🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডআ

ডাঃ মোঃ আল আমিন ✔ যাচাইকৃত

নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (ডায়াবেটোলজি, বারডেম),
এফসিপিএস (নিউরোলজি, এফপি), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমআরসিপি (পেসেস), এমএসিপি (ইউএসএ)
মেডিসিন, নিউরোমেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: নিউরো পেইন, ভার্টিগোর চিকিৎসা, বেলস পালসি, এসেনশিয়াল ট্রেমর, মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস

🎓 কনসালটেন্ট, নিউরোলজি

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ৮+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
73019বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালটেন্ট, নিউরোলজি — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ মোঃ আল আমিন খুলনা শহরের সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট ও ডায়াবেটিস ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল স্নায়ু পরীক্ষা, আলঝেইমার রোগ, মাথা ঘোরা বা ভার্টিগো এবং বেলস পালসির বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ব্রেন, স্নায়ু, মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত কাঁপা, নিউরোপ্যাথি এবং ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার বিসিএস, এফসিপিএস ও এমআরসিপি (যুক্তরাজ্য) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকেল ৩:৩০টা এবং বিকেল ৫:০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:০০টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ মোঃ আল আমিন – খুলনার নিউরোমেডিসিন ও স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মোঃ আল আমিন খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট নিউরোলজিস্ট, যার ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি আলঝেইমার রোগ বা স্মৃতিভ্রংশ, মাথা ঘোরা (ভার্টিগো), মুখ বেঁকে যাওয়া (বেলস পালসি), হাত কাঁপা (এসেনশিয়াল ট্রেমর) এবং মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসের মতো জটিল স্নায়ুরোগের একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট কিংবা স্নায়ুরোগ ও ডায়াবেটিস ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ মোঃ আল আমিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বারডেম (BIRDEM) থেকে ডায়াবেটোলজিতে সিসিডি (CCD) সম্পন্ন করেন। তিনি মেডিসিনে এমসিপিএস (MCPS) এবং নিউরোলজিতে সম্মানজনক এফসিপিএস (FCPS Neurology) ডিগ্রি লাভ করেন। স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জনে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে এমআরসিপি (MRCP PACES, UK) এবং আমেরিকা থেকে এমএসিপি (MACP, USA) ডিগ্রি অর্জন করেন। খুলনায় সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস ডাক্তারের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এই উচ্চতর আন্তর্জাতিক ডিগ্রি ও সরকারি হাসপাতালের সেবার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশের আধুনিক যত্ন, মাথা ঘোরা বা ভার্টিগোর চিকিৎসা, মুখ বেঁকে যাওয়া রোগ বা বেলস পালসির নিরাময়, হাত কাঁপা বা ট্রেমর নিয়ন্ত্রণ এবং মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসের আধুনিক ইমিউনোথেরাপি চিকিৎসা।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ মোঃ আল আমিন
প্রধান বিশেষজ্ঞতানিউরোমেডিসিন ও ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি
উপ-বিশেষজ্ঞতাইন্টারনাল মেডিসিন ও ডায়াবেটোলজি
পদবীকনসালটেন্ট (নিউরোমেডিসিন)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা৮+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (ঢামেক) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • সিসিডি (বারডেম) – সার্টিফিকেট কোর্স ইন ডায়াবেটোলজি

  • এফসিপিএস (নিউরোলজি, এফপি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস

  • এমসিপিএস (মেডিসিন) – মেম্বার অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস

  • এমআরসিপি (যুক্তরাজ্য) – মেম্বার অব দ্য রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (UK)

  • এমএএসিপি (আমেরিকা) – মেম্বার অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (USA)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (নিউরোমেডিসিন)

  • কর্মস্থল: নিউরোমেডিসিন বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • আলঝেইমার রোগে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়।

  • ভার্টিগো চিকিৎসায় শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য ফেরে।

  • বেলস পালসিতে মুখের একপাশ বেঁকে যায়।

  • এসেনশিয়াল ট্রেমরে হাতের সূক্ষ্ম সমন্বয় কমে।

  • মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসে মাংসপেশীতে তীব্র ক্লান্তি আসে।

  • স্ট্রোকের পর দ্রুত নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন প্রয়োজন।

  • মাইগ্রেনের ব্যথায় সঠিক স্নায়ু চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মৃগীরোগ চিকিৎসায় নির্দিষ্ট খিঁচুনি নিরোধক লাগে।

  • পারকিনসন্স রোগে পেশীর স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে।

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিতে হাত পায়ে জ্বালা হয়।

  • মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসে বিশেষ স্নায়ু পরিচর্যা লাগে।

  • ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ায় মুখে তীব্র ব্যথা হয়।

  • সার্ভিক্যাল রেডিকুলোপ্যাথিতে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা হয়।

  • ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথিতে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • টেনশন হেডেকের চিকিৎসায় মানসিক দুশ্চিন্তা কমানো।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ মোঃ আল আমিন নিউরোমেডিসিন, ব্রেন, স্নায়ুরোগ, ডায়াবেটিস ও মেডিসিনের জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার কেয়ার: স্মৃতিশক্তি হ্রাস, আচরণগত পরিবর্তন এবং আলঝেইমার রোগের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও আধুনিক চিকিৎসা।

  • ভার্টিগো ও মাথা ঘোরা সমস্যা: ইপলি ম্যানুভার, ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন এবং হঠাৎ ভারসাম্য হারানোর চিকিৎসাসেবা।

  • নিউরোমাসকুলার ও মায়াসথেনিয়া গ্রাভিস: ইএমজি (EMG) পরীক্ষা, পেশীর শক্তি বৃদ্ধি এবং অনাক্রম্য রোগ মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা।

  • মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার ও বেলস পালসি: মুখ বেঁকে যাওয়া রোগের দ্রুত নিরাময়, হাত কাঁপা (Essential tremor) এবং পারকিনসন্স রোগের ওষুধ প্রয়োগ।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ভার্টিগোর ইপলি ম্যানুভার ও শারীরিক থেরাপি

কানের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা দূর করতে বিশেষ শারীরিক ম্যানুভার প্রয়োগ, যা পজিশনাল ভার্টিগো থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়।

মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসের আধুনিক ইমিউনোথেরাপি

স্নায়ু ও পেশীর সংযোগস্থল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ কোলিনারেজিক ওষুধ ও ইমিউন-নিয়ন্ত্রক প্রোটোকল প্রয়োগ।

আলঝেইমার ও কগনিটিভ মূল্যায়ন

বিশেষ স্কোরিং পদ্ধতি ও আধুনিক নিউরো-প্রোটেক্টিভ ওষুধের মাধ্যমে আলঝেইমার রোগের গতি ধীর করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

আলঝেইমার রোগ (Alzheimer's Disease)

মস্তিষ্কের নিউরন ক্ষয়জনিত রোগ যার ফলে রোগী স্মৃতিশক্তি, চিন্তাভাবনা ও দৈনন্দিন কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন, যা সঠিক ওষুধে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

বেলস পালসি (Bell's Palsy)

মুখের সেভেন্থ ক্র্যানিয়াল নার্ভের প্রদাহের কারণে হঠাৎ মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়া ও চোখ বন্ধ করতে কষ্ট হওয়া, যা সময়মতো চিকিৎসায় পুরোপুরি ভালো হয়।

এসেনশিয়াল ট্রেমর (Essential Tremor)

হাত দিয়ে কোনো কাজ করতে গেলে বা সোজা করে রাখলে অবশ না হয়ে অনবরত কাঁপতে থাকা, যা বিশেষ ওষুধে কমানো সম্ভব।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ মোঃ আল আমিন প্রতিটি রোগীর নিউরোলজিক্যাল শারীরিক পরীক্ষা, এমআরআই, সিটি স্ক্যান এবং ডায়াবেটিক রিপোর্টের নিখুঁত মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি সঠিক ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি স্নায়ু ও ডায়াবেটিস সুরক্ষায় রোগীকে সুনির্দিষ্ট লাইফস্টাইল পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ মুখের একপাশ বেঁকে যাওয়ার সাথে একপাশের হাত বা পা অবশ হলে, হঠাৎ কথা বলা বন্ধ হলে, মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে দুই চোখে ধোঁয়া দেখলে কিংবা শ্বাসকষ্টের সাথে চোখের পাতা ভারী হয়ে আসলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • ফেলো, কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (FCPS)

  • সদস্য, রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (MRCP, UK)

  • সদস্য, আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (MACP, USA)

  • সদস্য, সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (SNB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই, সিটি স্ক্যান, ইএমজি (EMG) এবং ডায়াবেটিসের (HbA1c) রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল নিউরোলজি ও ডায়াবেটিসের ওষুধের তালিকা সাথে রাখুন।

  • স্মৃতিভ্রম বা মাথা ঘোরার সময়ের সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 10, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

বয়সজনিত সাধারণ ভুলোমনা ভাব এবং আলঝেইমার রোগের মধ্যে পার্থক্য কী?

বয়স বাড়লে স্বাভাবিকভাবে মাঝে মাঝে টুকটাক জিনিসপত্র ভোলার ঘটনা ঘটতে পারে যা কিছুক্ষণ পর মনে পড়ে যায়। কিন্তু আলঝেইমার রোগে সাম্প্রতিক কথোপকথন পুরোপুরি ভুলে যাওয়া, পরিচিত পথ চিনতে কষ্ট হওয়া এবং দৈনন্দিন কাজ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। নিউরোলজিস্ট কগনিটিভ পরীক্ষা এবং ব্রেন এমআরআই-এর মাধ্যমে এটি শনাক্ত করে থাকেন।

হঠাৎ অতিরিক্ত মাথা ঘোরা বা ভার্টিগো হলে তাৎক্ষণিক করণীয় কী?

হঠাৎ ভার্টিগো বা মাথা ঘোরা শুরু হলে প্যানিক না হয়ে শান্তভাবে সমতল জায়গায় শুয়ে পড়তে হবে এবং মাথার দ্রুত নড়াচড়া বন্ধ রাখতে হবে। বিপিইভি (BPPV) জনিত মাথা ঘোরায় নিউরোলজিস্টের ইপলি ম্যানুভার থেরাপি প্রয়োগ করলে কানের ভেতরের স্ফটিক সঠিক স্থানে ফিরে আসে এবং দ্রুত ভার্টিগো ভালো হয়।

মুখ বেঁকে যাওয়া বা বেলস পালসি হলে কতদিনের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা উচিত?

বেলস পালসির লক্ষণ দেখা দেওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক মাত্রার স্টেরয়েড ওষুধ সেবন করলে মুখের স্নায়ুর ফোলা ভাব দ্রুত কমে যায় এবং মুখের অবশ ভাব নিরাময় হয়। এর সাথে চোখের ড্রপ ব্যবহার এবং ড্রায়নেস প্রতিরোধে রাতে চোখে টেপ লাগানো আবশ্যক।

হাত কাঁপা বা এসেনশিয়াল ট্রেমর কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়?

এসেনশিয়াল ট্রেমর নিয়ন্ত্রণে নিউরোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট বিটা-ব্লকার বা খিঁচুনি নিরোধক ওষুধ সেবন করতে হয়। অতিরিক্ত চা, কফি বা অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং মানসিক চাপ কমানো হাত কাঁপা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রতিনিয়ত ওষুধ সেবনে রোগী সহজে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

মায়াসথেনিয়া গ্রাভিস রোগের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?

মায়াসথেনিয়া গ্রাভিসের প্রধান লক্ষণ হলো দিনের বেলা কাজ করার সাথে সাথে পেশীর তীব্র ক্লান্তি বা দুর্বলতা বৃদ্ধি পাওয়া, যা বিশ্রামে কমে যায়। রোগীদের সাধারণত চোখের পাতা ভারী হয়ে আসা, দুই চোখে দেখা (Double vision), খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া এবং কথা জড়িয়ে আসার সমস্যা হয়। সঠিক ইমিউনোথেরাপি ও ওষুধ সেবনে রোগী পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকতে পারেন।

ডায়াবেটিস কীভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে?

দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা রক্তের সূক্ষ্ম নালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে স্নায়ুতে রক্ত সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এর ফলে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া বা ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি তৈরি হয় এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ নিউরোলজিস্টের অধীনে স্নায়ুর যত্ন নেওয়া উচিত।

হাত কাঁপার সমস্যা হলে কখন নিউরোলজিস্ট দেখানো প্রয়োজন?

যদি হাত কাঁপার কারণে লেখালেখি, চা খাওয়া বা জামার বোতাম লাগাতে কষ্ট হয় তবে দ্রুত নিউরোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত। শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব এটি সাধারণ এসেনশিয়াল ট্রেমর নাকি পারকিনসন্স রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। সঠিক সময়ে সঠিক রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করলে স্নায়ু সুরক্ষিত থাকে।

বেলস পালসিতে শারীরিক ব্যায়াম বা থেরাপির ভূমিকা কী?

বেলস পালসিতে স্নায়ুর প্রাথমিক তীব্র প্রদাহ কমার পর মুখমণ্ডলের পেশীর ব্যায়াম বা ফেসিয়াল থেরাপি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এটি মুখের সুপ্ত পেশীগুলোকে সক্রিয় করে তুলতে এবং স্বাভাবিক হাসির ভঙ্গি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। নিউরোলজিস্টের নির্দেশনায় সঠিক উপায়ে ব্যায়াম করলে মুখের অসymmetry দ্রুত দূর হয়।

ডাঃ মোঃ আল আমিনের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, ইএমজি এবং রক্তের এইচবিএ১সি (HbA1c) রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের তালিকা সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে ডাঃ মোঃ আল আমিন নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রদান করেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন