এমবিবিএস, ডি-অর্থো
অর্থোপেডিকস, হাড় ও জয়েন্ট বিশেষজ্ঞ এবং ট্রমা সার্জন
🎯 কার্পাল টানেল, মেনিসকাস মেরামত, স্কোলিওসিস সংশোধন, হিপ ডিসপ্লেসিয়া, টেনিস এলবো
প্রোফাইল দেখুন →অর্থোপেডিক সার্জন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি-অর্থো (বিএসএমএমইউ)
অর্থোপেডিকস (হাড়, জয়েন্ট, ট্রমা, মেরুদণ্ড) বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: প্লান্টার ফ্যাসাইটিস, হাড়ের টিউমার, অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিস, বানিয়ন সার্জারি, কাঁধের হাড় সরে যাওয়া (শোল্ডার ডিসলোকেশন)
🎓 কনসালটেন্ট (অর্থোপেডি বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালটেন্ট (অর্থোপেডি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ ফিরোজ আহমেদ খুলনা শহরের সেরা অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার সাথে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা হাড় জোড়া ও ট্রমা ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও আধুনিক সার্জিক্যাল সমাধান পেয়ে থাকেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ২:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ ফিরোজ আহমেদ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের একজন অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক কনসালট্যান্ট, যার ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি হাড়, জোড়া, ট্রমা ও স্পাইন সার্জারির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ যিনি জটিল রোগ ও হাড়ভাঙার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেবার মূলে রয়েছে আধুনিক রেডিওলজিক্যাল রোগ নির্ণয় এবং রোগীর সঠিক সার্জিক্যাল যত্ন নিশ্চিত করা।
ডাঃ ফিরোজ আহমেদ এমবিবিএস সম্পন্ন করে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগ দেন এবং জনস্বাস্থ্যের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করেন। পরবর্তীতে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) থেকে অর্থোপেডিক সার্জারিতে উচ্চতর ডি-অর্থো (D-ORTHO) ডিগ্রি অর্জন করেন। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ কিংবা ট্রমা সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এই শক্তিশালী ক্লিনিক্যাল ও সার্জিক্যাল দক্ষতার ওপর নির্ভর করেন। ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি সরকারি হাসপাতালে অসংখ্য জটিল অর্থোপেডিক ও জরুরি ট্রমা রোগীর সফল চিকিৎসা প্রদান করেছেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে প্লান্টার ফ্যাসিআইটিসের আধুনিক চিকিৎসা, বোন টিউমার বা হাড়ের টিউমারের সার্জারি, অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিসের চিকিৎসা, বানিয়ন সার্জারি এবং কাঁধের স্থানচ্যুত জয়েন্টের জরুরি চিকিৎসা।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ ফিরোজ আহমেদ |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | অর্থোপেডিক্স (হাড়, জোড়া, মেরুদণ্ড) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | ট্রমা ও ফুট/অ্যাঙ্কেল সার্জারি |
| পদবী | কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১২+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস
ডি-অর্থো (D-ORTHO) – ডিপ্লোমা ইন অর্থোপেডিক্স (বিএসএমএমইউ)
পদবী: কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক)
কর্মস্থল: অর্থোপেডিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
প্লান্টার ফ্যাসিআইটিসে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা হয়।
বোন টিউমারে বায়োপসি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিসে পায়ের গোড়ালি ফুলে যায়।
বানিয়ন সার্জারি পায়ের আঙুল সোজা করে।
কাঁধের জয়েন্ট সরালে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
জটিল ফ্র্যাকচারে দ্রুত সার্জিক্যাল প্লাটিং প্রয়োজন।
অস্টিওআর্থ্রাইটিসে শরীরের জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হয়।
স্পাইনাল স্টেনোসিসে মেরুদণ্ডে তীব্র ব্যথা হয়।
হার্নিয়েটেড ডিস্ক মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে চাপ দেয়।
রোটেটর কাফ ইনজুরিতে কাঁধ শক্ত হয়।
হাঁটুর ক্ষয়ে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট প্রয়োজন হয়।
লিগামেন্ট ইনজুরিতে নিবিড় সার্জারি প্রয়োজন হয়।
কার্পাল টানেল রোগে হাত অবশ হয়।
ফ্রোজেন শোল্ডারে কাঁধের নড়াচড়া বন্ধ হয়।
অস্টিওপোরোসিসে শরীরের হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায়।
ডাঃ ফিরোজ আহমেদ অস্থি, জোড়া ও ট্রমার জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও সার্জারি প্রদান করেন।
ফুট ও অ্যাঙ্কেল রিকনস্ট্রাকশন: প্লান্টার ফ্যাসিআইটিস, অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিস এবং বিকৃত আঙুলের (বানিয়ন) আধুনিক চিকিৎসা ও সার্জারি।
অর্থোপেডিক অনকোলজি: হাড় ও সফট টিস্যু টিউমার নির্ণয়ে বায়োপসি এবং হাড়ের টিউমার অপসারণ সার্জারি।
জয়েন্ট ট্রমা ও ডিসলোকেশন: কাঁধের জয়েন্ট সরে যাওয়া, বারবার স্থানচ্যুত হওয়া এবং জটিল ফ্র্যাকচারের আধুনিক রিডাকশন পদ্ধতি।
স্পাইন ও জয়েন্ট কেয়ার: স্পাইনাল স্টেনোসিস, ডিস্ক প্রোল্যাপস এবং হাঁটু ও কোমর ব্যথার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।
পায়ের বিকৃত আঙুল সোজা করতে অতিরিক্ত হাড় অপসারণ এবং মেটাটারসাল হাড় পুনর্গঠনের মাধ্যমে অগ্রপায়ের ব্যথা দূর করার সার্জারি।
গোড়ালির ওপরের ক্ষতিগ্রস্ত বা ছিঁড়ে যাওয়া টেন্ডন সার্জারির মাধ্যমে মেরামত করে স্বাভাবিক হাঁটাচলা ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি।
বারবার কাঁধ স্থানচ্যুত হওয়া রোধে জয়েন্টের টিস্যু ও লিগামেন্ট পুনর্গঠন করে স্থায়ী স্থায়িত্ব প্রদান।
পায়ের পাতার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা হওয়া, যা কাস্টম সোল, শকব্যান্ড থেরাপি বা ইনজেকশনের মাধ্যমে নিরাময় করা হয়।
হাড়ের ভেতরের যেকোনো অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, যা বায়োপসি ও প্রয়োজনীয় ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে অপসারণ করা হয়।
পায়ের গোড়ালির ওপরের মাংসপেশীর রগ বা টেন্ডনের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ, যার চিকিৎসায় থেরাপি, ব্রেস এবং প্রয়োজনে সার্জারি করা হয়।
ডাঃ ফিরোজ আহমেদ রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং আধুনিক এক্স-রে বা এমআরআই রিপোর্টের নিখুঁত মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি প্রথমে সঠিক ওষুধ, ফিজিওথেরাপি ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করেন এবং শুধুমাত্র গুরুতর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
জরুরি সতর্কতা: জয়েন্ট স্থানচ্যুত হওয়ার পর হাত বা পা হঠাৎ অতিরিক্ত ঠান্ডা ও নীল হয়ে গেলে, হাড় ভেঙে চামড়া ফুঁড়ে বেরিয়ে আসলে, কোমর ব্যথার সাথে প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারালে কিংবা তীব্র জ্বরের সাথে দ্রুত ফোলাভাব দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
ক্যাডার অফিসার, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস স্বাস্থ্য)
সদস্য, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি (BOS)
পূর্বের সকল এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ব্যথার ওষুধের তালিকা সাথে রাখুন।
লক্ষণসমূহ কতদিন ধরে রয়েছে তা স্পষ্ট করে মনে রাখুন।
শারীরিক পরীক্ষার সুবিধার্থে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান করুন।
Last Modified: October 7, 2026
প্লান্টার ফ্যাসিআইটিসের প্রাথমিক চিকিৎসায় গোড়ালির বিশেষ ব্যায়াম, কাস্টম অর্থোটিক জুতার সোল ব্যবহার এবং নাইটের জন্য স্প্লিন্ট দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ কমাতে কটিকেস্টেরয়েড বা পিআরপি (PRP) ইনজেকশন ব্যবহার করেন। যদি টানা ছয় থেকে বারো মাস থেরাপি নেওয়ার পরও হাঁটতে তীব্র কষ্ট হয়, তবে সার্জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
হাড়ের টিউমার শনাক্ত করতে প্রাথমিক এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান এবং নির্দিষ্ট বায়োমার্কার পরীক্ষা করা হয়। সঠিক চিকিৎসার ধরণ নির্ধারণ করতে অভিজ্ঞ সার্জন দ্বারা নিডেল বা ওপেন বায়োপসির মাধ্যমে টিস্যু পরীক্ষা করা আবশ্যক। প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত হলে হাত বা পায়ের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রেখে টিউমার অপসারণ করা সম্ভব হয়।
পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি বাঁকা হয়ে (বানিয়ন) তীব্র ব্যথা হলে এবং সাধারণ জুতা পরতে কষ্ট হলে সার্জারি সুপারিশ করা হয়। সার্জারির মাধ্যমে বাঁকা হাড় ও মাংসপিণ্ড কেটে সঠিক পজিশনে এনে পা সোজা করা হয়। এই অস্ত্রোপচার রোগীর পায়ের সঠিক ওজন বণ্টন নিশ্চিত করে এবং ভবিষ্যতের আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ করে।
অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিস হলো অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে গোড়ালির ওপরের টেন্ডনে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ বা ব্যথা। অপরদিকে অ্যাকিলিস টেন্ডন ছিঁড়ে গেলে বিকট শব্দ হয় এবং রোগী গোড়ালিতে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারেন না। টেন্ডোনাইটিস ওষুধ ও থেরাপিতে ভালো হলেও টেন্ডন ছিঁড়ে গেলে দ্রুত সার্জারির মাধ্যমে জোড়া দেওয়া প্রয়োজন হয়।
কাঁধের জয়েন্ট সরে গেলে একজন দক্ষ অর্থোপেডিক সার্জন দ্রুত ক্লোজড রিডাকশন পদ্ধতিতে হাড় সঠিক জায়গায় বসিয়ে দেন। এরপর হাড় ও লিগামেন্ট শুকানোর জন্য হাতকে স্লিং দিয়ে কিছুদিন স্থির রাখা হয়। বারবার কাঁধ সরে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে পরবর্তীতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জয়েন্ট স্থায়ীভাবে শক্ত করা হয়।
এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে হাড়ের স্থানচ্যুতি, সোজাভাব এবং জয়েন্টের ভেতরের ভাঙনের মাত্রা দেখে সার্জন চিকিৎসা নির্ধারণ করেন। হাড় নিজ স্থানে থাকলে বা সামান্য ফাটল থাকলে প্লাস্টার বা কাস্টের মাধ্যমেই হাড় জোড়া লেগে যায়। তবে হাড় বেশি সরে গেলে বা চামড়া কেটে বেরিয়ে আসলে ধাতব প্লেট ও স্ক্রু দিয়ে সার্জারি করা আবশ্যক হয়ে পড়ে।
স্পাইনাল স্টেনোসিস বাড়লে হাঁটার সময় পায়ে তীব্র ব্যথা, অবশভাব বা টান ধরে যা সামনের দিকে ঝুঁকলে কিছুটা কমে। মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে চাপ বাড়লে পায়ের পেশী দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়। যদি রোগীর প্রস্রাব বা পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়, তবে অতি দ্রুত ইমার্জেন্সি স্পাইন সার্জারি করতে হয়।
সার্জারির পর প্রাথমিক ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ হাত স্লিং দিয়ে ঝুলিয়ে জয়েন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়। এরপর নির্দেশিত ফিজিওথেরাপি অনুশীলনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কাঁধের নড়াচড়া ও পেশীর শক্তি ফিরিয়ে আনা হয়। ভারী খেলাধুলা বা পরিশ্রমের কাজে ফিরতে সাধারণত প্রায় ৬ মাস সময় লেগে থাকে।
রোগীর হাড় ও জয়েন্ট সম্পর্কিত পূর্বের সকল এক্স-রে প্লেট, এমআরআই ডিস্ক, সিটি স্ক্যান ও প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে আনা উচিত। এছাড়া বর্তমানে সেবন করা সকল ব্যথার ওষুধের তালিকা এবং অতীতের কোনো আঘাতের বিবরণ সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই চিকিৎসক নির্ভুল রোগ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করতে পারেন।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।