ডাঃ দাউদ হোসেন – কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি স্পেশালিস্ট, খুলনা
ডাঃ দাউদ হোসেন খুলনার ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউটের একজন প্রখ্যাত কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি স্পেশালিস্ট, যার অ্যানেসথেসিয়া এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারে ১০ বছরের চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি শুধুমাত্র হার্টের সার্জারিতে নিবেদিত একজন বিশেষজ্ঞ, যিনি টাইপ-এ অ্যাওর্টিক ডিসেকশন, অ্যাকিউট অ্যাওর্টিক সিনড্রোম, এন্ড-স্টেজ মিট্রাল ভালভ ডিজিজ এবং হার্ট অ্যাটাকের পর হার্ট ছিঁড়ে যাওয়ার (VSR) মতো অত্যন্ত মারাত্মক ও বিরল ইমার্জেন্সির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। যেকোনো বড় ওপেন-হার্ট সার্জারিতে হাই-রিস্ক রোগীকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্তভাবে অজ্ঞান করা এবং অপারেশন থিয়েটারে লাইফ সাপোর্ট বা বাইপাস মেশিনের মাধ্যমে মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।
প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি
ডাঃ দাউদ হোসেন সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। সার্জারির সময় রোগীর জীবন রক্ষা এবং নিবিড় পরিচর্যায় নিজেকে দক্ষ করে তুলতে তিনি অ্যানেসথেসিওলজিতে ডিপ্লোমা (DA) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি সাধারণ অ্যানেসথেসিয়া থেকে নিজেকে কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজির মতো অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগে স্থানান্তরিত করেন। এই বিশেষায়িত ক্লিনিক্যাল পথ তাকে হার্ট-লাং বাইপাস মেশিন ব্যবহার করে স্পন্দিত বা থামানো হার্টের ভেতরে সার্জারি চলাকালীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করা এবং অজ্ঞান করার অসামান্য দক্ষতা প্রদান করেছে। খুলনায় সেরা কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজিস্ট খুঁজতে গেলে সার্জন ও রোগীরা ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউটের এই বিশেষজ্ঞের ১০ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে টাইপ-এ অ্যাওর্টিক ডিসেকশনে জীবন রক্ষাকারী ডিপ হাইপোথার্মিক সার্কুলেটরি অ্যারেস্ট (DHCA) ব্যবস্থাপনা, VSR রোগীদের হার্ট ফেইলিউর ঠেকাতে বিশেষ ইনোট্রপিক সাপোর্ট, মিট্রাল ভালভ সার্জারিতে পালমোনারি হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণ এবং কার্ডিওপালমোনারি বাইপাস (CPB) ব্যবস্থাপনা। তিনি রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং ইনভেসিভ মনিটরের ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত নিরাপদ সার্জিক্যাল ও লাইফ সাপোর্ট পরিকল্পনা তৈরি করেন।
এক নজরে প্রোফাইল
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ দাউদ হোসেন |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কার্ডিওভাস্কুলার ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও বাইপাস (CPB) ব্যবস্থাপনা |
| পদবী | কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি স্পেশালিস্ট |
| কর্মস্থল | ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউট, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
যোগ্যতা ও শিক্ষা
পদবী ও কর্মস্থল
পদবী: কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি স্পেশালিস্ট
কর্মস্থল: অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগ, ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউট, খুলনা
যে সকল রোগের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা করা হয়
টাইপ-এ অ্যাওর্টিক ডিসেকশনে (মহাধমনী ছিঁড়ে যাওয়া) অত্যন্ত সূক্ষ্ম অ্যানেসথেসিয়া ও ব্রেইন সুরক্ষিত রাখা (DHCA)।
অ্যাকিউট অ্যাওর্টিক সিনড্রোমে রক্তনালী ফেটে যাওয়া রোধে ইমার্জেন্সি ভিত্তিতে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ।
পোস্ট-ইনফার্কশন ভিএসআর-এ (VSR - হার্ট ছিঁড়ে যাওয়া) কার্ডিওজেনিক শক ঠেকাতে কড়া ওষুধ ও IABP সাপোর্ট।
সিভিয়ার মিট্রাল ভালভ ডিজিজে ফুসফুসের অতিরিক্ত প্রেসার (Pulmonary Hypertension) নিয়ন্ত্রণ করে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া।
করোনারি আর্টারি ডিজিজে (ব্লক) বাইপাস সার্জারির (CABG) সময় হার্টের পেশীকে সুরক্ষিত রাখা।
এএসডি/ভিএসডি (হার্টের ছিদ্র) সার্জারিতে শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের নিরাপদ অ্যানেসথেসিয়া প্রটোকল।
কার্ডিয়াক ট্যাম্পোনেডে (হার্টের চারপাশে পানি জমে হার্ট চেপে ধরা) হার্ট ফেইলিউর রোধে ইমার্জেন্সি অ্যানেসথেসিয়া।
পোস্ট-অপারেটিভ কার্ডিওজেনিক শকে আইসিইউ (ICU)-তে নিবিড় পরিচর্যা ও ভেন্টিলেটর সাপোর্ট।
ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র
অ্যাডভান্সড কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিয়া: ওপেন-হার্ট সার্জারিতে হার্ট যখন সম্পূর্ণ থামানো থাকে এবং সার্জন যখন হার্ট মেরামত করেন, তখন সেই দীর্ঘ সময়ে রোগীর ব্লাড প্রেসার ও হার্টবিট ঠিক রেখে সম্পূর্ণ নিরাপদে অজ্ঞান করে রাখা।
কার্ডিওপালমোনারি বাইপাস (CPB) ব্যবস্থাপনা: পারফিউশনিস্টের সাথে সমন্বয় করে রোগীর রক্তকে হার্ট-লাং মেশিনে পাঠানো, রক্তে অক্সিজেন মেশানো এবং সার্জারি শেষে অত্যন্ত সাবধানে রোগীর নিজের হার্টকে আবার চালু (Wean off) করা।
ইন্ট্রাঅপারেটিভ হেমোডায়নামিক রিসাসিটেশন: অপারেশন থিয়েটারে হঠাৎ রোগীর হার্ট ফেইলিউর হলে বা ভয়াবহ ব্লাড প্রেসার ফল করলে মুহূর্তের মধ্যে সঠিক ওষুধ দিয়ে রোগীর জীবন বাঁচানো।
অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ
টাইপ-এ অ্যাওর্টিক ডিসেকশন ও DHCA ব্যবস্থাপনা
সার্জন যখন ব্রেইনের কাছাকাছি ছিঁড়ে যাওয়া মহাধমনী (Aorta) মেরামত করেন, তখন অনেক সময় হার্ট-লাং মেশিনটিও বন্ধ রাখতে হয়, যাকে 'ডিপ হাইপোথার্মিক সার্কুলেটরি অ্যারেস্ট' (DHCA) বলে। সাধারণ অবস্থায় অক্সিজেন ছাড়া ব্রেইন কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যায়। ডাঃ হোসেন বিশেষ অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে কমিয়ে ১৮° সেলসিয়াসে (৬৪° ফারেনহাইট) নিয়ে আসেন। এই প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে ব্রেইন সুরক্ষিত থাকে এবং সার্জন রক্তবিহীন অবস্থায় নিরাপদে রক্তনালী পরিবর্তন করতে পারেন।
পোস্ট-ইনফার্কশন VSR-এ ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ
বড় হার্ট অ্যাটাকের পর যখন হার্টের মৃত পেশী ছিঁড়ে যায় (VSR), তখন রোগীর হার্ট পাম্প করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ব্লাড প্রেসার মারাত্মকভাবে কমে যায়। এই মুমূর্ষু রোগীকে অজ্ঞান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ অজ্ঞান করার ওষুধ ব্লাড প্রেসার আরও কমিয়ে দেয়। ডাঃ হোসেন ধমনীর ভেতরে বিশেষ মনিটর (Arterial line) বসিয়ে সেকেন্ডে সেকেন্ডে প্রেসার মাপেন এবং অত্যন্ত কড়া হার্ট সচল রাখার ওষুধ (Inotropes) দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখেন, যাতে সার্জন হার্টের গর্তটি বন্ধ করতে পারেন।
সিভিয়ার মিট্রাল ভালভ সার্জারি অপ্টিমাইজেশন
যাদের মিট্রাল ভালভ মারাত্মকভাবে নষ্ট হয়ে যায়, তাদের ফুসফুসের রক্তনালীতে ব্লাড প্রেসার অনেক বেড়ে যায় (Pulmonary Hypertension)। ওপেন-হার্ট সার্জারির পর এই প্রেসারের কারণে হার্টের ডান দিক পাম্প করতে খুব কষ্ট পায়। ডাঃ হোসেন পালমোনারি আর্টারি ক্যাথেটার নামক বিশেষ তারের মাধ্যমে ফুসফুসের প্রেসার মাপেন এবং নির্দিষ্ট ইনজেকশন বা গ্যাস দিয়ে ফুসফুসের রক্তনালীগুলোকে রিলাক্স করেন, যাতে নতুন ভালভ বসানোর পর হার্ট ঠিকমতো কাজ করতে পারে।
কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা
টাইপ-এ অ্যাওর্টিক ডিসেকশন
এটি হার্ট থেকে বের হওয়া প্রধান রক্তনালীর (মহাধমনী) ভেতরের স্তর ছিঁড়ে যাওয়া। এটি একটি চরম ইমার্জেন্সি। অপারেশন ছাড়া প্রতি ঘণ্টা পার হওয়ার সাথে সাথে মৃত্যুর ঝুঁকি ১-২% করে বাড়তে থাকে। একজন অ্যানেসথেসিওলজিস্টের জন্য এটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ডাঃ হোসেনকে অত্যন্ত দ্রুত এমনভাবে ব্লাড প্রেসার কমাতে হয় যাতে রক্তনালীটি পুরোপুরি ফেটে না যায়, আবার প্রেসার এতটাও কমানো যায় না যাতে ব্রেইন বা কিডনি রক্ত না পেয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
অ্যাকিউট অ্যাওর্টিক সিনড্রোম (AAS)
এটি মহাধমনীর বিভিন্ন প্রাণঘাতী ইমার্জেন্সির (যেমন ডিসেকশন বা হেমাটোমা) একটি সম্মিলিত রূপ। রোগী বুকে ও পিঠে অবর্ণনীয় তীব্র ব্যথা নিয়ে ইমার্জেন্সিতে আসেন। একজন কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজিস্ট হিসেবে ডাঃ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে শক্তিশালী ব্যথানাশক এবং দ্রুত কাজ করা ব্লাড প্রেসার কমানোর ওষুধ (যেমন Esmolol) ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করেন, যাতে রক্তনালীর দেয়ালের ওপর রক্তের ধাক্কা কমে যায় এবং রক্তনালীটি সুরক্ষিত থাকে।
পোস্ট-ইনফার্কশন ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল রাপচার (VSR)
মারাত্মক হার্ট অ্যাটাকের পর হার্টের যে পেশীটি অক্সিজেন পায় না তা মরে গিয়ে নরম হয়ে যায়। কয়েকদিনের মধ্যে রক্তের চাপে এই মরা পেশীটি ছিঁড়ে গিয়ে হার্টের দুই চেম্বারের মাঝে বড় গর্ত (VSR) তৈরি করে। এর ফলে রোগী কার্ডিওজেনিক শকে চলে যান। এই অবস্থায় রোগীকে অজ্ঞান করার আগে এবং সার্জারির সময় ডাঃ হোসেন ইন্ট্রা-অ্যাওর্টিক বেলুন পাম্প (IABP) নামক একটি মেশিনের সাহায্যে রোগীর হার্টকে সাপোর্ট দেন।
ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি
ডাঃ দাউদ হোসেন তার ১০ বছরের দীর্ঘ ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে অপারেশন থিয়েটারে বিন্দুমাত্র ভুলের সুযোগ না থাকা অবস্থায় চমৎকার সাফল্য নিশ্চিত করেন। তার লক্ষ্য থাকে সার্জারির আগেই রোগীর ঝুঁকিগুলো নিখুঁতভাবে মূল্যায়ন করা, বাইপাস মেশিন থেকে রোগীকে ছাড়ানোর সময় যেকোনো হার্ট বা প্রেসারের ওঠানামা সেকেন্ডের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা, এবং কার্ডিয়াক সার্জন ও পারফিউশনিস্টদের সাথে চমৎকার টিমওয়ার্কের মাধ্যমে রোগীর জীবন রক্ষা করা।
বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী
জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগী হঠাৎ বুকে এমন ভয়ংকর তীব্র ব্যথা অনুভব করেন যা মনে হয় বুক চিরে পিঠে চলে যাচ্ছে (মহাধমনী ছিঁড়ে যাওয়ার লক্ষণ), বড় হার্ট অ্যাটাক হওয়া কোনো রোগীর হঠাৎ করে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং ব্লাড প্রেসার শূন্যের কোঠায় নেমে যায় (হার্ট ছিঁড়ে যাওয়া বা VSR-এর লক্ষণ), অথবা ভালভের সমস্যা থাকা কোনো রোগী শুয়ে থাকলে তীব্র শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ইমার্জেন্সি কার্ডিয়াক সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।
সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেসথেসিওলজিস্টস (BSA)
কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিওলজি স্পেশালিস্ট, ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউট
রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি
সার্জারির জন্য অত্যন্ত জরুরি: হাসপাতাল থেকে দেওয়া "NPO" (খালি পেট) নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলবেন। সার্জারির আগে নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টা কোনোভাবেই কোনো খাবার বা পানি খাওয়া যাবে না।
পূর্বের করা যেকোনো ইকোকার্ডিওগ্রাম (Echo), সিটি এনজিওগ্রাম এবং ইসিজি (ECG) রিপোর্ট সাথে আনুন। এই ফিল্মগুলো দেখেই অ্যানেসথেসিওলজিস্ট আপনার হার্টের অবস্থা বুঝে অজ্ঞান করার পরিকল্পনা করেন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, বিশেষ করে ব্লাড প্রেসারের ওষুধ, রক্ত পাতলা করার ওষুধ (যেমন Warfarin, Aspirin) বা হার্ট ফেইলিউরের ওষুধ।
'প্রি-অ্যানেসথেটিক চেকআপ' (PAC) এর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন, যেখানে ডাঃ হোসেন আপনার শ্বাস নেওয়ার রাস্তা, ফুসফুস এবং শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে দেখবেন।
Last Modified: October 29, 2026