🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডও

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ✔ যাচাইকৃত

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, লিভার ও অগ্ন্যাশয় রোগ বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: প্যানক্রিয়াটাইটিস প্রদাহের চিকিৎসা, লিভারের যত্ন, আইবিএস (IBS), পেট ফাঁপা, হেপাটাইটিস বি, পেটে ব্যথা

🎓 কনসালট্যান্ট, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি

🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের স্পেশালাইজড হাসপাতাল, খুলনা

💼 ২৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি — শহীদ শেখ আবু-নাসের স্পেশালাইজড হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ খুলনা শহরের সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও প্যানক্রিয়াস বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও লিভার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নির্ভুল রোগ নির্ণয়, অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াসের চিকিৎসা ও আইবিএস (IBS) নিরাময়ে বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। পরিপাকতন্ত্রের জটিল রোগ, পেটে গ্যাস ও ফোলাভাব, হেপাটাইটিস বি এবং পেটের ব্যথায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার অভিজ্ঞতার আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Labaid Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 বাড়ি নং এ-৫, মজিদ সরণি, সোনাডাঙ্গা, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা (বন্ধ: শুক্রবার)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ – লিভার ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞত, খুলনা

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ খুলনা শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, যার ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস, লিভারের রোগ, আইবিএস (IBS) এবং দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথার মতো জটিল পরিপাকতন্ত্রের রোগের একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা লিভার ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে অগ্ন্যাশয় ও লিভারের নিবিড় পরিচর্যা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং বৈজ্ঞানিক ওষুধ প্রয়োগ।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি এমডি (MD in Gastroenterology) অর্জন করেন, যা পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) জটিল রোগে তার গভীর পাণ্ডিত্য ও অভিজ্ঞতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা পেটের ডাক্তার কিংবা লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন। দীর্ঘ চিকিৎসা জীবনে তিনি হাজার হাজার জটিল অগ্ন্যাশয়, লিভার ও পরিপাকতন্ত্রের রোগীর সফল চিকিৎসা প্রদান করেছেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে একিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসের জরুরি ও দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা, লিভার সুরক্ষায় বিশেষ যত্ন, আইবিএস (IBS) রোগীদের গ্যাস্ট্রিক ও পেট ফাপা নিয়ন্ত্রণ, হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আধুনিক অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথার সঠিক মূল কারণ নির্ণয়।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ
প্রধান বিশেষজ্ঞতাগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার রোগ
উপ-বিশেষজ্ঞতাঅগ্ন্যাশয় (Pancreas) ও পরিপাকতন্ত্র কেয়ার
পদবীকনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা২৫+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

  • কর্মস্থল: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • প্যানক্রিয়াটাইটিস চিকিৎসায় জরুরি হাসপাতাল সেবা প্রয়োজন।

  • লিভার সিরোসিস প্রতিরোধে নিয়মিত চিকিৎসা লাগে।

  • আইবিএস চিকিৎসায় অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বাড়ে।

  • পেটের গ্যাস কমাতে সঠিক ওষুধ প্রয়োজন।

  • হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় নিয়মিত ওষুধ লাগে।

  • পেটের ব্যথায় সঠিক কারণ নির্ণয় প্রয়োজন।

  • পাকস্থলীর আলসারে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা লাগে।

  • ফ্যাটি লিভারে লাইফস্টাইল পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

  • ক্রনিক গ্যাস্ট্রাইটিসে পেটে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে কার্যকর মোটিলিটি ওষুধ লাগে।

  • পিত্তথলির পাথরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

  • পরিপাকতন্ত্রের রক্তপাতে জরুরি হাসপাতাল সেবা লাগে।

  • দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়ায় অনুজীব রক্ত পরীক্ষা প্রয়োজন।

  • এসিড রিফ্লাক্সে বুকে তীব্র জ্বালাপোড়া হয়।

  • জন্ডিস চিকিৎসায় সঠিক লিভার পরীক্ষা প্রয়োজন।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ পরিপাকতন্ত্র ও লিভারের জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • প্যানক্রিয়াটিক ও হেপাটোবিলিয়ারি মেডিসিন: একিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস, প্যানক্রিয়াটিক এনজাইমের ঘাটতি এবং পিত্তনালীর ব্লকেজের চিকিৎসাসেবা।

  • হেপাটোলজি ও হেপাটাইটিস বি কেয়ার: হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি, লিভার এনজাইম পরীক্ষা এবং ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে আধুনিক চিকিৎসা।

  • আইবিএস (IBS) ও হজমের গোলযোগ: আইবিএস, পেটে গ্যাস ও অস্বস্তি, এবং দীর্ঘমেয়াদী পেটের ফোলাভাব নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান।

  • পরিপাকতন্ত্রের রোগ ও পেটের ব্যথা: পেপটিক আলসার, এসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস্ট্রাইটিস এবং দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথার মূল কারণ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

প্যানক্রিয়াটাইটিসের মেডিকেল ও এনজাইম থেরাপি

প্যানক্রিয়াটাইটিসের তীব্র ব্যথা ও প্রদাহ কমানো এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে স্যালাইন থেরাপি ও প্যানক্রিয়াটিক এনজাইম প্রতিস্থাপন।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি

রক্তে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের মাত্রা (HBV-DNA) নিরূপণ করে সঠিক অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ সেবনের মাধ্যমে লিভারকে সিরোসিস থেকে রক্ষা করা।

আইবিএস ও পেটের গ্যাসের মোটিলিটি কেয়ার

পাচনতন্ত্রের নড়াচড়া স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ মোটিলিটি ওষুধ, অ্যান্টিস্পাসমোডিক এবং পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণের বিশেষ নির্দেশিকা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

একিউট ও ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস (Pancreatitis)

অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহজনিত মারাত্মক ব্যাধি যাতে পেটের উপরিভাগে তীব্র ব্যথা হয় এবং পিঠে ছড়িয়ে পড়ে, যা সঠিক হাসপাতালে চিকিৎসায় ভালো হয়।

ক্রনিক হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (Hepatitis B)

লিভারে ভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ যা সময়ে চিকিৎসা না নিলে লিভারের ক্ষতি করতে পারে, তবে আধুনিক ওষুধে এটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS)

পরিপাকতন্ত্রের একটি কার্যগত সমস্যা যাতে ঘন ঘন পাতলা পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে গ্যাস এবং অস্বস্তি তৈরি হয়, যা সঠিক নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ প্রতিটি রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং রক্ত ও ইমেজিং রিপোর্টের নিখুঁত মূল্যায়নের ওপর প্রাধান্য দেন। তিনি অপচিকিৎসা এড়িয়ে সুনির্দিষ্ট ওষুধ প্রদান করেন এবং অগ্ন্যাশয় ও লিভার সুরক্ষায় রোগীকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ পেটের উপরিভাগে তীব্র অসহ্য ব্যথা শুরু হয়ে পিঠে ছড়িয়ে পড়লে, মুখ দিয়ে তাজা বা কালচে রক্ত বমি হলে, আলকাতরার মতো কালো পায়খানা হলে কিংবা জন্ডিসের সাথে প্রচণ্ড জ্বর আসলে অবিলম্বে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও প্রফেশনাল মেম্বারশিপ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি অব গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি (BSG)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সকল আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান, প্যানক্রিয়াটিক এনজাইম টেস্ট ও লিভার ফাংশন টেস্টের (LFT) রিপোর্ট আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা (বিশেষ করে গ্যাস্ট্রিক, এনজাইম ও লিভারের ওষুধ) সাথে রাখুন।

  • ব্যথার সাথে খাবারের সম্পর্ক বা পেটের গ্যাস ও পায়খানার অভ্যাসের পরিবর্তনের তথ্য মনে রাখুন।

  • পেটের আল্ট্রাসোনোগ্রাম করানোর প্রয়োজন হলে অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সম্পূর্ণ খালি পেটে থাকুন।

Last Modified: October 10, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিসের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী যার জন্য জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়?

একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিসের প্রধান লক্ষণ হলো পেটের উপরিভাগে হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র সোজা পিঠে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা, যা খাওয়ার পর আরও বৃদ্ধি পায়। এর সাথে রোগীর অনবরত বমি বমি ভাব, বমি, জ্বর, দ্রুত হৃদস্পন্দন এবং পেট ফুলে যাওয়া বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করে ফ্লুইড থেরাপি ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ক্রনিক হেপাটাইটিস বি কীভাবে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা করা হয়?

ক্রনিক হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রক্তের HBV-DNA ভাইরাসের মাত্রা, লিভার এনজাইম (ALT/AST) এবং পেটের আল্ট্রাসোনোগ্রাম নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ সেবন করলে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি বন্ধ থাকে এবং লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে লিভারের সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

দীর্ঘমেয়াদী আইবিএস (IBS) ও পেটে গ্যাসের সমস্যার কার্যকর সমাধান কী?

আইবিএস এবং পেটের গ্যাস নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট এন্টিরো-স্পাসমোডিক ওষুধ, অন্ত্রের মোটিলিটি নিয়ন্ত্রক এবং খাবার থেকে ফোডম্যাপ (FODMAP) জাতীয় খাবার বাদ দেওয়া প্রয়োজন। প্রোপাইওটিকস এবং মানসিক চাপ কমানোর ব্যায়াম অন্ত্র ও মস্তিষ্কের সিগন্যালিং স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রোগীর মলত্যাগের ধরনের ওপর ভিত্তি করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রদান করেন।

অজানা পেটের ব্যথার কারণ কীভাবে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট নির্ণয় করেন?

অজানা পেটের ব্যথা নিরূপণে প্রথমে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং বিস্তারিত ক্লিনিক্যাল ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় আল্ট্রাসনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান বা এন্ডোস্কোপি পরীক্ষার মাধ্যমে আলসার, পিত্তথলির পাথর বা প্যানক্রিয়াসের প্রদাহ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া হয়। অর্গানিক বা কাঠামোগত রোগ নির্ণয় বা বাদ দেওয়ার পর ব্যথার মূল কারণ অনুযায়ী সঠিক চিকিৎসা শুরু করা হয়।

মেডিকেল চিকিৎসার পাশাপাশি ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে কী কী খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা উচিত?

ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে প্রক্রিয়াজাত শর্করা, মিষ্টি পানীয় এবং অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে পর্যাপ্ত শাকসবজি ও প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ওজন ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমালে লিভার থেকে অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত দূর হয়। পাশাপাশি অ্যালকোহল এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ সেবন বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।

ফাংশনাল পেট ফাঁপা এবং অর্গানিক পেট ফোলার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

ফাংশনাল পেট ফাঁপা বা গ্যাসে পেট ফোলা মূলত হজমের সমস্যা বা অন্ত্রের অতিরিক্ত সংবেদনশীলতার কারণে হয় যা দিনের বেলা কম-বেশি হতে পারে। কিন্তু অর্গানিক পেট ফোলা (যেমন পেটে পানি জমা) লিভার, কিডনি বা হার্টের জটিল রোগের কারণে পেটে তরল জমা হয়ে একটানা স্থায়িত্ব পায়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা ও আল্ট্রাসোনোগ্রামের মাধ্যমে এই দুই ধরনের সমস্যার সঠিক পার্থক্য নির্ণয় করেন।

বারবার একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে কি অগ্ন্যাশয়ের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে?

হ্যাঁ, বারবার বা তীব্র মাত্রায় একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস হলে অগ্ন্যাশয় টিস্যুর স্থায়ী ক্ষতি হয়ে তা ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসে রূপ নিতে পারে। এই দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতের কারণে অগ্ন্যাশয় স্বাভাবিক পাচক এনজাইম ও ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, ফলে হজমের সমস্যা ও ডায়াবেটিস দেখা দেয়। প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ এবং অ্যালকোহল বর্জন করলে অগ্ন্যাশয়ের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব।

কখন লিভারের রোগীদের আল্ট্রাসোনোগ্রাম বা ফাইব্রোস্ক্যান করা উচিত?

হেপাটাইটিস বি, সি বা ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীদের লিভারের গঠন ও যেকোনো পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে প্রতি ৬ থেকে ১২ মাস পর পর আল্ট্রাসোনোগ্রাম করা উচিত। এছাড়া লিভার কতটা শক্ত হয়েছে বা সেখানে ফাইবারোসিস তৈরি হয়েছে কি না তা সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করতে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে চিকিৎসক রোগীর চিকিৎসা পরিকল্পনা সমন্বয় করে থাকেন।

ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা আল্ট্রাসোনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই রিপোর্ট, লিভার ফাংশন টেস্ট এবং ভাইরাল মার্কার পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, পুষ্টির সাপ্লিমেন্ট এবং পূর্বে কোনো হাসপাতালে ভর্তির ছাড়পত্র থাকলে তা সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ আব্দুল ওয়াদুদ নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01766661020 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন