🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সব

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এন. এন. বরুরী ✔ যাচাইকৃত

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস

🎓 সহকারী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১৮+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এন. এন. বরুরি খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে মূত্রনালীর সংক্রমণ, পেডিয়াট্রিক একজিমা এবং শিশু স্থূলতার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। শিশু রোগ, নবজাতক যত্ন, পুষ্টি এবং পেডিয়াট্রিক রিউমাটোলজির জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত ডিসিএইচ এবং বিসিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳1,000

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এন. এন. বরুরি – খুলনার সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ ও পেডিয়াট্রিশিয়ান

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এন. এন. বরুরি খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও শিশু বিশেষজ্ঞ, যার ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি শিশুদের মূত্রনালীর সংক্রমণ, পেডিয়াট্রিক একজিমা, শিশু স্থূলতা, জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস এবং টাইপ ১ ডায়াবেটিসের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এন. এন. বরুরি সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিশু স্বাস্থ্যে উচ্চতর ডিগ্রি ডিসিএইচ (DCH) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার দীর্ঘ দুই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে শিশুদের মূত্রনালীর সংক্রমণের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ও অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা, পেডিয়াট্রিক একজিমার প্রদাহরোধী থেরাপি, শিশু স্থূলতার জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ডায়েট ব্যবস্থাপনা, জুভেনাইল আর্থ্রাইটিসের রিউমাটোলজিক্যাল কেয়ার এবং টাইপ ১ ডায়াবেটিসের গ্লুকোজ পর্যবেক্ষণ প্রোটোকল। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, ইউরিনালিসিস এবং বিপাকীয় প্রোফাইলিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামসহকারী অধ্যাপক ডাঃ এন. এন. বরুরি
প্রধান বিশেষজ্ঞতাপেডিয়াট্রিক্স ও নিওনাটোলজি (শিশু ও নবজাতক রোগ)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি, রিউমাটোলজি ও পুষ্টি
পদবীসহকারী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক্স)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১৮+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • ডিসিএইচ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) – ডিপ্লোমা ইন চাইল্ড হেলথ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক্স)

  • কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে দ্রুত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন।

  • পেডিয়াট্রিক একজিমা ত্বকের চুলকানি কমায়।

  • শিশু স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট ডায়েট লাগে।

  • জুভেনাইল আর্থ্রাইটিসে বাত বিশেষজ্ঞের যত্ন প্রয়োজন।

  • টাইপ ১ ডায়াবেটিসে শর্করা পর্যবেক্ষণ জরুরি।

  • নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।

  • শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।

  • গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।

  • পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।

  • শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।

  • খাদ্যের অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।

  • শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।

  • দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।

  • শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • বিকাশগত দেরিতে বহুমুখী মূল্যায়ন প্রয়োজন।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এন. এন. বরুরি শিশু রোগ, পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রিনোলজি এবং রিউমাটোলজির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণ ও রেনাল কেয়ার: শিশুদের মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) এবং রেনাল কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ও অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা।

  • পেডিয়াট্রিক একজিমা ও ডার্মাটাইটিস: শিশুদের ত্বকের এলার্জি, অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস এবং একজিমা দমনের জন্য আধুনিক ইমোলিয়েন্ট ও প্রদাহরোধী থেরাপি।

  • শিশু স্থূলতা ও মেটাবলিক কেয়ার: শিশুর অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং মেটাবলিক স্ক্রীনিংয়ের মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাত্রা নিশ্চিতকরণ।

  • এন্ডোক্রাইন ও রিউমাটোলজিক্যাল কেয়ার: জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস এবং পেডিয়াট্রিক টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সেবা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাহায্যে শিশুর ওজন, উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা।

পেডিয়াট্রিক ইউরিনালিসিস ও রেনাল পরীক্ষা

শিশুদের প্রস্রাবের ল্যাব বিশ্লেষণ এবং রেনাল কাঠামোর আধুনিক ইমেজিং মূল্যায়ন।

শিশু টিকাদান ও কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনা

জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সঠিক তাপমাত্রায় শিশুদের জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন প্রয়োগ।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

শিশুদের মূত্রনালীর সংক্রমণ (Pediatric UTI)

শিশুদের মূত্রথলি বা কিডনির ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ যা উচ্চ জ্বর ও ব্যথার সৃষ্টি করে, যার জন্য দ্রুত প্রস্রাব পরীক্ষা ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয়।

জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস (Juvenile Arthritis)

ষোল বছরের কম বয়সী শিশুদের জয়েন্টে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ ও ব্যথার সমস্যা, যার জন্য রিউমাটোলজিক্যাল বিশেষ যত্ন ও থেরাপি প্রয়োজন।

পেডিয়াট্রিক টাইপ ১ ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)

শিশুদের ইনসুলিনের ঘাটতিজনিত বিপাকীয় রোগ যার জন্য নিয়মিত রক্তের শর্করা মাপা এবং সুনির্দিষ্ট ইনসুলিন থেরাপি চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এন. এন. বরুরি প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, গ্রোথ চার্ট বিশ্লেষণ এবং ল্যাব পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পরামর্শের ওপর জোর দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে কিংবা তীব্র পানির স্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (IPA)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, ল্যাব রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।

  • বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।

  • শিশুর জ্বর, প্রস্রাবের সমস্যা বা জয়েন্টে ব্যথার সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।

  • সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।

Last Modified: October 18, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআই (UTI) এর প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?

ছোট শিশুদের ইউটিআই হলে সাধারণত কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই উচ্চ জ্বর, খিটখিটে মেজাজ, দুধ খাওয়ার অনীহা, বমি বা প্রস্রাবের সময় কান্নাকাটি করার লক্ষণ দেখা দেয়। এই লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে প্রস্রাব পরীক্ষা (Urine R/M & Culture) করানো উচিত। সময়মতো অ্যান্টিবায়োটিক দিলে কিডনির স্থায়ী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।

পেডিয়াট্রিক একজিমা বা অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন কী ধরনের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন?

পেডিয়াট্রিক একজিমা নিয়ন্ত্রণে শিশুকে নিয়মিত মৃদু সাবান বা ক্লিনজার দিয়ে গোসল করানো এবং গোসলের পরপরই সুনির্দিষ্ট ইমোলিয়েন্ট বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ত্বক আর্দ্র রাখা জরুরি। সুতি বা নরম পোশাক পরানো এবং সুগন্ধযুক্ত প্রসাধনী এড়িয়ে চলা একজিমার তীব্রতা কমায়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মৃদু স্টেরয়েড ক্রিমও ব্যবহার করা লাগতে পারে।

শিশু স্থূলতা বা চাইল্ডহুড ওবেসিটি প্রতিরোধে পরিবার ও অভিভাবকদের কী ভূমিকা থাকা উচিত?

শিশু স্থূলতা রোধে অভিভাবকদের উচিত শিশুর খাবারে অতিরিক্ত চিনি, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে শাকসবজি, ফলমূল ও সুষম খাবার নিশ্চিত করা। পাশাপাশি স্ক্রিন টাইম বা মোবাইল দেখার সময় কমিয়ে আউটডোর খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হবে। পারিবারিক সচেতনতাই শিশুকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস বা শিশুদের বাত রোগ বড়দের বাত থেকে কীভাবে আলাদা?

জুভেনাইল আর্থ্রাইটিস হলো ষোল বছরের কম বয়সীদের জয়েন্টে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ যা বড়দের বাতের চেয়ে আলাদা এবং এতে সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে স্থায়ী প্রভাব পড়তে পারে। ফিজিক্যাল থেরাপি এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টি-রিউমাটিক ওষুধের মাধ্যমে এই প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিক জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায়।

পেডিয়াট্রিক টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুদের ইনসুলিন থেরাপি পরিচালনার মূল নিয়ম কী?

টাইপ ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুদের অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট নিয়মে ইনসুলিন নিতে হয় এবং দিনে একাধিকবার রক্তের শর্করা পরীক্ষা করতে হয়। খাবারের সাথে কার্বোহাইড্রেট গণনা করে ইনসুলিনের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। নিয়মিত রুটিন মেনে চললে শিশুরা অন্যান্য সুস্থ শিশুর মতোই স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারে।

শিশুর প্রাথমিক বিকাশ বা গ্রোথ মনিটরিং নিয়মিত করা কেন অত্যন্ত জরুরি?

নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।

জাতীয় টিকাদান সময়সূচি বা ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন শিডিউল মেনে চলা কেন আবশ্যক?

জাতীয় টিকাদান সময়সূচি মেনে চললে শিশুরা পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া এবং হুপিংকাশির মতো মারাত্মক ও জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পায়। ভ্যাকসিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে নিরাপদ উপায়ে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

শিশুর জ্বর বা অন্য কোনো অসুস্থতায় কখন অভিভাবকদের জরুরি হাসপাতালে যাওয়া উচিত?

তিন মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর, শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন বমি, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত নিস্তেজ অবস্থা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে নিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এন. এন. বরুরির সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, প্রস্রাব পরীক্ষা বা রক্তের ল্যাব রিপোর্ট, পূর্ববর্তী হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন