🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডস

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা ✔ যাচাইকৃত

কার্ডিওলজিষ্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি, এফসিপিএস (মেডিসিন, এফপি), এমডি (কার্ডিওলজি)
হৃদরোগ, মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ
ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস, পেরিকার্ডাইটিস, জন্মগত হৃদরোগ, এনজাইনা (বুকের ব্যথা), কার্ডিওজেনিক শক

🎓 চিফ কনসালটেন্ট, (কার্ডিওলজি বিভাগ)

🏛️ শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১২+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
43026বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

চিফ কনসালটেন্ট, (কার্ডিওলজি বিভাগ) — শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা খুলনা শহরের সেরা কার্ডিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও ডায়াবেটিস ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল হৃদরোগ পরীক্ষা, অয়র্টিক স্টেনোসিস এবং ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। হার্ট ভাল্বের সমস্যা, পেরিকার্ডাইটিস, এনজাইনা এবং ডায়াবেটিসের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করুন। তার এমডি (কার্ডিওলজি) এবং এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 City Queens Clinic & Diagnostic Centre, Khulna · Diagnostic Center

📍 রয়েল মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা – খুলনার সেরা ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা খুলনা শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, যার ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি অয়র্টিক স্টেনোসিস, পেরিকার্ডাইটিস, জন্মগত হৃদরোগ, এনজাইনা এবং কার্ডিয়োজেনিক শকের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্টের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক ইন্টারভেনশনাল কার্ডিয়াক কেয়ার, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত হৃদরোগ পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বারডেম থেকে সিসিডি (CCD), মেডিসিনে এফসিপিএস (FCPS) এবং কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Cardiology) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে অয়র্টিক স্টেনোসিসের ইন্টারভেনশনাল মূল্যায়ন, পেরিকার্ডাইটিসের আধুনিক প্রদাহরোধী চিকিৎসা, জন্মগত হৃদরোগের ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থাপনা, এনজাইনা ব্যথায় সুনির্দিষ্ট ওষুধ থেরাপি এবং কার্ডিয়োজেনিক শকের জরুরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন ইকোকার্ডিওগ্রাফি, করোনারি অ্যানজিওগ্রাফি এবং মেটাবলিক রিস্ক প্রোফাইলিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা
প্রধান বিশেষজ্ঞতাকার্ডিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি
উপ-বিশেষজ্ঞতাঅভ্যন্তরীণ মেডিসিন ও ডায়াবেটোলজি
পদবীকনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১২+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • সিসিডি (বারডেম) – সার্টিফিকেট কোর্স ইন ডায়াবেটোলজি

  • এফসিপিএস (মেডিসিন) – ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস

  • এমডি (কার্ডিওলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (কার্ডিওলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি)

  • কর্মস্থল: কার্ডিওলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • অয়র্টিক স্টেনোসিসে ভাল্বের রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।

  • পেরিকার্ডাইটিসে হৃদপিণ্ডের আবরণে তীব্র প্রদাহ হয়।

  • জন্মগত হৃদরোগে বিশেষ শিশুর চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন।

  • এনজাইনা ব্যথায় সুনির্দিষ্ট ওষুধ চিকিৎসা লাগে।

  • কার্ডিয়োজেনিক শকে জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • উচ্চ রক্তচাপে নিয়মিত প্রেশার মাপা জরুরি।

  • হার্ট ফেইলিওরে বিশেষ হৃদরোগ চিকিৎসা লাগে।

  • করোনারি ধমনী রোগে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

  • ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দনে সঠিক রিদম মূল্যায়ন জরুরি।

  • ভাল্ব হৃদরোগে ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা করা হয়।

  • এথেরোস্কেলেরোসিসে ধমনীতে রক্তের পথ সংকুচিত হয়।

  • কার্ডিওমায়োপ্যাথিতে হৃদপেশী ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে।

  • পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশনে অতিরিক্ত তরল জমা হয়।

  • হাইপারলিপিডেমিয়ায় রক্তে চর্বির মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা কার্ডিওলজি, ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি এবং ডায়াবেটিসের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি ও ভাল্ব রোগ: অয়র্টিক স্টেনোসিস মূল্যায়ন, বেলুন ভালভোপ্লাস্টি এবং স্ট্রাকচারাল হার্ট ডিজিজের আধুনিক ব্যবস্থাপনা।

  • করোনারি ধমনী রোগ ও এনজাইনা: করোনারি অ্যানজিওগ্রাফি মূল্যায়ন, ঝুঁকি নির্ধারণ এবং স্থিতিশীল এনজাইমার জন্য ফার্মাকোলজিক্যাল চিকিৎসা।

  • কার্ডিয়াক ক্রিটিক্যাল কেয়ার: কার্ডিয়োজেনিক শক, হার্ট অ্যাটাক এবং হেমোডাইনামিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় জরুরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার সেবা।

  • ডায়াবেটিস ও কার্ডিয়াক রিস্ক কেয়ার: রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ এবং সিস্টেমিক ভাসকুলার ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত ডায়াবেটিক ও কার্ডিয়াক কেয়ার।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ডায়াগনস্টিক করোনারি অ্যানজিওগ্রাফি

ক্যাথেটারের মাধ্যমে করোনারি ধমনী পরীক্ষা করে ব্লকেজ বা রক্তনালীর সংকীর্ণতা নিখুঁতভাবে শনাক্তকরণ।

ট্রান্সথোরাসিক ও ডপলার ইকোকার্ডিওগ্রাফি

নন-ইনভেসিভ আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে হার্টের ভাল্বের গ্রেডিয়েন্ট, প্রাচীরের গতি এবং পাম্পিং ক্ষমতা মূল্যায়ন।

হেমোডাইনামিক মনিটরিং ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার

সংকটজনক হৃদরোগী ও শক রোগীদের রক্তচাপ ও রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে উন্নত মনিটরিং ব্যবস্থা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

অয়র্টিক স্টেনোসিস (Aortic Stenosis)

অয়র্টিক ভাল্ব সংকুচিত হওয়ার কারণে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া, যা বুকে ব্যথা ও দুর্বলতা তৈরি করে।

কার্ডিয়োজেনিক শক (Cardiogenic Shock)

হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে না পারায় সৃষ্ট জীবনঘাতী জরুরি অবস্থা, যার জন্য তাৎক্ষণিক হেমোডাইনামিক সাপোর্ট প্রয়োজন।

পেরিকার্ডাইটিস (Pericarditis)

হৃদপিণ্ডের চারপাশের আবরণে প্রদাহ, যার ফলে বুকে তীব্র ধারালো ব্যথা হয় এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধে নিরাময়যোগ্য।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা অ্যানজিওগ্রাফি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সমন্বয় ঘটিয়ে রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: বুকের মাঝখানে তীব্র চাপ বা চোয়াল ও বাম হাতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা কিংবা স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • ফেলো, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি (BCS)

  • সদস্য, কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (CSB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট, অ্যানজিওগ্রাফি ফিল্ম এবং ডায়াবেটিসের (HbA1c) রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা, ডায়াবেটিসের ওষুধ ও প্রেসার ডায়রি সাথে রাখুন।

  • বুকের ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের লক্ষণগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 13, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

অয়র্টিক স্টেনোসিসের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী যা দেখা মাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত?

অয়র্টিক স্টেনোসিসের প্রধান লক্ষণের মধ্যে রয়েছে শারীরিক পরিশ্রমের সময় বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট এবং মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া। ভাল্ব সংকুচিত হতে থাকায় হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা দ্রুত ইন্টারভেনশনাল মূল্যায়নের দাবি রাখে। সময়মতো ইকোকার্ডিওগ্রাফি করলে রোগের তীব্রতা নির্ভুলভাবে মাপা যায়।

কার্ডিয়োজেনিক শকের মতো জরুরি অবস্থায় হাসপাতালে কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়?

কার্ডিয়োজেনিক শকে আক্রান্ত রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (CCU) ভর্তি করে রক্তচাপ ও অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য ইনোট্রপিক ওষুধ ও মেকানিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রধান অঙ্গে রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করা এবং হার্ট অ্যাটাকের মতো মূল কারণ দ্রুত দূর করা। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা রোগীর জীবন বাঁচাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

দীর্ঘমেয়াদী এনজাইনা বা বুকে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কী কী?

এনজাইনা নিয়ন্ত্রণে বিটা-ব্লকার, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার এবং নাইট্রেট জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করে হৃৎপিণ্ডের অক্সিজেন চাহিদা কমানো হয়। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা আবশ্যক। ওষুধে ব্যথা না কমলে করোনারি অ্যানজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে রিং পরানোর প্রয়োজন হতে পারে।

পেরিকার্ডাইটিসের ব্যথা সাধারণ হৃদরোগের ব্যথা থেকে কীভাবে আলাদা করা যায়?

পেরিকার্ডাইটিসে বুকে তীব্র ধারালো ব্যথা হয় যা শুয়ে থাকলে বা দীর্ঘশ্বাস নিলে বৃদ্ধি পায় এবং সামনের দিকে ঝুঁকলে কিছুটা কমে। অন্যদিকে সাধারণ ইসকেমিক হার্ট পেইন বা হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা পজিশন পরিবর্তনে কমে না বরং এটি ভারী চাপের মতো অনুভূত হয়। ইসিজি এবং ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে এই দুই ব্যথার পার্থক্য নিখুঁতভাবে ধরা পড়ে।

জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও পরিচর্যা কীভাবে করা হয়?

জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের ইকোকার্ডিওগ্রাফি এবং কার্ডিয়াক এমআরআই পরীক্ষার মাধ্যমে জন্মগত ত্রুটির ধরণ মাপা হয়। ছোটখাটো ত্রুটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও জটিল ত্রুটির ক্ষেত্রে ক্যাথেটারাইজেশন বা সার্জারির মাধ্যমে তা ঠিক করা হয়। কার্ডিওলজিস্টরা এসব শিশুর সুস্থ জীবন ও শারীরিক বিকাশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী গাইডলাইন দেন।

ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি কেন বহুগুণ বেড়ে যায়?

ডায়াবেটিস রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে ধমনীর ভেতরের দেওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্তে খারাপ চর্বির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এই বিপাকীয় গোলযোগের কারণে এথেরোস্কেলেরোসিস বা ধমনীতে ব্লকেজ তৈরির প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। সঠিক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং লিপিড কমানোর থেরাপি এই ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত জরুরি।

বুকের অস্বস্তি বা চাপ অনুভব করলে কখন রোগীকে জরুরি ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাবে নেওয়া প্রয়োজন?

বুকের অস্বস্তি যদি হঠাৎ মারাত্মক আকার ধারণ করে, বিশ্রামে না কমে এবং এর সাথে প্রচুর ঘাম বা বাহুতে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে তবে তা তীব্র হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। এ অবস্থায় রোগীকে দ্রুত ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব সুবিধা রয়েছে এমন হাসপাতালে নিয়ে রিং পরানোর ব্যবস্থা করতে হবে। দ্রুত রক্তপ্রবাহ চালুর মাধ্যমে হার্টের পেশী রক্ষা করা সম্ভব হয়।

ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা হৃদরোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের কীভাবে সাহায্য করে?

ইকোকার্ডিওগ্রাফি শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের লাইভ ছবি তৈরি করে যার সাহায্যে ভাল্বের কার্যকারিতা, প্রকোষ্ঠের আকার এবং পাম্পিং ক্ষমতা নিখুঁতভাবে মাপা যায়। এটি কোনো ক্ষতিকর রেডিয়েশন ছাড়াই হৃদরোগের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। কার্ডিওলজিস্টরা এই পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ওষুধ বা ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন।

ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহার সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট, করোনারি অ্যানজিওগ্রাফি ফিল্ম এবং ডায়াবেটিসের HbA1c পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা ও ডায়াবেটিসের প্রেসক্রিপশন সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ বিষ্ণু পদ সাহা নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01904231003 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন