এমবিবিএস, এমফিল (অনকোলজি)
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
🎯 অস্টিওসারকোমা, ইউইং সারকোমা, কনড্রোসারকোমা, কর্ডোমা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স্ট্রোমাল টিউমার ব্যবস্থাপনা
প্রোফাইল দেখুন →অনকোলজিস্ট (অনকোলজি)
এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমসিপিএস (রেডিওথেরাপি), এমডি (রেডিয়েশন অনকোলজি), এমএসিপি (ইউএসএ)
ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ মেডিকেল অনকোলজি কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত মেডিকেল অনকোলজিস্ট
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: গ্লিওব্লাস্টোমা মাল্টিফর্ম, মেডুলোব্লাস্টোমা, এপেনডাইমোমা, অলিগোডেনড্রোগ্লিওমা ও মেনিনজিওমা সংক্রান্ত চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা
🎓 কনসালট্যান্ট, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ
🏛️ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল, মহাখালী, ঢাকা
কনসালট্যান্ট, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ — ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল, মহাখালী, ঢাকা
ডাঃ সাইফুল আলম খুলনা শহরের সেরা অনকোলজিস্ট (ক্যানসার বিশেষজ্ঞ) এবং রেডিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। বাংলাদেশের সেরা ক্যানসার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে গ্লিওব্লাস্টোমা মাল্টিফর্মি (ব্রেইন ক্যানসার), মেডুলোব্লাস্টোমা এবং এপেনডাইমোমা-এর মতো মারাত্মক টিউমারের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। অলিগোডেনড্রোগ্লিওমা, মেনিনজিওমা এবং সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের (ব্রেইন ও স্পাইনাল কর্ড) ক্যানসারের রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপিতে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর মেডিকেল অনকোলজি (ESMO) থেকে সার্টিফাইড এই চিকিৎসক তার নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং ১৮ বছরের অভিজ্ঞতালব্ধ চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যানসার রোগীদের আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করেন।
🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital
📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোটা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা
🕒 Visiting hours: বৃহস্পতিবার: বিকেল ৫:০০টা থেকে রাত ১১:০০টা; শুক্রবার: সকাল ১০:০০টা থেকে দুপুর ১:০০টা
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ সাইফুল আলম মহাখালী, খুলনার জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (NICRH) রেডিওথেরাপি বিভাগের একজন প্রख्यात কনসালটেন্ট, যার ক্যানসার চিকিৎসায় ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি গ্লিওব্লাস্টোমা মাল্টিফর্মি, মেডুলোব্লাস্টোমা, এপেনডাইমোমা, অলিগোডেনড্রোগ্লিওমা এবং মেনিনজিওমা-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। ব্রেইন ও স্পাইনাল কর্ডের যেকোনো জটিল টিউমার এবং ক্যানসারের চিকিৎসায় তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক (ESMO) বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।
ডাঃ সাইফুল আলম খুলনা মেডিকেল কলেজ (DMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং ক্যানসার চিকিৎসায় উচ্চতর শিক্ষার জন্য এমসিপিএস (MCPS in Radiotherapy) এবং রেডিওথেরাপিতে সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Radiation Oncology) অর্জন করেন। চিকিৎসা সেবায় তার আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আমেরিকার আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (MACP, USA)-এর সদস্যপদ লাভ করেন এবং মর্যাদাপূর্ণ 'ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর মেডিকেল অনকোলজি' থেকে সার্টিফাইড মেডিকেল অনকোলজিস্ট (ESMO Certified) হিসেবে স্বীকৃতি পান। খুলনায় সেরা অনকোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের (NICRH) এই বিশেষজ্ঞের দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে গ্লিওব্লাস্টোমার জন্য ইন্টেন্সিভ কেমোরেডিয়েশন, মেডুলোব্লাস্টোমার জন্য ক্রেনিওস্পাইনাল রেডিয়েশন, মেনিনজিওমার জন্য স্টেরিওট্যাকটিক রেডিওসার্জারি (SRS) এবং সলিড টিউমারের আধুনিক কেমোথেরাপি। তিনি ব্রেইন এমআরআই (MRI), পিইটি-সিটি (PET-CT) স্ক্যান এবং মলিকুলার জেনেটিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল ক্যানসার চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।
পূর্ণ নাম: ডাঃ সাইফুল আলম
প্রধান বিশেষজ্ঞতা: অনকোলজি (মেডিকেল ও রেডিওথেরাপি)
উপ-বিশেষজ্ঞতা: নিউরো-অনকোলজি (ব্রেইন ও স্পাইনাল কর্ড টিউমার)
পদবী: কনসালটেন্ট, রেডিওথেরাপি
কর্মস্থল: জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICRH), মহাখালী, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা: ১৮+ বছর
অবস্থান: খুলনা, বাংলাদেশ
এমবিবিএস (DMC) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, খুলনা মেডিকেল কলেজ
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমসিপিএস (রেডিওথেরাপি) – মেম্বার অব দ্য বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস
এমডি (রেডিয়েশন অনকোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (রেডিয়েশন অনকোলজি)
ইএসএমও সার্টিফাইড (ESMO) – ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর মেডিকেল অনকোলজি থেকে সার্টিফাইড
এমএসিপি (USA) – মেম্বার অব দ্য আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস
পদবী: কনসালটেন্ট, রেডিওথেরাপি
কর্মস্থল: রেডিওথেরাপি বিভাগ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICRH), মহাখালী, খুলনা
গ্লিওব্লাস্টোমা মাল্টিফর্মি (GBM) টিউমারে অপারেশন পরবর্তী কড়া কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন।
মেডুলোব্লাস্টোমায় ব্রেইন ও মেরুদণ্ডে বিশেষ ক্রেনিওস্পাইনাল রেডিয়েশন।
এপেনডাইমোমায় টিউমারের স্থানে ফোকাল রেডিওথেরাপি।
অলিগোডেনড্রোগ্লিওমায় জেনেটিক মিউটেশনের ওপর ভিত্তি করে কেমো ও রেডিওথেরাপি।
মেনিনজিওমায় (ব্রেইনের আবরণীর টিউমার) সার্জারি বা স্টেরিওট্যাকটিক রেডিওসার্জারি (SRS)।
স্তন ক্যানসারে (Breast cancer) অপারেশনের পর রেডিওথেরাপি ও হরমোনাল চিকিৎসা।
ফুসফুসের ক্যানসারে (Lung cancer) কেমোরেডিয়েশন বা টার্গেটেড থেরাপি।
কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসারে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি।
মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে অত্যন্ত নিখুঁত আইএমআরটি (IMRT) রেডিওথেরাপি।
প্রোস্টেট ক্যানসারে হরমোন থেরাপি ও লোকাল রেডিওথেরাপি।
জরায়ুমুখের ক্যানসারে (Cervical cancer) এক্সটার্নাল রেডিয়েশন ও ব্র্যাকিথেরাপি।
পাকস্থলীর ক্যানসারে (Gastric cancer) সিস্টেমিক কেমোথেরাপি।
নরম কোষের ক্যানসারে (Sarcoma) সার্জারির পর রেডিওথেরাপি।
হাড়ের মেটাস্ট্যাসিসে (ক্যানসার হাড়ে ছড়ালে) দ্রুত ব্যথা কমাতে প্যালিয়েটিভ রেডিয়েশন।
ব্রেইন মেটাস্ট্যাসিসে (ক্যানসার ব্রেইনে ছড়ালে) হোল-ব্রেইন রেডিয়েশন বা রেডিওসার্জারি।
নিউরো-অনকোলজি ও ব্রেইন টিউমার: ব্রেইন এবং স্পাইনাল কর্ডের মারাত্মক এবং সাধারণ টিউমারগুলো আধুনিক রেডিওথেরাপি মেশিনের সাহায্যে এমনভাবে ধ্বংস করা, যাতে সুস্থ ব্রেইন টিস্যুর কোনো ক্ষতি না হয়।
অ্যাডভান্সড রেডিয়েশন অনকোলজি: IMRT, VMAT এবং স্টেরিওট্যাকটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মিলিমিটারের সূক্ষ্মতায় শরীরের যেকোনো সলিড টিউমারে রেডিয়েশন বা সেঁক দেওয়া।
মেডিকেল অনকোলজি ও সিস্টেমিক কেয়ার: ইউরোপীয় (ESMO) এবং আমেরিকান (MACP) আন্তর্জাতিক মানের গাইডলাইন ব্যবহার করে কেমোথেরাপি ও টার্গেটেড থেরাপির মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া ক্যানসারের নিবিড় চিকিৎসা।
নামে 'সার্জারি' হলেও এতে মাথা কাটার বা রক্তপাতের কোনো বিষয় নেই। এটি ব্রেইন টিউমার চিকিৎসার একটি অত্যাধুনিক রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি। কম্পিউটারের সাহায্যে শত শত সূক্ষ্ম রেডিয়েশন রশ্মি ব্রেইনের ভেতরের টিউমারে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে ফেলা হয়। এর ফলে টিউমারটি তীব্র রেডিয়েশনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু আশপাশের সুস্থ ব্রেইন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে।
এটি একটি অত্যন্ত জটিল রেডিওথেরাপি পদ্ধতি, যা মূলত মেডুলোব্লাস্টোমার মতো শিশুদের ব্রেইন ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এই ক্যানসার ব্রেইনের তরল বা সিএসএফ (CSF) এর মাধ্যমে মেরুদণ্ডে ছড়িয়ে পড়ে। তাই একই সাথে পুরো ব্রেইন এবং পুরো মেরুদণ্ডকে নিখুঁতভাবে রেডিয়েশন দেওয়া হয়, যাতে ক্যানসারের কোনো কোষ লুকিয়ে থাকতে না পারে।
গ্লিওব্লাস্টোমা মাল্টিফর্মি (GBM) এর মতো অত্যন্ত ভয়ংকর ক্যানসারের ক্ষেত্রে শুধু রেডিয়েশন বা সেঁক দিলে কাজ হয় না। ডাঃ আলম একই সাথে প্রতিদিন বিশেষ কেমোথেরাপি বড়ি (যেমন- Temozolomide) এবং রেডিওথেরাপি দেন। এই কেমোথেরাপি ক্যানসার কোষগুলোকে রেডিয়েশনের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তোলে, ফলে টিউমার দ্রুত ধ্বংস হয়।
এটি প্রাপ্তবয়স্কদের ব্রেইনের সবচেয়ে সাধারণ এবং সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ক্যানসার। এটি ব্রেইনের সাপোর্টিং সেল (অ্যাস্ট্রোসাইট) থেকে তৈরি হয় এবং খুব দ্রুত সুস্থ ব্রেইনের ভেতর শেকড়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে সার্জারি করে এটি পুরোপুরি দূর করা যায় না। জীবন বাঁচাতে অপারেশনের পরপরই অত্যন্ত দ্রুত ও কড়া কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশনের প্রয়োজন হয়।
এটি একটি দ্রুত বর্ধনশীল ব্রেইন ক্যানসার যা সবসময় ব্রেইনের নিচের পেছনের অংশে (সেরেবেলাম) তৈরি হয়, যা আমাদের হাঁটাচলা ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। এটি শিশু এবং তরুণদের বেশি হয়। যেহেতু এটি মেরুদণ্ডের তরলের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই সার্জারির পর পুরো ব্রেইন ও মেরুদণ্ডে রেডিওথেরাপি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
এটি ব্রেইন এবং স্পাইনাল কর্ডের আবরণী (Meninges) থেকে তৈরি হওয়া টিউমার। এর প্রায় ৯০% ই বিনাইন (ক্যানসার নয়) এবং ধীরে বাড়ে, কিন্তু এটি বড় হয়ে ব্রেইনের নার্ভ বা রক্তনালীতে চাপ দিয়ে মারাত্মক প্যারালাইসিস বা অন্ধত্ব তৈরি করতে পারে। যেসব মেনিনজিওমা অপারেশনের জন্য বিপজ্জনক জায়গায় থাকে, সেগুলোকে স্টেরিওট্যাকটিক রেডিওসার্জারির (SRS) মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।
ডাঃ সাইফুল আলম তার ১৮ বছরের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে রেডিয়েশন ফিজিক্স এবং মেডিকেল অনকোলজির মধ্যে একটি চমৎকার সমন্বয় সাধন করেন। তিনি ব্রেইন টিউমারগুলোর জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম মলিকুলার ও জেনেটিক পরীক্ষার ওপর জোর দেন এবং ক্যানসারের মতো একটি মানসিক যন্ত্রণাদায়ক যাত্রায় আন্তর্জাতিক (ESMO) গাইডলাইন অনুযায়ী রোগী ও তার পরিবারকে সহানুভূতিশীল চিকিৎসা প্রদান করেন।
জরুরি সতর্কতা: ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত কোনো রোগীর যদি হঠাৎ মারাত্মক খিঁচুনি শুরু হয়, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও সাথে বমি হয় এবং চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে (ব্রেইনে প্রেসার মারাত্মক বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ), অথবা শরীরের একপাশ হঠাৎ অবশ হয়ে যায় বা কথা জড়িয়ে যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সার্টিফাইড মেডিকেল অনকোলজিস্ট, ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর মেডিকেল অনকোলজি (ESMO)
মেম্বার, আমেরিকান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (MACP, USA)
মেম্বার, বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (MCPS)
পূর্বের করা যেকোনো বায়োপসি রিপোর্ট, ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি (IHC) মার্কার, জেনেটিক রিপোর্ট (যেমন IDH মিউটেশন) এবং সাম্প্রতিক ব্রেইন এমআরআই (MRI) বা পিইটি-সিটি (PET-CT) স্ক্যানের মূল কপি বা সিডি (CD) সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, বিশেষ করে খিঁচুনির ওষুধ, স্টেরয়েড (যেমন ডেক্সামেথাসন) বা কোনো কেমোথেরাপি চললে তা চিকিৎসককে অবশ্যই জানাবেন।
মাথাব্যথার মাত্রা, চোখে দেখার সমস্যা, বা হাত-পা অবশ লাগার বিষয়গুলো ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।
ক্যানসারের পরামর্শ ও চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক জটিল হয়, তাই সবকিছু লিখে রাখার জন্য অবশ্যই পরিবারের একজন দায়িত্বশীল সদস্যকে সাথে আনবেন।
Last Modified: October 27, 2026
ইউরোপিয়ান সোসাইটি ফর মেডিকেল অনকোলজি (ESMO) সার্টিফিকেশন হলো বিশ্ব ক্যানসার চিকিৎসায় অন্যতম কঠিন এবং সম্মানজনক স্বীকৃতি। এই সার্টিফিকেট থাকার অর্থ হলো, ডাঃ আলম ইউরোপিয়ান বোর্ডের অত্যন্ত কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং তার ক্যানসার চিকিৎসার প্রটোকল বিশ্বের সর্বাধুনিক ও সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে।
GBM ক্যানসারের কোষগুলো অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। এটি সাধারণ টিউমারের মতো একটি নিরেট গোলক তৈরি করে না, বরং গাছের শেকড়ের মতো সুস্থ ব্রেইনের অনেক গভীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সার্জন কখনোই ব্রেইন নষ্ট না করে ১০০% ক্যানসার কোষ কেটে ফেলতে পারেন না। রয়ে যাওয়া কোষগুলো ধ্বংস করতে অত্যন্ত কড়া রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয়।
না, এতে মাথা কাটা, রক্তপাত বা রোগীকে অজ্ঞান করার কোনো বিষয় নেই। এটি একটি অত্যাধুনিক রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি। কম্পিউটারের সাহায্যে শত শত অতি-সূক্ষ্ম রেডিয়েশন রশ্মি ব্রেইনের চারপাশ থেকে এসে টিউমারের ঠিক মাঝখানে আঘাত করে। এর ফলে টিউমারটি তীব্র রেডিয়েশনে পুড়ে যায়, কিন্তু আশপাশের সুস্থ ব্রেইনে কোনো রেডিয়েশন লাগে না।
ব্রেইন এবং স্পাইনাল কর্ডের ভেতরে যে রাস্তা দিয়ে সিএসএফ (CSF) বা মস্তিষ্কের তরল চলাচল করে, সেই রাস্তার আবরণী কোষ থেকে এই টিউমার তৈরি হয়। এটি তরল চলাচলে বাধা দিয়ে ব্রেইনে মারাত্মক প্রেসার (হাইড্রোসেফালাস) তৈরি করতে পারে। এর প্রধান চিকিৎসা হলো সার্জারি করে টিউমার ফেলে দেওয়া এবং পরে সেখানে নিখুঁত ফোকাল রেডিওথেরাপি দেওয়া।
ব্রেইন টিউমারের কারণে আশপাশের সুস্থ ব্রেইন টিস্যুতে প্রদাহ হয়ে পানি জমে ব্রেইন ফুলে যায় (Cerebral edema)। মানুষের মাথার খুলি যেহেতু একটি শক্ত হাড়ের বাক্স, তাই ব্রেইন ফুললে ভেতরে মারাত্মক প্রেসার তৈরি হয়, যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ক্যানসার না কমালেও, স্টেরয়েড ওষুধ জাদুর মতো দ্রুত ব্রেইনের এই ফুলা এবং প্রেসার কমিয়ে রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়।
ব্রেইন টিউমারগুলোর চিকিৎসা এখন শুধু সাধারণ বায়োপসি দিয়ে হয় না, জেনেটিক টেস্ট লাগে। অলিগোডেনড্রোগ্লিওমা টিউমারে যদি 1p/19q ক্রোমোজোমের "কো-ডিলিশন" (Co-deletion) পাওয়া যায়, তবে তা নিশ্চিত করে যে ক্যানসারটি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপিতে খুব ভালো কাজ করবে এবং রোগীর দীর্ঘায়ু পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
রেডিয়েশন অনকোলজিতে এমডি থাকার অর্থ হলো চিকিৎসক রেডিয়েশন বা সেঁক দেওয়ার ফিজিক্স ও বায়োলজিতে সর্বোচ্চ পারদর্শী। আর মেডিকেল অনকোলজি হলো কেমোথেরাপি ও ওষুধের ব্যবহার। ডাঃ আলমের এই দুটি দিকেই দক্ষতা থাকার কারণে, তিনি রোগীদের কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি একই সাথে (Concurrent) অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে পারেন, রোগীকে আলাদা ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না।
পুরো ব্রেইনে (Whole-brain) রেডিয়েশন দিলে দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতিশক্তি কমার ঝুঁকি থাকে। একারণেই ডাঃ আলম IMRT, VMAT এবং স্টেরিওট্যাকটিক রেডিওসার্জারির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। এই প্রযুক্তিগুলো রেডিয়েশনের বিমকে একদম টিউমারের মাপে তৈরি করে এবং ব্রেইনের স্মৃতি নিয়ন্ত্রক অংশ (হিপোক্যাম্পাস) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশকে রেডিয়েশন থেকে সম্পূর্ণ রক্ষা করে।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।