🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
অম

অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদ

হেপাটোলজিস্ট

এমবিবিএস (ডিএমসি), এমডি (হেপাটোলজি)
হেপাটোলজি (লিভারের রোগ, পিত্তথলি, অগ্ন্যাশয় ও জন্ডিস) বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অটোইমিউন হেপাটাইটিস, উইলসন ডিজিজ, হিমোক্রোমাটোসিস, লিভার প্রতিস্থাপন, পোর্টাল হাইপারটেনশন

🎓 অধ্যাপক (হেপাটোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ২৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

অধ্যাপক (হেপাটোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ খুলনা শহরের সেরা লিভার ও হেপাটোলজি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে অটোইমিউন হেপাটাইটিস, উইলসন রোগ, হেমাক্রোমাটোসিস এবং পোর্টাল হাইপারটেনশনের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। যকৃত, পিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস এবং জন্ডিসের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে অর্জিত এমবিবিএস এবং হেপাটোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital

📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোটা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে বিকাল ৮:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদ – খুলনার সেরা হেপাটোলজিস্ট ও লিভার বিশেষজ্ঞ

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হেপাটোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত প্রফেসর ও কনসালটেন্ট, যার ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি অটোইমিউন হেপাটাইটিস, উইলসন রোগ, হেমাক্রোমাটোসিস, লিভার প্রতিস্থাপন মূল্যায়ন এবং পোর্টাল হাইপারটেনশনের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা লিভার বিশেষজ্ঞ কিংবা হেপাটোলজিস্টের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক হেপাটোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত যকৃত পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি হেপাটোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Hepatology) অর্জন করেন, যা যকৃত, পিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস এবং জন্ডিসের জটিল চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা লিভার বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ হেপাটোলজিস্টের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার আড়াই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে অটোইমিউন হেপাটাইটিসের সুনির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপি, উইলসন রোগের কপার চেলেশন থেরাপি, হেমাক্রোমাটোসিসে আয়রন নিয়ন্ত্রণ, লিভার প্রতিস্থাপন পূর্ববর্তী মূল্যায়ন এবং পোর্টাল হাইপারটেনশনের আধুনিক ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ফিব্রোস্ক্যান (FibroScan), উচ্চ-রেজোলিউশন আপার জিআই এন্ডোস্কোপি এবং অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদ
প্রধান বিশেষজ্ঞতাহেপাটোলজি ও লিভার মেডিসিন (যকৃত রোগ)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস ও জন্ডিস কেয়ার
পদবীপ্রফেসর (হেপাটোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা২৫+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (ঢামেক) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

  • এমডি (হেপাটোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (হেপাটোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: প্রফেসর (হেপাটোলজি)

  • কর্মস্থল: হেপাটোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • অটোইমিউন হেপাটাইটিসে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ হয়।

  • উইলসন রোগে কপার দূর হয়।

  • হেমাক্রোমাটোসিসে অতিরিক্ত আয়রন কমে।

  • লিভার প্রতিস্থাপনে বিশেষ মূল্যায়ন লাগে।

  • পোর্টাল হাইপারটেনশনে রক্তচাপ বাড়ে।

  • ভাইরাল হেপাটাইটিসে অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি লাগে।

  • লিভার সিরোসিসে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

  • ফ্যাটি লিভারে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।

  • জন্ডিস মূল্যায়নে পিত্তনালীর রোগ ধরে।

  • পিত্তথলির পাথরে ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন লাগে।

  • প্যানক্রিয়াটাইটিসে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস প্রয়োজন।

  • অ্যাসাইটিসে পেটের তরল নিয়ন্ত্রণ হয়।

  • এসোফেজিয়াল ভ্যারিক্সে এন্ডোস্কোপিক লাইগেশন জরুরি।

  • হেপাটিক এনকেফালোপ্যাথিতে জরুরি চিকিৎসা লাগে।

  • ক্রনিক হেপাটাইটিসে ভাইরাস পর্যবেক্ষণ হয়।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ হেপাটোলজি, লিভার মেডিসিন এবং হেপাটোবিলিয়ারি যত্নের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • অটোইমিউন ও মেটাবলিক লিভার কেয়ার: অটোইমিউন হেপাটাইটিস, উইলসন রোগ এবং হেমাক্রোমাটোসিসের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসা।

  • পোর্টাল হাইপারটেনশন ও সিরোসিস: উন্নত যকৃতের ক্ষত, অ্যাসাইটিস নিয়ন্ত্রণ, ভ্যারিসেস স্ক্রীনিং এবং লিভার ফেইলিওর রোধে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা।

  • লিভার প্রতিস্থাপন মূল্যায়ন: লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য রোগীর উপযুক্ততা যাচাই, প্রি-ট্রান্সপ্লান্ট ওয়ার্কআপ এবং পোস্ট-ট্রান্সপ্লান্ট ফলোআপ কেয়ার।

  • জন্ডিস ও পিত্তথলির রোগ: জন্ডিসের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয়, পিত্তথলির পাথর এবং প্যানক্রিয়াসের জটিলতার আধুনিক মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ফিব্রোস্ক্যান (FibroScan) পরীক্ষা

নন-ইনভেসিভ আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির মাধ্যমে যকৃতের শক্ত হওয়া (Fibrosis) এবং চর্বি জমার মাত্রা নিখুঁতভাবে মাপা, যার জন্য কোনো বায়োপসির প্রয়োজন হয় না।

থেরাপিউটিক আপার জিআই এন্ডোস্কোপি ও ভ্যারিসিয়াল লাইগেশন

উচ্চ-রেজোলিউশন এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে খাদ্যনালীর ফোলা রক্তনালী বা ভ্যারিক্স শনাক্ত করে ব্যান্ড লাইগেশন করার মাধ্যমে মারাত্মক রক্তক্ষরণ রোধ করা।

অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার ইমেজিং

যকৃতের প্যারেনকাইমা, পোর্টাল ভেইন রক্তপ্রবাহ, পিত্তথলি ও ফোকাল লিভার লেশন মূল্যায়নের জন্য আধুনিক নন-ইনভেসিভ ইমেজিং পরীক্ষা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

অটোইমিউন হেপাটাইটিস (Autoimmune Hepatitis)

শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যকৃতের কোষ আক্রমণ করার দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ, যা সঠিক ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে থাকে।

উইলসন রোগ (Wilson Disease)

বংশগত বিপাকীয় ত্রুটির কারণে যকৃৎ ও মস্তিষ্কে অতিরিক্ত তামা বা কপার জমে যাওয়ার রোগ, যা সুনির্দিষ্ট চেলেশন থেরাপিতে ভালো হয়।

পোর্টাল হাইপারটেনশন (Portal Hypertension)

লিভার সিরোসিস বা রক্তনালীর বাধার কারণে যকৃতের প্রধান রক্তনালীতে রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়া, যা রক্তবমির ঝুঁকি তৈরি করে এবং চিকিৎসা দাবি করে।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং ফিব্রোস্ক্যান, এন্ডোস্কোপি বা ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক যকৃতের যত্ন এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: জন্ডিসের সাথে উচ্চ জ্বর, রক্তবমি বা কাল পায়খানা (মেলেনা), তীব্র পেট ব্যথা কিংবা হেপাটিক এনকেফালোপ্যাথির (মানসিক বিভ্রান্তি) লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি (BGS)

  • সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিশিয়ানস অফ বাংলাদেশ (APB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা লিভার ফাংশন টেস্ট, ভাইরাল সেরোলজি, পেটের আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান এবং ফিব্রোস্ক্যান রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে ব্যবহার করা সকল ওষুধ, ভিটামিন এবং মেডিকেল হিস্ট্রি সাথে রাখুন।

  • পেটে পানি আসা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা জন্ডিসের তীব্রতার সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 17, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

অটোইমিউন হেপাটাইটিস রোগটি কী এবং এটি কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনা করা হয়?

অটোইমিউন হেপাটাইটিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুলবশত যকৃতের সুস্থ কোষগুলোকে আক্রমণ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর চিকিৎসায় নির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধ বা কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শান্ত রাখা হয়। নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্টের মাধ্যমে যকৃতের প্রদাহ পর্যবেক্ষণ করে ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

উইলসন রোগ (Wilson Disease) নির্ণয়ে কোন পরীক্ষাসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

উইলসন রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্তে সেরুলোপ্লাজমিন (Ceruloplasmin) এর মাত্রা পরীক্ষা, ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাবে কপার নির্গমন মাপা এবং চোখের কর্নিয়ায় কেইসার-ফ্লেশার রিং (Kayser-Fleischer ring) আছে কি না তা স্লিট ল্যাম্প পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হয়। প্রয়োজনে লিভার বায়োপসি করে কপার জমার মাত্রা নিশ্চিত করা হয়। এই রোগ ধরা পড়লে কপার চেলেশন থেরাপি শুরু করা হয়।

লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন বা প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার জন্য কোন ধরনের রোগীদের বিবেচনা করা হয়?

যাঁদের লিভার সিরোসিস চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে (End-stage liver disease), যাদের তীব্র লিভার ফেইলিওর হয়েছে কিংবা লিভার ক্যানসারের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসায় কাজ হচ্ছে না, তাঁদের লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিবেচনা করা হয়। হেপাটোলজিস্ট ও ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন মিলে রোগীর সার্বিক শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে এই জটিল সিদ্ধান্তের রূপরেখা তৈরি করেন।

পোর্টাল হাইপারটেনশন রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তবমির ঝুঁকি এড়াতে কী ধরনের সতর্কতা নেওয়া উচিত?

পোর্টাল হাইপারটেনশনের কারণে খাদ্যনালীতে স্ফীত রক্তনালী বা ভ্যারিক্স তৈরি হতে পারে, যা ফেটে গিয়ে মারাত্মক রক্তবমি হতে পারে। এটি প্রতিরোধে নিয়মিত আপার জিআই এন্ডোস্কোপি করে ভ্যারিক্সের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনে ব্যান্ড লাইগেশন বা বিটা-ব্লকার ওষুধ সেবন করা হয়। এছাড়া শক্ত বা কাঁটাযুক্ত খাবার পরিহার করা উচিত।

হেমাক্রোমাটোসিস (Hemochromatosis) রোগে শরীরে অতিরিক্ত আয়রন কেন জমে এবং এর চিকিৎসা কী?

হেমাক্রোমাটোসিস একটি জিনগত রোগ যার কারণে শরীর খাদ্য থেকে অতিরিক্ত আয়রন শোষণ করে এবং তা যকৃৎ, হৃৎপিণ্ড ও অগ্ন্যাশয়ে জমা করে অঙ্গের ক্ষতি করে। এর প্রধান চিকিৎসা হলো নিয়মিত থেরাপিউটিক ফ্লেবোটমি বা রক্ত মোক্ষণ করা, যার মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত আয়রন বের করে দেওয়া হয়।

জন্ডিস দেখা দিলে প্রাথমিক পর্যায়ে কোন বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত?

জন্ডিস দেখা দিলে তা কি যকৃতের প্রদাহ (হেপাটাইটিস), পিত্তনালীর পাথর নাকি অন্য কোনো রক্তাল্পতার কারণে হয়েছে তা দ্রুত নির্ণয় করতে হবে। বিলিরুবিন পরীক্ষা, লিভার এনজাইম এবং পেটের আল্ট্রাসাউন্ড করে জন্ডিসের মূল উৎস চিহ্নিত করা জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ভেষজ বা হেপাটোটক্সিক ওষুধ খাওয়া যাবে না।

ফিব্রোস্ক্যান পরীক্ষার মাধ্যমে যকৃতের স্বাস্থ্য মূল্যায়নে কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়?

ফিব্রোস্ক্যান হলো নামক একটি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন ও নন-ইনভেসিভ পরীক্ষা যার মাধ্যমে যকৃতের ফাইব্রোসিস বা স্কার টিস্যুর মাত্রা এবং চর্বি জমার পরিমাণ নিখুঁতভাবে মাপা যায়। এর সাহায্যে বারবার সুঁই ফুটিয়ে লিভার বায়োপসি করার প্রয়োজন ছাড়াই যকৃতের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি ও রোগ নিরাময়ের অগ্রগতি সহজে ট্র্যাক করা যায়।

দীর্ঘমেয়াদী লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীদের খাদ্য তালিকায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা উচিত?

লিভারের রোগীদের খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চর্বি সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে এবং সহজে হজম হয় এমন সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি রাখতে হবে। লিভার সিরোসিস বা অ্যাসাইটিসের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রোটিন এবং পানির পরিমাণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা লিভার ফাংশন টেস্ট, ভাইরাল সেরোলজি, অটোজোমাল বা মেটাবলিক স্ক্রীনিং রিপোর্ট, পেটের আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং ফিব্রোস্ক্যান রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ও উপসর্গের সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে প্রফেসর ডা. গোলাম মাসুদ নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01999099099 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন