🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
অর

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় ✔ যাচাইকৃত

কার্ডিওলজিষ্ট

এমবিবিএস, ডি-কার্ড (ডিইউ), এফসিপিএস (মেডিসিন)
কার্ডিওলজি (হৃদরোগ, মেডিসিন ও রিউম্যাটিক ফিভার) বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: হার্ট ব্লক, অ্যারিদমিয়া (হৃদস্পন্দনের অনিয়ম), কার্ডিওমেগালি (হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া), ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ, অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস

🎓 অধ্যাপক, (কার্ডিওলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ৩৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

অধ্যাপক, (কার্ডিওলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় (পরিতোষ কুমার রায়) খুলনা শহরের সেরা কার্ডিওলজি ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৩৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও মেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল হৃদরোগ পরীক্ষা, হার্ট ব্লক চিকিৎসা এবং এ্যারিথমিয়া ব্যবস্থাপনার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। হার্ট ব্লক, এ্যারিথমিয়া, কার্ডিওমেগালি, ইসকেমিক হৃদরোগ এবং এথেরোস্কেলেরোসিসের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করুন। তার ডি-কার্ড ও এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital

📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোতা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় – খুলনার সেরা কার্ডিওলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত প্রফেসর ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যার ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি হার্ট ব্লক, এ্যারিথমিয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, কার্ডিওমেগালি (হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া), ইসকেমিক হৃদরোগ এবং এথেরোস্কেলেরোসিসের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা কার্ডিওলজিস্টের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক কার্ডিয়াক কেয়ার, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত হৃদরোগ পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কার্ডিওলজিতে ডিপ্লোমা (D-CARD, DU) এবং মেডিসিনে এফসিপিএস (FCPS in Medicine) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার তিন দশকেরও বেশি সময়ের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে হার্ট ব্লক ও এ্যারিথমিয়ার ইলেকট্রোফিজিওলজিক্যাল মূল্যায়ন, কার্ডিওমেগালির আধুনিক চিকিৎসা, ইসকেমিক হৃদরোগের সেকেন্ডারি প্রিভেনশন প্রোটোকল এবং এথেরোস্কেলেরোসিস বা ধমনী ব্লকেজের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন ইকোকার্ডিওগ্রাফি, ইসিজি এবং সিস্টেমিক কার্ডিয়াক প্রোফাইলিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায়
প্রধান বিশেষজ্ঞতাকার্ডিওলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন
উপ-বিশেষজ্ঞতারিউমেটিক ফিভার ও এ্যারিথমিয়া কেয়ার
পদবীপ্রফেসর (কার্ডিওলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা৩৫+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • ডি-কার্ড (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) – ডিপ্লোমা ইন কার্ডিওলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • এফসিপিএস (মেডিসিন) – ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (মেডিসিন)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: প্রফেসর (কার্ডিওলজি)

  • কর্মস্থল: কার্ডিওলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • হার্ট ব্লকে জরুরি পেসমেকার মূল্যায়ন প্রয়োজন।

  • এ্যারিথমিয়া চিকিৎসায় সঠিক রিদম মূল্যায়ন লাগে।

  • কার্ডিওমেগালিতে হৃদপেশীর অতিরিক্ত চাপ কমে।

  • ইসকেমিক হৃদরোগে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।

  • এথেরোস্কেলেরোসিসে ধমনীতে চর্বি জমে যায়।

  • উচ্চ রক্তচাপে নিয়মিত প্রেশার মাপা জরুরি।

  • হার্ট ফেইলিওরে বিশেষ হৃদরোগ চিকিৎসা লাগে।

  • বুকে ব্যথায় জরুরি হৃদরোগ পরীক্ষা প্রয়োজন।

  • ভাল্ব রোগে নিখুঁত ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা জরুরি।

  • রিউমেটিক ফিভারে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন।

  • এনজাইনায় পরিশ্রমে বুকে চাপ ধরে যায়।

  • হাইপারলিপিডেমিয়ায় রক্তে ক্ষতিকর চর্বি বাড়ে।

  • পেরিকার্ডাইটিসে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা হয়।

  • কার্ডিওমায়োপ্যাথিতে হৃৎপিণ্ড ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়।

  • বুক ধড়ফড়ে সঠিক মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় কার্ডিওলজি, ইন্টারনাল মেডিসিন ও হৃদরোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • হার্ট ব্লক ও এ্যারিথমিয়া ব্যবস্থাপনা: হৃদস্পন্দনের পরিবাহী ত্রুটি ও এ্যারিথমিয়ার সুনির্দিষ্ট রিদম নিয়ন্ত্রণ এবং পেসমেকার মূল্যায়ন সেবা।

  • ইসকেমিক হৃদরোগ ও করোনারি কেয়ার: ইসিজি মূল্যায়ন, কার্ডিয়াক রিস্ক স্ট্রেটিফিকেশন এবং এনজাইনা বা ইসকেমিক হৃদরোগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।

  • কার্ডিওমেগালি ও এথেরোস্কেলেরোসিস: হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া এবং রক্তনালীতে চর্বি জমার সমস্যা রোধে আধুনিক কার্ডিয়াক কেয়ার।

  • রিউমেটিক ফিভার ও মেডিসিন: রিউমেটিক হৃদরোগের সঠিক মূল্যায়ন, অ্যান্টিবায়োটিক প্রফিল্যাক্সিস এবং অভ্যন্তরীণ মেডিসিনের সমন্বিত সেবা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

১২-লিড ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি (ECG) মূল্যায়ন

হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যাবলী নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে মায়োকার্ডিয়াল ইসকেমিয়া, হার্ট ব্লক ও রিদম ত্রুটি শনাক্তকরণ।

ট্রান্সথোরাসিক ইকোকার্ডিওগ্রাফি (Echo)

নন-ইনভেসিভ আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের পাম্পিং ক্ষমতা, ভাল্বের অবস্থা ও ইজেকশন ফ্র্যাকশন মূল্যায়ন।

কার্ডিয়াক রিস্ক স্ট্রেটিফিকেশন ও লিপিড ম্যানেজমেন্ট

রক্তে চর্বির মাত্রা বিশ্লেষণ করে এথেরোস্কেলেরোসিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

হার্ট ব্লক (Heart Block)

হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত সঞ্চালনে ত্রুটি যার ফলে স্পন্দন ধীর হয়ে যায়, যা সঠিক রিদম পর্যবেক্ষণে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কার্ডিওমেগালি (Cardiomegaly)

উচ্চ রক্তচাপ বা ভাল্বের সমস্যার কারণে হৃদপিণ্ড স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যাওয়া, যা সুনির্দিষ্ট ওষুধে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

এথেরোস্কেলেরোসিস (Atherosclerosis)

ধমনীর দেয়ালে চর্বি জমে রক্ত চলাচলের পথ সংকীর্ণ হওয়া, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা ইসিজি পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক জীবনযাত্রার পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: বুকের মাঝখানে তীব্র চাপ বা চোয়াল ও বাম হাতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা কিংবা স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • ফেলো, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি (BCS)

  • সদস্য, কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (CSB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট এবং রক্তের লিপিড প্রফাইল সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা ও প্রেসার ডায়রি সাথে রাখুন।

  • মাথা ঘোরার অনুভূতি বা বুক ধড়ফড় করার লক্ষণগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 13, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

হার্ট ব্লকের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী যা দেখা মাত্রই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত?

হার্ট ব্লকের প্রধান লক্ষণের মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন মাথা ঘোরানো, দুর্বলতা, হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া এবং সামান্য পরিশ্রমে অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়া। হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত সঠিকভাবে সঞ্চালিত না হওয়ায় এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। দ্রুত কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে ইসিজি করালে হার্ট ব্লকের মাত্রা ধরা পড়ে এবং পেসমেকার লাগানোর প্রয়োজন আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ্যারিথমিয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন নির্ণয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে কী ধরনের পরীক্ষা করা হয়?

এ্যারিথমিয়া নির্ণয়ে স্ট্যান্ডার্ড ১২-লিড ইসিজি এবং ২৪ ঘণ্টার হোল্টার মনিটরিং করা হয় যাতে হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক ছন্দের যেকোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে। এর পাশাপাশি ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের কাঠামোগত কোনো সমস্যা আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়। এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কার্ডিওলজিস্ট সঠিক ওষুধ বা রিদম থেরাপি নির্বাচন করেন।

কার্ডিওমেগালি বা হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণগুলো কী কী?

কার্ডিওমেগালির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তচাপ, করোনারি ধমনী রোগ, ভাল্বের ত্রুটি এবং কার্ডিওমায়োপ্যাথি। অতিরিক্ত চাপের কারণে হৃদপিণ্ডকে বেশি কাজ করতে হয়, যার ফলে এর পেশী প্রসারিত ও দুর্বল হয়ে যায়। সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের আকার স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হয়।

ইসকেমিক হৃদরোগের চিকিৎসায় আধুনিক ওষুধের ভূমিকা কী?

ইসকেমিক হৃদরোগে অ্যান্টিপ্লেটলেট ওষুধ, স্ট্যাটিন এবং বিটা-ব্লকার ব্যবহার করে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করা হয় এবং হৃদপিণ্ডের অক্সিজেন চাহিদা কমানো হয়। এই ওষুধগুলো ধমনীতে ব্লوकेज বা চর্বি জমা হওয়া রোধ করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত সেবনের মাধ্যমে রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

এথেরোস্কেলেরোসিস প্রক্রিয়ায় ধমনীতে কীভাবে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়?

রক্তে অতিরিক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে ধমনীর ভেতরের দেওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং প্লাক সৃষ্টি করে, যা রক্ত চলাচলের পথ সংকুচিত করে দেয়। এই এথেরোস্কেলেরোসিস প্রক্রিয়ার ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং লিপিড কমানোর ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা হৃদরোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের কীভাবে সাহায্য করে?

ইকোকার্ডিওগ্রাফি শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের লাইভ ছবি তৈরি করে যার সাহায্যে ভাল্বের কার্যকারিতা, প্রকোষ্ঠের আকার এবং পাম্পিং ক্ষমতা নিখুঁতভাবে মাপা যায়। এটি কোনো ক্ষতিকর রেডিয়েশন ছাড়াই হৃদরোগের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। কার্ডিওলজিস্টরা এই পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ওষুধ বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন।

উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘমেয়াদে হৃদপিণ্ডের পেশীকে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে?

উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদপিণ্ডকে সবসময় অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে রক্ত পাম্প করতে হয়, যা ধীরে ধীরে হৃদপেশীকে মোটা ও শক্ত করে তোলে। এই অবস্থার ফলে হার্ট তার স্বাভাবিক ছন্দে রক্ত ফিল আপ করতে পারে না এবং একসময় ফেইলিওরে রূপ নেয়। নিয়মিত প্রেশার নিয়ন্ত্রণ এই মারাত্মক ক্ষতি রোধ করতে পারে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন কি হার্ট ব্লক বা এ্যারিথমিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে?

ধূমপান বর্জন, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হলেও হার্ট ব্লক বা এ্যারিথমিয়ার চিকিৎসায় প্রায়ই বিশেষ ওষুধের প্রয়োজন হয়। কার্ডিওলজিস্ট রোগীর সার্বিক পরীক্ষা করে নির্ধারণ করেন কখন কেবল লাইফস্টাইল পরিবর্তন যথেষ্ট এবং কখন ওষুধ শুরু করা জরুরি। উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে হৃদরোগ দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

অধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রাইয়ের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট, রক্তের লিপিড প্রফাইল এবং অন্যান্য পরীক্ষা সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা ও প্রেসার ডায়রি সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করেঅধ্যাপক ডাঃ পরিতোষ কুমার রায় নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01999099099 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন