🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডআ

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম ✔ যাচাইকৃত

কার্ডিওলজিষ্ট

এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (কার্ডিওলজি),
এফসিপিএস (মেডিসিন-পি১)
এফসিপিএস ডিগ্রিধারী খুলনার প্রথম হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পেরিফেরাল ধমনি, হৃদরোগ, হৃদ-সংবহনতন্ত্রের রোগ, উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা, মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন

🎓 কনসালট্যান্ট, কার্ডিওলজি

🏛️ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

💼 ৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
72622বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট, কার্ডিওলজি — ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম খুলনা অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত ও স্বনামধন্য কার্ডিওলজিস্ট যিনি আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন। খুলনার প্রথম এফসিপিএস ডিগ্রিধারী কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে তিনি পেরিফেরাল আর্টারি রোগ, জটিল হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট অ্যাটাক চিকিৎসায় উন্নত সেবা প্রদান করে আসছেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল হৃদরোগ পরীক্ষা ও উন্নত কার্ডিয়াক কেয়ারের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। পরিপাকতন্ত্র ও কার্ডিওভাসকুলার জটিলতায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Sunrise Diagnostic & Consultation Center · Diagnostic Center

📍 ৪২৮, খানজাহান আলী রোড (হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে), খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকেল ৪টা থেকে রাত ১০টা (বুধবার ও বৃহস্পতিবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম – খুলনার সেরা হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের একজন কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট, যার ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। খুলনার প্রথম এফসিপিএস ডিগ্রিধারী কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে তিনি পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ব্যবস্থাপনা এবং মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা কার্ডিওলজিস্টের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক কার্ডিয়াক কেয়ার, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত হৃদরোগ পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS Cardiology) অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি মেডিসিনে এফসিপিএস পার্ট-১ সম্পন্ন করেন। খুলনার প্রথম এফসিপিএস ডিগ্রিধারী কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে তিনি চিকিৎসা ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করেছেন। খুলনায় সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার উন্নত একাডেমিক জ্ঞান ও হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেরিফেরাল আর্টারি রোগের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন, হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের জরুরি চিকিৎসা, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের আধুনিক প্রোটোকল এবং সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি মূল্যায়ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন ইকোকার্ডিওগ্রাফি, ইসিজি এবং ভাসকুলার স্ক্রীনিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম
প্রধান বিশেষজ্ঞতাকার্ডিওলজি ও অভ্যন্তরীণ মেডিসিন
উপ-বিশেষজ্ঞতাপেরিফেরাল ভাসকুলার কেয়ার ও উচ্চ রক্তচাপ
পদবীকনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি)
কর্মস্থলঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
মোট অভিজ্ঞতা৫+ বছর
অবস্থানখুলনা ও ঢাকা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (ঢামেক) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এফসিপিএস (কার্ডিওলজি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (কার্ডিওলজি)

  • এফসিপিএস (মেডিসিন-পি১) – পার্ট-১ ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (মেডিসিন)

  • বিশেষ স্বীকৃতি: খুলনার প্রথম এফসিপিএস ডিগ্রিধারী কার্ডিওলজিস্ট

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি)

  • কর্মস্থল: কার্ডিওলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • পেরিফেরাল আর্টারিতে রক্ত চলাচল কমে।

  • হৃদরোগে নিখুঁত ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

  • কার্ডিওভাসকুলার রোগে নিয়মিত চিকিৎসা লাগে।

  • উচ্চ রক্তচাপে নিয়মিত প্রেশার মাপা।

  • মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • বুকে ব্যথায় জরুরি হৃদরোগ পরীক্ষা।

  • করোনারি ধমনী রোগে রক্তপ্রবাহ কমে।

  • হার্ট ফেইলিওরে বিশেষ চিকিৎসা লাগে।

  • এথেরোস্কেলেরোসিসে ধমনীতে চর্বি জমে।

  • এনজাইনায় পরিশ্রমে বুকে চাপ ধরে।

  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দনে সঠিক মূল্যায়ন জরুরি।

  • ভাল্ব রোগে নিখুঁত ইকো পরীক্ষা।

  • হাইপারলিপিডেমিয়ায় রক্তে ক্ষতিকর চর্বি বাড়ে।

  • কার্ডিওমায়োপ্যাথিতে হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে।

  • পেরিকার্ডাইটিসে বুকে তীব্র ব্যথা হয়।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম কার্ডিওলজি, ইন্টারনাল মেডিসিন ও পেরিফেরাল ভাসকুলার স্বাস্থ্যের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • পেরিফেরাল আর্টারি ও রক্তনালী সেবা: পেরিফেরাল ধমনীর রোগ নির্ণয়, রক্তপ্রবাহ মূল্যায়ন এবং ভাসকুলার জটিলতার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।

  • হার্ট অ্যাটাক ও করোনারি কেয়ার: মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঝুঁকি মূল্যায়ন, ইসিজি মূল্যায়ন এবং এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাকের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।

  • উচ্চ রক্তচাপ ব্যবস্থাপনা: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক ওষুধ প্রয়োগ এবং স্ট্রোক ও অঙ্গহানি রোধে লাইফস্টাইল পরিবর্তন প্রোটোকল।

  • কার্ডিওভাসকুলার রিস্ক স্ক্রীনিং: রক্তে চর্বির মাত্রা ও বিপাকীয় স্বাস্থ্য বিশ্লেষণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

১২-লিড ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাফি (ECG) মূল্যায়ন

হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যাবলী নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে মায়োকার্ডিয়াল ইসকেমিয়া ও রিদম ত্রুটি শনাক্তকরণ।

ট্রান্সথোরাসিক ইকোকার্ডিওগ্রাফি (Echo)

নন-ইনভেসিভ আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের পাম্পিং ক্ষমতা, ভাল্বের অবস্থা ও ইজেকশন ফ্র্যাকশন মূল্যায়ন।

পেরিফেরাল ভাসকুলার স্ক্রীনিং

প্রান্তিক রক্তনালীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ধমনীর ব্লকেজ বা রক্তনালীর জটিলতা নিখুঁতভাবে শনাক্তকরণ।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD)

পায়ের ধমনীতে চর্বি জমে রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া, যার ফলে হাঁটার সময় পায়ে তীব্র ব্যথা হয় এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়।

মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Heart Attack)

হৃদপিণ্ডে রক্তপ্রবাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পেশীর ক্ষতি হওয়া, যার জন্য জরুরি চিকিৎসা ও তদারকি প্রয়োজন।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন (Hypertension)

রক্তনালীর গায়ে রক্তের অতিরিক্ত চাপের কারণে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, যা নিয়মিত ওষুধ ও পর্যবেক্ষণে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা ভাসকুলার পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জীবনযাত্রার সঠিক পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: বুকের মাঝখানে তীব্র চাপ বা চোয়াল ও বাম হাতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট, জ্ঞান হারিয়ে ফেলা কিংবা স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত বিলম্ব না করে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • ফেলো, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি (BCS)

  • সদস্য, কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (CSB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট এবং ভাসকুলার পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা ও প্রেসার ডায়রি সাথে রাখুন।

  • বুকে ব্যথা বা হাঁটার সময় পায়ে ব্যথার লক্ষণগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 13, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ বা পায়ের ধমনীর ব্লকেজের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজের প্রধান লক্ষণের মধ্যে রয়েছে হাঁটার সময় পায়ে বা মাংসপেশীতে তীব্র টান, ব্যথা বা ক্লান্তি অনুভূত হওয়া যা কিছুক্ষণ দাঁড়ালে বা বিশ্রাম নিলে কমে যায়। এছাড়া পায়ের ত্বক ঠান্ডা হওয়া, পায়ের পাতার রক্তনালীর পাল্স দুর্বল হওয়া এবং পায়ে কোনো ক্ষত সহজে না শুকানো এর অন্যতম লক্ষণ। কার্ডিওলজিস্টের মাধ্যমে এই সমস্যা সময়মতো শনাক্ত করলে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের পর জরুরি সেটিংয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়?

হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (CCU) ভর্তি করে রক্ত জমাট বাঁধারোধী ওষুধ ও অক্সিজেন সহায়তা দেওয়া হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো বন্ধ হয়ে যাওয়া রক্তনালীতে রক্তপ্রবাহ দ্রুত পুনরায় সচল করা এবং হৃদপেশীর স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা রোগীর জীবন বাঁচাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘমেয়াদে রক্তনালী ও ভাসকুলার স্বাস্থ্যের কী ধরনের ক্ষতি করতে পারে?

উচ্চ রক্তচাপের কারণে রক্তনালীর দেওয়ালে অতিরিক্ত ও স্থায়ী চাপ সৃষ্টি হয়, যা ধমনী শক্ত করে তোলে এবং এথেরোস্কেলেরোসিসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। এর ফলে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক এবং কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। নিয়মিত প্রেশার নিয়ন্ত্রণ এবং ওষুধ সেবন এই মারাত্মক ক্ষতি রোধ করতে পারে।

একটি পূর্ণাঙ্গ কার্ডিয়াক চেকআপের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কীভাবে আগেভাগে মাপা যায়?

একটি পূর্ণাঙ্গ কার্ডিয়াক চেকআপে রোগীর ক্লিনিক্যাল ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা, রেস্টিং ইসিজি এবং ট্রান্সথোরাসিক ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয়। এর পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরল, শর্করা এবং ভাসকুলার প্রোফাইল পরীক্ষা করে সার্বিক হৃদরোগের ঝুঁকি মাপা হয়। এই স্ক্রীনিংয়ের মাধ্যমে হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো খুব সহজেই আগেভাগে ধরা পড়ে।

বুকের অস্বস্তি বা চাপ অনুভব করলে কখন রোগীকে জরুরি হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন?

বুকের অস্বস্তি যদি হঠাৎ মারাত্মক আকার ধারণ করে, বিশ্রামে না কমে এবং এর সাথে প্রচুর ঘাম বা বাহুতে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে তবে তা তীব্র হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। এ অবস্থায় রোগীকে দ্রুত জরুরি হাসপাতালে নিয়ে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত রক্তপ্রবাহ চালুর মাধ্যমে হার্টের পেশী রক্ষা করা সম্ভব হয়।

ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা হৃদরোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের কীভাবে সাহায্য করে?

ইকোকার্ডিওগ্রাফি শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের লাইভ ছবি তৈরি করে যার সাহায্যে ভাল্বের কার্যকারিতা, প্রকোষ্ঠের আকার এবং পাম্পিং ক্ষমতা নিখুঁতভাবে মাপা যায়। এটি কোনো ক্ষতিকর রেডিয়েশন ছাড়াই হৃদরোগের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। কার্ডিওলজিস্টরা এই পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ওষুধ বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন।

রক্তে অতিরিক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল কীভাবে ধমনীতে ব্লকেজ তৈরি করে?

রক্তে খারাপ চর্বি বা এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা ধমনীর গায়ে জমে প্লাক সৃষ্টি করে, যা রক্ত চলাচলের পথ সংকুচিত করে দেয়। এই এথেরোস্কেলেরোসিস প্রক্রিয়ার ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্ট্যাটিন জাতীয় ওষুধের মাধ্যমে লিপিড নিয়ন্ত্রণ করা হৃদরোগ প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন কি এককভাবে প্রাথমিক হৃদরোগ নিরাময় করতে পারে?

ধূমপান বর্জন, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হলেও প্রাথমিক বা মাঝারি হৃদরোগের চিকিৎসায় প্রায়ই ওষুধের প্রয়োজন হয়। কার্ডিওলজিস্ট রোগীর সার্বিক পরীক্ষা করে নির্ধারণ করেন কখন কেবল লাইফস্টাইল পরিবর্তন যথেষ্ট এবং কখন ওষুধ শুরু করা জরুরি। উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে হৃদরোগ দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনামর সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট, ভাসকুলার পরীক্ষার রিপোর্ট এবং রক্তের লিপিড প্রফাইল সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল কার্ডিয়াক ওষুধের তালিকা ও প্রেসার ডায়রি সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ সাউদ বিন খাইরুল আনাম নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01717322000 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন