🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
তঘ

তন্বিতা ঘোষ ✔ যাচাইকৃত

সাইকিয়াট্রিস্ট

এমএসসি (মনোবিজ্ঞান), সাইকোথেরাপি (বিএমইউ), নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট (বিএমইউ)
মনোবিজ্ঞানী, সাইকোথেরাপিস্ট ও আসক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ (অ্যাডিকশন প্রফেশনাল)
অ্যাডিকশন প্রফেশনাল
ইউনিভার্সাল ট্রিটমেন্ট কারিকুলাম, ডিএনসি (DNC)

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: এক্সপোজার থেরাপি, আই মুভমেন্ট থেরাপি, ইমোশন-ফোকাসড থেরাপি, ইন্টারপার্সোনাল থেরাপি, ন্যারেটিভ থেরাপি

🎓 সিনিয়র সহকারী ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট

🏛️ বাংলাদেশ সাইকোথেরাপি অ্যান্ড কাউন্সেলিং সোসাইটি

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সিনিয়র সহকারী ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট — বাংলাদেশ সাইকোথেরাপি অ্যান্ড কাউন্সেলিং সোসাইটি

তন্বিতা ঘোষ খুলনা শহরের সেরা সাইকোলজিস্ট (মনোবিজ্ঞানী) এবং সাইকোথেরাপিস্ট হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা অ্যাডিকশন প্রফেশনাল (মাদকাসক্তি বিশেষজ্ঞ) ও সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে এক্সপোজার থেরাপি, ইএমডিআর (EMDR), এবং ইমোশন-ফোকাসড থেরাপির বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ইন্টারপার্সোনাল থেরাপি, ন্যারেটিভ থেরাপি এবং মানসিক আবেগ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন এবং বিজ্ঞানসম্মত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রোগীদের মানসিক সুস্থতা এবং আসক্তি থেকে মুক্তি নিশ্চিত করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা (প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার)

💳 Consultation fee: ৳2,000

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

তন্বিতা ঘোষ – খুলনার সেরা সাইকোলজিস্ট ও অ্যাডিকশন এক্সপার্ট 

তন্বিতা ঘোষ একজন প্রখ্যাত সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট এবং অ্যাডিকশন প্রফেশনাল, যার মানসিক স্বাস্থ্য ও কাউন্সেলিংয়ে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এক্সপোজার থেরাপি, আই মুভমেন্ট বা ইএমডিআর (EMDR), ইমোশন-ফোকাসড থেরাপি, ইন্টারপার্সোনাল থেরাপি এবং ন্যারেটিভ থেরাপি-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। মানসিক স্বাস্থ্যের সঠিক মূল্যায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক থেরাপির মাধ্যমে রোগীদের ট্রমা বা মানসিক আঘাত এবং মাদকাসক্তি থেকে সুস্থতা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

তন্বিতা ঘোষ সাইকোলজিতে (মনোবিজ্ঞান) সফলতার সাথে এমএসসি (MSc) ডিগ্রি অর্জন করেন। মানসিক থেরাপিতে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে তিনি BMU থেকে সাইকোথেরাপি এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপির ওপর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। মাদকাসক্তি নিরাময়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC) অনুমোদিত ইউনিভার্সাল ট্রিটমেন্ট কারিকুলাম (UTC) সম্পন্ন করেন এবং একজন সার্টিফাইড অ্যাডিকশন প্রফেশনাল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। খুলনায় সেরা সাইকোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার দীর্ঘ এক দশকের অভিজ্ঞতা এবং মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে EMDR এবং এক্সপোজার থেরাপির মাধ্যমে মানসিক ট্রমা দূর করা, ইমোশন-ফোকাসড থেরাপির মাধ্যমে ভেতরের জমানো কষ্ট নিরসন, ইন্টারপার্সোনাল থেরাপির সাহায্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন ঠিক করা এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মাদকাসক্তি থেকে রোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। তিনি বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল ইন্টারভিউ এবং সাইকোমেট্রিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল থেরাপি পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামতন্বিতা ঘোষ
প্রধান বিশেষজ্ঞতাসাইকোলজি (মনোবিজ্ঞান) ও সাইকোথেরাপি
উপ-বিশেষজ্ঞতাঅ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপি
পদবীসিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং সাধারণ সম্পাদক
কর্মস্থলবিশেষায়িত মানসিক স্বাস্থ্য ক্লিনিক, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমএসসি (সাইকোলজি) – মাস্টার অব সায়েন্স ইন সাইকোলজি

  • সাইকোথেরাপি (BMU) – সার্টিফাইড সাইকোথেরাপিস্ট

  • নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট (BMU) – সার্টিফাইড নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট

  • অ্যাডিকশন প্রফেশনাল (UTC, DNC) – ইউনিভার্সাল ট্রিটমেন্ট কারিকুলাম (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনুমোদিত)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং সাধারণ সম্পাদক

  • কর্মস্থল: সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট হিসেবে খুলনায় কর্মরত

যে সকল মানসিক সমস্যার চিকিৎসা করা হয়

  • পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারে (PTSD) EMDR এবং এক্সপোজার থেরাপি।

  • মাদকাসক্তি ও নেশা নিরাময়ে বিজ্ঞানসম্মত UTC প্রটোকল।

  • তীব্র ফোবিয়া (ভীতি) ও প্যানিক ডিসঅর্ডারে এক্সপোজার থেরাপি।

  • বিষণ্ণতায় (Depression) ইন্টারপার্সোনাল ও ইমোশন-ফোকাসড থেরাপি।

  • দাম্পত্য ও সম্পর্কের দ্বন্দ্বে ইন্টারপার্সোনাল সাইকোথেরাপি।

  • শৈশবের ট্রমা এবং আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ন্যারেটিভ থেরাপি।

  • অটিজম বা নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল সমস্যায় বিশেষ বিহেভিয়ারাল থেরাপি।

  • দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ (Anxiety) কমাতে কগনিটিভ রিস্ট্রাকচারিং।

  • আবেগ নিয়ন্ত্রণের (Emotion dysregulation) অভাবে বিশেষ থেরাপি।

  • প্রিয়জন হারানোর শোকে (Grief) মানসিক সাপোর্টিভ কাউন্সেলিং।

  • সামাজিক ভীতি (Social anxiety) দূর করতে সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিং।

  • রাগ নিয়ন্ত্রণের (Anger management) সমস্যায় ইমপালস কন্ট্রোল থেরাপি।

  • আত্মবিশ্বাসের অভাবে ন্যারেটিভ রিফ্রেমিং ও সেলফ-কম্প্যাশন ট্রেনিং।

  • ইন্টারনেট বা গেমিং আসক্তি দূর করতে বিহেভিয়ারাল মডিফিকেশন।

  • জীবনের নতুন পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে (Adjustment) বিশেষ থেরাপি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • ট্রমা ও অ্যাংজাইটি সাইকোথেরাপি: ভয়ংকর কোনো স্মৃতি বা ট্রমার মানসিক কষ্ট দূর করতে এবং ফোবিয়া কাটাতে আই মুভমেন্ট (EMDR) এবং এক্সপোজার থেরাপির নিখুঁত ব্যবহার।

  • মাদকাসক্তি ও রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সেলিং: আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইউনিভার্সাল ট্রিটমেন্ট কারিকুলাম (UTC) ব্যবহার করে রাসায়নিক (মাদক) এবং আচরণগত (গেমিং) আসক্তি থেকে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মুক্তির চিকিৎসা।

  • ইমোশন-ফোকাসড ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল কেয়ার: মানুষের অবদমিত আবেগ খুঁজে বের করা এবং স্নায়ুবিক বা বিকাশজনিত সমস্যার (যেমন অটিজম) জন্য কাঠামোগত থেরাপি প্রদান।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

এক্সপোজার ও আই মুভমেন্ট (EMDR) থেরাপি

আই মুভমেন্ট ডিসেনসিটাইজেশন অ্যান্ড রিপ্রসেসিং (EMDR) হলো ট্রমা বা মানসিক আঘাত দূর করার একটি যুগান্তকারী থেরাপি। এতে থেরাপিস্ট চোখের নির্দিষ্ট নড়াচড়ার মাধ্যমে রোগীর মস্তিষ্কে আটকে থাকা ভয়ংকর স্মৃতিগুলোকে নতুনভাবে প্রসেস করেন। এর সাথে এক্সপোজার থেরাপি ব্যবহার করে রোগীকে অত্যন্ত নিরাপদ পরিবেশে তার ভয়ের সম্মুখীন করানো হয়, ফলে অযৌক্তিক ভীতি চিরতরে দূর হয়ে যায়।

ইমোশন-ফোকাসড থেরাপি (EFT)

এই থেরাপিতে রোগীর ভেতরের লুকিয়ে থাকা বা অবদমিত আবেগগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এটি শুধু রোগীর চিন্তাধারা পরিবর্তন করে না, বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে অপূর্ণ মানসিক চাহিদাগুলো (যেমন নিরাপত্তা বা ভালোবাসার অভাব) থাকে, সেগুলো চিহ্নিত করে তা সঠিকভাবে প্রকাশ করতে শেখায়। দাম্পত্য কলহ নিরসনে এটি দারুণ কাজ করে।

ন্যারেটিভ থেরাপি ও ইন্টারপার্সোনাল থেরাপি

ন্যারেটিভ থেরাপিতে রোগীকে তার 'সমস্যা' থেকে আলাদা করে দেখা হয় ("মানুষটি সমস্যা নয়, সমস্যাটিই হলো সমস্যা")। এর মাধ্যমে রোগীকে তার জীবনের গল্পটি ইতিবাচকভাবে নতুন করে সাজাতে সাহায্য করা হয়। অন্যদিকে ইন্টারপার্সোনাল থেরাপি মূলত রোগীর চারপাশের মানুষের সাথে সম্পর্ক ও যোগাযোগ উন্নত করার ওপর জোর দেয়, যা ডিপ্রেশন কমাতে খুব কার্যকরী।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

মাদকাসক্তি ও রিলেপস (Relapse)

আধুনিক বিজ্ঞান মাদকাসক্তিকে কোনো নৈতিক স্খলন নয়, বরং মস্তিষ্কের একটি রোগ হিসেবে বিবেচনা করে। তন্বিতা ঘোষ UTC গাইডলাইন ব্যবহার করে রোগীর আসক্তির পেছনের মানসিক কারণগুলো (Triggers) খুঁজে বের করেন। এই থেরাপির মূল লক্ষ্য থাকে রোগীকে এমন মানসিক কৌশল শেখানো যাতে তিনি সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় আবার নেশায় জড়িয়ে না পড়েন (Relapse prevention)।

পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (PTSD)

কোনো ভয়ংকর বা মর্মান্তিক ঘটনার (যেমন দুর্ঘটনা, নির্যাতন) শিকার হলে বা তা চোখের সামনে দেখলে এই রোগ হয়। রোগী বারবার সেই ঘটনার ফ্ল্যাশব্যাক দেখেন এবং দুঃস্বপ্নে চমকে ওঠেন। EMDR থেরাপির মাধ্যমে মস্তিষ্কে আটকে থাকা এই ভয়ংকর স্মৃতির তীব্রতা কমিয়ে আনা হয়, যাতে রোগী ঘটনাটি মনে করলেও আগের মতো প্যানিক বা আতঙ্ক অনুভব না করেন।

নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল সমস্যা

মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা (যেমন অটিজম বা লার্নিং ডিজেবিলিটি) মানুষের স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা এবং সামাজিক যোগাযোগকে ব্যাহত করে। একজন নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট হিসেবে তিনি বিশেষ থেরাপির মাধ্যমে এই রোগীদের নিজের কাজ নিজে করা শিখতে, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সমাজের সাথে মানিয়ে চলতে সাহায্য করেন।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

 তন্বিতা ঘোষ অত্যন্ত সহানুভূতি ও মনোযোগের সাথে রোগীর কথা শোনেন। তিনি কোনো ধরনের জাজমেন্ট ছাড়াই রোগীর জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেন। ট্রমা বা আসক্তি দূর করার জন্য তিনি EMDR বা UTC এর মতো আধুনিক বৈজ্ঞানিক টুলস ব্যবহার করেন, যাতে রোগী কেবল অতীত থেকে মুক্তিই পান না, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলারও শক্তি অর্জন করেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগী আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে বা প্রকাশ করে, মাদক ছাড়ার পর মারাত্মক শারীরিক কষ্ট বা খিঁচুনি শুরু হয়, বাস্তব জগত থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (হ্যালুসিনেশন বা সাইকোসিস), অথবা নিজেকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ইমার্জেন্সি সাইকিয়াট্রিস্ট বা হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • রেজিস্টার্ড সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট

  • সার্টিফাইড অ্যাডিকশন প্রফেশনাল (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর - DNC)

  • সদস্য, প্রফেশনাল সাইকোলজিক্যাল ফোরাম (সাধারণ সম্পাদক)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা আইকিউ টেস্ট, রিহ্যাব সেন্টারের ছাড়পত্র বা যেকোনো সাইকোলজিক্যাল অ্যাসেসমেন্টের রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে যদি কোনো সাইকিয়াট্রিস্টের দেওয়া মানসিক রোগের ওষুধ সেবন করে থাকেন, তবে তার তালিকা অবশ্যই সাথে রাখবেন।

  • রাগ, দুশ্চিন্তা বা নেশা করার ইচ্ছা কখন বেশি হয়, তার কারণগুলো একটি ডায়রিতে লিখে আনলে থেরাপিতে অনেক সুবিধা হয়।

  • থেরাপিতে সম্পূর্ণ সততা প্রয়োজন, তাই নিজের অতীত ইতিহাস ও সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে মন খুলে কথা বলার প্রস্তুতি নিয়ে আসুন।

Last Modified: October 24, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইএমডিআর (EMDR) থেরাপি কীভাবে মানসিক ট্রমা দূর করে?

EMDR হলো এমন একটি থেরাপি যা চোখের নির্দিষ্ট নড়াচড়ার (Bilateral stimulation) মাধ্যমে মস্তিষ্কে আটকে থাকা ভয়ংকর স্মৃতিগুলোকে নতুনভাবে প্রসেস করে। থেরাপিস্টের হাতের নড়াচড়ার দিকে তাকিয়ে রোগী যখন ওই ট্রমার কথা ভাবেন, তখন মস্তিষ্ক সেই স্মৃতির সাথে জড়িয়ে থাকা প্যানিক ও মানসিক কষ্ট চিরতরে মুছে ফেলে।

মাদকাসক্তি নিরাময়ে ইউনিভার্সাল ট্রিটমেন্ট কারিকুলাম (UTC) কেন গুরুত্বপূর্ণ?

UTC হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC) অনুমোদিত একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। এটি নিশ্চিত করে যে, থেরাপিস্ট আসক্তি দূর করতে কোনো সেকেলে বা শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, বরং বিজ্ঞানভিত্তিক থেরাপির মাধ্যমে আসক্তির মূল কারণ খুঁজে বের করে রোগীকে দীর্ঘমেয়াদে নেশামুক্ত থাকার কৌশল শেখাচ্ছেন।

ইমোশন-ফোকাসড থেরাপি (EFT) স্বামী-স্ত্রী বা ব্যক্তিদের কীভাবে সাহায্য করে?

EFT থেরাপির মূল কথা হলো মানুষের নেতিবাচক আচরণগুলোর পেছনে কোনো না কোনো অপূর্ণ মানসিক চাহিদা (যেমন ভালোবাসা বা নিরাপত্তার অভাব) লুকিয়ে থাকে। এই থেরাপিতে সাইকোলজিস্ট সেই অপূর্ণ চাহিদাগুলো খুঁজে বের করেন এবং রাগের বদলে কীভাবে সঠিকভাবে নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে হয় তা শেখান। এটি দাম্পত্য সম্পর্ক উন্নত করতে জাদুর মতো কাজ করে।

ন্যারেটিভ থেরাপি কী এবং এটি কাদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী?

মানুষ নিজের জীবনের যে গল্প বা ন্যারেটিভ তৈরি করে, সে সেভাবেই জীবনযাপন করে। কেউ যদি বিশ্বাস করে যে "আমি একজন ব্যর্থ মানুষ", তবে সে সব কাজে ব্যর্থ হয়। ন্যারেটিভ থেরাপিতে রোগীকে তার এই 'সমস্যা' থেকে আলাদা করে তার জীবনের গল্পটি ইতিবাচকভাবে নতুন করে সাজাতে সাহায্য করা হয়, যা ডিপ্রেশন ও আইডেন্টিটি ক্রাইসিসের রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী।

এক্সপোজার থেরাপি কি আসলেই নিরাপদ?

হ্যাঁ, এক্সপোজার থেরাপি অত্যন্ত নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে করা হয়। এটি ফোবিয়া বা অতিরিক্ত ভয়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। থেরাপিস্ট সরাসরি আপনাকে ভয়ংকর কিছু দেখান না। প্রথমে ভয়ের সবচেয়ে ছোট বিষয় (যেমন ভয়ের বস্তুর ছবি দেখা) থেকে শুরু করে রিলাক্সেশন টেকনিক শেখানো হয়। এভাবে ধাপে ধাপে ভয়ের মুখোমুখি হয়ে ভয়কে পুরোপুরি জয় করা হয়।

একজন সাইকিয়াট্রিস্ট (মনোরোগ চিকিৎসক) এবং ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের মধ্যে ঠিক কী পার্থক্য?

সাইকিয়াট্রিস্ট হলেন একজন এমবিবিএস ডাক্তার যিনি ব্রেইনের কেমিক্যাল অসামঞ্জস্যতা নির্ণয় করেন এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। অন্যদিকে, তন্বিতা ঘোষর মতো একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সাইকোলজিতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী হন এবং তারা কোনো ওষুধ দেন না। তারা সাইকোথেরাপি, ট্রমা প্রসেসিং এবং বিহেভিয়ারাল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে মানসিক রোগের চিকিৎসা করেন।

সাইকোথেরাপির মাধ্যমে মাদকাসক্তি থেকে পুরোপুরি সুস্থ হতে কতদিন সময় লাগে?

মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, এটি কোনো জাদুর কাঠি নয়। মূল কারণগুলো বুঝতে, রাগ বা কষ্ট নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে এবং পুনরায় নেশায় ফিরে না যাওয়ার (Relapse prevention) কৌশলগুলো আয়ত্ত করতে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত থেরাপি সেশনের প্রয়োজন হয়। দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার জন্য মেইনটেন্যান্স থেরাপি নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট আসলে কী করেন?

নিউরো ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা (যেমন অটিজম বা এডিএইচডি) নিয়ে কাজ করেন। তারা বিশেষ আচরণগত থেরাপি এবং কগনিটিভ ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে রোগীদের নিজেদের দৈনন্দিন কাজ নিজে করতে শেখান, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেন এবং সমাজের অন্যান্য মানুষের সাথে যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি করেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন