এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (রেডিয়েশন অনকোলজি)
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
🎯 কাইমেরিক অ্যান্টিজেন, ইমিউন ইফেক্টর, টিউমার ট্রিটিং, রেডিওআইসোটোপ থেরাপি, অনকোলাইটিক ভাইরাল থেরাপি
প্রোফাইল দেখুন →অনকোলজিস্ট (অনকোলজি)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এম.ফিল (রেডিওথেরাপি)
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: রেটিনোয়িক অ্যাসিড, টিউমার লাইসিস, ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া, সুপিরিয়র ভেনা কাভা, স্পাইনাল কর্ড
🎓 সহকারী অধ্যাপক, রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিভাগ
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
সহকারী অধ্যাপক, রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিভাগ — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হ্যাপী সাহা খুলনা শহরের সেরা অনকোলজিস্ট (ক্যানসার বিশেষজ্ঞ) এবং রেডিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৩ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা ক্যানসার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে টিউমার লাইসিস সিনড্রোম (Tumor lysis syndrome), ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া (Febrile neutropenia) এবং ম্যালিগন্যান্ট স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশন-এর মতো অত্যন্ত জরুরি ও জীবনঘাতী অবস্থার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। সুপিরিয়র ভেনাকাভা (SVC) সিনড্রোম, রেটিনোয়িক অ্যাসিড সিনড্রোম এবং কঠিন টিউমারের রেডিওথেরাপিতে তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং ১৩ বছরের অভিজ্ঞতালব্ধ চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যানসারের ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থাগুলো সামলে রোগীর জীবন রক্ষা করেন।
🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital
📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোটা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:৩০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হ্যাপী সাহা খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক, যার ক্যানসার চিকিৎসায় ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ক্যানসারের সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি ক্যানসারের কারণে সৃষ্ট অত্যন্ত ভয়াবহ ইমার্জেন্সি অবস্থা, যেমন- টিউমার লাইসিস সিনড্রোম, ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া, সুপিরিয়র ভেনাকাভা সিনড্রোম এবং স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশন-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। ক্যানসারের যেকোনো জরুরি অবস্থা এবং রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে তিনি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।
ডাঃ হ্যাপী সাহা সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং ক্যানসার চিকিৎসায় তার গভীর গবেষণামূলক দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ তিনি রেডিওথেরাপিতে এম.ফিল (M.Phil in Radiotherapy) অর্জন করেন। এই উচ্চতর ডিগ্রি প্রমাণ করে যে, তিনি ক্যানসারের আণুবীক্ষণিক জীববিদ্যা, রেডিয়েশন ফিজিক্স এবং ক্যানসারের জরুরি অবস্থা সামলাতে বিশেষভাবে পারদর্শী। খুলনায় সেরা অনকোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে টিউমার লাইসিস সিনড্রোমের জন্য আইভি (IV) হাইড্রেশন ও ইউরিক অ্যাসিড কমানোর প্রটোকল, ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়ার জন্য জরুরি অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা, স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশন ও SVC সিনড্রোমের জন্য ইমার্জেন্সি রেডিওথেরাপি এবং সলিড টিউমারের আধুনিক রেডিয়েশন প্ল্যানিং। তিনি পিইটি-সিটি (PET-CT) স্ক্যান, ব্লাড মেটাবলিক প্রোফাইলিং এবং ইমার্জেন্সি এমআরআই (MRI) রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হ্যাপী সাহা |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | অনকোলজি (মেডিকেল ও রেডিওথেরাপি) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | অনকোলজিক ইমার্জেন্সি ও অ্যাকিউট ক্যানসার কেয়ার |
| পদবী | সহকারী অধ্যাপক, রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিভাগ |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১৩+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এম.ফিল (রেডিওথেরাপি) – মাস্টার অফ ফিলোসফি ইন রেডিওথেরাপি
পদবী: সহকারী অধ্যাপক, রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিভাগ
কর্মস্থল: খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
টিউমার লাইসিস সিনড্রোমে জরুরি আইভি স্যালাইন ও ইউরিক অ্যাসিড কমানোর চিকিৎসা।
ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়ায় (শ্বেত রক্তকণিকা কমে জ্বর) দ্রুত আইভি অ্যান্টিবায়োটিক।
সুপিরিয়র ভেনাকাভা (SVC) সিনড্রোমে জরুরি রেডিওথেরাপি বা স্টেন্টিং।
স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশনে (মেরুদণ্ডের রগে চাপ) পক্ষাঘাত রোধে দ্রুত রেডিওথেরাপি ও স্টেরয়েড।
রেটিনোয়িক অ্যাসিড সিনড্রোমে শ্বাসকষ্ট কমাতে উচ্চমাত্রার স্টেরয়েড চিকিৎসা।
স্তন ক্যানসারে (Breast cancer) অপারেশনের পর রেডিওথেরাপি ও হরমোনাল চিকিৎসা।
ফুসফুসের ক্যানসারে (Lung cancer) কেমোরেডিয়েশন বা টার্গেটেড থেরাপি।
কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসারে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি।
মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে অত্যন্ত নিখুঁত কিউরেটিভ রেডিওথেরাপি (সেঁক)।
জরায়ুমুখের ক্যানসারে (Cervical cancer) এক্সটার্নাল রেডিয়েশন ও ব্র্যাকিথেরাপি।
ব্রেইন মেটাস্ট্যাসিসে (ক্যানসার ব্রেইনে ছড়ালে) হোল-ব্রেইন রেডিয়েশন।
হাড়ের মেটাস্ট্যাসিসে (ক্যানসার হাড়ে ছড়ালে) দ্রুত ব্যথা কমাতে প্যালিয়েটিভ রেডিয়েশন।
অ্যাকিউট লিউকেমিয়ায় (ব্লাড ক্যানসার) কড়া কেমোথেরাপি ও মেটাবলিক মনিটরিং।
সফট টিস্যু সারকোমায় (মাংসপেশির ক্যানসার) সার্জারির পর রেডিওথেরাপি।
অ্যাকিউট অনকোলজিক ইমার্জেন্সি: ক্যানসার নিজেই যখন কোনো জরুরি অবস্থা তৈরি করে (যেমন শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া) অথবা ক্যানসারের চিকিৎসার কারণে যখন শরীরের মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয় (যেমন টিউমার লাইসিস), তখন তার দ্রুত ও নিবিড় চিকিৎসা।
ইমার্জেন্সি রেডিয়েশন অনকোলজি: টিউমার যখন মেরুদণ্ডের রগ (Spinal cord) বা প্রধান রক্তনালীকে চেপে ধরে জীবন বিপন্ন করে, তখন দ্রুত রেডিওথেরাপির মাধ্যমে টিউমারকে ছোট করে পক্ষাঘাত বা মৃত্যু রোধ করা।
জেনারেল রেডিওথেরাপি ও মেডিকেল অনকোলজি: ১৩ বছরের অভিজ্ঞতায় স্তন, ফুসফুস ও জরায়ু ক্যানসারের মতো সাধারণ টিউমারগুলোতে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির নিখুঁত ব্যবহার।
ম্যালিগন্যান্ট স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশন বা সুপিরিয়র ভেনাকাভা (SVC) সিনড্রোমের মতো ক্যানসারের ইমার্জেন্সি অবস্থায় সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডাঃ সাহা দ্রুত ইমার্জেন্সি রেডিওথেরাপির ব্যবস্থা করেন। টিউমারটি যে স্নায়ু বা রক্তনালীকে চেপে ধরেছে, ঠিক সেখানে উচ্চ মাত্রার রেডিয়েশন দিয়ে তিনি দ্রুত টিউমারটি ছোট করে ফেলেন, যার ফলে পক্ষাঘাত বা পঙ্গুত্ব রোধ হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়।
যখন ব্লাড ক্যানসারের মতো দ্রুত বর্ধনশীল ক্যানসারে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তখন কোটি কোটি ক্যানসার কোষ একসাথে মারা যায়। মারা যাওয়ার সময় এরা রক্তে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং ইউরিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দেয়। ডাঃ সাহা আইসিইউ লেভেলের চিকিৎসার মাধ্যমে প্রচুর আইভি (IV) স্যালাইন এবং বিশেষ ওষুধ (Rasburicase) দিয়ে এই বিষাক্ত পদার্থগুলো শরীর থেকে বের করে কিডনি বিকল হওয়া ও হার্ট অ্যাটাক রোধ করেন।
স্তন বা ঘাড়ের ক্যানসারের সাধারণ চিকিৎসার জন্য ডাঃ সাহা সিটি স্ক্যান ভিত্তিক থ্রি-ডি (3D) কনফরমাল রেডিওথেরাপি ব্যবহার করেন। তিনি টিউমারের আকৃতি নিখুঁতভাবে ম্যাপ করেন এবং রেডিয়েশন রশ্মিগুলোকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করেন যেন তা চারপাশ থেকে এসে শুধু টিউমারকেই আঘাত করে এবং আশপাশের সুস্থ অঙ্গগুলো সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে।
সুপিরিয়র ভেনাকাভা হলো বুকের ভেতরের প্রধান শিরা, যা মাথা, ঘাড় এবং হাত থেকে রক্ত হার্টে ফিরিয়ে আনে। ফুসফুসের ক্যানসার বা লিম্ফোমার টিউমার যখন বড় হয়ে এই শিরাকে চেপে ধরে, তখন রক্ত হার্টে ফিরতে পারে না। এর ফলে রোগীর মুখ, ঘাড় ও হাত মারাত্মকভাবে ফুলে যায়, তীব্র শ্বাসকষ্ট হয় এবং ত্বক নীল হয়ে যায়। এটি একটি চরম জরুরি অবস্থা, যার জন্য অবিলম্বে রেডিওথেরাপি বা স্টেরয়েড প্রয়োজন।
কেমোথেরাপি নেওয়ার কারণে রোগীর শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্তকণিকা (নিউট্রোফিল) কিছুদিনের জন্য একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে যায়। এই অবস্থায় রোগীর যদি জ্বর (১০০.৪° ফারেনহাইটের ওপরে) আসে, তবে তাকে ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া বলে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকায় সামান্য ব্যাকটেরিয়াও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রক্তে ছড়িয়ে সেপসিস (Sepsis) করে রোগীর মৃত্যু ঘটাতে পারে। এর জন্য অবিলম্বে হাসপাতালে ভর্তি করে কড়া আইভি অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হয়।
ক্যানসার যখন মেরুদণ্ডের হাড়ে ছড়িয়ে পড়ে (মেটাস্ট্যাসিস), তখন হাড় ভেঙে বা টিউমার বড় হয়ে মেরুদণ্ডের রগে (Spinal cord) মারাত্মক চাপ দেয়। রোগীর পিঠে তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং হঠাৎ করে পায়ের জোর কমে যাওয়া, পা অবশ হওয়া বা প্রস্রাব-পায়খানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমার্জেন্সি রেডিওথেরাপি ও স্টেরয়েড না দিলে রোগী চিরতরে পঙ্গু বা প্যারালাইজড হয়ে যান।
ডাঃ হ্যাপী সাহা তার ১৩ বছরের দীর্ঘ ক্লিনিক্যাল প্রজ্ঞা দিয়ে ক্যানসারের ইমার্জেন্সি অবস্থাগুলো অত্যন্ত দ্রুত শনাক্ত করার ওপর জোর দেন। তার লক্ষ্য থাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে জটিল মেটাবলিক ক্রাইসিসগুলো সামলানো এবং ক্যানসারের মতো মানসিক চাপযুক্ত পরিস্থিতিতে রোগী ও তার পরিবারকে স্পষ্ট ও সহানুভূতিশীল নির্দেশনা প্রদান করা।
জরুরি সতর্কতা: যদি কেমোথেরাপি চলাকালীন কোনো রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (১০০.৪° ফারেনহাইটের ওপরে) আসে (ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া), হঠাৎ পিঠে তীব্র ব্যথার সাথে পায়ের জোর কমে যায় বা পা অবশ হয়ে আসে (স্পাইনাল কর্ড কম্প্রেশন), মুখ ও ঘাড় ফুলে গিয়ে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় (SVC সিনড্রোম), অথবা ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসায় হঠাৎ প্রস্রাব কমে গিয়ে তীব্র পেশীর খিঁচুনি হয় (টিউমার লাইসিস সিনড্রোম), তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সহকারী অধ্যাপক, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার
সদস্য, অনকোলজি ক্লাব, বাংলাদেশ
পূর্বের করা যেকোনো বায়োপসি রিপোর্ট, সাম্প্রতিক রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট (বিশেষ করে CBC, ক্রিয়েটিনিন, ইউরিক অ্যাসিড) এবং এমআরআই/সিটি (MRI/CT) স্ক্যানের ফিল্ম সাথে আনুন।
ইমার্জেন্সির জন্য অত্যন্ত জরুরি: কেমোথেরাপি চলাকালীন জ্বর এলে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা করবেন না—সরাসরি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে চলে যান এবং তাদের জানান যে আপনার কেমোথেরাপি চলছে।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন, এবং আপনার সর্বশেষ কেমোথেরাপির সঠিক তারিখ ও ওষুধের নাম চিকিৎসককে জানাবেন।
পিঠের ব্যথা, পা অবশ হওয়া বা মুখ ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলো ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছে তা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।
Last Modified: October 27, 2026
অনকোলজিক ইমার্জেন্সি হলো ক্যানসারের কারণে তৈরি হওয়া এমন এক হঠাৎ ও জীবনঘাতী অবস্থা (যেমন- টিউমার শ্বাসনালী বা মেরুদণ্ডের রগ চেপে ধরা) অথবা ক্যানসার চিকিৎসার ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন টিউমার লাইসিস বা মারাত্মক ইনফেকশন), যার জন্য মৃত্যু বা চিরস্থায়ী পঙ্গুত্ব রোধ করতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
কেমোথেরাপি আপনার শরীরের শ্বেত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে দেয়, ফলে আপনার শরীরে কোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই (Neutropenia) থাকে না। একজন সুস্থ মানুষের জ্বর হলে শরীর নিজেই ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুদ্ধ করে। কিন্তু কেমোথেরাপি রোগীর জ্বর হলে ব্যাকটেরিয়াকে বাধা দেওয়ার কেউ থাকে না, ফলে তা দ্রুত রক্তে ছড়িয়ে সেপসিস (Sepsis) করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রোগীর মৃত্যু ঘটাতে পারে।
TLS তখন হয় যখন অত্যন্ত কড়া কেমোথেরাপির কারণে কোটি কোটি ক্যানসার কোষ (সাধারণত ব্লাড ক্যানসারের ক্ষেত্রে) একসাথে মারা যায়। মারা যাওয়ার সময় এরা ফেটে গিয়ে বিষাক্ত মাত্রায় পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং ইউরিক অ্যাসিড রক্তে ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কিডনি পুরোপুরি বিকল হয়ে যেতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
মাস্টার অফ ফিলোসফি (M.Phil) ইন রেডিওথেরাপি একটি উচ্চতর গবেষণামূলক স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এই ডিগ্রি প্রমাণ করে যে, ডাঃ সাহা রেডিয়েশন ফিজিক্স এবং ক্যানসার কোষের ওপর রেডিয়েশনের প্রভাব নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন, যা তাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও বিজ্ঞানসম্মত রেডিওথেরাপি প্ল্যানিংয়ে পারদর্শী করে তুলেছে।
যে ক্যানসারের কারণে চাপটি তৈরি হয়েছে তা হয়তো পুরোপুরি সারানো সম্ভব নয়, কিন্তু চাপটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য যদি তা দ্রুত ধরা পড়ে। লক্ষণ দেখা দেওয়ার ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমার্জেন্সি রেডিওথেরাপি এবং হাই-ডোজ স্টেরয়েড দিলে টিউমারটি ছোট হয়ে যায় এবং রগের ওপর থেকে চাপ সরে যায়, যা রোগীকে চিরস্থায়ী পঙ্গুত্বের হাত থেকে বাঁচায়।
এর বর্তমান নাম 'ডিফারেনসিয়েশন সিনড্রোম'। এটি ব্লাড ক্যানসারের (APL) একটি অত্যন্ত ভয়াবহ জটিলতা, যা ATRA নামক বিশেষ ক্যানসারের ওষুধের কারণে হয়। এই ওষুধের কারণে ক্যানসার কোষগুলো খুব দ্রুত পরিপক্ব হতে শুরু করে এবং কেমিক্যাল ছড়িয়ে ফুসফুসকে পানিতে ভরিয়ে ফেলে। এর ফলে রোগীর মারাত্মক শ্বাসকষ্ট ও জ্বর হয়, যার জন্য অবিলম্বে উচ্চমাত্রার স্টেরয়েড ইনজেকশনের প্রয়োজন হয়।
SVC সিনড্রোম হয় যখন টিউমার বুকের প্রধান শিরাকে চেপে ধরে। এর চিকিৎসায় দ্রুত টিউমারটিকে ছোট করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। ডাঃ সাহা এর জন্য সরাসরি টিউমারের ওপর ইমার্জেন্সি রেডিওথেরাপি দেন এবং সাথে হাই-ডোজ স্টেরয়েড দেন। অনেক সময় ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিস্টের সাহায্যে শিরার ভেতরে মেটালের রিং (Stent) পরিয়ে শিরাকে খোলা রাখা হয়।
না, রেডিওথেরাপি বা সেঁক নেওয়ার সময় কোনো ব্যথা লাগে না, এটি অনেকটা সাধারণ এক্স-রে করার মতোই একটি প্রক্রিয়া। তবে শরীরের কোন অংশে সেঁক দেওয়া হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে কয়েক সপ্তাহ পর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন- ত্বকে রোদে পোড়ার মতো দাগ হওয়া বা ক্লান্তি) দেখা দিতে পারে, যার জন্য ডাঃ সাহা প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে থাকেন।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।