🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
অঅ

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী ✔ যাচাইকৃত

সাইকিয়াট্রিস্ট

বি.এসসি (সম্মান), এম.এসসি (মনোবিজ্ঞান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ২২তম বিসিএস (শিক্ষা)
প্রশিক্ষণ (সিবিটি, ডিবিটি, সোশ্যাল স্কিল বা সামাজিক দক্ষতা ইত্যাদি)
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT), অ্যাকসেপ্টেন্স অ্যান্ড কমিটমেন্ট থেরাপি (ACT), ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT), মাইন্ডফুলনেস-ভিত্তিক থেরাপি এবং সাইকোডাইনামিক থেরাপি

🎓 অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি বিভাগ)

🏛️ সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা

💼 ২০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি বিভাগ) — সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী খুলনা শহরের সেরা সাইকোলজিস্ট (মনোবিজ্ঞানী) এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT), ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT) এবং অ্যাকসেপ্টেন্স কমিটমেন্ট থেরাপি (ACT)-এর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। মাইন্ডফুলনেস-ভিত্তিক থেরাপি, সাইকোডায়নামিক থেরাপি এবং মানসিক আবেগ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন এবং বিজ্ঞানসম্মত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে রোগীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Good Health Clinic & Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 268, খান জাহান আলী রোড, টুটপাড়া কবরস্থান মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে বিকাল ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী – খুলনার মস্তিষ্ক, স্নায়ু ও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা-এর একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও সাইকোলজিস্ট, যার মানসিক স্বাস্থ্য ও কাউন্সেলিংয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি, অ্যাকসেপ্টেন্স কমিটমেন্ট থেরাপি, ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি, মাইন্ডফুলনেস এবং সাইকোডায়নামিক থেরাপি-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। মানসিক স্বাস্থ্যের সঠিক মূল্যায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক থেরাপির মাধ্যমে রোগীদের আবেগ ও আচরণের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী দেশের শীর্ষস্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) থেকে সাইকোলজিতে (মনোবিজ্ঞান) সফলতার সাথে বি.এসসি (অনার্স) এবং এম.এসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২২তম বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে যোগদান করে তার একাডেমিক দক্ষতার প্রমাণ দেন। মানসিক থেরাপিতে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে তিনি CBT, DBT এবং সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিংয়ের ওপর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। খুলনায় সেরা সাইকোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি কলেজের দীর্ঘ দুই দশকের অভিজ্ঞতা এবং মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে CBT-এর মাধ্যমে নেতিবাচক চিন্তাধারা পরিবর্তন, DBT-এর মাধ্যমে তীব্র আবেগ নিয়ন্ত্রণ, ACT-এর সাহায্যে জীবনের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ তৈরি এবং সাইকোডায়নামিক থেরাপির মাধ্যমে অতীতের গভীর মানসিক ট্রমা নিরসন। তিনি বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল ইন্টারভিউ এবং সাইকোমেট্রিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল থেরাপি পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী
প্রধান বিশেষজ্ঞতাসাইকোলজি (মনোবিজ্ঞান) ও মানসিক স্বাস্থ্য
উপ-বিশেষজ্ঞতাবিহেভিয়ারাল থেরাপি, সাইকোথেরাপি ও সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিং
পদবীঅধ্যাপক (সাইকোলজি / সাইকিয়াট্রি)
কর্মস্থলসরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা
খুলনা ইনিউভার্সিটি
মোট অভিজ্ঞতা২০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • বি.এসসি (অনার্স) – ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন সাইকোলজি

  • এম.এসসি (সাইকোলজি, DU) – মাস্টার অব সায়েন্স (মনোবিজ্ঞান), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • ২২তম বিসিএস (শিক্ষা) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শিক্ষা ক্যাডার)

  • অ্যাডভান্সড ট্রেনিং – CBT, DBT, সোশ্যাল স্কিল ও মাইন্ডফুলনেস-ভিত্তিক থেরাপি

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: অধ্যাপক

  • কর্মস্থল: সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা

যে সকল মানসিক সমস্যার চিকিৎসা করা হয়

  • তীব্র বিষণ্ণতায় (Depression) কগনিটিভ-বিহেভিয়ারাল পরিবর্তন প্রয়োজন।

  • আবেগ নিয়ন্ত্রণের অভাবে ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT) লাগে।

  • দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ ও স্ট্রেস কমাতে মাইন্ডফুলনেস-ভিত্তিক চিকিৎসা।

  • শৈশবের গভীর ট্রমা কাটাতে সাইকোডায়নামিক থেরাপি প্রয়োজন।

  • মূল্যবোধ ও আচরণের দ্বন্দ্বে অ্যাকসেপ্টেন্স কমিটমেন্ট থেরাপি (ACT) লাগে।

  • সামাজিক ভীতি (Social anxiety) দূর করতে সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিং।

  • অবসেসিভ-কম্পালসিভ (OCD) আচরণে এক্সপোজার থেরাপি প্রয়োজন।

  • নির্দিষ্ট বস্তুর ভীতি (Phobia) কাটাতে সিস্টেমেটিক ডিসেনসিটাইজেশন।

  • রাগ নিয়ন্ত্রণের (Anger management) সমস্যায় ইমপালস কন্ট্রোল থেরাপি।

  • কর্মক্ষেত্রের মানসিক ক্লান্তি (Burnout) দূর করতে রেজিলিয়েন্স কোচিং।

  • আত্মবিশ্বাসের অভাবে কগনিটিভ রিফ্রেমিং ও সেলফ-কম্প্যাশন ট্রেনিং।

  • দাম্পত্য ও সম্পর্কের দ্বন্দ্বে কমিউনিকেশন স্কিলস থেরাপি।

  • প্রিয়জন হারানোর শোকে (Grief) মানসিক সাপোর্টিভ কাউন্সেলিং।

  • বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি সমস্যায় নিবিড় DBT প্রটোকল প্রয়োজন।

  • জীবনের নতুন পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে (Adjustment) বিশেষ থেরাপি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • এভিডেন্স-বেসড সাইকোথেরাপি: বিষণ্ণতা, উদ্বেগ এবং ব্যক্তিত্বের সমস্যা দূর করতে কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT) এবং ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপির (DBT) প্রয়োগ।

  • মাইন্ডফুলনেস ও অ্যাকসেপ্টেন্স থেরাপি: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং অস্তিত্বের সংকট নিরসনে ACT এবং মাইন্ডফুলনেস প্রটোকলের নিখুঁত ব্যবহার।

  • সাইকোডায়নামিক ও ইন্টারপার্সোনাল কাউন্সেলিং: মানুষের অবচেতন মন এবং শৈশবের স্মৃতি বিশ্লেষণ করে বারবার ঘটে চলা নেতিবাচক আচরণের কারণ খুঁজে বের করা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT)

এটি একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং সময়ভিত্তিক সাইকোলজিক্যাল থেরাপি। মানুষ অনেক সময় নেতিবাচক চিন্তার ফাঁদে আটকে যায় যা তার আচরণ ও আবেগকে ধ্বংস করে দেয়। CBT-এর মাধ্যমে রোগীকে সেই ভুল চিন্তাধারাগুলো (Cognitive distortions) শনাক্ত করতে এবং যুক্তির মাধ্যমে তা পরিবর্তন করতে শেখানো হয়।

ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT)

যেসব রোগী তাদের আবেগ একদমই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না এবং কথায় কথায় মারাত্মক রেগে যান বা নিজেকে আঘাত করেন, তাদের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী থেরাপি। এতে মাইন্ডফুলনেস, মানসিক কষ্ট সহ্য করা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখার চারটি মূল কৌশল শেখানো হয়।

অ্যাকসেপ্টেন্স অ্যান্ড কমিটমেন্ট থেরাপি (ACT)

এই থেরাপিতে রোগীকে তার নেতিবাচক আবেগ বা ভয়ের সাথে যুদ্ধ না করে বরং তা মেনে নিতে (Acceptance) শেখানো হয়। এরপর রোগীকে তার জীবনের নিজস্ব মূল্যবোধ অনুযায়ী কাজ করার (Commitment) মানসিক শক্তি জোগানো হয়, যাতে ভয় থাকা সত্ত্বেও তিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

আবেগ নিয়ন্ত্রণহীনতা (Emotion Dysregulation)

এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যক্তি কোনো ঘটনা বা কথার প্রতিক্রিয়ায় নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন। এর ফলে মেজাজ চরমভাবে ওঠানামা করে, হঠাৎ রাগের বিস্ফোরণ ঘটে এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয়। থেরাপির মাধ্যমে তাদের কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ানো হয়।

দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ ও প্যানিক (Chronic Anxiety)

এটি হলো দৈনন্দিন কাজকর্মে সারাক্ষণ অমূলক ভয় বা দুশ্চিন্তা কাজ করা। এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না, তবে এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে অচল করে দেয়। সাইকোলজিস্টরা কগনিটিভ রিফ্রেমিং এবং রিলাক্সেশন টেকনিকের মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে সাহায্য করেন।

ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন (তীব্র বিষণ্ণতা)

এটি গভীর হতাশা এবং জীবনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলার একটি মানসিক অবস্থা। সাইকিয়াট্রিস্টরা যেখানে ওষুধ দিয়ে ব্রেইনের কেমিক্যাল ঠিক করেন, সেখানে একজন সাইকোলজিস্ট থেরাপির মাধ্যমে রোগীর মনের নেতিবাচক চিন্তার জট ছাড়িয়ে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করেন।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অধ্যাপক প্রকাশ চন্দ্র অধিকারী অত্যন্ত সহানুভূতি ও মনোযোগের সাথে রোগীর কথা শোনেন। তিনি কোনো ধরনের বিচার বা জাজমেন্ট ছাড়াই রোগীর জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করেন। তার মূল লক্ষ্য থাকে রোগীকে বাস্তবসম্মত মানসিক কৌশলগুলো শিখিয়ে দেওয়া, যাতে একসময় রোগী নিজেই নিজের থেরাপিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগী আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে বা প্রকাশ করে, নিজেকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে, বাস্তব জগত থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (সাইকোসিস বা হ্যালুসিনেশন), অথবা মানসিক কষ্টের কারণে সম্পূর্ণ খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ইমার্জেন্সি সাইকিয়াট্রিস্ট বা হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (BPA)

  • বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডার অফিসার

  • অ্যালামনাই, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা আইকিউ টেস্ট (IQ test) বা যেকোনো সাইকোলজিক্যাল অ্যাসেসমেন্টের রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে যদি কোনো সাইকিয়াট্রিস্টের দেওয়া মানসিক রোগের ওষুধ সেবন করে থাকেন, তবে তার তালিকা অবশ্যই সাথে রাখবেন।

  • রাগ, দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতা কখন বেশি হয়, তার কারণগুলো একটি ডায়রিতে লিখে আনলে থেরাপিতে অনেক সুবিধা হয়।

  • থেরাপিতে সম্পূর্ণ সততা প্রয়োজন, তাই নিজের অতীত ইতিহাস নিয়ে মন খুলে কথা বলার প্রস্তুতি নিয়ে আসুন।

Last Modified: October 24, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

সিবিটি (CBT) এবং ডিবিটি (DBT) এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

CBT মূলত মানুষের নেতিবাচক চিন্তাধারা শনাক্ত করে তা পরিবর্তন করার ওপর জোর দেয়, যা ডিপ্রেশন ও অ্যাংজাইটি কমাতে খুব ভালো কাজ করে। অন্যদিকে DBT হলো CBT-এর একটি বিশেষ রূপ, যা মূলত সেইসব রোগীদের জন্য ব্যবহৃত হয় যাদের আবেগ খুব তীব্র এবং যারা নিজেকে আঘাত করেন। DBT রোগীকে তার মানসিক কষ্ট মেনে নিতে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার নির্দিষ্ট কৌশল শেখায়।

অ্যাকসেপ্টেন্স কমিটমেন্ট থেরাপি (ACT) সাধারণ কাউন্সেলিং থেকে আলাদা কেন?

সাধারণ থেরাপিতে রোগীর মনের ভয় বা কষ্ট দূর করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ACT থেরাপিতে রোগীকে শেখানো হয় কীভাবে নিজের নেতিবাচক চিন্তার সাথে যুদ্ধ না করে তা স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া (Acceptance) যায়। এর মূল লক্ষ্য হলো কষ্ট থাকা সত্ত্বেও নিজের জীবনের লক্ষ্য ও মূল্যবোধ অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়া।

সাইকোডায়নামিক থেরাপির প্রয়োজন কখন হয়?

যখন কোনো রোগীর জীবনে একই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা বারবার ঘটতে থাকে (যেমন বারবার ভুল মানুষের প্রেমে পড়া বা নিজের ক্যারিয়ার নিজেই নষ্ট করা) এবং সাধারণ থেরাপিতে কাজ হয়বিধা হয় না, তখন এটি ব্যবহার করা হয়। এই থেরাপিতে মানুষের অবচেতন মন এবং শৈশবের গভীর ট্রমা বিশ্লেষণ করে বর্তমান আচরণের মূল কারণ খুঁজে বের করা হয়।

একজন সাইকিয়াট্রিস্ট (মনোরোগ চিকিৎসক) এবং সাইকোলজিস্টের (মনোবিজ্ঞানী) মধ্যে ঠিক কী পার্থক্য?

সাইকিয়াট্রিস্ট হলেন একজন এমবিবিএস (MBBS) ডাক্তার যিনি ব্রেইনের কেমিক্যাল অসামঞ্জস্যতা নির্ণয় করেন এবং মানসিক রোগের জন্য ওষুধ (যেমন ঘুমের বা বিষণ্ণতার ওষুধ) প্রেসক্রাইব করেন। অন্যদিকে, সাইকোলজিস্ট (যেমন অধ্যাপক অধিকারী) সাইকোলজিতে উচ্চতর ডিগ্রিধারী (M.Sc, PhD) হন এবং তারা কোনো ওষুধ দেন না। তারা কাউন্সেলিং, বিহেভিয়ারাল ট্রেনিং এবং টক-থেরাপির মাধ্যমে মানসিক রোগের চিকিৎসা করেন।

প্রথম সাইকোলজি বা কাউন্সেলিং সেশনে আমার কী প্রত্যাশা করা উচিত?

প্রথম সেশনটি মূলত আপনাকে জানার জন্য নির্ধারিত থাকে। সাইকোলজিস্ট আপনার বর্তমান সমস্যা, শৈশব, সম্পর্ক এবং থেরাপির লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করবেন। প্রথম দিনেই আপনার সব সমস্যার জাদুর মতো সমাধান হয়ে যাবে না। এটি মূলত একটি নিরাপদ ও আস্থার সম্পর্ক গড়ার এবং ভবিষ্যতের থেরাপি প্ল্যান তৈরি করার সেশন।

মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিস করলে কি সত্যিই ব্রেইনের পরিবর্তন হয়?

হ্যাঁ, নিউরোসায়েন্সের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিস করলে ব্রেইনে নিউরোপ্লাস্টিসিটি ঘটে। এটি মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সকে (যা যুক্তি ও মনোযোগ নিয়ন্ত্রণ করে) শক্তিশালী করে এবং অ্যামিগডালাকে (মস্তিষ্কের ভয় ও মানসিক চাপের কেন্দ্র) সংকুচিত করে, ফলে দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।

সাইকোলজিক্যাল থেরাপি কাজ করতে সাধারণত কতদিন সময় লাগে?

এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার সমস্যার ওপর। নির্দিষ্ট কোনো ফোবিয়া বা সাধারণ অ্যাংজাইটির জন্য CBT থেরাপি ১২ থেকে ২০ সেশনেই ভালো ফলাফল দিতে পারে। কিন্তু শৈশবের গভীর ট্রমা বা পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের জন্য DBT বা সাইকোডায়নামিক থেরাপি নিলে তা এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

বয়স্কদের থেরাপিতে সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিং (Social Skill Training) কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মানুষের সাথে মিশতে ভয় পান, নিজের অধিকারের কথা বলতে পারেন না বা অন্যের কথার ইঙ্গিত বুঝতে ব্যর্থ হন, যার ফলে তাদের ক্যারিয়ার ও দাম্পত্য জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সোশ্যাল স্কিল ট্রেনিংয়ে সাইকোলজিস্ট নিরাপদ পরিবেশে রোল-প্লে এবং যোগাযোগের কৌশল শেখানোর মাধ্যমে রোগীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01922 650 500 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন