এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
🎯 মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস
প্রোফাইল দেখুন →শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (চাইল্ড)
শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নবজাতকের রোগ বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: নবজাতকের জন্ডিস, শিশুদের নিউমোনিয়া, আচরণগত সমস্যা, অ্যালার্জি ব্যবস্থাপনা, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা
🎓 কনসালট্যান্ট (শিশু বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ নিরাপদ মন্ডল খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নবজাতকের জন্ডিস, শিশু নিউমোনিয়া এবং কিশোর স্বাস্থ্যসেবার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। শিশু, কিশোর এবং নবজাতক রোগের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং ডিসিএইচ ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৩:৩০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ নিরাপদ মন্ডল খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও শিশু বিশেষজ্ঞ, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নবজাতকের জন্ডিস, শিশুর নিউমোনিয়া, আচরণগত সমস্যা, অ্যালার্জি ব্যবস্থাপনা এবং কিশোর চিকিৎসায় বিশেষ পারদর্শী। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা।
ডাঃ নিরাপদ মন্ডল সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং শিশু স্বাস্থ্যে উচ্চতর ডিগ্রি ডিসিএইচ (DCH in Child Health) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে নবজাতকের জন্ডিসের জন্য বিশেষ ফটোথেরাপি ও এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন প্রোটোকল, শিশু নিউমোনিয়ার তীব্র অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা, বিকাশগত ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার জন্য আচরণগত স্ক্রীনিং ও কাউন্সেলিং, শিশু অ্যালার্জির ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা এবং কিশোর স্বাস্থ্য বা অ্যাডোলেসেন্ট মেডিসিনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, নবজাতকের বিলিরুবিন মনিটরিং এবং ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোন স্ক্রীনিং।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ নিরাপদ মন্ডল |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | পেডিয়াট্রিক্স ও নিওনাটোলজি (শিশু ও নবজাতক রোগ) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কিশোর চিকিৎসা, শিশু অ্যালার্জি ও নবজাতক যত্ন |
| পদবী | কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
ডিসিএইচ (শিশু) – ডিপ্লোমা ইন চাইল্ড হেলথ
পদবী: কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স)
কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
নবজাতকের জন্ডিসে নিবিড় ফটোথেরাপি প্রয়োজন।
শিশু নিউমোনিয়ায় সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।
আচরণগত সমস্যায় প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ জরুরি।
অ্যালার্জি ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট ট্রিগার এড়াতে হয়।
কিশোর চিকিৎসায় সঠিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।
শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।
গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।
শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।
খাদ্যের অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।
শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।
দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।
শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
বিকাশগত দেরিতে বহুমুখী মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ডাঃ নিরাপদ মন্ডল শিশু রোগ, নবজাতক পরিচর্যা এবং কিশোর স্বাস্থ্যসেবার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
নবজাতকের জন্ডিস ও নিউবর্ন কেয়ার: বিলিরুবিন পর্যবেক্ষণ, ফটোথেরাপি ব্যবস্থাপনা এবং নবজাতকের হাইপারবিলিডুরেমিয়ার নিবিড় চিকিৎসা।
শিশু নিউমোনিয়া ও রেসপিরেটরি কেয়ার: শিশু নিউমোনিয়া ও শ্বাসনালীর সংক্রমণের জন্য প্রমাণভিত্তিক অক্সিজেন সাপোর্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি।
আচরণগত সমস্যা ও শিশু বিকাশ: শিশুদের বিকাশগত দেরি, আচরণগত সমস্যা এবং মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেবা।
কিশোর চিকিৎসা ও অ্যালার্জি কেয়ার: বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং শিশু অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থাপনা।
উচ্চ মাত্রার বিলিরুবিন কমাতে নবজাতকদের জন্য বিশেষ আলোর থেরাপি এবং নিরাপদ ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্রা পর্যবেক্ষণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাহায্যে শিশুর ওজন, উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা।
জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সঠিক তাপমাত্রায় শিশুদের জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন প্রয়োগ।
জন্মের প্রথম কয়েক দিনে রক্তে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমার কারণে ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যা, যা সঠিক ফটোথেরাপিতে সম্পূর্ণ ভালো হয়।
শিশুদের ফুসফুসের মারাত্মক সংক্রমণ যা দ্রুত শ্বাস নেওয়া ও কাশির সৃষ্টি করে, যার জন্য জরুরি অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা প্রয়োজন।
কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সময়কার স্বাস্থ্যগত ও মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণের বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা।
ডাঃ নিরাপদ মন্ডল প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, গ্রোথ চার্ট বিশ্লেষণ এবং বিকাশগত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পরামর্শের ওপর জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে কিংবা তীব্র পানির স্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)
সদস্য, আন্তর্জাতিক পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (IPA)
শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, বিলিরুবিন রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।
বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।
শিশুর জ্বর, খাদ্যাভ্যাস বা আচরণগত সমস্যার সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।
Last Modified: October 18, 2026
নবজাতকের জন্মের প্রথম কয়েক দিনে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা যদি নির্দিষ্ট নিরাপদ মাত্রার চেয়ে বেশি বেড়ে যায়, তবে জন্ডিস চোখ ও ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুর বয়স এবং বিলিরুবিনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে শিশু বিশেষজ্ঞ ফটোথেরাপি বা বিশেষ আলোর নিচে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। সময়মতো এই চিকিৎসা নিলে মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
শিশু নিউমোনিয়ার প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ও কষ্টকর শ্বাস নেওয়া, বুকের খাঁচা ভেতরে ঢুকে যাওয়া, উচ্চ জ্বর এবং ক্রমাগত কাশি। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে সংক্রমণ ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়েছে। অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে বুকের এক্স-রে ও সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
শিশুর বয়স অনুযায়ী কথা বলায় দেরি হওয়া, অতিরিক্ত জেদ করা, মনোযোগের ঘাটতি বা সামাজিক মেলামেশায় অনীহা দেখলে আচরণগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শিশু বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সেলররা বিশেষ স্ক্রীনিং ও থেরাপির মাধ্যমে শিশুর এই আচরণগত সমস্যাগুলো সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেন।
শিশুদের অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রথমে স্কিন টেস্ট বা ক্লিনিক্যাল হিস্ট্রি নিয়ে মূল অ্যালার্জেন বা ট্রিগার (যেমন ধুলাবালি বা নির্দিষ্ট খাবার) চিহ্নিত করতে হবে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ ব্যবহার এবং অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলার মাধ্যমে অ্যালার্জি সফলভাবে দমন করা যায়।
কিশোর-কিশোরীদের বয়স সন্ধিক্ষণে হরমোনজনিত পরিবর্তন, পুষ্টির ঘাটতি, উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা এবং বিভিন্ন মানসিক চাপ দেখা দিতে পারে। অ্যাডোলেসেন্ট মেডিসিন এই বয়সের ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।
নবজাতকের জীবনের প্রথম মাসে সঠিক উপায়ে বুকের দুধ খাওয়ানো, শিশুর শরীর উষ্ণ রাখা এবং ঘরের পরিবেশ জীবাণুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখা সবচেয়ে জরুরি। এই সময়ে নবজাতকের যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তিন মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর, শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন বমি, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত নিস্তেজ অবস্থা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে নিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, বিলিরুবিন রিপোর্ট, পূর্ববর্তী হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার এবং সাম্প্রতিক ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।