🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডআ

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল ✔ যাচাইকৃত

নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি)
নিউরোলজি বা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ (মস্তিষ্ক, স্নায়ু, মেরুদণ্ড, মাথাব্যথা ও স্ট্রোক সংক্রান্ত রোগ)

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পক্ষাঘাত (প্যারালাইসিস), খিঁচুনিজনিত সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী মাথা ঘোরা, স্নায়ুর দুর্বলতা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাস

🎓 কনসালট্যান্ট, নিউরোলজি

🏛️ খুলনা স্পেশালাইজড হসপিটাল

💼 ১১+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
46293বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট, নিউরোলজি — খুলনা স্পেশালাইজড হসপিটাল

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল খুলনা শহরের সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১১ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট ও ব্রেন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল স্নায়ু পরীক্ষা, ক্লাস্টার মাথাব্যথা, খিঁচুনি রোগ এবং মাথা ঘোরার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ব্রেন, নার্ভ, স্পাইন, স্ট্রোক এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমডি (নিউরোলজি) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Doctors Point Specialized Hospital, Khulna · Private Hospital

📍 ৪৯, কেডিএ এভিনিউ, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল – নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ, খুলনা

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল খুলনা শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট নিউরোলজিস্ট, যার ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ক্লাস্টার মাথাব্যথা, খিঁচুনি রোগ, দীর্ঘমেয়াদী মাথা ঘোরা, নার্ভের দুর্বলতা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নিউরোলজিস্ট কিংবা ব্রেন ও নার্ভ ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নিউরোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত স্নায়ু যত্ন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নিউরোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Neurology) অর্জন করেন, যা ব্রেন, স্পাইনাল কর্ড ও স্নায়ুরোগ চিকিৎসায় তার গভীর জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ ব্রেন ও স্পাইন ডাক্তারের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ক্লাস্টার মাথাব্যথার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা, খিঁচুনি রোগের উন্নত ইইজি মূল্যায়ন, ক্রনিক মাথা ঘোরার আধুনিক থেরাপি, নার্ভের দুর্বলতার চিকিৎসা এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের কগনিটিভ মূল্যায়ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন নিউরো-ইমেজিং, নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি এবং টার্গেটেড নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন কৌশল।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল
প্রধান বিশেষজ্ঞতানিউরোমেডিসিন ও ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি
উপ-বিশেষজ্ঞতানিউরোভাসকুলার কেয়ার ও খিঁচুনি রোগ
পদবীকনসালটেন্ট (নিউরোমেডিসিন)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১১+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নিউরোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (নিউরোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (নিউরোমেডিসিন)

  • কর্মস্থল: নিউরোমেডিসিন বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ক্লাস্টার মাথাব্যথায় সুনির্দিষ্ট স্নায়ু চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • খিঁচুনি রোগে নির্দিষ্ট অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ লাগে।

  • ক্রনিক মাথা ঘোরায় বিশেষ থেরাপি প্রয়োজন।

  • নার্ভের দুর্বলতায় সুনির্দিষ্ট স্নায়ু যত্ন লাগে।

  • স্মৃতিশক্তি হ্রাসে বিস্তারিত কগনিটিভ মূল্যায়ন প্রয়োজন।

  • মাইগ্রেনের ব্যথায় সুনির্দিষ্ট স্নায়ু চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিতে পায়ে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • ব্রেন স্ট্রোকে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।

  • স্পাইন ইনজুরিতে বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন অত্যন্ত জরুরি।

  • পারকিনসন্স রোগে পেশীর স্বাভাবিক নড়াচড়া কমে।

  • ফেসিয়াল প্যারালাইসিসে দ্রুত স্নায়ু থেরাপি প্রয়োজন।

  • সার্ভিক্যাল রেডিকুলোপ্যাথিতে ঘাড়ে তীব্র ব্যথা হয়।

  • ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ায় মুখে তীব্র ব্যথা হয়।

  • ঘুমের সমস্যায় সুনির্দিষ্ট নিউরোলজিক্যাল মূল্যায়ন লাগে।

  • স্মৃতিভ্রমের চিকিৎসায় কগনিটিভ মূল্যায়ন অত্যন্ত জরুরি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল নিউরোমেডিসিন, ব্রেন, মৃগীরোগ এবং নিউরোভাসকুলার রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ক্লাস্টার মাথাব্যথা ও নিউরোভাসকুলার পেইন: তীব্র ক্লাস্টার হেডেক, মাইগ্রেন এবং ক্রনিক মাথাব্যথার সুনির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা।

  • খিঁচুনি রোগ ও এপিলেপসি: ভিডিও-ইইজি (Video-EEG) পরীক্ষা, সঠিক খিঁচুনি নিরোধক ওষুধ নির্বাচন এবং জটিল মৃগীরোগের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা।

  • দীর্ঘমেয়াদী মাথা ঘোরা ও ভার্টিগো: ভার্টিগো, ক্রনিক মাথা ঘোরা এবং ভারসাম্যহীনতা দূর করতে আধুনিক ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও থেরাপি।

  • নার্ভের দুর্বলতা ও কগনিটিভ কেয়ার: পেশীর দুর্বলতা, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও নার্ভ কেয়ার।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ক্লাস্টার মাথাব্যথার জন্য আধুনিক নিউরো-মডুলেটরি থেরাপি

মস্তিষ্কের স্নায়ুর প্রদাহ কমাতে এবং ক্লাস্টার মাথাব্যথার তীব্র যন্ত্রণা স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করতে আধুনিক নিউরো-মডুলেটরি ও ওষুধ থেরাপি।

ইইজি (EEG) মনিটরিং ও খিঁচুনি নির্ণয়

মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ রেকর্ড করে খিঁচুনির সঠিক উৎস চিহ্নিত করা এবং মৃগীরোগের নিখুঁত ওষুধ মাত্রা নির্ধারণ করা।

ভার্টিগো ও মাথা ঘোরার জন্য ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন

ভার্টিগো এবং ক্রনিক মাথা ঘোরা দূর করতে বিশেষ শারীরিক ম্যানুভার এবং ব্যালেন্স থেরাপি প্রোটোকল প্রয়োগ।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ক্লাস্টার মাথাব্যথা (Cluster Headache)

চোখের চারপাশে তীব্র যন্ত্রণাদায়ক একতরফা মাথাব্যথা যা নির্দিষ্ট সাইকেলে বারবার ফিরে আসে, যা সুনির্দিষ্ট প্রতিরোধমূলক ওষুধে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

খিঁচুনি রোগ বা এপিলেপসি (Seizure Disorder)

মস্তিষ্কের কোষের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক সিগন্যালের কারণে বারবার খিঁচুনি হওয়া, যা সঠিক ওষুধ ও চিকিৎসায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ক্রনিক মাথা ঘোরা (Chronic Dizziness)

কানের ভেতর বা স্নায়বিক সমস্যার কারণে দীর্ঘমেয়াদী ভারসাম্যহীনতা ও মাথা ঘোরার অনুভূতি, যা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসায় ভালো হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল প্রতিটি রোগীর নিউরোলজিক্যাল শারীরিক পরীক্ষা, এমআরআই, সিটি স্ক্যান এবং ইইজি পরীক্ষার পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি অপ্রয়োজনীয় ওষুধ এড়িয়ে সঠিক থেরাপি প্রদান করেন এবং স্নায়ু সুরক্ষায় রোগীকে সঠিক জীবনযাত্রার পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ মুখের একপাশ বেঁকে গিয়ে হাত বা পা অবশ হলে, হঠাৎ কথা বলা বন্ধ হলে, জীবনের সবচেয়ে তীব্র হঠাৎ মাথাব্যথা শুরু হলে কিংবা একটানা ৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে খিঁচুনি উঠলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, সোসাইটি অব নিউরোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (SNB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, ইইজি (EEG) এবং নার্ভ টেস্টের রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল নিউরোলজির ওষুধের তালিকা সাথে রাখুন।

  • খিঁচুনির সময়কাল, মাথাব্যথার তীব্রতা বা মাথা ঘোরার বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 10, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ক্লাস্টার মাথাব্যথা সাধারণ মাইগ্রেন বা টেনশন মাথাব্যথা থেকে কীভাবে আলাদা?

ক্লাস্টার মাথাব্যথা অত্যন্ত তীব্র এবং এটি চোখের চারপাশে একতরফাভাবে অনুভূত হয় যার সাথে চোখ দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হওয়ার মতো লক্ষণ থাকে। সাধারণ মাইগ্রেন ধুকধুক করা ব্যথা এবং এটি যেকোনো পাশে হতে পারে, অন্যদিকে টেনশন হেডেক পুরো মাথায় চাপের মতো অনুভূত হয়। নিউরোলজিস্ট এই সুনির্দিষ্ট লক্ষণগুলো পরীক্ষা করে ক্লাস্টার মাথাব্যথার জন্য সঠিক প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা দেন।

খিঁচুনি রোগ বা এপিলেপসি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন নিয়মগুলো মেনে চলা আবশ্যক?

খিঁচুনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রধান শর্ত হলো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ সেবন করা। ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না এবং অপর্যাপ্ত ঘুম বা মানসিক চাপ এড়িয়ে চলতে হবে। নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে ওষুধের মাত্রা ঠিক রাখা হলে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।

ক্রনিক মাথা ঘোরা বা ভার্টিগো কেন হয় এবং এটি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

ক্রনিক মাথা ঘোরা কানের ভেতরের ভারসাম্য অঙ্গের সমস্যা, রক্তচাপের তারতম্য বা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোনো জটিলতার কারণে হতে পারে। নিউরোলজিস্ট বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল ইতিহাস, ব্যালেন্স টেস্ট এবং ব্রেন ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে মাথা ঘোরার মূল কারণ চিহ্নিত করেন। সঠিক কারণ উদঘাটনের পর সেই অনুযায়ী ওষুধ বা ভেস্টিবুলার থেরাপি শুরু করা হয়।

নার্ভের দুর্বলতার প্রধান লক্ষণগুলো কী কী এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?

নার্ভের দুর্বলতার লক্ষণের মধ্যে রয়েছে পেশীর শক্তি কমে যাওয়া, হাত বা পা কাঁপ বা অবশ হওয়া, এবং দৈনন্দিন কাজ করতে গিয়ে দুর্বলতা অনুভব করা। এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিউরোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সময়মতো চিকিৎসা শুরু করলে স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব হয়।

বয়স্ক ব্যক্তিদের কগনিটিভ ডিক্লাইন বা স্মৃতিশক্তি হ্রাস কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়?

বয়স্ক ব্যক্তিদের স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যা মূল্যায়নে প্রমিত কগনিটিভ স্কোরিং টেস্ট, স্নায়বিক শারীরিক পরীক্ষা এবং ব্রেন এমআরআই স্ক্যান করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যালঝেইমার বা ভাস্কুলার ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত করা যায়। স্নায়ু সুরক্ষামূলক ওষুধ ও মানসিক উদ্দীপনা মূলক অনুশীলনের মাধ্যমে এই গতি ধীর রাখা হয়।

তীব্র মাথাব্যথা বা ক্লাস্টার হেডেকের রোগীরা কখন জরুরি বিভাগে যাবেন?

যদি মাথাব্যথা হঠাৎ অত্যন্ত তীব্রভাবে শুরু হয় এবং একে জীবনের সবচেয়ে খারাপ মাথাব্যথা মনে হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি বিভাগে যাওয়া উচিত। এছাড়া ব্যথার সাথে যদি জ্বর, বিভ্রান্তি, দুই চোখে দেখা বা খিঁচুনি শুরু হয় তবে তা মারাত্মক মস্তিষ্কের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে জরুরি চিকিৎসা গ্রহণ জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে।

ভিডিও-ইইজি (Video-EEG) পরীক্ষা খিঁচুনি রোগ চিকিৎসায় কীভাবে সাহায্য করে?

ভিডিও-ইইজি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগীর খিঁচুনির দৃশ্যমান চিত্র এবং মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ একই সাথে দীর্ঘক্ষণ রেকর্ড করা হয়। এর ফলে মৃগীরোগের সঠিক ধরন এবং মস্তিষ্কের কোন অংশ থেকে খিঁচুনি ছড়াচ্ছে তা নিখুঁতভাবে জানা যায়। এই নির্ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিউরোলজিস্ট সঠিক এবং কার্যকরী ওষুধ নির্বাচন করতে পারেন।

জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ক্লাস্টার মাথাব্যথা রোগীরা কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন?

মাথাব্যথার প্রাদুর্ভাব কমাতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং সময়মতো খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত কফি, অ্যালকোহল, এবং তীব্র রোদ বা গন্ধযুক্ত পরিবেশ এড়িয়ে চলা উচিত। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর অভ্যাস মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।

ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়ালের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ব্রেন বা স্পাইনের এমআরআই রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, ইইজি (EEG) এবং রক্তের সাম্প্রতিক রিপোর্টগুলো সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল প্রেসক্রিপশন ও ওষুধের তালিকা সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ এস. এম. আব্দুল আউয়াল নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01795-383802 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন