🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
মই

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম ✔ যাচাইকৃত

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ডিএমসি), গ্রেডিং কোর্স (সাইকিয়াট্রি), এমআরসিপি-সাইক (ইউকে)
মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ (মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি ও সিজোফ্রেনিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ)

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেশিয়া (স্মৃতিভ্রংশজনিত সমস্যা), ফ্যাক্টিশাস ডিসঅর্ডার, পাইকা (অখাদ্য খাওয়ার প্রবণতা), রুমিমেশন ডিসঅর্ডার এবং জেন্ডার ডিসফোরিয়া।

🎓 বিভাগীয় প্রধান, (সাইকিয়াট্রি বিভাগ)

🏛️ বাংলাদেশ নেভি হাসপাতাল, খালিশপুর, খুলনা

💼 ১৩+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

বিভাগীয় প্রধান, (সাইকিয়াট্রি বিভাগ) — বাংলাদেশ নেভি হাসপাতাল, খালিশপুর, খুলনা

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম খুলনা শহরের (খলিসপুর) সেরা মনোরোগ, মানসিক ব্যাধি এবং মাদকাসক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৩ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। সেরা মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়া (স্মৃতিভ্রংশ), ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডার (অসুস্থতার ভান করা), এবং পিকা (অখাদ্য খাওয়ার রোগ)-এর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। র্যুমিনেশন ডিসঅর্ডার, জেন্ডার ডিসফোরিয়া এবং সিজোফ্রেনিয়া চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। যুক্তরাজ্য থেকে প্রাপ্ত MRCPsych ডিগ্রির আলোকে তিনি বিজ্ঞানসম্মত ওষুধ এবং সাইকোথেরাপির সমন্বয়ের মাধ্যমে রোগীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Sunrise Diagnostic & Consultation Center · Diagnostic Center

📍 ৪২৮, খানজাহান আলী রোড (হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে), খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৪:০০টা থেকে বিকাল ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম – খুলনার মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ (মানসিক রোগ, মাদকাসক্তি ও সিজোফ্রেনিয়া)

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা-এর সাইকিয়াট্রি (মনোরোগ) বিভাগের প্রখ্যাত বিভাগীয় প্রধান, যার মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ সামরিক ও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়া, ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডার, পিকা, র্যুমিনেশন ডিসঅর্ডার এবং জেন্ডার ডিসফোরিয়া-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। মানসিক স্বাস্থ্যের সঠিক মূল্যায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। সামরিক বাহিনীর একজন মেডিকেল অফিসার হিসেবে তিনি সাইকিয়াট্রিতে কঠোর গ্রেডিং কোর্স সম্পন্ন করেন। মানসিক রোগের চিকিৎসায় নিজেকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে তিনি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ সাইকিয়াট্রিস্টস থেকে মর্যাদাপূর্ণ মেম্বারশিপ (MRCPsych, UK) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকিয়াট্রিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সামরিক ও ক্লিনিক্যাল নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ট্রমা-ফোকাসড থেরাপির মাধ্যমে স্মৃতি ফেরানো, অসুস্থতার ভান করা বা ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডারের গভীর মূল্যায়ন, অখাদ্য খাওয়ার বাতিক (পিকা) দূর করতে আচরণগত পরিবর্তন এবং জেন্ডার ডিসফোরিয়ার জন্য সহানুভূতিশীল মানসিক সহায়তা প্রদান। তিনি অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে রোগীদের কথা শোনেন এবং দীর্ঘমেয়াদী মানসিক সুস্থতার জন্য কার্যকর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামমেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম
প্রধান বিশেষজ্ঞতাসাইকিয়াট্রি (মানসিক রোগ ও ব্রেইন)
উপ-বিশেষজ্ঞতামাদকাসক্তি, সিজোফ্রেনিয়া ও আচরণগত সমস্যা
পদবীবিভাগীয় প্রধান (সাইকিয়াট্রি)
কর্মস্থলবাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১৩+ বছর
অবস্থানখলিসপুর, খুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (DMC) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

  • গ্রেডিং কোর্স (সাইকিয়াট্রি) – অ্যাডভান্সড মিলিটারি সাইকিয়াট্রিক ট্রেনিং

  • এমআরসিপিএসওয়াইসিএইচ (ইউকে) – মেম্বার অব দ্য রয়্যাল কলেজ অফ সাইকিয়াট্রিস্টস, যুক্তরাজ্য

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: বিভাগীয় প্রধান (সাইকিয়াট্রি)

  • কর্মস্থল: সাইকিয়াট্রি (মনোরোগ) বিভাগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়ায় (মানসিক ট্রমায় স্মৃতি হারানো) নিবিড় থেরাপি প্রয়োজন।

  • ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডারে (অসুস্থতার ভান করা) বিশেষ মানসিক মূল্যায়ন লাগে।

  • পিকা (অখাদ্য খাওয়ার রোগ) দূর করতে আচরণগত পরিবর্তন জরুরি।

  • র্যুমিনেশন ডিসঅর্ডারে (খাবার উগলে ফেলা) কগনিটিভ চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • জেন্ডার ডিসফোরিয়ায় সহানুভূতিশীল মনস্তাত্ত্বিক সাপোর্ট দেওয়া হয়।

  • সিজোফ্রেনিয়া স্পেকট্রামে দীর্ঘমেয়াদী অ্যান্টিসাইকোটিক ব্যবস্থাপনা।

  • মাদকাসক্তি ও নেশা নিরাময়ে বিজ্ঞানসম্মত ডিটক্সিফিকেশন।

  • তীব্র বিষণ্ণতায় (Major depression) সঠিক মুড স্টেবিলাইজেশন প্রয়োজন।

  • সাধারণ উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে সুনির্দিষ্ট ওষুধ ও থেরাপি।

  • পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস (PTSD) বা মানসিক আঘাতের ট্রমা কাউন্সেলিং।

  • অবসেসিভ-কম্পালসিভ বা শুচিবাই (OCD) রোগে বিশেষায়িত চিকিৎসা।

  • বাইপোলার ডিসঅর্ডারে মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তনের সঠিক চিকিৎসা।

  • প্যানিক ডিসঅর্ডারে আকস্মিক ভয়ের আক্রমণ থেকে মুক্তির চিকিৎসা।

  • পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে দীর্ঘমেয়াদী ডায়ালেক্টিক্যাল থেরাপি লাগে।

  • অনিদ্রা বা স্লিপ ডিসঅর্ডারে ঘুমের সঠিক চিকিৎসা।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • জটিল আচরণগত ও খাদ্যাভ্যাসের রোগ: পিকা (মাটি, বালি খাওয়া) এবং র্যুমিনেশনের মতো বিরল আচরণগত সমস্যা দূর করতে বিশেষ হ্যাবিট-রিভার্সাল থেরাপি।

  • পরিচয় ও ডিসোসিয়েটিভ রোগ: মানসিক ট্রমার কারণে স্মৃতি হারিয়ে ফেলা (অ্যামনেসিয়া) এবং জেন্ডার ডিসফোরিয়ায় মানসিক সহায়তা প্রদান।

  • গুরুতর মানসিক রোগ ও আসক্তি: সিজোফ্রেনিয়া, মানসিক বিকৃতি এবং মাদকাসক্তি থেকে মুক্তির জন্য আধুনিক কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ট্রমা-ইনফর্মড মেমরি ইন্টিগ্রেশন থেরাপি

এটি ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়ার রোগীদের জন্য একটি বিশেষ থেরাপি। এর মাধ্যমে একটি নিরাপদ পরিবেশে রোগীকে তার অবদমিত মানসিক আঘাত বা ট্রমাগুলো প্রসেস করতে সাহায্য করা হয়, যার ফলে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক চেতনায় ফিরে আসে।

পিকা ও র্যুমিনেশনের জন্য বিহেভিয়ারাল মডিফিকেশন

অখাদ্য খাওয়ার ইচ্ছা বা খাবার উগলে ফেলার প্রবণতা কমানোর একটি থেরাপি। র্যুমিনেশনের ক্ষেত্রে রোগীকে ডায়াফ্রাগমেটিক ব্রিদিং (পেটের শ্বাস-প্রশ্বাস) শেখানো হয়, যা শারীরিকভাবে খাবার উগলে ফেলার রিফ্লেক্সকে বাধা দেয়।

জেন্ডার-অ্যাফার্মিং সাইকিয়াট্রিক সাপোর্ট

যাদের জন্মগত লিঙ্গ এবং মানসিক লিঙ্গ পরিচয়ের মধ্যে অমিল রয়েছে, তাদের সেই মানসিক কষ্ট (ডিসফোরিয়া) দূর করার জন্য একটি সম্মানজনক ও নিরাপদ কাউন্সেলিং। এর লক্ষ্য রোগীর মানসিক চাপ কমানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে সহায়তা করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়া (Dissociative Amnesia)

এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যক্তি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যান। এটি কোনো সাধারণ ভুলে যাওয়া নয়, বরং তীব্র মানসিক আঘাত (ট্রমা) থেকে মনকে রক্ষা করার জন্য মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট কিছু স্মৃতি ব্লক করে দেয়। থেরাপির মাধ্যমে এই স্মৃতি ফেরানো সম্ভব।

ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডার (Factitious Disorder)

পূর্বে এটি মাঞ্চহাউসেন সিনড্রোম নামে পরিচিত ছিল। এই মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি টাকা বা ছুটির লোভে নয়, বরং মানুষের সিমপ্যাথি বা মনোযোগ পাওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে অসুস্থতার ভান করেন বা নিজেকে শারীরিকভাবে ক্ষতি করে অসুস্থ সাজেন।

পিকা (Pica)

এটি একটি খাদ্যাভ্যাসজনিত ব্যাধি যেখানে রোগীর মাটি, বালি, চক, রং বা চুলের মতো পুষ্টিহীন অখাদ্য খাওয়ার অদম্য ইচ্ছা জাগে। এর ফলে পেটে ব্লক হওয়া বা বিষক্রিয়ার মতো মারাত্মক শারীরিক ঝুঁকি তৈরি হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

মেজর ডাঃ মোঃ এনামুল ইসলাম সামরিক চিকিৎসাবিদ্যার শৃঙ্খলা এবং গভীর সহানুভূতির সমন্বয় ঘটিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি মানসিক রোগের পেছনের লুকিয়ে থাকা ট্রমাগুলো খুঁজে বের করেন। মানসিক রোগ নিয়ে সমাজে থাকা ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে তিনি রোগীদের সঠিক শিক্ষা প্রদান করেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগী বিষাক্ত অখাদ্য খেয়ে তীব্র পেটের ব্যথায় ভোগেন (পিকা), অসুস্থ সাজার জন্য নিজের মারাত্মক ক্ষতি করেন (ফ্যাকটিশাস), নিজের পরিচয় ভুলে গিয়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ান (ডিসোসিয়েটিভ ফিউগ), অথবা আত্মহত্যার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, রয়্যাল কলেজ অফ সাইকিয়াট্রিস্টস (MRCPsych, যুক্তরাজ্য)

  • সদস্য, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সাইকিয়াট্রিস্টস (BAP)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সাইকিয়াট্রিক প্রেসক্রিপশন, সাইকোলজিক্যাল টেস্ট, বা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির রিপোর্ট (পিকা রোগের ক্ষেত্রে) সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা (বিশেষ করে অতীত মানসিক রোগের ওষুধ) সাথে রাখুন।

  • রোগীর স্মৃতিভ্রম, অদ্ভুত খাদ্যাভ্যাস বা মেজাজ পরিবর্তনের কারণগুলো একটি ডায়রিতে লিখে আনলে ভালো হয়।

  • স্মৃতি হারানো বা অদ্ভুত আচরণের সঠিক ইতিহাস দেওয়ার জন্য পরিবারের একজন বিশ্বস্ত সদস্যকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 21, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়া এবং সাধারণ ভুলে যাওয়া বা ডিমেনশিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?

সাধারণ ভুলে যাওয়া বয়সের কারণে হয় এবং ডিমেনশিয়ায় ব্রেইনের কোষ নষ্ট হওয়ার কারণে স্মৃতি লোপ পায়। কিন্তু ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেসিয়া হলো সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক। তীব্র মানসিক কষ্ট বা ট্রমা থেকে চেতনাকে রক্ষা করতে মস্তিষ্ক কিছু নির্দিষ্ট স্মৃতি ব্লক করে দেয়। এই স্মৃতিগুলো ব্রেইনেই থাকে এবং সঠিক সাইকোথেরাপির মাধ্যমে তা আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

ফ্যাকটিশাস ডিসঅর্ডারে রোগীরা কেন ইচ্ছাকৃতভাবে অসুস্থতার ভান করেন?

তারা কোনো আর্থিক লাভ বা অফিস থেকে ছুটির জন্য এমনটি করেন না। তাদের অবচেতন মনে অন্যের সহানুভূতি, মনোযোগ এবং 'রোগীর সুবিধা' পাওয়ার এক তীব্র মনস্তাত্ত্বিক তাগিদ থাকে। এটি একটি জটিল মানসিক রোগ, যার জন্য রোগীকে বকাঝকা না করে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল সাইকিয়াট্রিক চিকিৎসার আওতায় আনা প্রয়োজন।

পিকা (অখাদ্য খাওয়ার রোগ) এর লুকানো বিপদগুলো কী এবং এর চিকিৎসা কীভাবে হয়?

পিকার রোগীরা মাটি, বালি বা চুলের মতো জিনিস খায়। এর লুকানো বিপদগুলো হলো— অন্ত্রে ব্লক তৈরি হওয়া, সীসা বা লেড পয়জনিং এবং কৃমির সংক্রমণ। মনোরোগ চিকিৎসায় এর পেছনের মানসিক চাপ বা পুষ্টির অভাব (যেমন আয়রনের ঘাটতি) চিহ্নিত করা হয় এবং ক্ষতিকর জিনিস খাওয়ার ইচ্ছাটি দূর করতে আচরণগত পরিবর্তনের (বিহেভিয়ারাল মডিফিকেশন) থেরাপি দেওয়া হয়।

র্যুমিনেশন ডিসঅর্ডার (খাবার উগলে ফেলা) আসলে কী কারণে হয়?

এটি অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নয়। র্যুমিনেশন ডিসঅর্ডারে রোগী খাওয়ার পর কোনো কষ্ট ছাড়াই বারবার খাবার উগলে মুখে নিয়ে আসেন এবং আবার গিলে ফেলেন বা ফেলে দেন। এটি মূলত মানসিক চাপ বা অ্যাংজাইটির কারণে সৃষ্ট একটি রিফ্লেক্স। শ্বাস-প্রশ্বাসের বিশেষ ব্যায়ামের মাধ্যমে পেটের পেশীর সংকোচন রোধ করে এর চিকিৎসা করা হয়।

জেন্ডার ডিসফোরিয়ার ক্ষেত্রে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের ভূমিকা কী?

সাইকিয়াট্রিস্টের কাজ রোগীর লিঙ্গ পরিচয় 'পরিবর্তন' করা নয়, বরং জন্মগত লিঙ্গ এবং মানসিক লিঙ্গ পরিচয়ের অমিলের কারণে রোগীর যে তীব্র মানসিক কষ্ট, বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তা (ডিসফোরিয়া) হয়, তা দূর করা। চিকিৎসক রোগীকে একটি নিরাপদ পরিবেশ দেন এবং প্রয়োজনে জেন্ডার-অ্যাফার্মিং চিকিৎসার জন্য মানসিক মূল্যায়ন বা সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

মানসিক চিকিৎসায় MRCPsych (UK) ডিগ্রির বিশেষত্ব কী?

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ সাইকিয়াট্রিস্টস থেকে প্রাপ্ত MRCPsych ডিগ্রি মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় একটি অত্যন্ত সম্মানজনক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এটি প্রমাণ করে যে, চিকিৎসক জটিল মানসিক রোগ নির্ণয়, আধুনিক ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা প্রটোকল সম্পর্কে অত্যন্ত উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

মিলিটারি গ্রেডিং কোর্স একজন চিকিৎসকের প্র্যাকটিসে কী প্রভাব ফেলে?

সামরিক বাহিনীর সাইকিয়াট্রিক প্রশিক্ষণে শৃঙ্খলার পাশাপাশি যুদ্ধকালীন ট্রমা (PTSD) এবং চরম মানসিক চাপের রোগীদের দ্রুত সামলানোর কৌশল শেখানো হয়। এর ফলে মেজর ডাঃ এনামুল ইসলাম যেকোনো গুরুতর বা জরুরি মানসিক পরিস্থিতি অত্যন্ত শান্তভাবে ও নিখুঁত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারেন।

সিজোফ্রেনিয়া রোগের চিকিৎসায় কি রোগীরা ওষুধে রেসপন্স না-ও করতে পারে?

হ্যাঁ, কিছু সিজোফ্রেনিয়া রোগীর ক্ষেত্রে সাধারণ অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ কাজ করে না, যাকে 'ট্রিটমেন্ট-রেজিস্ট্যান্ট সিজোফ্রেনিয়া' বলা হয়। এই অবস্থায় একজন দক্ষ বিশেষজ্ঞ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করেন এবং প্রয়োজনে 'ক্লোজাপাইন' এর মতো বিশেষ ওষুধ ও নিবিড় পুনর্বাসনের মাধ্যমে রোগীর মানসিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01717322000 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন