🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সঘ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ ✔ যাচাইকৃত

এন্ডোক্রিনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ)

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমআরসিপি (ইউকে), এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি)
থাইরয়েড, হরমোন, ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোম, সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়ডিজম, ম্যাককিউন-অলব্রাইট সিনড্রোম, পেনড্রেড সিনড্রোম, ও উলফ্রাম সিনড্রোম

🎓 সহকারী অধ্যাপক (বিভাগীয় প্রধান, এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১২+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (বিভাগীয় প্রধান, এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ খুলনা শহরের সেরা এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ) হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোম (APS), সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম এবং ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট সিনড্রোম-এর মতো অত্যন্ত বিরল ও জটিল জেনেটিক রোগের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। পেনড্রেড সিনড্রোম, উলফ্রাম সিনড্রোম (Wolfram syndrome) এবং মেটাবলিক রোগের চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। মেডিসিন ও এন্ডোক্রাইনোলজিতে সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি রোগীদের হরমোনের স্বাভাবিক মাত্রা নিশ্চিত করেন এবং বিরল রোগগুলো নিখুঁতভাবে নির্ণয় করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Royal Diagnostic & Consultation Limited, Khulna · Diagnostic Center

📍 ৪, কেডিএ এভিনিউ, খুলনা

🕒 Visiting hours: জানা নেই। সাক্ষাতের সময় জানতে অনুগ্রহ করে ফোন করুন।

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ – খুলনার থাইরয়েড, হরমোন, ডায়াবেটিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং বিরল হরমোন রোগের চিকিৎসায় তার ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোম, সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম, ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট সিনড্রোম, পেনড্রেড সিনড্রোম এবং উলফ্রাম সিনড্রোম-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। হরমোন গ্রন্থির যেকোনো জটিল অবস্থা, জেনেটিক সিনড্রোম এবং ইন্টারনাল মেডিসিনের ক্ষেত্রে তিনি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে অত্যন্ত সম্মানজনক কয়েকটি ডিগ্রি অর্জন করেন। ইন্টারনাল মেডিসিনে তার গভীর দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ তিনি এফসিপিএস (FCPS in Medicine) অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস-এর সদস্যপদ (MRCP, UK) লাভ করেন। এরপর তিনি এন্ডোক্রাইনোলজিতে সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Endocrinology) সম্পন্ন করেন। খুলনায় সেরা এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং এমআরসিপি (MRCP) ও এফসিপিএস (FCPS) এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোমের জন্য মাল্টি-হরমোন রিপ্লেসমেন্ট, সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমের জন্য বিশেষ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ব্যবস্থাপনা, ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট সিনড্রোমের হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং উলফ্রাম ও পেনড্রেড সিনড্রোমের মতো জেনেটিক রোগের সমন্বিত চিকিৎসা। তিনি আধুনিক ডায়নামিক এন্ডোক্রাইন টেস্টিং, জেনেটিক ফেনোটাইপিং এবং হরমোন প্রোফাইলিংয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামসহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ
প্রধান বিশেষজ্ঞতাএন্ডোক্রাইনোলজি (ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাইন্টারনাল মেডিসিন ও বিরল জেনেটিক হরমোন সিনড্রোম
পদবীসহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (এন্ডোক্রাইনোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১২+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এফসিপিএস (মেডিসিন) – ফেলো অব দ্য বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস

  • এমআরসিপি (ইউকে) – মেম্বার অব দ্য রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস, যুক্তরাজ্য (MRCP, UK)

  • এমডি (এন্ডোক্রাইনোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (এন্ডোক্রাইনোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (এন্ডোক্রাইনোলজি)

  • কর্মস্থল: এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোমে (APS) একাধিক হরমোনের নিখুঁত রিপ্লেসমেন্ট।

  • সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমে বিশেষ ক্যালসিয়াম ও অ্যাকটিভ ভিটামিন ডি চিকিৎসা।

  • ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট সিনড্রোমে অকাল বয়ঃসন্ধি ও হাড়ের ত্রুটির বিশেষ ব্যবস্থাপনা।

  • পেনড্রেড সিনড্রোমে থাইরয়েড (গয়টার) ও শ্রবণশক্তির সমস্যার সমন্বিত চিকিৎসা।

  • উলফ্রাম সিনড্রোমে (DIDMOAD) ডায়াবেটিস ও স্নায়বিক সমস্যার নিবিড় পরিচর্যা।

  • টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আজীবন ইনসুলিন থেরাপি ও নিবিড় গ্লুকোজ মনিটরিং।

  • টাইপ ২ ডায়াবেটিসে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ওষুধ এবং ইনসুলিন ব্যবস্থাপনা।

  • হাশিমোটো থাইরয়েডাইটিসে থাইরয়েড হরমোন রিপ্লেসমেন্ট (লেভোথাইরক্সিন)।

  • গ্রেভস ডিজিজে অ্যান্টি-থাইরয়েড ওষুধ বা রেডিওঅ্যাকটিভ আয়োডিনের পরামর্শ।

  • কুশিং সিনড্রোমে বিশেষ হরমোন পরীক্ষা ও কর্টিসোল কমানোর চিকিৎসা।

  • পিটুইটারি অ্যাডেনোমায় (ব্রেইনের হরমোন গ্রন্থির টিউমার) বিশেষ ওষুধের প্রয়োগ।

  • অ্যাডিসনস ডিজিজে (অ্যাড্রেনাল হরমোনের অভাব) জীবন রক্ষাকারী স্টেরয়েড থেরাপি।

  • পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে (PCOS) হরমোনের ভারসাম্য ও মেটাবলিক চিকিৎসা।

  • প্রাইমারি হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজমে ক্যালসিয়াম ও মেটাবলিক মনিটরিং।

  • অস্টিওপোরোসিসে (হাড়ের ভঙ্গুরতা) বোন ডেনসিটি মূল্যায়ন ও হাড় শক্ত করার ওষুধ।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • বিরল জেনেটিক ও সিনড্রোমিক এন্ডোক্রাইনোলজি: এমন সব জটিল জন্মগত বা জেনেটিক রোগ যা শরীরের একাধিক সিস্টেমকে (যেমন চোখ, কান, হাড় ও হরমোন) একসাথে নষ্ট করে দেয় (যেমন উলফ্রাম, পেনড্রেড, ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট), তার সর্বোচ্চ একাডেমিক ও আধুনিক চিকিৎসা।

  • অটোইমিউন মাল্টি-গ্ল্যান্ড রোগ: ইমিউন সিস্টেম যখন একসাথে শরীরের অনেকগুলো হরমোন গ্রন্থিকে (যেমন প্যানক্রিয়াস, থাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল) ধ্বংস করে দেয়, সেই প্রাণঘাতী অবস্থার নিবিড় ও নিখুঁত ব্যবস্থাপনা।

  • অ্যাডভান্সড ইন্টারনাল মেডিসিন ও ডায়াবেটোলজি: এমআরসিপি (MRCP) ও এফসিপিএস (FCPS) ডিগ্রির আলোকে পুরো শরীরের সিস্টেম বিবেচনা করে জটিল ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগীদের সমন্বিত চিকিৎসা প্রদান।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

কমপ্লেক্স সিনড্রোমিক ফেনোটাইপিং ও ডায়নামিক টেস্টিং

সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম বা ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইটের মতো বিরল সিনড্রোমগুলো সাধারণ রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। ডাঃ ঘোষ রোগীর শারীরিক ও গঠনগত লক্ষণ (ফেনোটাইপিং) গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ডায়নামিক হরমোন টেস্টের মাধ্যমে নির্ণয় করেন যে ঠিক কোন জেনেটিক কারণে শরীরের হরমোনগুলো কাজ করতে পারছে না বা অতিরিক্ত কাজ করছে।

মাল্টি-হরমোনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি প্রটোকল

অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোমে (APS) রোগীর শরীর একসাথে ইনসুলিন, কর্টিসোল এবং থাইরয়েড হরমোন তৈরি করা বন্ধ করে দিতে পারে। ডাঃ ঘোষ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে একসাথে একাধিক হরমোনের ওষুধের ডোজ এমনভাবে নির্ধারণ করেন, যা শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দকে হুবহু নকল করে এবং রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়।

বোন মিনারেল ও ক্যালসিয়াম এক্সিস অপ্টিমাইজেশন

প্যারাথাইরয়েড রেজিস্ট্যান্সের কারণে রক্তে ক্যালসিয়াম মারাত্মকভাবে কমে গেলে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে। ডাঃ ঘোষ এসব ক্ষেত্রে সাধারণ ক্যালসিয়ামের বদলে শক্তিশালী 'অ্যাকটিভ ভিটামিন ডি' (Calcitriol) এবং বিশেষ ওষুধের মাধ্যমে রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিরাপদ পর্যায়ে রাখেন এবং হাড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোম (APS)

এটি একটি ভয়ংকর বিরল অটোইমিউন রোগ, যেখানে ইমিউন সিস্টেম একে একে শরীরের একাধিক হরমোন গ্রন্থিকে ধ্বংস করে দেয়। যেমন, একজন রোগীর একই সাথে টাইপ ১ ডায়াবেটিস, অ্যাডিসনস ডিজিজ (অ্যাড্রেনাল ফেইলিউর) এবং থাইরয়েড ফেইলিউর থাকতে পারে। এর চিকিৎসায় চরম সতর্কতার প্রয়োজন হয়, কারণ একটি হরমোনের চিকিৎসা করার সময় অন্যটির প্রতি খেয়াল না রাখলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

উলফ্রাম সিনড্রোম (Wolfram Syndrome / DIDMOAD)

এটি একটি মারাত্মক জেনেটিক রোগ। এর আরেক নাম DIDMOAD, যা এর প্রধান লক্ষণগুলোকে প্রকাশ করে: Diabetes Insipidus (বহুমূত্র), Diabetes Mellitus (ব্লাড সুগার), Optic Atrophy (দৃষ্টিশক্তি হারানো) এবং Deafness (শ্রবণশক্তি হারানো)। শৈশবে ডায়াবেটিস দিয়ে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে রোগী অন্ধ ও বধির হতে থাকেন। এর জন্য অত্যন্ত দক্ষ এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের অধীনে নিবিড় চিকিৎসার প্রয়োজন।

সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম (Pseudohypoparathyroidism)

এটি একটি জেনেটিক রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) তৈরি করে ঠিকই, কিন্তু কিডনি এবং হাড় সেই হরমোনের সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারে না (রেজিস্ট্যান্স)। এর ফলে রক্তে ক্যালসিয়াম বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। এই রোগীদের শারীরিক গঠনও একটু ভিন্ন হয়, যেমন তারা সাধারণত খাটো হন এবং তাদের হাতের চতুর্থ ও পঞ্চম আঙুল ছোট হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ দেবাশীষ কুমার ঘোষ তার ইন্টারনাল মেডিসিনের (MRCP, FCPS) গভীর জ্ঞানের সাথে এন্ডোক্রাইনোলজির (MD) দক্ষতাকে চমৎকারভাবে সমন্বয় করেন। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি বিরল জেনেটিক সিনড্রোমগুলো নির্ণয়ে অত্যন্ত পদ্ধতিগত ও গবেষণামূলক পদ্ধতি অনুসরণ করেন এবং জটিল রোগীদের সারাজীবন সুস্থ রাখার জন্য একটি নিরাপদ ও সহানুভূতিশীল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি অটোইমিউন সিনড্রোমের কোনো রোগীর হঠাৎ প্রচণ্ড দুর্বলতা, বমি এবং ব্লাড প্রেসার মারাত্মকভাবে কমে যায় (অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস), ক্যালসিয়াম জনিত রোগের কোনো রোগীর হঠাৎ হাত-পা বাঁকা হয়ে খিঁচুনি শুরু হয় (টিট্যানি/Tetany), অথবা ডায়াবেটিস রোগীর নিঃশ্বাসে ফলের মতো গন্ধ বের হয় ও আবলতাবল বকতে থাকে (DKA), তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • মেম্বার, রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস, যুক্তরাজ্য (MRCP, UK)

  • ফেলো, বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (FCPS)

  • সদস্য, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি (BES)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা রক্তের রিপোর্ট (বিশেষ করে Fasting সুগার, সম্পূর্ণ হরমোন প্যানেল, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং PTH লেভেল) এবং যেকোনো জেনেটিক পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • সিনড্রোমিক রোগের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট (যেমন পেনড্রেড বা উলফ্রাম সিনড্রোমের জন্য চোখ বা কানের পরীক্ষার রিপোর্ট) অবশ্যই সাথে আনবেন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, বিশেষ করে হরমোন বা স্টেরয়েডের সঠিক ডোজটি চিকিৎসককে জানাবেন।

  • পেশীর তীব্র খিঁচুনি, হঠাৎ দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো লক্ষণগুলো একটি ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।

Last Modified: October 25, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

অটোইমিউন পলিগ্ল্যান্ডুলার সিনড্রোম (APS) কী?

APS হলো এমন একটি বিরল রোগ যেখানে আপনার নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউন সিস্টেম) ভুল করে আপনার শরীরের একাধিক হরমোন গ্রন্থিকে আক্রমণ করে। সাধারণ রোগীর যেমন শুধু ডায়াবেটিস থাকে, এই রোগীর ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের পাশাপাশি থাইরয়েড এবং কিডনির ওপরের গ্রন্থিও (অ্যাড্রেনাল) নষ্ট হয়ে যায়। শরীরের সবগুলো হরমোন গ্রন্থি একসাথে অকেজো হয়ে যায় বলে এর চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল।

সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম (Pseudohypoparathyroidism) সাধারণ হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম থেকে কীভাবে আলাদা?

সাধারণ হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমে গলার গ্রন্থি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) তৈরিই হতে পারে না। কিন্তু 'সিউডো' (Pseudo) বা নকল হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমে শরীর প্রচুর হরমোন তৈরি করে, কিন্তু জেনেটিক ত্রুটির কারণে আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সেই হরমোনকে চিনতে পারে না বা কাজ করে না। দুটোর কারণেই রক্তে ক্যালসিয়াম কমে যায়, কিন্তু পেছনের কারণ ও চিকিৎসা ভিন্ন।

ম্যাককিউন-অ্যালব্রাইট সিনড্রোম (McCune-Albright Syndrome) কী?

এটি একটি বিরল জেনেটিক বা জন্মগত ত্রুটি যা মূলত হাড়, ত্বক এবং হরমোন গ্রন্থিকে আক্রমণ করে। এই রোগে সুস্থ হাড়ের জায়গায় দুর্বল ফাইবার বা তন্তু তৈরি হয়, ত্বকে জন্মদাগের মতো বড় বাদামি দাগ (Café-au-lait spots) দেখা যায় এবং হরমোনের অস্বাভাবিকতার কারণে শিশুদের অকাল বয়ঃসন্ধি (Precocious puberty) শুরু হয়ে যায়। হরমোনের এই অস্বাভাবিকতাগুলো একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট নিয়ন্ত্রণ করেন।

এমআরসিপি (MRCP, UK) ডিগ্রির তাৎপর্য কী?

MRCP হলো 'মেম্বার অব দ্য রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস, ইউনাইটেড কিংডম'। এটি বিশ্বের অন্যতম কঠিন, মর্যাদাপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের ডিগ্রি। এই ডিগ্রি প্রমাণ করে যে ডাঃ ঘোষ মেডিসিন এবং রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত কড়া ও বিশ্বমানের মানদণ্ড সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং তিনি একজন আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক।

পেনড্রেড সিনড্রোমে (Pendred Syndrome) থাইরয়েডের সাথে কানের বা শোনার সম্পর্ক কী?

পেনড্রেড সিনড্রোম একটি জেনেটিক মিউটেশনের কারণে হয়, যা 'পেনড্রিন' নামক একটি বিশেষ প্রোটিনকে নষ্ট করে দেয়। এই প্রোটিনটি আমাদের কানের ভেতরের অংশ এবং থাইরয়েড গ্রন্থি—উভয় জায়গাতেই কাজ করে। প্রোটিনটি কাজ না করায় এই সিনড্রোম নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুরা খুব দ্রুত শ্রবণশক্তি হারায় এবং তাদের থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিন ব্যবহার করতে না পেরে ফুলে বড় (Goiter) হয়ে যায়।

উলফ্রাম সিনড্রোমের (Wolfram Syndrome) অপর নাম DIDMOAD কেন?

উলফ্রাম সিনড্রোমের প্রধান চারটি ভয়াবহ লক্ষণের ইংরেজি আদ্যক্ষর নিয়ে DIDMOAD শব্দটি তৈরি। D = Diabetes Insipidus (বহুমূত্র), D = Diabetes Mellitus (ব্লাড সুগার), O = Optic Atrophy (ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাওয়া), এবং D = Deafness (বধির হয়ে যাওয়া)। শৈশবে ডায়াবেটিস দিয়ে রোগটি শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে অন্যান্য লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

বিরল রোগের ক্ষেত্রে একজন বিভাগীয় প্রধানের (Head of the Department) শরণাপন্ন হওয়া কেন জরুরি?

জেনেটিক এবং সিনড্রোমিক রোগগুলো অত্যন্ত বিরল এবং সাধারণ চিকিৎসকদের কাছে এগুলো ধরা পড়তে অনেক সময় লেগে যায়। এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান এবং MD, FCPS, MRCP ডিগ্রিধারী হিসেবে, ডাঃ ঘোষের কাছে এমন সব বিরল কেস আসে যা তাকে এই ধরনের জটিল রোগ দ্রুত শনাক্ত করার অসাধারণ দক্ষতা এবং একাডেমিক প্রজ্ঞা দিয়েছে।

জেনেটিক কারণে রক্তে ক্যালসিয়াম কমে গেলে কি বেশি করে দুধ খেলেই তা ঠিক হয়ে যাবে?

না। সিউডোহাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজমের মতো জেনেটিক রোগে আপনার শরীর ক্যালসিয়াম শোষণ বা ব্যবহার করার হরমোনাল ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলে। আপনি যতই ক্যালসিয়াম বা দুধ খান না কেন, তা শরীরে কাজে লাগবে না। রক্তে ক্যালসিয়াম স্বাভাবিক রাখতে এবং খিঁচুনি রোধ করতে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী অত্যন্ত শক্তিশালী 'অ্যাকটিভ ভিটামিন ডি' (যেমন Calcitriol) খেতে হবে।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন