🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডক

ডাঃ আব্দুল কাদের ✔ যাচাইকৃত

অর্থোপেডিক সার্জন

এমবিবিএস, এমএস (অর্থোপেডিক সার্জারি)
অর্থোপেডিকস (হাড়, জয়েন্ট, ট্রমা, মেরুদণ্ড) বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ল্যারিঞ্জাইটিস (স্বরযন্ত্রের প্রদাহ), থাইরয়েডজনিত সমস্যা, ফ্যারিঞ্জাইটিস (গলনালীর প্রদাহ), লালা গ্রন্থি সংক্রান্ত সমস্যা এবং খাবার গিলতে অসুবিধা।

🎓 কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিকস বিভাগ)

🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

💼 ১৮+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিকস বিভাগ) — শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

ডাঃ আব্দুল কাদির খুলনা শহরের সেরা অর্থোপেডিক ও হাড়-জোড় বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক সার্জিক্যাল সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক সার্জন ও হাড়ের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ফ্র্যাকচার ফিক্সেশন, জয়েন্টের ব্যথা এবং মেরুদণ্ডের জটিল সমস্যার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। হাড়, জোড়, ট্রমা এবং স্পাইনের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমএস (অর্থোপেডিক সার্জারি) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital

📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোতা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা

🕒 Visiting hours: পরিদর্শনের সময় জানতে অনুগ্রহ করে কল করুন।

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ আব্দুল কাদির – খুলনার সেরা অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন

ডাঃ আব্দুল কাদির খুলনা শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি হাড় ভাঙা বা ফ্র্যাকচার, জয়েন্টের আর্থ্রাইটিস, স্পাইনাল ট্রমা এবং হাঁটুর লিগামেন্ট ইনজুরির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক সার্জন কিংবা হাড়ের ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত সার্জিক্যাল সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক অর্থোপেডিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পুনর্বাসন যত্ন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ আব্দুল কাদির সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি অর্থোপেডিক সার্জারিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমএস (MS in Orthopedics Surgery) অর্জন করেন, যা হাড়, জোড়, ট্রমা এবং মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচারে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ হাড়ের ডাক্তারের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার প্রায় দুই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে জটিল ফ্র্যাকচারের অভ্যন্তরীণ ফিক্সেশন (ORIF), আর্থ্রোস্কোপিক জয়েন্ট সার্জারি, স্পাইনাল ট্রমা ও ডিস্কের সার্জারি এবং ডিজেনারেটিভ জয়েন্ট ডিজিজের সমন্বিত চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন ডিজিটাল এক্স-রে, এমআরআই এবং মাস্কুলোস্কেলেটাল মূল্যায়ন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ আব্দুল কাদির
প্রধান বিশেষজ্ঞতাঅর্থোপেডিক সার্জারি ও ট্রমাটোলজি
উপ-বিশেষজ্ঞতাস্পাইন সার্জারি, জয়েন্ট রিকনস্ট্রাকশন ও স্পোর্টস ইনজুরি
পদবীকনসালটেন্ট (অর্থ অর্থোপেডিক সার্জারি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১৮+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • এমএস (অর্থোপেডিক সার্জারি) – মাস্টার অব সার্জারি (অর্থোপেডিক সার্জারি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারি)

  • কর্মস্থল: অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • হাড় ভাঙায় নিখুঁত সার্জিক্যাল ফিক্সেশন প্রয়োজন।

  • জয়েন্টে আর্থ্রাইটিসে তীব্র বাত ব্যথা হয়।

  • মেরুদণ্ডে আঘাতে জরুরি সার্জারি লাগে।

  • হাঁটুর লিগামেন্ট ইনজুরিতে আর্থ্রোস্কোপিক চিকিৎসা।

  • কোমর ব্যথায় স্পাইনের পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন।

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিসে চলাফেরা সীমিত হয়ে যায়।

  • খেলাধুলার আঘাতে সুনির্দিষ্ট রিহ্যাবিলিটেশন সেবা।

  • কাঁধ সরে যাওয়ার সমস্যায় দ্রুত রিডাকশন।

  • সায়াটিকা ব্যথায় কোমরে তীব্র টান লাগে।

  • হিপ ফ্র্যাকচারে জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।

  • অস্টিওপরোসিসে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়।

  • টেনিস এলবোতে কনুইয়ে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা।

  • গোড়ালি ও পায়ের ইনজুরিতে বিশেষ যত্ন।

  • সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলোসিসে ঘাড়ে শক্তভাব।

  • হাড়ের বিকৃতিতে কারেক্টিভ সার্জারি লাগে।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ আব্দুল কাদির অর্থোপেডিক সার্জারি, ট্রমাটোলজি এবং স্পাইন যত্নের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ট্রমা ও ফ্র্যাকচার কেয়ার: জটিল হাড় ভাঙার আধুনিক ওপেন ও ক্লোজড রিডাকশন, প্লেট-স্ক্রু এবং ইন্ট্রামেডুলারি নেইলিং সার্জারি।

  • স্পাইন সার্জারি ও ট্রমা কেয়ার: স্পাইনাল ফ্র্যাকচার, ডিস্ক হার্নিিয়েশন এবং স্পাইনাল স্টেনোসিসের জন্য ডিকম্প্রেশন ও ফিউশন সার্জারি।

  • জয়েন্ট রিকনস্ট্রাকশন ও আর্থ্রাইটিস: জয়েন্টের ডিজেনারেটিভ রোগ, কার্টিলেজ সংরক্ষণ এবং জয়েন্ট প্রিজার্ভেশন থেরাপির সমন্বিত ব্যবস্থাপনা।

  • স্পোর্টস ইনজুরি ও আর্থ্রোস্কোপি: হাঁটুর মেনিস্কাস টিয়ার, এসিএল (ACL) পুনর্গঠন এবং স্পোর্টস ট্রমার জন্য ন্যূনতম আক্রমণাত্মক আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ওপেন রিডাকশন অ্যান্ড ইন্টারনাল ফিক্সেশন (ORIF)

ভেঙে যাওয়া হাড়ের টুকরোগুলো নিখুঁতভাবে জোড়া লাগিয়ে টাইটানিয়াম প্লেট ও স্ক্রু দিয়ে স্থায়ীভাবে স্থিতিশীল করার উন্নত সার্জারি।

স্পাইনাল ইনস্ট্রমেন্টেশন ও স্ট্যাবিলাইজেশন সার্জারি

মেরুদণ্ডের অস্থিতিশীলতা রোধ করতে পেডিকল স্ক্রু ও রড ব্যবহারের মাধ্যমে মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করার আধুনিক অপারেশন।

আর্থ্রোস্কোপিক হাঁটুর লিগামেন্ট পুনর্গঠন

ক্ষুদ্র ছিদ্র ও ক্যামেরার সাহায্যে হাঁটুর ভেতরে ক্ষতিগ্রস্ত লিগামেন্ট ও কার্টিলেজ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মেরামত করার পদ্ধতি।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

হাড় ভাঙা বা ফ্র্যাকচার (Bone Fractures)

দুর্ঘটনা বা আঘাতের কারণে হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ভেঙে যাওয়া, যার জন্য দ্রুত অর্থোপেডিক মূল্যায়ন ও সার্জিক্যাল ফিক্সেশন প্রয়োজন হয়।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis)

বয়স বা জয়েন্টের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে কার্টিলেজ ক্ষয় হয়ে যাওয়ার রোগ, যার ফলে তীব্র ব্যথা ও চলাচলে কষ্ট হয়।

স্পাইনাল ট্রমা ও নার্ভ কম্প্রেশন (Spinal Trauma)

মেরুদণ্ডে আঘাত বা ডিস্ক স্লিপ হওয়ার কারণে নার্ভে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হওয়া, যার জন্য জরুরি সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ আব্দুল কাদির প্রতিটি রোগীর মাস্কুলোস্কেলেটাল বা হাড়-জোড়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা এবং এমআরআই বা ডিজিটাল এক্স-রে রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক সার্জারি এবং সুনির্দিষ্ট ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: খোলা ফ্র্যাকচার যেখানে হাড় বাইরে বেরিয়ে এসেছে, রক্তনালী বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া, ট্রমা জনিত কারণে মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত কিংবা চূর্ণ-বিচূর্ণ আঘাতের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি (BOS)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা এক্স-রে ফিল্ম, এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।

  • বর্তমানে ব্যবহার করা সকল পেইন কিলার, ওষুধ এবং মেডিকেল হিস্ট্রি সাথে রাখুন।

  • ব্যথার তীব্রতা বা জয়েন্ট ফোলাভাবের সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 15, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাড় ভেঙে গেলে কখন ওপেন রিডাকশন অ্যান্ড ইন্টারনাল ফিক্সেশন (ORIF) সার্জারি করা প্রয়োজন হয়?

হাড় ভেঙে যাওয়ার পর যদি টুকরোগুলো দূরে সরে যায়, অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় (intra-articular) কিংবা কাস্ট বা সাধারণ চিকিৎসায় হাড় জোড়া না লাগে, তবে ORIF সার্জারি করা বাধ্যতামূলক। এই অপারেশনের মাধ্যমে হাড়ের টুকরোগুলো সঠিক অবস্থানে এনে টাইটানিয়াম প্লেট ও স্ক্রু দিয়ে স্থায়ীভাবে আটকে দেওয়া হয়, যা হাড় দ্রুত জোড়া লাগাতে সাহায্য করে।

মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়ার পর কখন সার্জিক্যাল স্ট্যাবিলাইজেশন বা ফিউশন জরুরি হয়ে পড়ে?

মেরুদণ্ডে আঘাতের কারণে যদি হাড়ের অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়, নার্ভ বা স্পাইনাল কর্ডে তীব্র চাপ পড়ে এবং পায়ে অসাড়তা বা দুর্বলতা দেখা দেয়, তবে জরুরি সার্জিক্যাল স্ট্যাবিলাইজেশন করা প্রয়োজন হয়। পেডিকল স্ক্রু ও রড বসিয়ে মেরুদণ্ডকে শক্ত করে দিলে স্থায়ী প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতের ঝুঁকি দূর হয়।

আর্থ্রোস্কোপিক হাঁটুর সার্জারি প্রথাগত ওপেন সার্জারির চেয়ে কেন অনেক বেশি সুবিধাজনক?

আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারিতে বড় করে কাটাচেরা না করে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র ঢুকিয়ে হাঁটুর ভেতরের সমস্যা (যেমন এসিএল টিয়ার বা মেনিস্কাস ইনজুরি) সমাধান করা হয়। এর ফলে রক্তপাত কম হয়, ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে, অপারেশন পরবর্তী ব্যথা কম থাকে এবং রোগী খুব দ্রুত স্বাভাবিক চলাচলে ফিরে যেতে পারেন।

প্রাথমিক পর্যায়ের অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ক্ষয় রোগ কীভাবে নন-সার্জিক্যাল উপায়ে পরিচালনা করা যায়?

প্রাথমিক পর্যায়ের অস্টিওআর্থ্রাইটিসে ওজন নিয়ন্ত্রণ, পেশী শক্ত করার সুনির্দিষ্ট ফিজিওথেরাপি, প্রদাহরোধী ওষুধ এবং জয়েন্টে নির্দিষ্ট ইনজেকশন (যেমন হায়ালুরোনিক এসিড) ব্যবহার করে ব্যথা কমানো যায়। এই রক্ষণশীল চিকিৎসায় জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া বজায় থাকে এবং সার্জারির প্রয়োজন দীর্ঘ সময় পেছানো সম্ভব হয়।

উচ্চ-গতির সড়ক দুর্ঘটনা বা ট্রমার পর কেন দ্রুত অর্থোপেডিক মূল্যায়ন করা অত্যন্ত জরুরি?

উচ্চ-গতির ট্রমা বা দুর্ঘটনায় হাড় ভাঙার পাশাপাশি রক্তনালী বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা সময়মতো চিকিৎসা না করলে অঙ্গহানির কারণ হতে পারে। দ্রুত অর্থোপেডিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ইন্টারনাল ব্লিডিং, কম্পার্টমেন্ট সিন্ড্রোম বা স্নায়বিক ক্ষতি চিহ্নিত করে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, যা রোগীর জীবন ও অঙ্গ রক্ষা করে।

অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ কীভাবে বয়স্কদের মধ্যে ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়?

অস্টিওপরোসিসে হাড়ের ভেতরের ঘনত্ব ও মাইক্রো-আর্কিটেকচার নষ্ট হয়ে যায়, ফলে সামান্য ধাক্কায় বা পড়ে গেলেই হাড় ভেঙে যাওয়ার (Fragility fracture) ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে হিপ, মেরুদণ্ড এবং কব্জির হাড় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ এবং ডেসিতোমেট্রি পরীক্ষার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা যায়।

অর্থ অর্থোপেডিক সার্জারির পর সফল পুনর্বাসন বা ফিজিক্যাল থেরাপির ভূমিকা কতটুকু?

অর্থ অর্থোপেডিক সার্জারি সফল হওয়ার পরেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্ষমতা ফিরে পেতে ফিজিক্যাল থেরাপি ও পুনর্বাসন অত্যন্ত জরুরি। ফিজিশিয়ানের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্যায়াম করলে জয়েন্টের স্টিফনেস দূর হয়, পেশীর শক্তি বাড়ে এবং হাড় ও জোড় আগের মতো স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করে।

দীর্ঘমেয়াদী কোমর ব্যথা কি সবসময় ওপেন স্পাইন সার্জারির ইঙ্গিত দেয়?

না, প্রায় ৯০ শতাংশ কোমর ব্যথা ফিজিক্যাল থেরাপি, লাইফস্টাইল পরিবর্তন এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের মাধ্যমেই ভালো হয়ে যায়। শুধুমাত্র যখন নার্ভের ওপর তীব্র চাপ পড়ে বা প্যারালাইসিসের ঝুঁকি তৈরি হয়, কেবল তখনই স্পাইন সার্জারির প্রয়োজন হয়। অর্থোপেডিক স্পাইন বিশেষজ্ঞ সমস্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেন।

ডাঃ আব্দুল কাদিরের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ডিজিটাল এক্স-রে ফিল্ম, এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী অর্থোপেডিক প্রেসক্রিপশন সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল পেইন কিলার ও ওষুধের তালিকা সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ আব্দুল কাদির নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01999099099 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন