🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সশ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন ✔ যাচাইকৃত

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট

এমবিবিএস (আরএমসি), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, অগ্ন্যাশয় এবং লিভার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পেপটিক আলসার, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, লিভার সিরোসিস, আইবিএস ব্যবস্থাপনা, পিত্তথলির পাথর

🎓 সহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ২৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
2চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন খুলনা শহরের সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বা পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে পেপটিক আলসার, এসিড রিফ্লাক্স, লিভার সিরোসিস এবং আইবিএস সমস্যার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। পরিপাকতন্ত্র, প্যানক্রিয়াস এবং লিভারের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস ও এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (২)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital

📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৬:৩০টা থেকে বিকাল ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

চেম্বার ২ 📍 Khulna

🏥 Popular Diagnostic Center, Khulna · Diagnostic Center

📍 বাড়ি নং ৩৭, কেডিএ এভিনিউ (ময়লাপোতা-শেখপাড়া), খুলনা

🕒 Visiting hours: বাড়ি নং ৩৭, কেডিএ এভিনিউ (ময়লাপোতা-শেখপাড়া), খুলনা সাক্ষাতের সময়: সন্ধ্যা ৭:৩০টা থেকে রাত ৮:৩০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন খুলনার সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পেপটিক আলসার, এসিড রিফ্লাক্স, লিভার সিরোসিস, আইবিএস (IBS) এবং পিত্তথলির পাথরের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা লিভার ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সেবা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (RMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Gastroenterology) অর্জন করেন, যা পরিপাকতন্ত্র, যকৃত এবং প্যানক্রিয়াসের জটিল চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার আড়াই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেপটিক আলসার ও এসিড রিফ্লাক্সের এন্ডোস্কোপিক ব্যবস্থাপনা, লিভার সিরোসিস ও ক্রনিক হেপাটাইটিসের আধুনিক হেপাটোলজি কেয়ার, আইবিএস (IBS) এবং অন্ত্রের জটিলতার সমন্বিত চিকিৎসা এবং পিত্তথলির পাথরের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন আপার জিআই এন্ডোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামসহকারী অধ্যাপক ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন
প্রধান বিশেষজ্ঞতাগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজি (পরিপাকতন্ত্র ও লিভার)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপ্যানক্রিয়াস, লিভার মেডিসিন ও এন্ডোস্কোপি
পদবীসহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা২৫+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

  • কর্মস্থল: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • পেপটিক আলসারে পেটে তীব্র ব্যথা হয়।

  • এসিড রিফ্লাক্সে বুকে বুকজ্বালা পোড়া করে।

  • লিভার সিরোসিসে যকৃতের কার্যক্ষমতা কমে।

  • আইবিএস সমস্যায় অন্ত্রের অস্বস্তি দূর হয়।

  • পিত্তথলির পাথরে সঠিক চিকিৎসা জরুরি।

  • ক্রনিক হেপাটাইটিসে অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি প্রয়োজন।

  • ফ্যাটি লিভারে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।

  • পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণে এন্ডোস্কোপি করা হয়।

  • ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

  • প্যানক্রিয়াটাইটিসে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা লাগে।

  • সেলিয়াক রোগে গ্লুটেন পরিহার করা জরুরি।

  • এসোফেজিয়াল ভ্যারিক্সে এন্ডোস্কোপিক লাইগেশন প্রয়োজন।

  • কোষ্ঠকাঠিন্যে ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো।

  • দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়ায় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা করা হয়।

  • অ্যাসাইটিসে শরীরের তরল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন পরিপাকতন্ত্র, লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • পেপটিক আলসার ও এসিড রিফ্লাক্স কেয়ার: পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস এবং জিইআরডি (GERD) রোগের জন্য এন্ডোস্কোপিক মূল্যায়ন ও প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর থেরাপি।

  • লিভার সিরোসিস ও হেপাটোলজি: ক্রনিক লিভার ডিজিজ, ভাইরাল হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার এবং লিভার সিরোসিসের জটিলতার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।

  • আইবিএস ও মটিলিটি ডিজঅর্ডার: ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া এবং কার্যকরী পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার আধুনিক ব্যবস্থাপনা।

  • প্যানক্রিয়াস ও পিত্তথলি কেয়ার: প্যানক্রিয়াটাইটিস, পিত্তথলির পাথর এবং পিত্তনালীর বিভিন্ন জটিলতার ডায়াগনস্টিক ও মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক আপার জিআই এন্ডোস্কোপি

খাদ্যনালী, পাকস্থলী এবং ডিয়োডেনামের ভেতরের অংশ পরিষ্কারভাবে পর্যবেক্ষণ করে আলসার, প্রদাহ এবং রক্তক্ষরণ শনাক্ত ও নিরাময় করা।

কোলনোস্কোপি ও লোয়ার জিআই ইভালুয়েশন

বৃহদন্ত্র বা কোলন পরীক্ষা করে পলিপ, ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ এবং কোলনিক ম্যালিগন্যান্সি বা ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ নির্ণয়।

অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ইমেজিং

নন-ইনভেসিভ ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে যকৃত, পিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস এবং পিত্তনালীর গঠনগত ত্রুটি ও রক্তনালীর চাপ মূল্যায়ন।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

পেপটিক আলসার ডিজিজ (Peptic Ulcer Disease)

পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরের দেয়ালে তৈরি হওয়া ক্ষত যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ব্যথানাশক ওষুধের কারণে হয়, যার জন্য সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis)

দীর্ঘমেয়াদী লিভারের ক্ষতির ফলে যকৃতে স্থায়ী দাগ বা স্কার তৈরি হওয়া, যার ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং পেটে পানি আসে।

ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS)

বৃহদন্ত্রের একটি কার্যকরী সমস্যা যার ফলে পেটে ব্যথা, মোচড় দেওয়া, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া দেখা দেয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন প্রতিটি রোগীর পরিপাকতন্ত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা এবং এন্ডোস্কোপি বা আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক খাদ্যতালিকা এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জন্ডিসের সাথে উচ্চ জ্বর, রক্তবমি বা কাল পায়খানা (মেলেনা), তীব্র পেট ব্যথা কিংবা হেপাটিক এনকেফালোপ্যাথির লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি (BGS)

  • সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিশিয়ানস অফ বাংলাদেশ (APB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা আপার জিআই এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট, কোলনোস্কোপি, লিভার ফাংশন টেস্ট এবং পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে ব্যবহার করা সকল অ্যান্টাসিড, ওষুধ এবং মেডিকেল হিস্ট্রি সাথে রাখুন।

  • পেটে ব্যথার তীব্রতা বা বুকজ্বালার সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 17, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

আপার জিআই এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা করানোর প্রধান ক্লিনিক্যাল কারণগুলো কী কী?

দীর্ঘমেয়াদী পেটে ব্যথা, ওষুধেও না কমা এসিড রিফ্লাক্স, গিলতে সমস্যা কিংবা রক্তবমি বা মলের সাথে রক্ত যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে আপার জিআই এন্ডোস্কোপি করানোর প্রয়োজন হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস বা কোনো রক্তক্ষরণ হচ্ছে কি না তা সরাসরি দেখা যায়। এর ফলে চিকিৎসক সঠিক রোগ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।

লিভার সিরোসিস রোগটি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জটিলতা এড়াতে কী করা উচিত?

লিভার সিরোসিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে মূল কারণ (যেমন হেপাটাইটিস বি/সি বা অ্যালকোহল) দূর করা এবং নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। আল্ট্রাসাউন্ড ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিত ফলোআপ করলে পোর্টাল হাইপারটেনশন বা লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি আগেভাগেই প্রতিরোধ করা যায়। এছাড়া খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডাইউরেটিক্স সেবন করা প্রয়োজন।

ক্রনিক এসিড রিফ্লাক্স বা বুকজ্বালা কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় কী পরিবর্তন আনা উচিত?

এসিড রিফ্লাক্স কমাতে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, কফি, মসলাদার খাবার এবং সাইট্রাস জাতীয় ফল পরিহার করা উচিত। খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়ে অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সোজা হয়ে থাকা এবং বিছানার মাথা সামান্য উঁচুতে রাখা ভালো। এছাড়া অতিরিক্ত ওজন কমানো এবং ধূমপান বর্জন করলে রিফ্লাক্সের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

আইবিএস (IBS) এবং আইবিডি (IBD) এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

আইবিএস (IBS) বা ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম হলো অন্ত্রের একটি কার্যকরী সমস্যা যেখানে কোনো অঙ্গগত বা দৃশ্যমান ক্ষত ছাড়াই পেটে ব্যথা ও মলের অসঙ্গতি দেখা দেয়। অন্যদিকে আইবিডি (IBD) হলো ক্রোহনস ডিজিজ বা আলসারেটিভ কোলাইটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহজনিত রোগ যেখানে অন্ত্রের দেওয়ালে গুরুতর ক্ষত ও প্রদাহ তৈরি হয়। গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কোলনোস্কোপি ও বায়োপসির মাধ্যমে এই দুটির পার্থক্য নির্ণয় করেন।

পাকস্থলীর পেপটিক আলসার তৈরিতে এইচ. পাইলোরি (H. pylori) ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা কতটুকু?

এইচ. পাইলোরি হলো এমন একটি ব্যাকটেরিয়া যা পাকস্থলীর সুরক্ষামূলক মিউকাস স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে পেপটিক আলসার ও গ্যাস্ট্রাইটিস সৃষ্টি করে। এই ব্যাকটেরিয়া সফলভাবে নির্মূল করতে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক এবং প্রোটোন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) এর সমন্বিত কোর্স সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক। এই চিকিৎসা আলসার পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনে।

পিত্তথলিতে পাথর থাকলে তা কি সবসময় লক্ষণ প্রকাশ করে নাকি এটি উপসর্গহীন হতে পারে?

পিত্তথলির পাথর অনেক সময় সম্পূর্ণ উপসর্গহীন (Asymptomatic) হতে পারে এবং অন্য কোনো কারণে পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করার সময় তা ধরা পড়ে। তবে পাথরের কারণে পিত্তনালী অবরুদ্ধ হলে তীব্র ডান দিকের ওপর পেটে ব্যথা, বমি ভাব বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। লক্ষণ প্রকাশ পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পিত্তথলি অপসারণ বা অন্যান্য চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD) দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে লিভারের ক্ষতি করে?

ফ্যাটি লিভারে যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমে যা প্রদাহ এবং কোষের ক্ষতির সৃষ্টি করে, যাকে এনএএসএইচ (NASH) বলা হয়। দীর্ঘদিন এই অবস্থা চললে লিভারে ফাইব্রোসিস বা স্কার টিস্যু তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে লিভার সিরোসিস বা লিভার ফেইলিওরে রূপ নিতে পারে। ওজন কমানো এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস এই রোগ প্রতিরোধে প্রধান ভূমিকা রাখে।

ডায়াগনস্টিক কোলনোস্কোপি পরীক্ষার পর রোগীর কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?

কোলনোস্কোপির পর প্রক্রিয়ার সময় পেটে যে বাতাস প্রবেশ করানো হয় তার কারণে কিছু গ্যাস বা পেট ফাঁপার অনুভূতি হতে পারে, যা হাঁটাচলা করলে দ্রুত কমে যায়। পরীক্ষার পর সাধারণত স্বাভাবিক খাবার খাওয়া যায়, তবে চিকিৎসক কোনো বিশেষ নির্দেশনা দিলে তা মেনে চলা উচিত। যদি মলদ্বারে অতিরিক্ত রক্তপাত বা তীব্র পেট ব্যথা হয়, তবে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানাতে হবে।

ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীনের সাথে সাক্ষাতের সময় কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা আপার জিআই এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট, কোলনোস্কোপি রিপোর্ট, পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং লিভার ফাংশন টেস্টের রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল অ্যান্টাসিড ও ওষুধের তালিকা সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711298607 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন