🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডআ

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান ✔ যাচাইকৃত

এন্ডোক্রিনোলজিস্ট (হরমোন বিশেষজ্ঞ)

এমবিবিএস (আরএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (এন্ডোক্রিনোলজি), এমএসিই (ইউএসএ)
ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: থাইরয়েড স্টর্ম, মিক্সিডিমা কোমা, তীব্র হাইপারক্যালসেমিয়া, অ্যাড্রিনাল ক্রাইসিস, ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস

🎓 কনসালটেন্ট, (এন্ডোক্রিনোলজি বিভগ)

🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালটেন্ট, (এন্ডোক্রিনোলজি বিভগ) — শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান খুলনা শহরের সেরা এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট (হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ) হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে থাইরয়েড স্টর্ম (Thyroid storm), মিক্সিডিমা কোমা (Myxedema coma) এবং ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA)-এর মতো জীবনঘাতী ও জটিল রোগের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। সিভিয়ার হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে মারাত্মক ক্যালসিয়াম বৃদ্ধি), অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস এবং মেটাবলিক ইমার্জেন্সির চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক আইসিইউ (ICU) লেভেলের চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের হরমোনের মারাত্মক বিপর্যয় থেকে জীবন রক্ষা করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Sandhani Clinic & Diagnostic Complex, Khulna · Diagnostic Center

📍 ৫৮, বাবু খান রোড, আজম খান কমার্স কলেজের বিপরীতে, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে বিকাল ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান – খুলনার ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা-এর এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান, যার ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন রোগের চিকিৎসায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি থাইরয়েড স্টর্ম, মিক্সিডিমা কোমা, সিভিয়ার হাইপারক্যালসেমিয়া, অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস এবং ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। হরমোন গ্রন্থির যেকোনো চরম ইমার্জেন্সি এবং মুমূর্ষু অবস্থায় তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (RMC) থেকে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং এন্ডোক্রাইনোলজিতে সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Endocrinology) অর্জন করেন। চিকিৎসা সেবায় তার আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সম্মানজনক আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজির সদস্যপদ (MACE, USA) লাভ করেন। খুলনায় সেরা এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের এক দশকের অভিজ্ঞতা এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার বা মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসার দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে DKA রোগীদের জন্য জীবন রক্ষাকারী ইন্ট্রাভেনাস ইনসুলিন প্রটোকল, থাইরয়েড স্টর্মের জন্য ইমার্জেন্সি অ্যান্টি-থাইরয়েড চিকিৎসা, মিক্সিডিমা কোমার জন্য জরুরি থাইরয়েড হরমোন রিপ্লেসমেন্ট এবং অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিসের জন্য স্টেরয়েড রিসাসিটেশন। তিনি আধুনিক আর্টারিয়াল ব্লাড গ্যাস (ABG) বিশ্লেষণ, ডায়নামিক এন্ডোক্রাইন টেস্টিং এবং কন্টিনিউয়াস গ্লুকোজ মনিটরিং (CGM)-এর ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল ইমার্জেন্সি চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান
প্রধান বিশেষজ্ঞতাএন্ডোক্রাইনোলজি (ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাক্রিটিক্যাল কেয়ার এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিক ইমার্জেন্সি
পদবীরেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান (এন্ডোক্রাইনোলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (RMC) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (এন্ডোক্রাইনোলজি) – ডক্টর অব মেডিসিন (এন্ডোক্রাইনোলজি)

  • মেইস (MACE, USA) – মেম্বার অব দ্য আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজি

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান (এন্ডোক্রাইনোলজি)

  • কর্মস্থল: এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসে (DKA) জরুরি আইভি (IV) ইনসুলিন ও ইলেকট্রোলাইট রিপ্লেসমেন্ট।

  • থাইরয়েড স্টর্মে (মারাত্মক হাইপারথাইরয়েডিজম) জীবন রক্ষাকারী ইমার্জেন্সি চিকিৎসা।

  • মিক্সিডিমা কোমায় (মারাত্মক হাইপোথাইরয়েডিজম) জরুরি আইভি থাইরয়েড হরমোন ও স্টেরয়েড থেরাপি।

  • অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিসে রক্তচাপ স্বাভাবিক করতে উচ্চমাত্রার ইমার্জেন্সি স্টেরয়েড।

  • সিভিয়ার হাইপারক্যালসেমিয়ায় (অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম) স্যালাইন ও বিসফসফোনেট থেরাপি।

  • টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আজীবন ইনসুলিন থেরাপি ও নিবিড় গ্লুকোজ মনিটরিং।

  • টাইপ ২ ডায়াবেটিসে জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ওষুধ এবং ইনসুলিন ব্যবস্থাপনা।

  • হাশিমোটো থাইরয়েডাইটিসে থাইরয়েড হরমোন রিপ্লেসমেন্ট (লেভোথাইরক্সিন)।

  • গ্রেভস ডিজিজে অ্যান্টি-থাইরয়েড ওষুধ বা রেডিওঅ্যাকটিভ আয়োডিনের পরামর্শ।

  • কুশিং সিনড্রোমে বিশেষ হরমোন পরীক্ষা ও কর্টিসোল কমানোর চিকিৎসা।

  • পিটুইটারি অ্যাডেনোমায় (ব্রেইনের হরমোন গ্রন্থির টিউমার) বিশেষ ওষুধের প্রয়োগ।

  • অ্যাডিসনস ডিজিজে (অ্যাড্রেনাল হরমোনের অভাব) জীবন রক্ষাকারী স্টেরয়েড থেরাপি।

  • পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে (PCOS) হরমোনের ভারসাম্য ও মেটাবলিক চিকিৎসা।

  • অস্টিওপোরোসিসে (হাড়ের ভঙ্গুরতা) বোন ডেনসিটি মূল্যায়ন ও হাড় শক্ত করার ওষুধ।

  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে (Gestational diabetes) মা ও শিশুর সুরক্ষায় নিবিড় সুগার নিয়ন্ত্রণ।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • ক্রিটিক্যাল কেয়ার এন্ডোক্রাইনোলজি: শরীরের হরমোন হঠাৎ করে অস্বাভাবিক বেড়ে বা কমে গিয়ে যখন আইসিইউতে (ICU) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ তৈরি হয় (যেমন- DKA, থাইরয়েড স্টর্ম, অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস), তখন তার অত্যন্ত নিখুঁত ও দ্রুত চিকিৎসা।

  • অ্যাডভান্সড ক্যালসিয়াম ও বোন মেটাবলিজম: রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেলে (Hypercalcemia) দ্রুত তা কমিয়ে এনে কিডনি ও হার্টকে রক্ষা করার বিশেষায়িত প্রটোকল।

  • কম্প্রিহেনসিভ ডায়াবেটোলজি ও থাইরয়েডোলজি: ১০ বছরের অভিজ্ঞতায় টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েডের সাধারণ ও জটিল রোগগুলোর অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থাপনা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

অ্যাকিউট DKA ও HHS ম্যানেজমেন্ট

ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA) ডায়াবেটিস রোগীদের একটি চরম ইমার্জেন্সি অবস্থা। ডাঃ আসাদুজ্জামান অত্যন্ত সূক্ষ্ম হিসাব করে শিরার মাধ্যমে (IV) একটানা ইনসুলিন এবং পটাশিয়াম পুশ করেন। এই আইসিইউ লেভেলের চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি রক্তের অ্যাসিড বা বিষক্রিয়া (Ketones) দূর করেন, এবং খেয়াল রাখেন যেন সুগার দ্রুত কমার কারণে ব্রেইনে পানি না জমে (Cerebral edema)।

থাইরয়েড ইমার্জেন্সি ইন্টারভেনশন

থাইরয়েড স্টর্ম (থাইরয়েড হঠাৎ মারাত্মক বেড়ে যাওয়া) বা মিক্সিডিমা কোমা (থাইরয়েড মারাত্মক কমে যাওয়া) হলে মুখে খাওয়ার সাধারণ ওষুধ কাজ করার সময় থাকে না। ডাঃ আসাদুজ্জামান জীবন বাঁচাতে শিরার মাধ্যমে উচ্চমাত্রার ওষুধ, স্টেরয়েড এবং হার্ট অ্যাটাক রোধ করার জন্য নিবিড় কার্ডিওভাস্কুলার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

কন্টিনিউয়াস গ্লুকোজ মনিটরিং (CGM) বিশ্লেষণ

যেসব রোগী ইমার্জেন্সি অবস্থা থেকে ফিরেছেন বা যাদের সুগার মারাত্মকভাবে ওঠানামা করে, তাদের জন্য ডাঃ আসাদুজ্জামান সিজিএম (CGM) ডেটা ব্যবহার করেন। ২৪ ঘণ্টার ডিজিটাল সুগারের ট্রেন্ড বিশ্লেষণ করে তিনি ইনসুলিনের ডোজ এতটাই নিখুঁত করেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কখনো সুগার বিপজ্জনকভাবে কমে বা বেড়ে না যায়।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA)

এটি মূলত টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের একটি জীবনঘাতী ইমার্জেন্সি। শরীরে ইনসুলিন একদম না থাকলে শরীর সুগার পোড়াতে পারে না, তখন বাধ্য হয়ে সে দ্রুত চর্বি পোড়াতে থাকে। চর্বি পোড়ার ফলে রক্তে 'কিটোন' (Ketone) নামক মারাত্মক অ্যাসিড তৈরি হয়। রোগীর প্রচণ্ড বমি, পেটে ব্যথা, বিভ্রান্তি এবং লম্বা-গভীর শ্বাস শুরু হয়। দ্রুত আইসিইউতে চিকিৎসা না দিলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

থাইরয়েড স্টর্ম (Thyroid Storm)

এটি গ্রেভস ডিজিজ বা হাইপারথাইরয়েডিজমের একটি অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ। হঠাৎ কোনো ইনফেকশন বা ওষুধ বন্ধ করে দিলে থাইরয়েড গ্রন্থি প্রচুর পরিমাণে হরমোন রক্তে ছেড়ে দেয়। রোগীর হার্টবিট বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায় (১৪০ এর বেশি), প্রচণ্ড জ্বর (১০৪ ডিগ্রির ওপরে) আসে, এবং রোগী পাগলের মতো প্রলাপ বকতে শুরু করেন। এটি একটি চরম ইমার্জেন্সি অবস্থা।

অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস (Adrenal Crisis)

অ্যাডিসন ডিজিজের রোগীরা বা যারা দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ওষুধ খেয়ে হঠাৎ বন্ধ করে দেন, তারা কোনো বড় দুর্ঘটনায় পড়লে বা ইনফেকশন হলে শরীর প্রয়োজনীয় 'স্ট্রেস হরমোন' (কর্টিসোল) তৈরি করতে পারে না। এর ফলে ব্লাড প্রেসার শূন্যের কোঠায় নেমে যায়, রোগী অজ্ঞান হয়ে শকে (Shock) চলে যান। শিরার মাধ্যমে ইমার্জেন্সি স্টেরয়েড দেওয়াই এর একমাত্র চিকিৎসা।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান তার এক দশকের ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে হরমোনের চরম ইমার্জেন্সি অবস্থাগুলো অত্যন্ত দ্রুত শনাক্ত করার ওপর জোর দেন। তার লক্ষ্য থাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, ইমার্জেন্সির পেছনের লুকানো কারণ (যেমন কোনো ইনফেকশন) খুঁজে বের করা, এবং রোগীকে পরবর্তীতে এমন শিক্ষা দেওয়া যাতে ভবিষ্যতে আর কখনো এই ইমার্জেন্সি অবস্থা তৈরি না হয়।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো ডায়াবেটিস রোগীর তীব্র বমি শুরু হয়, নিঃশ্বাসে ফলের মতো গন্ধ বের হয় এবং আবলতাবল বকতে থাকে (DKA বা ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের লক্ষণ), থাইরয়েড বেশি থাকা রোগীর হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর আসে ও বুক তীব্র ধড়ফড় করে (Thyroid Storm), অথবা হঠাৎ করে ব্লাড প্রেসার মারাত্মক নিচে নেমে গিয়ে রোগী অজ্ঞান হয়ে যান (Adrenal Crisis), তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • মেম্বার, আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজি (MACE, USA)

  • রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা রক্তের রিপোর্ট (বিশেষ করে Fasting/HbA1c, থাইরয়েড প্যানেল, ক্যালসিয়াম, ইলেকট্রোলাইট এবং কিডনি টেস্ট) সাথে আনুন।

  • গুরুত্বপূর্ণ: যদি আপনি আগে কখনো DKA বা থাইরয়েড ইমার্জেন্সির জন্য আইসিইউতে (ICU) ভর্তি হয়ে থাকেন, তবে সেই হাসপাতালের ডিসচার্জ পেপারটি অবশ্যই সাথে আনবেন, এটি আপনার রোগের কারণ বুঝতে অত্যন্ত জরুরি।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, বিশেষ করে ইনসুলিনের প্রেসক্রিপশন বা স্টেরয়েড ওষুধ।

  • হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা, বা মাত্রাতিরিক্ত বমির বিষয়গুলো ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।

Last Modified: October 25, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়া এবং ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়া মানে হলো সাধারণ মাত্রার চেয়ে সুগার বেশি থাকা। কিন্তু DKA হলো একটি সিস্টেমিক ইমার্জেন্সি। ইনসুলিন না থাকায় শরীর বাধ্য হয়ে চর্বি গলিয়ে শক্তি তৈরি করে, যার ফলে রক্তে 'কিটোন' নামক অ্যাসিড তৈরি হয়। এই অ্যাসিড রক্তকে বিষাক্ত করে ফেলে, যা দ্রুত আইসিইউতে চিকিৎসা না করলে রোগীর অঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু হতে পারে।

থাইরয়েড স্টর্ম (Thyroid Storm) এত বিপজ্জনক কেন?

থাইরয়েড স্টর্মে শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া একটি বিস্ফোরণের পর্যায়ে চলে যায়। হার্ট এত দ্রুত পাম্প করে যে তা ফেইলিউর হওয়ার ঝুঁকি থাকে, শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়, এবং ব্রেইন কাজ করা বন্ধ করে রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন। থাইরয়েড হরমোনকে ব্লক করতে একাধিক ইমার্জেন্সি ওষুধের প্রয়োজন হয়।

মিক্সিডিমা কোমা (Myxedema Coma) কী?

মিক্সিডিমা কোমা হলো থাইরয়েড স্টর্মের ঠিক বিপরীত; এটি হাইপোথাইরয়েডিজমের (থাইরয়েড হরমোন মারাত্মক কমে যাওয়া) সবচেয়ে চরম ও জীবনঘাতী রূপ। এতে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া এতটাই ধীর হয়ে যায় যে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস বিপজ্জনকভাবে ধীর হয়ে আসে এবং রোগী কোমায় চলে যান। শিরার মাধ্যমে থাইরয়েড হরমোন দেওয়াই এর একমাত্র চিকিৎসা।

সিভিয়ার হাইপারক্যালসেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম) কেন একটি ইমার্জেন্সি অবস্থা?

ক্যালসিয়াম আমাদের স্নায়ু এবং মাংসপেশির (বিশেষ করে হার্টের) কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে ক্যালসিয়াম বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেলে (যা অনেক সময় প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বা ক্যানসারের কারণে হয়) মারাত্মক পানিশূন্যতা, হঠাৎ কিডনি বিকল হওয়া, এবং হার্টের রিদমে ভয়াবহ সমস্যা (অ্যারিথমিয়া) তৈরি হয়। স্যালাইন ও ওষুধের মাধ্যমে দ্রুত এই ক্যালসিয়ামকে হাড়ের ভেতর ফেরত পাঠাতে হয়।

একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের MACE (USA) ডিগ্রির তাৎপর্য কী?

MACE হলো মেম্বার অব দ্য আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজি। এটি একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যা প্রমাণ করে যে, ডাঃ আসাদুজ্জামান বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এন্ডোক্রাইনোলজিস্টদের সংগঠনের সাথে যুক্ত। এর ফলে তিনি হরমোন ও ডায়াবেটিসের ইমার্জেন্সি চিকিৎসায় আমেরিকার সর্বাধুনিক প্রটোকল এবং বিশ্বমানের চিকিৎসা গাইডলাইন অনুসরণ করেন।

অ্যাড্রেনাল ক্রাইসিস (Adrenal Crisis) কীভাবে হয় এবং এর চিকিৎসা কী?

অ্যাডিসন ডিজিজের রোগীরা বা যারা দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ওষুধ খেয়ে হঠাৎ বন্ধ করে দেন, তারা কোনো বড় দুর্ঘটনায় পড়লে বা মারাত্মক ইনফেকশন হলে শরীর প্রয়োজনীয় 'স্ট্রেস হরমোন' (কর্টিসোল) তৈরি করতে পারে না। ফলে ব্লাড প্রেসার শূন্যের কোঠায় নেমে যায় এবং রোগী শকে (Shock) চলে যান। তাৎক্ষণিকভাবে শিরার মাধ্যমে (IV) হাইড্রোকর্টিসোন ইনজেকশন দেওয়াই এর জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের কি DKA হতে পারে?

DKA মূলত টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের হয় (কারণ তাদের ইনসুলিন একদম থাকে না)। তবে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদেরও চরম শারীরিক অসুস্থতা, বড় কোনো ইনফেকশন, হার্ট অ্যাটাক, অথবা ডায়াবেটিসের কিছু নতুন ওষুধ (যেমন SGLT2 ইনহিবিটর) খাওয়ার কারণে DKA হতে পারে।

এন্ডোক্রাইনোলজিতে একজন রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান (Resident Physician) আসলে কী করেন?

একজন রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান হলেন একজন অত্যন্ত দক্ষ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যিনি বড় হাসপাতালে রোগীদের দৈনন্দিন এবং ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ডাঃ আসাদুজ্জামানের ক্ষেত্রে, এমডি ডিগ্রি এবং ১০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি হাসপাতালের সবচেয়ে জটিল এবং মুমূর্ষু হরমোন রোগীদের ইমার্জেন্সি চিকিৎসা এবং আইসিইউ (ICU) কেয়ারের নেতৃত্ব দেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01917609738 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন