এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি-অর্থো (বিএসএমএমইউ)
অর্থোপেডিকস (হাড়, জয়েন্ট, ট্রমা, মেরুদণ্ড) বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
🎯 প্লান্টার ফ্যাসাইটিস, হাড়ের টিউমার, অ্যাকিলিস টেন্ডোনাইটিস, বানিয়ন সার্জারি, কাঁধের হাড় সরে যাওয়া (শোল্ডার ডিসলোকেশন)
প্রোফাইল দেখুন →অর্থোপেডিক সার্জন
এমবিবিএস (ঢাকা), এমএস (অর্থো), এফআরসিএস (গ্লাসগো), এফএসিএস (আমেরিকা); মেরুদণ্ড বিষয়ক চিকিৎসায় প্রশিক্ষিত।
অর্থোপেডিকস (হাড়, জোড়া ও আঘাতজনিত সমস্যা) বিশেষজ্ঞ ও মেরুদণ্ড শল্যচিকিৎসক
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: তরুণাস্থির ক্ষতি, ফেমোরোঅ্যাসিটাবুলার ইম্পিন্জমেন্ট, ডুপুইট্রেনস কন্ট্রাকচার, বারসাইটিস চিকিৎসা, হাড়ের সন্ধিচ্যুতি
🎓 প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ খুলনা শহরের সেরা অর্থোপেডিক ও স্পাইন সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা হাড় জোড়া ও ট্রমা ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও আধুনিক সার্জিক্যাল সমাধান পেয়ে থাকেন।
🏥 Fatimah Hospital and Diagnostic Centre, Khulna · Private Hospital
📍 ৩০২, খান জাহান আলী রোড, রয়েল মোড়, খুলনা ৯১০০
🕒 Visiting hours: বিকাল ৩:৩০ থেকে রাত ৮:০০টা (বন্ধ: শুক্রবার)
💳 Consultation fee: ৳800
অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত প্রফেসর ও স্পাইন সার্জন, যার ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি কার্টিলেজের ক্ষতি, হিপ ইমপিঞ্জমেন্ট, ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচার, বারসাইটিস এবং জয়েন্ট ডিসলোকেশনের মতো জটিল হাড় ও জোড়ার চিকিৎসায় একজন বর্ষীয়ান বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক আর্থ্রোস্কোপিক প্রযুক্তি, স্পাইনাল ইন্টারভেনশন এবং রোগীর দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করা।
অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর অর্থোপেডিক সার্জারিতে উচ্চতর এমএস (MS Ortho) ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো থেকে এফআরসিএস (FRCS Glasgow) এবং আমেরিকার এফএসিএস (FACS America) ডিগ্রি অর্জন করেন, এবং স্পাইন সার্জারিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ লাভ করেন। খুলনায় সেরা অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ কিংবা স্পাইন ও ট্রমা সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার তিন দশকেরও বেশি সময়ের একাডেমি ও ক্লিনিক্যাল দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন। দীর্ঘ অধ্যাপক জীবনে তিনি বহু অর্থোপেডিক সার্জন তৈরি করেছেন এবং সরকারি হাসপাতালে হাজার হাজার জটিল রোগীর সফল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেছেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে কার্টিলেজ পুনর্গঠন সার্জারি, হিপ আর্থ্রোস্কোপি, ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচারের ফাসিয়েক্টমি, বারসাইটিসের আধুনিক চিকিৎসা এবং জয়েন্ট ডিসলোকেশনের জরুরি ব্যবস্থাপনা।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | অর্থোপেডিক্স (হাড়, জোড়া, ট্রমা) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | স্পাইন সার্জারি ও কার্টিলেজ পুনর্গঠন |
| পদবী | প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ৩০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (ঢাবি) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এমএস (অর্থো) – মাস্টার অব সার্জারি ইন অর্থোপেডিক সার্জারি
এফআরসিএস (গ্লাসগো) – ফেলো অব দ্য রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস অব গ্লাসগো (যুক্তরাজ্য)
এফএসিএস (আমেরিকা) – ফেলো অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব সার্জনস (ইউএসএ)
স্পাইন সার্জারিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত
পদবী: প্রফেসর (অর্থোপেডিক)
কর্মস্থল: অর্থোপেডিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কার্টিলেজ ক্ষতিতে জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হয়।
হিপ ইমপিঞ্জমেন্টে কোমরের স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে।
ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচারে আঙুল শক্ত হয়ে থাকে।
বারসাইটিসে জয়েন্টের চারপাশে তীব্র প্রদাহ হয়।
জয়েন্ট ডিসলোকেশনে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা লাগে।
জটিল ফ্র্যাকচারে দ্রুত প্লাটিং সার্জারি প্রয়োজন।
স্পাইনাল স্টেনোসিসে মেরুদণ্ডে তীব্র ব্যথা হয়।
রোটেটর কাফ ইনজুরিতে কাঁধের নড়াচড়া কমে।
হিপ অস্টিওআর্থ্রাইটিসে জয়েন্টে স্থায়ী ক্ষয় হয়।
লিগামেন্ট ইনজুরিতে নিবিড় পুনর্গঠন সার্জারি প্রয়োজন।
মেনিসকাস টিয়ারে হাঁটুর স্বাভাবিক নড়াচড়া আটকায়।
প্লান্টার ফ্যাসিআইটিসে গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা হয়।
অস্টিওপোরোসিসে শরীরের হাড় খুব ভঙ্গুর হয়।
বোন টিউমারে দ্রুত বায়োপসি পরীক্ষা লাগে।
টেন্ডোনাইটিসে পায়ের গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা হয়।
অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ হাড়, জোড়া, মেরুদণ্ড ও ট্রমার জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও সার্জারি প্রদান করেন।
কার্টিলেজ পুনর্গঠন ও জয়েন্ট প্রিজারভেশন: হাঁটু ও হিপ জয়েন্টের ক্ষতিগ্রস্ত কার্টিলেজ পুনর্গঠনে মাইক্রোফ্র্যাকচার ও আর্থ্রোস্কোপিক চিকিৎসার মাধ্যমে তরুণাস্থি সুরক্ষা।
হিপ প্রিজারভেশন ও হিপ ইমপিঞ্জমেন্ট (FAI): কোমর ও কুঁচকির তীব্র ব্যথা নিরাময়ে আধুনিক হিপ আর্থ্রোস্কোপি এবং অতিরিক্ত হাড় অপসারণের মাধ্যমে জয়েন্ট সুরক্ষা।
হাতের ও সফট টিস্যুর চিকিৎসা (ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচার): হাতের তালুর শক্ত টিস্যু অপসারণের জন্য ফাসিয়েক্টমি সার্জারি এবং আঙুলের স্বাভাবিক নড়াচড়া পুনরুদ্ধার।
স্পাইন সার্জারি ও ডিকম্প্রেশন: মেরুদণ্ডের ডিস্ক প্রোল্যাপস, স্টেনোসিস এবং স্নায়ুর ওপর চাপ দূরীকরণে আধুনিক স্পাইনাল সার্জারি।
আর্থ্রোস্কোপিক প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কার্টিলেজের নিচের হাড়ে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে ফাইবারোকার্টিলেজ তৈরি এবং জয়েন্টের মসৃণতা ফিরিয়ে আনা।
ক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে আর্থ্রোস্কোপ ব্যবহার করে হিপ জয়েন্টের অতিরিক্ত বর্ধিত হাড় ছেঁটে ফেলা এবং ক্ষতিগ্রস্থ ল্যাব্রাম টিস্যু মেরামত করা।
ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচারে আক্রান্ত হাতের তালুর শক্ত হয়ে যাওয়া টিস্যু কেটে বাদ দেওয়া যেন আঙুল আবার সোজা করা সম্ভব হয়।
কোমরের জয়েন্টে অস্বাভাবিক হাড় বৃদ্ধির ফলে চলাচলের সময় ঘর্ষণ তৈরি হওয়া, যা ধীরে ধীরে জয়েন্টের কার্টিলেজ ও ল্যাব্রাম ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আঘাত বা বয়সের কারণে জয়েন্টের মসৃণ কার্টিলেজ ক্ষয়ে যাওয়া, যার ফলে নড়াচড়ার সময় তীব্র ব্যথা, ফোলাভাব ও জয়েন্ট লক হয়ে যায়।
হাতের তালুর ত্বক ও পেশীর ভেতরের টিস্যু আস্তে আস্তে মোটা ও শক্ত হয়ে যাওয়া, যার ফলে আঙুলভেতরের দিকে স্থায়ীভাবে বাঁকা হয়ে থাকে।
অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং আধুনিক এক্স-রে, এমআরআই বা সিটি স্ক্যান রিপোর্টের নিখুঁত মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি প্রথমে সঠিক ওষুধ, ফিজিওথেরাপি ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিক সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ জয়েন্ট ডিসলোকেশন বা হাড় স্থানচ্যুত হয়ে অসাড়তা দেখা দিলে, আঘাতের পর অঙ্গ নাড়াতে না পারলে, কোমর ব্যথার সাথে প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারালে কিংবা ভাঙা হাড় চামড়া ফুঁড়ে বাইরে বেরিয়ে আসলে অবিলম্বে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
ফেলো, রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস অব গ্লাসগো (FRCS, UK)
ফেলো, আমেরিকান কলেজ অব সার্জনস (FACS, USA)
সদস্য, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটি (BOS)
পূর্বের সকল এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ব্যথার ওষুধের তালিকা সাথে রাখুন।
লক্ষণসমূহ কতদিন ধরে রয়েছে তা স্পষ্ট করে মনে রাখুন।
শারীরিক পরীক্ষার সুবিধার্থে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান করুন।
Last Modified: October 8, 2026
কার্টিলেজের ক্ষতি শনাক্ত করতে উচ্চ-রেজোলেশন এমআরআই স্ক্যান এবং ডায়াগনস্টিক আর্থ্রোস্কোপি ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে ফিজিওথেরাপি, জয়েন্ট ইনজেকশন এবং আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ কার্টিলেজ মাইক্রোফ্র্যাকচার সার্জারি। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া ফিরে আসে এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
হিপ ইমপিঞ্জমেন্ট হলো কোমরের হাড়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে জয়েন্টের বল ও সকেটের মধ্যে ঘর্ষণ তৈরি হওয়া। রোগীরা সাধারণত কুঁচকিতে গভীর ব্যথা, কোমর শক্ত হয়ে যাওয়া এবং উরু ভাজ করতে অসুবিধা অনুভব করেন। হিপ আর্থ্রোস্কোপি সার্জারির মাধ্যমে বাড়তি হাড় কেটে ফেলে জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
ডুপুয়ট্রেন কন্ট্রাকচার হলো হাতের তালুর ভেতরের টিস্যু শক্ত হয়ে আঙুল ভেতরে দিকে টেনে রাখা, যা শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায়। রোগী হাতের তালু সমতল টেবিলে সোজা করে রাখতে না পারলে পালমার ফাসিয়েক্টমি সার্জারির মাধ্যমে সংকুচিত টিস্যু অপসারণ করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর নিয়মিত হ্যান্ড থেরাপির মাধ্যমে আঙুলের স্বাভাবিক নড়াচড়া ও প্রসারণ ক্ষমতা বজায় রাখা নিশ্চিত করা হয়।
বারসাইটিস হলো জয়েন্টের চারপাশের তরলপূর্ণ থলি বা বার্সার প্রদাহ, অন্যদিকে আর্থ্রাইটিস হলো কার্টিলেজ বা হাড়ের মূল জয়েন্টের ক্ষয়। ক্রনিক বারসাইটিসের চিকিৎসায় প্রদাহবিরোধী ওষুধ, আল্ট্রাসাউন্ড-গাইডেড ইনজেকশন এবং বিশেষ ফিজিওথেরাপি দেওয়া হয়। এসব কনজারভেটিভ চিকিৎসায় কাজ না হলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রদাহগ্রস্ত বার্সা কেটে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
জয়েন্ট ডিসলোকেশন হলে সংলগ্ন রক্তনালী ও স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে স্থায়ী পঙ্গুত্ব ডেকে আনতে পারে। তাই দ্রুত জরুরি বিভাগে এনে সেডেশনের মাধ্যমে স্থানচ্যুত হাড়কে সঠিকভাবে আগের জায়গায় রিডিউস করতে হয়। পরবর্তীতে জয়েন্ট স্থির রাখতে ব্রেস ব্যবহার এবং লিগামেন্টের পুনর্বাসন থেরাপি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্পাইনাল স্টেনোসিস, ডিস্ক প্রোল্যাপস বা মেরুদণ্ডের হাড় সরে গিয়ে স্নায়ুতে তীব্র চাপ সৃষ্টি করলে স্পাইন সার্জারির প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে পায়ে তীব্র ব্যথা, অসাড়তা কিংবা প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে দ্রুত ডিকম্প্রেশন সার্জারি করা আবশ্যক। আধুনিক স্পাইনাল সার্জারির মাধ্যমে মেরুদণ্ডের স্থায়িত্ব বজায় রেখে স্নায়ুর চাপ দূর করা সম্ভব হয়।
জটিল ফ্র্যাকচারে হাড় একাধিক খণ্ডে ভেঙে গেলে বা জয়েন্টের ভেতরে আঘাত লাগলে অ্যানাটমিক্যাল রিয়লাইনমেন্ট প্রয়োজন হয়। সার্জনরা লকিং টাইটানিয়াম প্লেট, ইন্টারমেডুলারি নেল বা এক্সটার্নাল ফিক্সেটর ব্যবহার করে ভাঙা হাড়ের খণ্ডগুলোকে শক্তভাবে স্থির করেন। এই আধুনিক প্রযুক্তি দ্রুত হাড় জোড়া লাগতে সাহায্য করে এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।
হিপ আর্থ্রোস্কোপি বা কার্টিলেজ মাইক্রোফ্র্যাকচার সার্জারির পর সম্পূর্ণ সুস্থ হতে সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস সময় লাগে। অস্ত্রোপচারের প্রথম কয়েক সপ্তাহ ক্রাচ ব্যবহার করতে হয় যেন কার্টিলেজের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। পরবর্তীতে ফিজিওথেরাপিস্টের তদারকিতে আস্তে আস্তে জয়েন্টের নড়াচড়া ও পেশীর শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করানো হয়।
রোগীদের পূর্বে করা এক্স-রে, এমআরআই ডিস্ক, সিটি স্ক্যান এবং রক্ত পরীক্ষার সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলো সাথে আনা আবশ্যক। এছাড়া পূর্বে কোনো হাড় বা স্পাইন সার্জারি হয়ে থাকলে তার বিবরণ ও বর্তমানে সেবন করা ব্যথার ওষুধের তালিকা সাথে রাখা উচিত। এসব রেকর্ড গভীরভাবে পর্যালোচনা করে অধ্যাপক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ সঠিক রোগ নির্ণয় ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রদান করেন।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।