ডাঃ মোঃ আশিকুজ্জামান – খুলনার সেরা হেমাটোলজিস্ট ও ব্লাড ক্যানসার বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মোঃ আশিকুজ্জামান খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হেমাটোলজি এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট, যার রক্তরোগ ও ব্লাড ক্যানসার চিকিৎসায় ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পিএনএইচ (PNH), টিটিপি (TTP), অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, এইচএলএইচ (HLH) এবং এমডিএস (MDS)-এর মতো অত্যন্ত মারাত্মক ও বিরল রক্তরোগের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং অস্থিমজ্জার যেকোনো জটিল অবস্থায় তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।
প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি
ডাঃ মোঃ আশিকুজ্জামান সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। রক্তরোগ চিকিৎসায় তার গভীর প্রতিশ্রুতির প্রমাণস্বরূপ তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং হেমাটোলজিতে দেশের সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Hematology) সম্পন্ন করেন। রোগ নির্ণয়ে শতভাগ নিখুঁত হওয়ার জন্য তিনি ভারত থেকে 'ফ্লোসাইটোমেট্রি' (Flowcytometry)-এর ওপর বিশেষ উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, যা তাকে মাইক্রোস্কোপিক লেভেলে ব্লাড ক্যানসার ও বিরল জেনেটিক ত্রুটি (যেমন PNH) শনাক্ত করতে অসামান্য দক্ষতা দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের (BMT) ওপরও বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। খুলনায় সেরা হেমাটোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা দেশের শীর্ষ সরকারি হাসপাতাল খুলনা মেডিকেল কলেজের এই বিশেষজ্ঞের ১৩ বছরের দীর্ঘ ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার জন্য ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপি (IST), TTP-এর জন্য ইমার্জেন্সি প্লাজমা এক্সচেঞ্জ (Plasmapheresis), PNH-এর জন্য টার্গেটেড থেরাপি, HLH-এর জন্য ইমিউনোকেমোথেরাপি এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট। তিনি বোন ম্যারো পরীক্ষা, ফ্লোসাইটোমেট্রি বিশ্লেষণ এবং সাইটোজেনেটিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত ও নির্ভুল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।
এক নজরে প্রোফাইল
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ মোঃ আশিকুজ্জামান |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | হেমাটোলজি (রক্তরোগ ও ব্লাড ক্যানসার) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ও অ্যাডভান্সড ফ্লোসাইটোমেট্রি |
| পদবী | কনসালটেন্ট, হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগ |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১৩+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
যোগ্যতা ও শিক্ষা
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (হেমাটোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (হেমাটোলজি)
অ্যাডভান্সড ট্রেনিং – ফ্লোসাইটোমেট্রি (Flowcytometry), ভারত
বিশেষ প্রশিক্ষণ – বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন (BMT)
পদবী ও কর্মস্থল
পদবী: কনসালটেন্ট, হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগ
কর্মস্থল: খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
যে সকল রক্তরোগের চিকিৎসা করা হয়
প্যারোক্সিসমাল নকচারনাল হিমোগ্লোবিনুরিয়ায় (PNH) টার্গেটেড কমপ্লিমেন্ট ইনহিবিটর ও নিবিড় মনিটরিং।
থ্রম্বোটিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরায় (TTP) জীবন রক্ষাকারী ইমার্জেন্সি প্লাজমা এক্সচেঞ্জ।
অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় (রক্ত তৈরি বন্ধ হওয়া) ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট।
হিমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিসে (HLH) ইমিউন সিস্টেম দমাতে জরুরি কেমোথেরাপি।
মাইলোডিসপ্লাস্টিক সিনড্রোমে (MDS) ব্লাড ক্যানসারে রূপ নেওয়া ঠেকাতে বিশেষ টার্গেটেড থেরাপি।
অ্যাকিউট লিউকেমিয়ায় (ব্লাড ক্যানসার - AML/ALL) কড়া কেমোথেরাপি ও ফ্লোসাইটোমেট্রি মনিটরিং।
ক্রনিক লিউকেমিয়ায় (CML/CLL) টার্গেটেড টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর।
লিম্ফোমায় (লসিকা গ্রন্থির ক্যানসার) সিস্টেমিক ইমিউনোকেমোথেরাপি।
মাল্টিপল মায়েলোমায় (অস্থিমজ্জার ক্যানসার) বিশেষ ওষুধ ও স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট মূল্যায়ন।
থ্যালাসেমিয়ায় নিয়মিত রক্ত প্রদান ও আয়রন কমানোর (Chelation) চিকিৎসা।
হিমোফিলিয়ায় ফ্যাক্টর রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ও রক্তপাত বন্ধের চিকিৎসা।
ইমিউন থ্রম্বোসাইটোপেনিয়ায় (ITP) স্টেরয়েড, টার্গেটেড বায়োলজিক্স বা প্লীহা অপারেশনের পরামর্শ।
ডিভিটি (DVT - রক্ত জমাট বাঁধা) ও পালমোনারি এমবোলিজমে রক্ত পাতলা করার উন্নত চিকিৎসা।
ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র
বোন ম্যারো ফেইলিউর ও বিরল রক্তরোগ: অস্থিমজ্জা যখন রক্ত তৈরি করা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় (অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, MDS) অথবা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই যখন রক্ত ভেঙে দেয় (PNH), তার অত্যন্ত নিবিড় চিকিৎসা।
হেমাটোলজিক ইমার্জেন্সি (TTP ও HLH): এমন ভয়ংকর অবস্থা যেখানে রক্তকণিকাগুলো কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ধ্বংস হয়ে রোগীর মাল্টি-অর্গান ফেইলিউর করে দেয়, তার দ্রুত ও জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাপনা।
অ্যাডভান্সড হেমাটোপ্যাথলজি (ফ্লোসাইটোমেট্রি): ভারতের বিশেষ প্রশিক্ষণের সাহায্যে কোষের আণুবীক্ষণিক প্রোটিন বিশ্লেষণ করে জটিল ব্লাড ক্যানসার এবং বিরল জিনগত রক্তরোগ শতভাগ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা।
অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ
ফ্লোসাইটোমেট্রি (Flow Cytometry) বিশ্লেষণ
এটি লেজারের সাহায্যে কোষ পরীক্ষার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। ডাঃ আশিকুজ্জামান ভারত থেকে প্রাপ্ত বিশেষ প্রশিক্ষণের সাহায্যে এই জটিল রিপোর্টগুলো বিশ্লেষণ করেন। এর মাধ্যমে তিনি PNH রোগের ক্ষেত্রে লোহিত রক্তকণিকার গায়ে সুরক্ষামূলক প্রোটিনের (CD55 ও CD59) অভাব নিখুঁতভাবে শনাক্ত করেন এবং ব্লাড ক্যানসারের (লিউকেমিয়া) সঠিক ধরন নির্ণয় করে পারফেক্ট কেমোথেরাপি নির্ধারণ করেন।
বোন ম্যারো অ্যাসপিরেশন ও বায়োপসি
ব্লাড ক্যানসার বা অস্থিমজ্জার রোগ নির্ণয়ের এটি সবচেয়ে প্রধান পরীক্ষা। লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে কোমরের হাড় থেকে একটি বিশেষ সুঁইয়ের মাধ্যমে অস্থিমজ্জার রস এবং হাড়ের একটি ছোট টুকরো বের করে আনা হয়। এটি পরীক্ষা করে তিনি নিশ্চিত হন যে অস্থিমজ্জা কি পুরোপুরি খালি হয়ে গেছে (অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া) নাকি ক্যানসার কোষে ভরে গেছে (MDS/লিউকেমিয়া)।
থেরাপিউটিক প্লাজমা এক্সচেঞ্জ (TPE) বা প্লাজমাফেরেসিস
TTP রোগীদের রক্তে একটি বিশেষ এনজাইম (ADAMTS13) না থাকার কারণে পুরো শরীরে অসংখ্য ছোট ছোট রক্তের দলা (Clot) তৈরি হয়, যা একটি প্রাণঘাতী ইমার্জেন্সি। ডাঃ আশিকুজ্জামান অবিলম্বে প্লাজমা এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা করেন। একটি মেশিনের মাধ্যমে রোগীর রক্ত ফিল্টার করে ক্ষতিকর অ্যান্টিবডিগুলো বের করে দেওয়া হয় এবং ডোনারের ফ্রেশ প্লাজমা দিয়ে ঘাটতি পূরণ করা হয়।
কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা
প্যারোক্সিসমাল নকচারনাল হিমোগ্লোবিনুরিয়া (PNH)
এটি রক্তের একটি অত্যন্ত বিরল ও জেনেটিক রোগ। অস্থিমজ্জার স্টেম সেলে মিউটেশন হওয়ার কারণে লোহিত রক্তকণিকাগুলো তাদের গায়ে 'রক্ষাকবচ বা শিল্ড' ছাড়াই তৈরি হয়। ফলে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম) ভুল করে এই রক্তকণিকাগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। রোগীর মারাত্মক ক্লান্তি হয়, সকালে প্রস্রাবের রঙ কালচে (কোলার মতো) হয় এবং শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার তীব্র ঝুঁকি থাকে।
থ্রম্বোটিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা (TTP)
এটি একটি অত্যন্ত ভয়ংকর ও জীবনঘাতী রোগ। পুরো শরীরের ছোট ছোট রক্তনালীতে অসংখ্য রক্তের দলা তৈরি হয়। এই দলাগুলো প্লাটিলেট খেয়ে ফেলে (প্লাটিলেট মারাত্মক কমে যায়) এবং লোহিত রক্তকণিকাগুলোকে কেটে টুকরো টুকরো করে দেয়। রোগীর জ্বর আসে, ব্রেইনে দলা যাওয়ার কারণে আবলতাবল বকে এবং ত্বকে লালচে ছোট ছোট বিন্দু (Petechiae) দেখা দেয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্লাজমা এক্সচেঞ্জ না করলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য।
হিমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস (HLH)
এটি ইমিউন সিস্টেমের একটি অতি-সক্রিয় এবং দ্রুত প্রাণঘাতী সিনড্রোম। ইমিউন সিস্টেম হঠাৎ পাগলের মতো আচরণ শুরু করে। ম্যাক্রোফেজ নামক বিশেষ কোষগুলো রোগজীবাণু মারার বদলে রোগীর নিজের সুস্থ লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লাটিলেটগুলোকে গিলে খেতে (Phagocytosis) শুরু করে। রোগীর একটানা তীব্র জ্বর থাকে, প্লীহা (Spleen) বিশাল বড় হয়ে যায় এবং দ্রুত লিভার অকেজো হয়ে যায়। ইমিউন সিস্টেম দমাতে কড়া কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয়।
ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি
ডাঃ মোঃ আশিকুজ্জামান তার ১৩ বছরের দীর্ঘ ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে রক্তরোগের চরম ইমার্জেন্সি অবস্থাগুলো অত্যন্ত দ্রুত শনাক্ত করার ওপর জোর দেন। তার লক্ষ্য থাকে ফ্লোসাইটোমেট্রির মাধ্যমে দ্রুত নির্ভুল ডায়াগনোসিস করা, অস্থিমজ্জা বিকল হওয়ার ক্ষেত্রে কালবিলম্ব না করে কড়া ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা শুরু করা এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মতো একটি ভয়ংকর ও মানসিক চাপযুক্ত যাত্রায় রোগী ও তার পরিবারকে সহানুভূতিশীল নির্দেশনা প্রদান করা।
বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী
জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগীর হঠাৎ জ্বর আসে, আবলতাবল বকতে শুরু করে এবং সারা শরীরে ছোট ছোট লাল বা বেগুনি বিন্দু (Petechiae) দেখা দেয় (TTP এর লক্ষণ), ব্লাড ক্যানসার বা অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (১০০.৪° ফারেনহাইটের ওপরে) আসে (ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া), অথবা হঠাৎ করে হাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয় ও অকারণে শরীরে বড় বড় কালশিটে দাগ পড়ে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
কনসালটেন্ট, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার
সদস্য, হেমাটোলজি সোসাইটি অফ বাংলাদেশ
রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি
পূর্বের করা যেকোনো কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC), পেরিফেরাল ব্লাড স্মিয়ার, বোন ম্যারো বায়োপসি রিপোর্ট এবং ফ্লোসাইটোমেট্রি রিপোর্ট সাথে আনুন।
রক্তশূন্যতার জন্য অত্যন্ত জরুরি: সম্প্রতি যদি শরীরে রক্ত বা প্লাটিলেট দেওয়া হয়ে থাকে, তবে কত ব্যাগ এবং কবে দেওয়া হয়েছে তার সঠিক রেকর্ড সাথে আনবেন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, বিশেষ করে আয়রনের ওষুধ, রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা ইমিউনোসাপ্রেস্যান্ট।
অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বারবার জ্বর আসা বা সকালে কালচে প্রস্রাবের বিষয়গুলো ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।
Last Modified: October 28, 2026