এমবিবিএস, এমফিল (অনকোলজি)
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
🎯 অস্টিওসারকোমা, ইউইং সারকোমা, কনড্রোসারকোমা, কর্ডোমা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স্ট্রোমাল টিউমার ব্যবস্থাপনা
প্রোফাইল দেখুন →অনকোলজিস্ট (অনকোলজি)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (মেডিক্যাল অনকোলজি), এফসিপিএস (মেডিসিন, পার্ট ২)
ক্যান্সার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: লি-ফ্রাউমেনি সিনড্রোম, মাল্টিপল এন্ডোক্রাইন সিনড্রোম, ভন হিপেল-লিন্ডাউ সিনড্রোম, বংশগত স্তন ক্যান্সার, লিঞ্চ সিনড্রোম
🎓 কনসালট্যান্ট, মেডিসিন ইউনিট
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট, মেডিসিন ইউনিট — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ সুমনা দাস খুলনা শহরের সেরা মেডিকেল অনকোলজিস্ট (ক্যানসার বিশেষজ্ঞ) এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা ক্যানসার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে লি-ফ্রাউমেনি সিনড্রোম (Li-Fraumeni syndrome), লিঞ্চ সিনড্রোম (Lynch syndrome) এবং বংশগত স্তন ক্যানসারের (Hereditary breast cancer) মতো অত্যন্ত জটিল ও জেনেটিক ক্যানসারের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। ভন হিপেল-লিন্ডাউ (VHL) ডিজিজ, মাল্টিপল এন্ডোক্রাইন নিওপ্লাশিয়া (MEN) এবং সিস্টেমিক কেমোথেরাপিতে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে ক্যানসার রোগীদের আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করেন।
🏥 Sunrise Diagnostic & Consultation Center · Diagnostic Center
📍 ৪২৮, খানজাহান আলী রোড (হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে), খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ সুমনা দাস খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিটের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট, যার মেডিসিন এবং মেডিকেল অনকোলজিতে (ক্যানসার চিকিৎসা) ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি লি-ফ্রাউমেনি সিনড্রোম, লিঞ্চ সিনড্রোম, বংশগত স্তন ও ওভারিয়ান ক্যানসার, ভন হিপেল-লিন্ডাউ এবং মাল্টিপল এন্ডোক্রাইন নিওপ্লাশিয়ার মতো বংশগত ও জেনেটিক ক্যানসারের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া ক্যানসারের যেকোনো জটিল অবস্থা এবং কেমোথেরাপির ক্ষেত্রে তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।
ডাঃ সুমনা দাস সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে অত্যন্ত সম্মানজনক দুটি ডিগ্রি অর্জন করেন। ইন্টারনাল মেডিসিনে তার গভীর দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ তিনি মেডিসিনে এফসিপিএস (FCPS in Medicine, Part 2) সম্পন্ন করেন এবং মেডিকেল অনকোলজিতে দেশের সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Medical Oncology) অর্জন করেন। এই অসামান্য দ্বৈত ডিগ্রি প্রমাণ করে যে, তিনি শুধু ক্যানসারের কেমোথেরাপি প্রয়োগেই নয়, বরং ক্যানসারের কারণে পুরো শরীরের অন্যান্য অঙ্গের যে ক্ষতি হয় তা সামলাতেও সমানভাবে পারদর্শী। খুলনায় সেরা অনকোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের এক দশকের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে লি-ফ্রাউমেনি ও লিঞ্চ সিনড্রোমের জেনেটিক স্ক্রিনিং, বংশগত স্তন ক্যানসারের জন্য টার্গেটেড থেরাপি, VHL ও MEN সিনড্রোমের সিস্টেমিক চিকিৎসা এবং সলিড টিউমারের আধুনিক ইমিউনোথেরাপি ও কেমোথেরাপি। তিনি পিইটি-সিটি (PET-CT) স্ক্যান, ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি এবং মলিকুলার মিউটেশন রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল ক্যানসার চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।
পূর্ণ নাম: ডাঃ সুমনা দাস
প্রধান বিশেষজ্ঞতা: মেডিকেল অনকোলজি (সিস্টেমিক ক্যানসার চিকিৎসা)
উপ-বিশেষজ্ঞতা: বংশগত ক্যানসার সিনড্রোম ও ইন্টারনাল মেডিসিন
পদবী: কনসালটেন্ট, মেডিসিন ইউনিট
কর্মস্থল: খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা: ১০+ বছর
অবস্থান: খুলনা, বাংলাদেশ
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (মেডিকেল অনকোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (মেডিকেল অনকোলজি)
এফসিপিএস (মেডিসিন, পর্ব-২) – ফেলো অব দ্য বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস
পদবী: কনসালটেন্ট, মেডিসিন ইউনিট
কর্মস্থল: মেডিসিন ইউনিট, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
লি-ফ্রাউমেনি সিনড্রোমে (একাধিক ক্যানসারের ঝুঁকি) নিবিড় স্ক্রিনিং ও দ্রুত চিকিৎসা।
লিঞ্চ সিনড্রোমে (বংশগত কোলন ক্যানসার) কোলনোস্কোপি মনিটরিং ও ইমিউনোথেরাপি।
বংশগত স্তন ও ওভারিয়ান ক্যানসারে (BRCA) টার্গেটেড থেরাপি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।
ভন হিপেল-লিন্ডাউ (VHL) ডিজিজে কিডনি ক্যানসার ও ব্রেইন টিউমারের সিস্টেমিক চিকিৎসা।
মাল্টিপল এন্ডোক্রাইন নিওপ্লাশিয়ায় (MEN) হরমোন গ্রন্থির টিউমার মনিটরিং।
স্তন ক্যানসারে (Breast cancer) সিস্টেমিক হরমোনাল থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ও কেমোথেরাপি।
ফুসফুসের ক্যানসারে (Lung cancer) আধুনিক ইমিউনোথেরাপি ও টার্গেটেড থেরাপি।
কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসারে কেমোথেরাপি ও বায়োলজিক্যাল থেরাপি।
পাকস্থলীর ক্যানসারে (Gastric cancer) সিস্টেমিক কেমোথেরাপি।
ওভারিয়ান বা ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে প্ল্যাটিনাম-বেসড কেমোথেরাপি ও জেনেটিক প্রোফাইলিং।
প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারে (অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার) আক্রমণাত্মক কেমোথেরাপি।
লিম্ফোমায় (লসিকা গ্রন্থির ক্যানসার) বিশেষ ইমিউনোকেমোথেরাপি।
বোন ও সফট টিস্যু সারকোমায় (হাড় ও মাংসের ক্যানসার) নিওঅ্যাডজুভেন্ট কেমোথেরাপি।
ক্যানসার ও কেমোর কারণে সৃষ্ট ইনফেকশন ও ইন্টারনাল মেডিসিন জটিলতার চিকিৎসা।
হেরিডিটারি ও জেনেটিক অনকোলজি: পরিবারে জিনগত বা বংশগতভাবে ক্যানসারের (যেমন- TP53 বা BRCA মিউটেশন) প্রবণতা থাকলে তা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করা এবং অল্প বয়সেই ক্যানসার আক্রমণ করার হাত থেকে পুরো পরিবারকে রক্ষা করা।
মেডিকেল অনকোলজি ও সিস্টেমিক থেরাপি: রক্তের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার ধ্বংস করার জন্য অত্যন্ত নিখুঁত মাত্রায় কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং টার্গেটেড বড়ি ব্যবহার করা।
অনকোলজিতে ইন্টারনাল মেডিসিন: মেডিসিনের গভীর জ্ঞানের মাধ্যমে ক্যানসার চিকিৎসার ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যেমন- কিডনি বা হার্টের ক্ষতি, এবং ইনফেকশন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করা।
যেসব রোগীর পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস আছে, ডাঃ দাস তাদের বিশেষ জেনেটিক পরীক্ষা (যেমন- BRCA বা TP53 জিন মিউটেশন) করান। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় ক্যানসারটি বংশগত কি না। এটি জানা অত্যন্ত জরুরি, কারণ জেনেটিক ক্যানসারের ক্ষেত্রে সাধারণ কেমোর বদলে বিশেষ 'টার্গেটেড' ওষুধ অনেক ভালো কাজ করে এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের আগে থেকেই সতর্ক করা যায়।
সাধারণ কেমোথেরাপি শরীরের সব দ্রুত বর্ধনশীল কোষকে ধ্বংস করে। কিন্তু ডাঃ দাস আধুনিক মেডিকেল অনকোলজির যুগান্তকারী 'ইমিউনোথেরাপি' এবং 'টার্গেটেড থেরাপি' ব্যবহার করেন। এই ওষুধগুলো ক্যানসার কোষের নির্দিষ্ট জেনেটিক ত্রুটি চিনে শুধুমাত্র ক্যানসারকেই আক্রমণ করে, অথবা শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এমনভাবে জাগ্রত করে যাতে শরীর নিজেই ক্যানসারকে ধ্বংস করে দেয়।
লি-ফ্রাউমেনি বা লিঞ্চ সিনড্রোমের মতো জেনেটিক রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ১০০%। ডাঃ দাস এসব রোগীদের জন্য আজীবন নিবিড় স্ক্রিনিং (যেমন নিয়মিত হোল-বডি এমআরআই, এন্ডোস্কোপি) রুটিন তৈরি করেন, যাতে ক্যানসার শুরু হওয়ার একদম প্রথম ধাপেই তা ধরা পড়ে। অনেক সময় ক্যানসার হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ অঙ্গটি (যেমন স্তন বা ওভারি) অপারেশনের মাধ্যমে ফেলে দেওয়ার (Prophylactic surgery) পরামর্শও দেওয়া হয়।
এটি একটি অত্যন্ত বিরল ও বংশগত ক্যানসার রোগ, যা মূলত TP53 নামক জিনের মিউটেশনের কারণে হয় (এই জিনটি শরীরে টিউমার তৈরি হতে বাধা দেয়)। এই জিন নষ্ট থাকার কারণে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সারাজীবনে একাধিকবার মারাত্মক ক্যানসার (যেমন- ব্রেস্ট ক্যানসার, ব্লাড ক্যানসার, ব্রেইন টিউমার) হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা সাধারণত খুব অল্প বয়সেই শুরু হয়। এর জন্য আজীবন বিশেষ স্ক্রিনিং প্রয়োজন।
বংশগত কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসারের সবচেয়ে বড় কারণ হলো লিঞ্চ সিনড্রোম। ডিএনএ মেরামতের জিনে ত্রুটি থাকার কারণে এই রোগীরা খুব অল্প বয়সেই কোলন, জরায়ু বা পাকস্থলীর ক্যানসারে আক্রান্ত হন। সবচেয়ে আশার কথা হলো, লিঞ্চ সিনড্রোমের ক্যানসার কোষগুলো সাধারণ কেমোর চেয়ে আধুনিক 'ইমিউনোথেরাপি' ওষুধগুলোতে জাদুর মতো ভালো রেসপন্স করে।
এটি একটি বিরল জেনেটিক রোগ যা শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রচুর রক্তনালীযুক্ত টিউমার এবং সিস্ট তৈরি করে। এই টিউমারগুলো সাধারণত ব্রেইন, মেরুদণ্ড এবং চোখের রেটিনাতে হয়। VHL রোগে আক্রান্ত রোগীদের কিডনি ক্যানসার (Clear cell RCC) এবং ফিওক্রোমোসাইটোমা হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে, তাই এদের নিয়মিত সিস্টেমিক মনিটরিং অত্যন্ত জরুরি।
ডাঃ সুমনা দাস তার এক দশকের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে মেডিসিনের গভীর জ্ঞানের সাথে মেডিকেল অনকোলজির (ক্যানসার চিকিৎসা) দক্ষতাকে চমৎকারভাবে সমন্বয় করেন। তিনি শুধুমাত্র টিউমারকে নয়, বরং ক্যানসারের কারণে রোগীর পুরো শরীরে কী প্রভাব পড়ছে তার চিকিৎসা করেন। তিনি জেনেটিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে রোগীর পাশাপাশি তার পরিবারকেও ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: যদি কেমোথেরাপি চলাকালীন কোনো রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (১০০.৪° ফারেনহাইটের ওপরে) আসে (যা শ্বেত রক্তকণিকা শূন্য হয়ে যাওয়ার লক্ষণ), VHL রোগীর হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও বমি শুরু হয় বা ভারসাম্য নষ্ট হয় (ব্রেইন টিউমারে রক্তক্ষরণের লক্ষণ), অথবা হঠাৎ করে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয় বা কাশির সাথে রক্ত আসে (ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধা বা Pulmonary embolism), তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
কনসালটেন্ট, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার
সদস্য, অনকোলজি ক্লাব, বাংলাদেশ
পূর্বের করা যেকোনো বায়োপসি রিপোর্ট, হিস্টোপ্যাথলজি ব্লক, ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি (IHC) মার্কার, জেনেটিক মিউটেশন রিপোর্ট এবং সাম্প্রতিক পিইটি-সিটি (PET-CT) বা এমআরআই (MRI) স্ক্যানের মূল কপি সাথে আনুন।
জেনেটিক ক্যানসারের জন্য জরুরি: পরিবারের একটি "ক্যানসার ট্রি" লিখে আনুন—অর্থাৎ আপনার রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে কার কার ক্যানসার ছিল, কী ক্যানসার ছিল এবং ক্যানসার ধরা পড়ার সময় তাদের বয়স কত ছিল তা স্পষ্টভাবে লিখে আনবেন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, এবং পূর্বে যদি কোনো কেমোথেরাপি হয়ে থাকে, তবে তার ছাড়পত্র (Discharge paper) অবশ্যই আনবেন।
ক্যানসারের পরামর্শ ও চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক জটিল হয়, তাই সবকিছু লিখে রাখার জন্য অবশ্যই পরিবারের একজন দায়িত্বশীল সদস্যকে সাথে আনবেন।
Last Modified: October 27, 2026
রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট উচ্চ শক্তির এক্স-রে বা রশ্মির সাহায্যে শরীরের একটি নির্দিষ্ট জায়গার টিউমারকে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। অন্যদিকে একজন মেডিকেল অনকোলজিস্ট (যেমন ডাঃ সুমনা দাস) সিস্টেমিক চিকিৎসার বিশেষজ্ঞ—অর্থাৎ তিনি কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং টার্গেটেড বড়ি ব্যবহার করেন, যা রক্তের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে থাকা ক্যানসার কোষগুলোকে খুঁজে খুঁজে ধ্বংস করে।
বংশগত ক্যানসারের কিছু প্রধান লক্ষণ হলো—খুব অল্প বয়সে ক্যানসার হওয়া (যেমন ৪০ বছরের আগে স্তন ক্যানসার), একই ব্যক্তির শরীরে একাধিক আলাদা ক্যানসার হওয়া, অথবা পরিবারের রক্তের সম্পর্কের একাধিক আত্মীয়ের (যেমন মা, খালা বা নানি) একই ধরনের বা সম্পর্কিত ক্যানসার (যেমন স্তন ও জরায়ুর ক্যানসার) থাকা।
আমাদের শরীরে TP53 নামক একটি জিন আছে যাকে "জিনোমের পাহারাদার" বলা হয়; এর কাজ হলো শরীরে টিউমার হতে না দেওয়া। লি-ফ্রাউমেনিতে জন্মগতভাবেই এই জিনটি নষ্ট থাকে। পাহারাদার না থাকার কারণে এই রোগীরা সারাজীবনে একাধিকবার অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তাই তাদের জন্য আজীবন বিশেষ ও নিবিড় স্ক্রিনিং অপরিহার্য।
লিঞ্চ সিনড্রোমের টিউমারগুলোতে ডিএনএ (DNA) মেরামতের সিস্টেম নষ্ট থাকে, যার ফলে ক্যানসার কোষে প্রচুর জেনেটিক ভুল (MSI-High) তৈরি হয়। এই ভুলগুলোর কারণে ক্যানসার কোষগুলোকে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের কাছে অত্যন্ত "বিদেশি বা বাইরের শত্রু" বলে মনে হয়। আধুনিক ইমিউনোথেরাপি ওষুধ দিলে ইমিউন সিস্টেম সহজেই এই ক্যানসার কোষগুলোকে চিনে ধ্বংস করে ফেলতে পারে, যা সাধারণ কেমোর চেয়ে বহুগুণ কার্যকর।
HBOC মূলত BRCA1 বা BRCA2 জিনের বংশগত মিউটেশনের কারণে হয়। যেসব নারীদের এই মিউটেশন থাকে, তাদের সারাজীবনে স্তন ও ওভারিয়ান ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ মানুষের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। মেডিকেল অনকোলজিস্টরা এই ক্যানসারের চিকিৎসায় 'PARP Inhibitor' নামক বিশেষ টার্গেটেড ওষুধ ব্যবহার করেন, যা শুধুমাত্র BRCA মিউটেশন থাকা ক্যানসারেই চমৎকার কাজ করে।
VHL একটি বংশগত জেনেটিক রোগ, তাই এর মূল জেনেটিক মিউটেশন চিরতরে সারানো সম্ভব নয়। এই রোগীদের সারাজীবন চিকিৎসার আওতায় থাকতে হয়। VHL-এর সবচেয়ে বড় বিপদ হলো কিডনি ক্যানসার এবং ব্রেইনের টিউমার হওয়া। তাই নিয়মিত স্ক্রিনিং করে টিউমারগুলো একদম ছোট থাকতেই তা সার্জারি করে ফেলে দিতে হয়, যাতে অঙ্গের কোনো স্থায়ী ক্ষতি না হয়।
ক্যানসার এবং কড়া কেমোথেরাপির ওষুধ পুরো শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, যার কারণে হার্ট, কিডনি, লিভার নষ্ট হওয়ার বা ভয়াবহ ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ইন্টারনাল মেডিসিনে এফসিপিএস থাকার অর্থ হলো, পুরো শরীরের সিস্টেম সম্পর্কে ডাঃ দাসের গভীর জ্ঞান রয়েছে, যার ফলে তিনি অন্য ডাক্তারের কাছে না পাঠিয়ে নিজেই ক্যানসারের পাশাপাশি এই ভয়াবহ শারীরিক জটিলতাগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
না। সাধারণ অনেক শিরায় দেওয়া (IV) কেমোথেরাপিতে সাময়িকভাবে মাথার চুল পড়ে যায় ঠিকই, কিন্তু আধুনিক মেডিকেল অনকোলজিতে এখন প্রচুর মুখে খাওয়ার 'টার্গেটেড থেরাপি' এবং 'ইমিউনোথেরাপি' ব্যবহার করা হয়। এগুলো সাধারণ কেমোর মতো কাজ করে না এবং এগুলোতে সাধারণত চুল পড়ে না। ডাঃ দাস টিউমারের জেনেটিক রিপোর্ট দেখেই সিদ্ধান্ত নেন কোন ওষুধটি রোগীর জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।