🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডআ

ডাঃ রেহেনা আক্তার ✔ যাচাইকৃত

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট

এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), এমসিপিএস (মেডিসিন)
গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, লিভারের রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোনস ডিজিজ, সিলিয়াক ডিজিজ, প্যানক্রিয়াটাইটিস কেয়ার, গ্যাস্ট্রিক রক্তপাত

🎓 কনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
59401বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ রেহেনা আক্তার খুলনা শহরের সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বা পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোনস ডিজিজ এবং গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। পরিপাকতন্ত্র, প্যানক্রিয়াস এবং লিভারের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস, এমসিপিএস এবং এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital

📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৭:৩০টা থেকে বিকাল ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ রেহেনা আক্তার – খুলনার সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট

ডাঃ রেহেনা আক্তার খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও বিশেষজ্ঞ, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি আলসারেটিভ কোলাইটিস, ক্রোনস ডিজিজ, সেলিয়াক রোগ, প্যানক্রিয়াটাইটিস এবং গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা লিভার ডাক্তারের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক ইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পরিপাকতন্ত্র পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ রেহেনা আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Gastroenterology) এবং মেডিসিনে এমসিপিএস (MCPS) অর্জন করেন, যা পরিপাকতন্ত্র, যকৃত এবং প্যানক্রিয়াসের জটিল চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজের আধুনিক এন্ডোস্কোপিক ও বায়োলজিক চিকিৎসা, লিভারের জটিল রোগের হেপাটোলজি কেয়ার, গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ বন্ধে থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি এবং সেলিয়াক রোগ ও প্যানক্রিয়াস ব্যবস্থাপনার সমন্বিত প্রোটোকল। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন আপার জিআই এন্ডোস্কোপি, থেরাপিউটিক কোলনোস্কোপি এবং অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ রেহেনা আক্তার
প্রধান বিশেষজ্ঞতাগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজি (পরিপাকতন্ত্র ও লিভার)
উপ-বিশেষজ্ঞতাইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপি ও অভ্যন্তরীণ মেডিসিন
পদবীকনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (ঢামেক) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

  • এমসিপিএস (মেডিসিন) – মেম্বার অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (মেডিসিন)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

  • কর্মস্থল: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • আলসারেটিভ কোলাইটিসে কোলনে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ হয়।

  • ক্রোনস ডিজিজে অন্ত্রে তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

  • সেলিয়াক রোগে ক্ষুদ্রান্ত্রের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

  • প্যানক্রিয়াটাইটিসে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।

  • গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণে জরুরি এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • পেপটিক আলসারে পেটে তীব্র ব্যথা হয়।

  • এসিড রিফ্লাক্সে বুকে বুকজ্বালা পোড়া করে।

  • লিভার সিরোসিসে যকৃতের কার্যক্ষমতা ক্রমান্বয়ে কমে।

  • আইবিএস সমস্যায় অন্ত্রের অস্বস্তি দূর হয়।

  • পিত্তথলির পাথরে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি।

  • ক্রনিক হেপাটাইটিসে অ্যান্টিভাইরাল থেরাপি গ্রহণ প্রয়োজন।

  • ফ্যাটি লিভারে জীবনযাত্রার পরিবর্তন আনা জরুরি।

  • পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহে দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা দেখা দেয়।

  • এসোফেজিয়াল ভ্যারিক্সে এন্ডোস্কোপিক লাইগেশন চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কোষ্ঠকাঠিন্যে ফাইবারযুক্ত খাবার নিয়মিত খাওয়া ভালো।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ রেহেনা আক্তার পরিপাকতন্ত্র, লিভার এবং অ্যাডভান্সড এন্ডোস্কোপির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ (IBD): আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনস ডিজিজের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন, মিউকাস হিলিং ও বায়োলজিক থেরাপি।

  • ইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপ ও রক্তক্ষরণ: আপার জিআই ও লোয়ার জিআই রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি ও ভ্যারিসেরিয়াল ব্যান্ড লাইগেশন।

  • হেপাটোলজি ও লিভার কেয়ার: ভাইরাল হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস এবং ফ্যাটি লিভার ডিজিজের সমন্বিত মেডিকেল ও এন্ডোস্কোপিক ব্যবস্থাপনা।

  • প্যানক্রিয়াস ও ক্ষুদ্রান্ত্র কেয়ার: প্যানক্রিয়াটাইটিস, সেলিয়াক ডিজিজ এবং পরিপাকতন্ত্রের ম্যালঅ্যাবজর্পশন সিন্ড্রোমের আধুনিক চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

থেরাপিউটিক কোলনোস্কোপি ও পলিপেক্টমি

বৃহদন্ত্রের ভেতরের মিউকাস ঝিল্লি নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করে কোলনিক পলিপ অপসারণ এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করার আধুনিক এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতি।

ডায়াগনস্টিক ও ইন্টারভেনশনাল আপার জিআই এন্ডোস্কোপি

খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর রক্তনালীর ভ্যারিক্স, আলসার এবং গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ নিরাময়ে উচ্চ-রেজোলিউশন থেরাপিউটিক এন্ডোস্কোপি সেবা।

অ্যাবডোমিনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ইমেজিং

নন-ইনভেসিভ ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে যকৃত, পিত্তথলি, প্যানক্রিয়াস এবং পিত্তনালীর গঠনগত ত্রুটি ও রক্তনালীর চাপ মূল্যায়ন।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

আলসারেটিভ কোলাইটিস (Ulcerative Colitis)

বড় অন্ত্র বা কোলনের ভেতরের দেওয়ালের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ ও ক্ষত সৃষ্টির রোগ, যার সঠিক এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসায় রোগী সুস্থ থাকেন।

ক্রোনস ডিজিজ (Crohn's Disease)

মুখ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত পরিপাকতন্ত্রের যেকোনো অংশে গভীর প্রদাহ তৈরি হওয়া জটিল রোগ, যার জন্য আধুনিক বায়োলজিক থেরাপি প্রয়োজন।

গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ (Gastric Bleeding)

পাকস্থলীর রক্তনালী বা আলসার থেকে মারাত্মক রক্তপাত হওয়া যা একটি জরুরি অবস্থা, যার জন্য দ্রুত ইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপি জীবন রক্ষা করে।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ রেহেনা আক্তার প্রতিটি রোগীর পরিপাকতন্ত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা এবং এন্ডোস্কোপি বা ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক খাদ্যতালিকা এবং সুনির্দিষ্ট ইন্টারভেনশনাল থেরাপির পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: জন্ডিসের সাথে উচ্চ জ্বর, রক্তবমি বা কাল পায়খানা (মেলেনা), তীব্র পেট ব্যথা কিংবা হেপাটিক এনকেফালোপ্যাথির লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটি (BGS)

  • সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ ফিজিশিয়ানস অফ বাংলাদেশ (APB)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা এন্ডোস্কোপি ও কোলনোস্কোপি রিপোর্ট, হিস্টোপ্যাথোলজি বায়োপসি ফলাফল এবং ইমেজিং স্ক্যান সাথে আনুন।

  • বর্তমানে ব্যবহার করা সকল অ্যান্টাসিড, ওষুধ এবং মেডিকেল হিস্ট্রি সাথে রাখুন।

  • পেটে ব্যথার তীব্রতা বা রক্তক্ষরণের সুনির্দিষ্ট বিবরণ ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 17, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

থেরাপিউটিক কোলনোস্কোপি করানোর প্রধান ক্লিনিক্যাল কারণ বা নির্দেশিকাগুলো কী কী?

কোলনিক পলিপ অপসারণ, অন্ত্রের সংকোচন প্রসারণ এবং পরিপাকতন্ত্রের নিচের অংশের রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে থেরাপিউটিক কোলনোস্কোপি করা হয়। এর মাধ্যমে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বড় অন্ত্রের ভেতরে সরাসরি নিখুঁত সার্জিক্যাল বা এন্ডোস্কোপিক ইন্টারভেনশন করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি রোগ নির্ণয়ের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রদানে অত্যন্ত কার্যকরী।

ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নের সময় আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনস ডিজিজের মধ্যে কীভাবে পার্থক্য করা হয়?

আলসারেটিভ কোলাইটিস মূলত কোলন ও মলদ্বারের ভেতরের মিউকাস স্তরে একটানা প্রদাহ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে ক্রোনস ডিজিজ মুখ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত পরিপাকতন্ত্রের যেকোনো অংশে গভীর ও বিক্ষিপ্ত প্রদাহ বা স্কিপ লেশন ঘটাতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কোলনোস্কোপি, মিউকাস বায়োপসি এবং ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগগুলোর সঠিক পার্থক্য নির্ণয় করেন।

তীব্র গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের আধুনিক এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?

তীব্র গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে থার্মাল কোয়াগুলেশন, হেমোক্লিপ প্লেসমেন্ট এবং ভ্যারিসেরিয়াল ব্যান্ড লাইগেশনের মতো আধুনিক এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই উন্নত চিকিৎসায় বড় ধরনের পেট অপারেশন ছাড়াই এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে সরাসরি রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও ফলোআপ নিশ্চিত করে যে রক্তনালীটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে।

সেলিয়াক রোগ কীভাবে ক্ষুদ্রান্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এটি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

সেলিয়াক রোগ গ্লুটেন খাওয়ার ফলে সৃষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিক্রিয়ায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরের ভিলাই বা পশমের মতো স্তর নষ্ট করে পুষ্টি শোষণ ব্যাহত করে। রক্তে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি পরীক্ষার পর আপার জিআই এন্ডোস্কোপি করে বায়োপসি নিয়ে এর নিখুঁত রোগ নির্ণয় করা হয়। জীবনের বাকি সময় কঠোরভাবে গ্লুটেনমুক্ত খাবার খাওয়া এই রোগের মূল প্রতিকার।

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস বা অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে কোন পুষ্টি ও চিকিৎসাগত পদ্ধতিগুলো অপরিহার্য?

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস চিকিৎসায় সুনির্দিষ্ট ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, প্যানক্রিয়াটিক এনজাইম প্রতিস্থাপন থেরাপি এবং পুষ্টির ঘাটতি রোধে বিশেষ মেডিকেল পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন হয়। অগ্ন্যাশয়ের টিস্যুর আরও ক্ষতি রোধ করতে রোগীদের অবশ্যই অ্যালকোহল ও তামাক সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ডায়াবেটিস ও পরিপাকজনিত জটিলতা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কিছু নির্দিষ্ট পরিপাকতন্ত্রের রোগের ক্ষেত্রে প্রচলিত সার্জারির চেয়ে ইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপি কেন বেশি সুবিধাজনক?

ইন্টারভেনশনাল এন্ডোস্কোপি শরীরের স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পথ ব্যবহার করে করা হয়, ফলে বড় কোনো বাহ্যিক কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না। এই প্রযুক্তির ফলে অপারেশন পরবর্তী ব্যথা অনেক কমে যায়, ইনফেকশনের ঝুঁকি হ্রাস পায় এবং হাসপাতাল থেকে দ্রুত বাড়ি ফেরা সম্ভব হয়। রোগীরা আধুনিক এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসার পর খুব দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসতে পারেন।

ওষুধে নিয়ন্ত্রণে না আসা প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগে (IBD) বায়োলজিক থেরাপি কী ধরনের ভূমিকা পালন করে?

বায়োলজিক থেরাপি পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহের জন্য দায়ী নির্দিষ্ট প্রোটিন বা ইমিউন কোষগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্য করে কাজ করে। প্রচলিত ওষুধ বা ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট কাজ না করলে এই থেরাপি অন্ত্রের মিউকাস স্তর নিরাময়ে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে দুর্দান্ত ভূমিকা রাখে। গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা সর্বোচ্চ কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই থেরাপির সময় রোগীকে নিয়মিত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।

উন্নত ডায়াগনস্টিক এন্টারোস্কোপি পরীক্ষার পূর্বে রোগীদের কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত?

উন্নত ডায়াগনস্টিক এন্টারোস্কোপি পরীক্ষার আগে রোগীদের চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোরভাবে তরল খাবার ও পরিচ্ছন্নকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। রক্ত পাতলা করার ওষুধসহ বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা চিকিৎসককে জানাতে হবে, কারণ এগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রয়োজন হতে পারে। সিডেশনের নিয়ম থাকায় পরীক্ষার দিন রোগীর সাথে একজন স্বজন থাকা বাধ্যতামূলক।

ডাঃ রেহেনা আক্তারের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা এন্ডোস্কোপি ও কোলনোস্কোপি রিপোর্ট, হিস্টোপ্যাথোলজি বায়োপসি ফলাফল, ইমেজিং স্ক্যান এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ও লক্ষণগুলোর সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ রেহেনা আক্তার নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711298607 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন