🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডদ

ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস ✔ যাচাইকৃত

নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি)
নিউরোলজি বা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ (মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, মৃগী রোগ, স্নায়ু ও মাথাব্যথা সংক্রান্ত সমস্যা)

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: দীর্ঘস্থায়ী নিউরোপ্যাথি, সায়াটিকা ব্যথা, মুভমেন্ট ডিজঅর্ডার, সেরিব্রাল পালসি, ব্রেইন টিউমার

🎓 সহযোগী অধ্যাপক, নিউরোলজি বিভাগ

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

💼 ২৭+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহযোগী অধ্যাপক, নিউরোলজি বিভাগ — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস খুলনা শহরের সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২৭ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট ও ব্রেন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল স্নায়ু পরীক্ষা, ক্রনিক নিউরোপ্যাথি, সায়াটিকা ব্যথা এবং ব্রেন টিউমার বা স্ট্রোকের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ব্রেন, নার্ভ, স্পাইন এবং মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমডি (নিউরোলজি) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Labaid Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 এ৫, মজিদ সরণি, সোনাডাঙ্গা, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা এবং রাত ৮টা থেকে রাত ১০টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস – নিউরোলজিস্ট, খুলনা

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহযোগী অধ্যাপক, যার ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ক্রনিক নিউরোপ্যাথি, সায়াটিকা ব্যথা, মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার, সেরিব্রাল পলসি এবং ব্রেন টিউমারের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট কিংবা ব্রেন ও নার্ভ ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নিউরোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত স্নায়ু যত্ন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি (Professional Biography)

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নিউরোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Neurology) অর্জন করেন, যা ব্রেন, স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় তার গভীর জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ ব্রেন ও স্পাইন ডাক্তারের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার আড়াই দশকেরও বেশি সময়ের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ক্রনিক নিউরোপ্যাথির সুনির্দিষ্ট নার্ভ পরীক্ষা, সায়াটিকা ব্যথার আধুনিক মেডিকেল ও ফিজিক্যাল থেরাপি, মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারের ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন, সেরিব্রাল পলসির নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন এবং ব্রেন টিউমারের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও সমন্বিত পরিচর্যা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন নিউরো-ইমেজিং, নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি এবং টার্গেটেড নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন কৌশল।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ বিপ্লব কুমার দাস
প্রধান বিশেষজ্ঞতানিউরোমেডিসিন ও ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি
উপ-বিশেষজ্ঞতাস্ট্রোক, এপিলেপসি ও নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন
পদবীসহযোগী অধ্যাপক (নিউরোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা২৭+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নিউরোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (নিউরোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহযোগী অধ্যাপক (নিউরোলজি)

  • কর্মস্থল: নিউরোমেডিসিন বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ক্রনিক নিউরোপ্যাথিতে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • সায়াটিকা ব্যথায় কোমর থেকে ব্যথা ছড়ায়।

  • মুভমেন্ট ডিসঅর্ডারে স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়।

  • সেরিব্রাল পলসিতে শিশুর বিশেষ যত্ন লাগে।

  • ব্রেন টিউমারে দ্রুত নিউরোলজিক্যাল মূল্যায়ন প্রয়োজন।

  • তীব্র মাথা ব্যথায় সুনির্দিষ্ট স্নায়ু চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মৃগীরোগ চিকিৎসায় নির্দিষ্ট খিঁচুনি নিরোধক লাগে।

  • ব্রেন স্ট্রোকে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিতে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • পারকিনসন্স রোগে পেশীর স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে।

  • ফেসিয়াল প্যারালাইসিসে দ্রুত স্নায়ু থেরাপি প্রয়োজন।

  • সার্ভিক্যাল রেডিকুলোপ্যাথিতে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা হয়।

  • ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ায় মুখে তীব্র ব্যথা হয়।

  • ঘুমের সমস্যায় সুনির্দিষ্ট নিউরোলজিক্যাল মূল্যায়ন লাগে।

  • স্মৃতিভ্রমের চিকিৎসায় কগনিটিভ মূল্যায়ন অত্যন্ত জরুরি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস নিউরোমেডিসিন, ব্রেন, মেরুদণ্ড এবং স্নায়ুরোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ক্রনিক নিউরোপ্যাথি ও পেরিফেরাল নার্ভ: নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি (NCS/EMG), নার্ভ টেস্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী নিউরোপ্যাথিক ব্যথার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।

  • সায়াটিকা ও স্পাইনাল রেডিকুলোপ্যাথি: ডিস্ক প্রোল্যাপস, সায়াটিক নার্ভ কম্প্রেশন এবং কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যথার রক্ষণশীল চিকিৎসা।

  • মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ও সেরিব্রাল পলসি: পারকিনসন্স রোগ, কাঁপুনি, ডিসটোনিয়া এবং সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত রোগীদের সমন্বিত স্নায়ু পুনর্বাসন।

  • স্ট্রোক ও ব্রেন টিউমার কেয়ার: স্ট্রোক পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং ব্রেন টিউমার বা অন্তঃকপালীয় লেশনের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি ও ইএমজি (NCS/EMG)

প্রান্তিক স্নায়ু ও পেশীর বৈদ্যুতিক সংকেত পরীক্ষা করে ক্রনিক নিউরোপ্যাথির মাত্রা ও নার্ভ ড্যামেজের সঠিক মূল্যায়ন।

সায়াটিকা ব্যথার জন্য টার্গেটেড ফার্মাকোলজিক্যাল পেইন মডুলেশন

কোমর ও পায়ের নার্ভের চাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা নিরাময়ে বিশেষ নিউরো-মডুলেটরি ওষুধ ও ভিটামিন থেরাপির প্রয়োগ।

সেরিব্রাল পলসির জন্য নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন প্রোটোকল

মরিয়া পেশীর টান ও শারীরিক জড়তা কমাতে এবং স্বাভাবিক চলাচল বাড়াতে বিশেষ ফিজিক্যাল থেরাপি ও পুনর্বাসন সেবা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ক্রনিক নিউরোপ্যাথি (Chronic Neuropathy)

প্রান্তিক স্নায়ুর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি যার ফলে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া ও অবশ ভাব হয়, যা সঠিক স্নায়ু শান্তকারী ওষুধে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সায়াটিকা ব্যথা (Sciatica Pain)

কোমর থেকে শুরু হয়ে সায়াটিক নার্ভের মাধ্যমে পায়ে তীব্র বিদ্যুৎ চমকানোর মতো ব্যথা ছড়িয়ে পড়া, যা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসায় ভালো হয়।

মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার (Movement Disorders)

শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়া ও ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটার স্নায়বিক সমস্যা, যা সুনির্দিষ্ট ডোপামিন ও নিউরোলজিক্যাল থেরাপিতে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস প্রতিটি রোগীর নিউরোলজিক্যাল শারীরিক পরীক্ষা, এমআরআই, সিটি স্ক্যান এবং নার্ভ কন্ডাকশন টেস্টের পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি অপ্রয়োজনীয় ওষুধ এড়িয়ে সঠিক থেরাপি প্রদান করেন এবং স্নায়ু সুরক্ষায় রোগীকে সঠিক জীবনযাত্রার পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ মুখের একপাশ বেঁকে গিয়ে হাত বা পা অবশ হলে, হঠাৎ কথা বলা বন্ধ হলে, জীবনের সবচেয়ে তীব্র হঠাৎ মাথাব্যথা শুরু হলে কিংবা একটানা ৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে খিঁচুনি উঠলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (SNB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, নার্ভ টেস্ট এবং রক্তের সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলো সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল নিউরোলজির ওষুধের তালিকা সাথে রাখুন।

  • ব্যথার তীব্রতা বা স্নায়বিক সমস্যার বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 10, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ক্রনিক নিউরোপ্যাথি বা নার্ভের ক্ষতি কীভাবে নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা হয়?

ক্রনিক নিউরোপ্যাথি নির্ণয়ে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস নেওয়ার পাশাপাশি নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি (NCS) এবং ইলেকট্রোমাইওগ্রাফি (EMG) পরীক্ষা করা হয়। এই আধুনিক পরীক্ষার মাধ্যমে নার্ভের বৈদ্যুতিক সংকেতের গতি মাপা হয় এবং স্নায়ুক্ষয়ের সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

অপারেশন ছাড়াই সায়াটিকা ব্যথার স্থায়ী উপশম কীভাবে লাভ করা সম্ভব?

সায়াটিকা ব্যথার অধিকাংশ রোগী সঠিক অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ওষুধ, নিউরোপ্যাথিক পেইন মডুলেটর, ফিজিক্যাল থেরাপি এবং সঠিক পোশ্চার বজায় রেখে অপারেশন ছাড়াই সম্পূর্ণ সুস্থ থাকেন। নিউরোলজিস্ট মেরুদণ্ডের ওপর থেকে নার্ভের চাপ কমানোর জন্য বিশেষ নির্দেশনা ও ওষুধ দিয়ে থাকেন। তবে নার্ভে তীব্র স্থায়ী ক্ষতি না হলে রক্ষণশীল চিকিৎসাতেই ব্যথা ভালো হয়ে যায়।

মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার বা পারকিনসন্স রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রধান পদক্ষেপগুলো কী কী?

মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার নিয়ন্ত্রণে নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট ডোপাজেরণিক বা স্নায়ু সুরক্ষামূলক ওষুধ নিয়মিত সেবন করতে হয়। ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত ফিজিক্যাল থেরাপি ও হালকা ব্যায়াম পেশীর শক্তভাব ও কাঁপুনি কমাতে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করা হয়।

সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী স্নায়ু পুনর্বাসন কেন জরুরি?

সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোর ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন ও ফিজিক্যাল থেরাপি দিলে পেশীর স্পাস্টিসিটি বা টান কমে যায়। এই থেরাপিগুলো শিশুর স্বাভাবিক মোটর স্কিল বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে পরনির্ভরশীলতা কমাতে সাহায্য করে। যত দ্রুত পুনর্বাসন শুরু করা যায়, শিশুর শারীরিক উন্নতি তত দ্রুত হয়।

ব্রেন টিউমার সন্দেহ হলে রোগীর কী ধরনের নিউরোলজিক্যাল পরীক্ষা করা উচিত?

ব্রেন টিউমার সন্দেহ হলে রোগীর দ্রুত কন্ট্রাস্টসহ ব্রেনের এমআরআই (MRI) স্ক্যান এবং প্রয়োজনে সিটি স্ক্যান করানো উচিত। এই ইমেজিং পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে টিউমারের সুনির্দিষ্ট অবস্থান, আকার এবং মস্তিষ্কের সংবেদনশীল অংশের ওপর তার প্রভাব নিখুঁতভাবে জানা যায়। পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে নিউরোলজিস্ট ও নিউরোসার্জনের সাথে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

নার্ভের রোগ নির্ণয়ে নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি (NCS) পরীক্ষাটি কতটা নিরাপদ?

নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি বা NCS একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও নন-ইনভেসিভ ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা। এতে ত্বকের ওপর মৃদু বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা দিয়ে নার্ভের কার্যক্ষমতা মাপা হয়, যা রোগীর জন্য বড় কোনো কষ্টের কারণ হয় না। এই পরীক্ষাটি স্নায়ুর ক্ষতি নির্ভুলভাবে বুঝতে চিকিৎসকদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

দীর্ঘমেয়াদী স্পাইন বা মেরুদণ্ডের সমস্যায় নিয়মিত নিউরোলজিস্টের পরামর্শ কেন প্রয়োজন?

দীর্ঘমেয়াদী স্পাইন সমস্যায় স্নায়ুর ওপর প্রতিনিয়ত চাপ পড়ার ঝুঁকি থাকে, যা নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে নজরে রাখা যায়। নিউরোলজিস্টের পরামর্শ মেনে চললে হঠাৎ প্যারালাইসিস বা তীব্র নার্ভের ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। সঠিক চিকিৎসায় রোগীর স্বাভাবিক হাঁটাচলা ও কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।

জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ক্রনিক নিউরোপ্যাথি রোগীরা কী কী নিয়ম মেনে চলতে পারেন?

ক্রনিক নিউরোপ্যাথি রোগীরা নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, সুষম খাবার খাওয়া এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে পারেন। অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশ এড়িয়ে চলা এবং আরামদায়ক জুতাব্যবহার করা পায়ে জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। হালকা ব্যায়াম নার্ভে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে।

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ বিপ্লব কুমার দাসের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, নার্ভ কন্ডাকশন টেস্ট (NCS/EMG) এবং রক্তের সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলো সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের তালিকা সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ বিপ্লব কুমার দাস নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01766-661020 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন