ্লোমা ইন টিউবারকুলোসিস অ্যান্ড চেস্ট ডিজিজেস
এমএসিপি – মেম্বার অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস
এফসিসিপি (আমেরিকা) – ফেলো অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব চেস্ট ফিজিশিয়ানস
বর্তমান পদবি ও কর্মস্থল
পেশাগত পদবি: অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ
প্রতিষ্ঠান: খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়
গাউট রোগে ইউরিক এসিডজনিত ব্যথা হয়।
সিওপিডি ফুসফুসের বাতাস চলাচলে বাধা দেয়।
সেপসিস রক্তে মারাত্মক বিষাক্ত সংক্রমণ ঘটায়।
মেটাবলিক সিন্ড্রোম হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
ভিটামিনের ঘাটতি শারীরিক ক্লান্তি তৈরি করে।
হাঁপানি বা অ্যাজমা শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে।
যক্ষ্মা রোগে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
ফুসফুসে পানি জমলে পরীক্ষা প্রয়োজন হয়।
নিউমোনিয়া ফুসফুসে তীব্র প্রদাহ ঘটায়।
ডায়াবেটিসে শর্করার সঠিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
উচ্চ রক্তচাপ অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।
ইউরিক এসিড বৃদ্ধিতে জোড়ায় ব্যথা হয়।
এসিড রিফ্লাক্স পেটে জ্বালাপোড়া ঘটায়।
ক্রনিক ব্রংকাইটিস দীর্ঘস্থায়ী কাশি তৈরি করে।
অনির্ণীত জ্বরে পরীক্ষা নিরীক্ষা দরকার।
ক্লিনিকাল বিশেষজ্ঞতা ও চিকিৎসা ক্ষেত্র
গাউটি আর্থ্রাইটিস, রক্তে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড ও জোড়ার ব্যথার আধুনিক চিকিৎসা
দীর্ঘমেয়াদী সিওপিডি, ক্রনিক ব্রংকাইটিস, এমফিসেমা ও অ্যাজমার বিশেষায়িত ব্যবস্থাপনা
রক্তে বিষাক্ত সংক্রমণ বা সেপসিস প্রতিরোধ ও জরুরি মেডিকেল কেয়ার
মেটাবলিক সিন্ড্রোম, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও স্থূলতাজনিত শারীরিক জটিলতা নিরাময়
শরীরে ভিটামিন ডি, বি১২ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি নির্ণয় ও চিকিৎসা
যক্ষ্মা (টিবি), নিউমোনিয়া, প্লুরিসি ও জটিল ফুসফুসের সংক্রমণের সঠিক চিকিৎসা
বিশেষায়িত চিকিৎসা ও প্রসিডিউর
শ্বাসযন্ত্র ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা
স্পাইরোমেট্রি পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা (ABG) মূল্যায়নের মাধ্যমে ফুসফুসের রোগ নির্ণয়।
সেপসিস ও ইনফেকশন স্ক্রিনিং
রক্তের কালচার পরীক্ষা, ইনফ্লামেটরি মার্কার (ESR, CRP) এবং মেটাবলিক প্যানেল মূল্যায়নের মাধ্যমে তীব্র সংক্রমণ সনাক্তকরণ।
জয়েন্ট ও ভিটামিন ডেফিসিয়েন্সি মূল্যায়ন
ইউরিক এসিডের মাত্রা পর্যবেক্ষণ, এক্স-রে পরীক্ষা এবং রক্তে ভিটামিনের পরিমাণ পরিমাপের মাধ্যমে সঠিক থেরাপি প্রদান।
রোগভিত্তিক বিশেষ চিকিৎসা
সিওপিডি বা ফুসফুসের ব্যাধি ব্যবস্থাপনা
উপযুক্ত প্রোপার ইনহেলার থেরাপি, অক্সিজেন ব্যবহারের নির্দেশনা এবং ফুসফুসের সংক্রমণ রোধে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা পরিকল্পনা।
গাউট ও ইউরিক এসিডের চিকিৎসা
তীব্র গিঁটে ব্যথার তাতক্ষণিক উপশম এবং রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সুনির্দিষ্ট ওষুধ ও খাদ্যতালিকা নির্দেশনা।
সেপসিস কেয়ার
জরুরি ভিত্তিতে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ, রক্তের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং শারীরিক অঙ্গসমূহের সুরক্ষায় নিবিড় পর্যবেক্ষণ।
ডাক্তারের চিকিৎসাদান পদ্ধতি
অধ্যাপক ডাঃ শেখ আমির হোসেন প্রদীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে বৈজ্ঞানিক ও নিখুঁত রোগ নির্ণয় পদ্ধতিতে বিশ্বাস করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং গভীর ক্লিনিকাল জ্ঞান জটিল রোগীদের দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে।
জরুরি শারীরিক লক্ষণ
মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ মুখ বা ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত জ্বরের সাথে মানসিক বিভ্রম, কফের সাথে রক্ত আসা কিংবা তীব্র গিঁটে ব্যথায় পা ফোলা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
জরুরি বার্তা: মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, বুকে তীব্র ব্যথা, কফের সাথে রক্ত আসা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো জরুরি অবস্থায় চেম্বারের সময়ের অপেক্ষা না করে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।
সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ
ফেলো, কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (FCPS - Medicine)
ফেলো, আমেরিকান কলেজ অব চেস্ট ফিজিশিয়ানস (FCCP, USA)
মেম্বার, আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (MACP)
ডিপ্লোমাধারী, টিউবারকুলোসিস অ্যান্ড চেস্ট ডিজিজেস (DTCD)
অধ্যাপক, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ডাক্তারের কাছে আসার আগে প্রস্তুতি
১. অতীতে করা বুকের এক্স-রে, স্পাইরোমেট্রি, সিবিসি ও পূর্বের প্রেসক্রিপশনগুলো তারিখ অনুযায়ী গুছিয়ে আনুন।
২. বর্তমানে সেবন করা সব ওষুধ, বিশেষ করে ইনহেলার ও ইউরিক এসিডের ওষুধের স্ট্রিপ সাথে আনুন।
৩. মূল শারীরিক সমস্যা ও শ্বাসকষ্ট বা জ্বরের মাত্রা একটি খাতায় লিখে আনুন।
Last Modified: October 5, 2026