এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
🎯 মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস
প্রোফাইল দেখুন →শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, এমসিপিএস, এমডি (পেডিয়াট্রিক্স)
নবজাতক, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের রোগ বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: মনোযোগের ঘাটতি, শিশুদের খিঁচুনি, জন্মগত ত্রুটি, শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, নবজাতকের স্ক্রিনিং
🎓 অধ্যাপক, (শিশু বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
অধ্যাপক, (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে মনোযোগের ঘাটতি, পেডিয়াট্রিক সিজুর এবং নবজাতক স্ক্রীনিংয়ের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। শিশু রোগ, নবজাতক যত্ন, শিশু স্নায়ুরোগ এবং জন্মগত ত্রুটির জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। এমবিবিএস, এমসিপিএস এবং পেডিয়াট্রিক্সে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Khulna City Medical College & Hospital · Private Hospital
📍 ২৫/২৬, কেডিএ এভিনিউ, ময়লাপোটা স্কয়ার, খুলনা সদর, খুলনা
🕒 Visiting hours: রাত ৮:০০টা থেকে বিকেল ৫:০০টা (বন্ধ: শুক্রবার)
💳 Consultation fee: ৳800
প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত প্রফেসর ও কনসালটেন্ট, যার ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি মনোযোগের ঘাটতি (Attention deficit), পেডিয়াট্রিক সিজুর বা খিঁচুনি, জন্মগত ত্রুটি, শিশুর পুষ্টিহীনতা (Failure to thrive) এবং নবজাতক স্ক্রীনিংয়ের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা।
প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি পেডিয়াট্রিক্সে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Pediatrics) এবং এমসিপিএস (MCPS) ডিগ্রি অর্জন করেন, যা শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জটিল রোগের চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার তিন দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে মনোযোগের ঘাটতির আচরণগত থেরাপি ও মূল্যায়ন, পেডিয়াট্রিক সিজুরের ইইজি মনিটরিং ও চিকিৎসা, জন্মগত ত্রুটির জিনগত মূল্যায়ন, পুষ্টিহীন শিশুর রিহ্যাবিলিটেশন এবং নবজাতক স্ক্রীনিংয়ের মাধ্যমে মেটাবলিক রোগ শনাক্তকরণ। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, মেটাবলিক প্রোফাইলিং এবং ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোন স্ক্রীনিং।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | পেডিয়াট্রিক্স ও নিওনাটোলজি (শিশু ও নবজাতক রোগ) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | শিশু স্নায়ুরোগ, জন্মগত ত্রুটি ও নবজাতক স্ক্রীনিং |
| পদবী | প্রফেসর (পেডিয়াট্রিক্স) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ৩০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
এমসিপিএস (MCPS) – মেম্বার অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস
এমডি (শিশু) – ডাক্তার অব মেডিসিন (পেডিয়াট্রিক্স)
পদবী: প্রফেসর (পেডিয়াট্রিক্স)
কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মনোযোগের ঘাটতিতে আচরণগত থেরাপি প্রয়োজন।
পেডিয়াট্রিক সিজুরে অ্যান্টিকনভালসেন্ট চিকিৎসা জরুরি।
জন্মগত ত্রুটিতে জেনেটিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।
শিশুর পুষ্টিহীনতায় সঠিক ডায়েট লাগে।
নবজাতক স্ক্রীনিংয়ে বিপাকীয় রোগ ধরা পড়ে।
নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।
শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।
গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।
শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।
খাদ্যের অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।
শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।
দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।
শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
বিকাশগত দেরিতে বহুমুখী মূল্যায়ন প্রয়োজন।
প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা শিশু রোগ, পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি এবং নবজাতক যত্নের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
মনোযোগের ঘাটতি ও আচরণগত পেডিয়াট্রিক্স: শিশুদের মনোযোগের ঘাটতি এবং স্নায়ুবিক বিকাশের সমস্যার জন্য সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক স্ক্রীনিং ও ব্যবস্থাপনা।
পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি ও সিজুর কেয়ার: শিশুদের খিঁচুনি বা মৃগী রোগের ইইজি মূল্যায়ন, ওষুধ প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক যত্ন।
জন্মগত ত্রুটি ও নবজাতক স্ক্রীনিং: নবজাতকদের মেটাবলিক এবং জন্মগত ত্রুটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ও সমন্বিত চিকিৎসা প্রোটোকল।
পুষ্টিহীনতা ও গ্রোথ রিহ্যাবিলিটেশন: শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের জন্য সুষম পুষ্টি পরিকল্পনা এবং মেটাবলিক সহায়তা।
শিশুর আচরণগত, জ্ঞানীয় এবং স্নায়বিক বিকাশ বয়স অনুযায়ী সঠিক ছন্দে এগোচ্ছে কি না তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা।
জন্মের পরপরই নবজাতকদের জিনগত ও মেটাবলিক ত্রুটি শনাক্ত করতে উন্নত ল্যাব স্ক্রীনিং পরীক্ষা পরিচালনা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাহায্যে শিশুর ওজন, উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা।
শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখা, অতিচঞ্চলতা এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যার স্নায়ুবিক অবস্থা, যা আচরণগত থেরাপিতে ভালো হয়।
শিশুর মস্তিষ্কে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গের কারণে সৃষ্ট খিঁচুনি রোগ, যার জন্য সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ প্রয়োজন।
জন্মের সময় থেকে উপস্থিত শারীরিক বা বিপাকীয় অস্বাভাবিকতা যা সঠিক জেনিটিক ও মেডিকেল মূল্যায়নের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হয়।
প্রফেসর ডা. খান গোলাম মোস্তফা প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, স্নায়বিক স্ক্রীনিং এবং মেটাবলিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পরামর্শের ওপর জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে কিংবা তীব্র পানির স্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)
ফেলো, আন্তর্জাতিক পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (IPA)
শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, নবজাতক স্ক্রীনিং রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।
বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।
শিশুর খিঁচুনি, মনোযোগের সমস্যা বা খাদ্যাভ্যাসের সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।
Last Modified: October 18, 2026
মনোযোগের ঘাটতিতে ভোগা শিশুরা পড়াশোনায় বা খেলায় বেশিক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, সহজে বিভ্রান্ত হয়, অতিরিক্ত চঞ্চলতা দেখায় এবং না ভেবে কাজ করে। এই লক্ষণগুলো তাদের পড়ালেখায় ও সামাজিক মেলামেশায় প্রভাব ফেলে। প্রাথমিক স্ক্রীনিং ও আচরণগত থেরাপির মাধ্যমে এই সমস্যা সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।
শিশুর খিঁচুনির ধরন জানতে পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল ইতিহাস, স্নায়বিক পরীক্ষা এবং ইইজি (EEG) পরীক্ষা করা হয়। খিঁচুনির ধরণ নিশ্চিত হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদী অ্যান্টিকনভালসেন্ট ওষুধ দিয়ে মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। নিয়মিত পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি ফলোআপের মাধ্যমে শিশুর খিঁচুনি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
নিউবর্ন স্ক্রীনিংয়ের মাধ্যমে জন্মগত মেটাবলিক ত্রুটি, হরমোনজনিত সমস্যা এবং জিনগত রোগগুলো লক্ষণ প্রকাশের আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে দ্রুত সঠিক ডায়েট বা হরমোন থেরাপি শুরু করে শিশুর স্থায়ী বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা বা অঙ্গহানি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
যে শিশুরা বয়সের তুলনায় ওজন ও উচ্চতায় অনেক পিছিয়ে থাকে তাদের ফেইলিওর টু থ্রাইভ বলা হয়। এর পেছনে পরিপাকতন্ত্রের ত্রুটি, মেটাবলিক সমস্যা বা পুষ্টির ঘাটতি থাকতে পারে। সুনির্দিষ্ট মেডিকেল পুষ্টি সহায়তা এবং ক্যালোরিযুক্ত ডায়েটের মাধ্যমে শিশুর শারীরিক বিকাশ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনা হয়।
জন্মগত ত্রুটি মূল্যায়নে বিস্তারিত শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি আল্ট্রাসাউন্ড, এমআরআই এবং জেনিটিক বা ক্রোমোজোমাল পরীক্ষা করা হয়। এই উন্নত ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার মাধ্যমে জন্মগত ত্রুটির তীব্রতা ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে সঠিক সার্জিক্যাল বা মেডিকেল পরিকল্পনা করা হয়।
নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।
জাতীয় টিকাদান সময়সূচি মেনে চললে শিশুরা পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া এবং হুপিংকাশির মতো মারাত্মক ও জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পায়। ভ্যাকসিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে নিরাপদ উপায়ে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
তিন মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর, শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন বমি, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত নিস্তেজ অবস্থা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে নিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, নবজাতক স্ক্রীনিং রিপোর্ট, পূর্ববর্তী ইইজি রিপোর্ট এবং হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।