সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন খুলনার সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পেপটিক আলসার, এসিড রিফ্লাক্স, লিভার সিরোসিস, আইবিএস (IBS) এবং পিত্তথলির পাথরের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা লিভার ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক এন্ডোস্কোপিক সেবা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিচর্যা।
প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (RMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Gastroenterology) অর্জন করেন, যা পরিপাকতন্ত্র, যকৃত এবং প্যানক্রিয়াসের জটিল চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার আড়াই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেপটিক আলসার ও এসিড রিফ্লাক্সের এন্ডোস্কোপিক ব্যবস্থাপনা, লিভার সিরোসিস ও ক্রনিক হেপাটাইটিসের আধুনিক হেপাটোলজি কেয়ার, আইবিএস (IBS) এবং অন্ত্রের জটিলতার সমন্বিত চিকিৎসা এবং পিত্তথলির পাথরের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন আপার জিআই এন্ডোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি।
এক নজরে প্রোফাইল
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | সহকারী অধ্যাপক ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজি (পরিপাকতন্ত্র ও লিভার) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | প্যানক্রিয়াস, লিভার মেডিসিন ও এন্ডোস্কোপি |
| পদবী | সহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ২৫+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
যোগ্যতা ও শিক্ষা
পদবী ও কর্মস্থল
পদবী: সহকারী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
কর্মস্থল: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়
পেপটিক আলসারে পেটে তীব্র ব্যথা হয়।
এসিড রিফ্লাক্সে বুকে বুকজ্বালা পোড়া করে।
লিভার সিরোসিসে যকৃতের কার্যক্ষমতা কমে।
আইবিএস সমস্যায় অন্ত্রের অস্বস্তি দূর হয়।
পিত্তথলির পাথরে সঠিক চিকিৎসা জরুরি।
ক্রনিক হেপাটাইটিসে অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি প্রয়োজন।
ফ্যাটি লিভারে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।
পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণে এন্ডোস্কোপি করা হয়।
ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
প্যানক্রিয়াটাইটিসে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা লাগে।
সেলিয়াক রোগে গ্লুটেন পরিহার করা জরুরি।
এসোফেজিয়াল ভ্যারিক্সে এন্ডোস্কোপিক লাইগেশন প্রয়োজন।
কোষ্ঠকাঠিন্যে ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো।
দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়ায় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা করা হয়।
অ্যাসাইটিসে শরীরের তরল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন পরিপাকতন্ত্র, লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
পেপটিক আলসার ও এসিড রিফ্লাক্স কেয়ার: পেপটিক আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস এবং জিইআরডি (GERD) রোগের জন্য এন্ডোস্কোপিক মূল্যায়ন ও প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর থেরাপি।
লিভার সিরোসিস ও হেপাটোলজি: ক্রনিক লিভার ডিজিজ, ভাইরাল হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার এবং লিভার সিরোসিসের জটিলতার সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা।
আইবিএস ও মটিলিটি ডিজঅর্ডার: ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া এবং কার্যকরী পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার আধুনিক ব্যবস্থাপনা।
প্যানক্রিয়াস ও পিত্তথলি কেয়ার: প্যানক্রিয়াটাইটিস, পিত্তথলির পাথর এবং পিত্তনালীর বিভিন্ন জটিলতার ডায়াগনস্টিক ও মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট।
অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ
ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক আপার জিআই এন্ডোস্কোপি
খাদ্যনালী, পাকস্থলী এবং ডিয়োডেনামের ভেতরের অংশ পরিষ্কারভাবে পর্যবেক্ষণ করে আলসার, প্রদাহ এবং রক্তক্ষরণ শনাক্ত ও নিরাময় করা।
কোলনোস্কোপি ও লোয়ার জিআই ইভালুয়েশন
বৃহদন্ত্র বা কোলন পরীক্ষা করে পলিপ, ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ এবং কোলনিক ম্যালিগন্যান্সি বা ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ নির্ণয়।
অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ইমেজিং
নন-ইনভেসিভ ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে যকৃত, পিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস এবং পিত্তনালীর গঠনগত ত্রুটি ও রক্তনালীর চাপ মূল্যায়ন।
কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা
পেপটিক আলসার ডিজিজ (Peptic Ulcer Disease)
পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরের দেয়ালে তৈরি হওয়া ক্ষত যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ব্যথানাশক ওষুধের কারণে হয়, যার জন্য সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis)
দীর্ঘমেয়াদী লিভারের ক্ষতির ফলে যকৃতে স্থায়ী দাগ বা স্কার তৈরি হওয়া, যার ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং পেটে পানি আসে।
ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS)
বৃহদন্ত্রের একটি কার্যকরী সমস্যা যার ফলে পেটে ব্যথা, মোচড় দেওয়া, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া দেখা দেয়।
ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ শহিদুল হাসান শাহীন প্রতিটি রোগীর পরিপাকতন্ত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা এবং এন্ডোস্কোপি বা আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক খাদ্যতালিকা এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।
বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী
জন্ডিসের সাথে উচ্চ জ্বর, রক্তবমি বা কাল পায়খানা (মেলেনা), তীব্র পেট ব্যথা কিংবা হেপাটিক এনকেফালোপ্যাথির লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি (BGS)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিশিয়ানস অফ বাংলাদেশ (APB)
রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি
পূর্বের করা আপার জিআই এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট, কোলনোস্কোপি, লিভার ফাংশন টেস্ট এবং পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে ব্যবহার করা সকল অ্যান্টাসিড, ওষুধ এবং মেডিকেল হিস্ট্রি সাথে রাখুন।
পেটে ব্যথার তীব্রতা বা বুকজ্বালার সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।
রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 17, 2026