এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
🎯 মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস
প্রোফাইল দেখুন →শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এমডি (শিশু), এফআরসিপি (ইউকে)
নবজাতক, কিশোর-কিশোরী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: শিশুদের মাইগ্রেন, কথা বলতে দেরি হওয়া (স্পিচ ডিলে), খাদ্যজনিত অ্যালার্জি, ঘুমের সমস্যা, বিছানায় প্রস্রাব করা (বেডওয়েটিং) সংক্রান্ত সমস্যা
🎓 সহযোগী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
সহযোগী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ এ কে এম মামুনুর রশিদ খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ২৬ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে শিশু মাইগ্রেন, কথা বলায় দেরি, খাদ্যে অ্যালার্জি এবং বিছানা ভেজানোর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। শিশু রোগ, নবজাতক যত্ন, শিশু স্নায়ুরোগ এবং কিশোর স্বাস্থ্যের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এমডি এবং এফআরসিপি (ইউকে) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital
📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ৬:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডা. এ কে এম মামুনুর রশিদ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহযোগী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পেডিয়াট্রিক মাইগ্রেন, কথা বলায় দেরি, খাদ্যে অ্যালার্জি, ঘুমের ব্যাঘাত এবং বিছানা ভেজানো বা এনুরেসিসের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা।
ডা. এ কে এম মামুনুর রশিদ সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি শিশু স্বাস্থ্যে উচ্চতর ডিগ্রি ডিসিএইচ (DCH), পেডিয়াট্রিক্সে ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD) এবং যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস থেকে সম্মানজনক ফেলোশিপ এফআরসিপি (FRCP, UK) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার আড়াই দশকেরও বেশি সময়ের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক মাইগ্রেনের সুনির্দিষ্ট ব্যথা ব্যবস্থাপনা, কথা বলায় দেরির জন্য স্পিচ থেরাপি গাইডেন্স, খাদ্যের অ্যালার্জি নির্ণয় ও এভয়েডেন্স প্রোটোকল, ঘুমের ব্যাঘাত দূর করতে স্লিপ হাইজিন কাউন্সেলিং এবং বিছানা ভেজানো বা এনুরেসিসের আচরণগত চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, স্নায়বিক স্ক্রীনিং এবং ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোন মূল্যায়ন।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ এ কে এম মামুনুর রশিদ |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | পেডিয়াট্রিক্স ও নিওনাটোলজি (শিশু ও নবজাতক রোগ) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | শিশু স্নায়ুরোগ, কিশোর চিকিৎসা ও ক্লিনিক্যাল পুষ্টি |
| পদবী | সহযোগী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক্স) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ২৬+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
ডিসিএইচ (DCH) – ডিপ্লোমা ইন চাইল্ড হেলথ
এমডি (শিশু) – ডাক্তার অব মেডিসিন (পেডিয়াট্রিক্স)
এফআরসিপি (যুক্তরাজ্য) – ফেলো অব দ্য রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (UK)
পদবী: সহযোগী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক্স)
কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
শিশু মাইগ্রেনে নিয়মিত মাথা ব্যথা কমে।
কথা বলায় দেরিতে সঠিক থেরাপি লাগে।
খাদ্যে অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।
ঘুমের ব্যাঘাতে সঠিক রুটিন মেনে চলা।
বিছানা ভেজানো সমস্যায় আচরণগত থেরাপি কার্যকর।
নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।
শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।
গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।
শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।
শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।
দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।
শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
ত্বকের সংক্রমণে টপিক্যাল কেয়ার লাগে।
বিকাশগত দেরিতে বহুমুখী মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ডা. এ কে এম মামুনুর রশিদ শিশু রোগ, পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি এবং কিশোর স্বাস্থ্যসেবার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি ও মাইগ্রেন কেয়ার: শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও আধুনিক চিকিৎসা।
শিশু বিকাশ ও স্পিচ থেরাপি: শিশুদের কথা বলায় দেরি এবং ভাষা বিকাশের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিশেষ স্ক্রীনিং ও রিহ্যাবিলিটেশন সেবা।
পেডিয়াট্রিক অ্যালার্জি ও ইমিউনোলজি: খাদ্যে অ্যালার্জি এবং বিভিন্ন ধরনের এলার্জিক রিঅ্যাকশন শনাক্তকরণ ও সুনির্দিষ্ট ডায়েট প্রোটোকল।
কিশোর চিকিৎসা ও আচরণগত স্বাস্থ্য: শিশুদের ঘুমের ব্যাঘাত, বিছানা ভেজানো এবং বয়ঃসন্ধিকালীন মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা।
শিশুর মানসিক, ভাষা এবং শারীরিক বিকাশ বয়স অনুযায়ী সঠিক ছন্দে এগোচ্ছে কি না তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাহায্যে শিশুর ওজন, উচ্চতা ও শারীরিক গঠন নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা।
জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সঠিক তাপমাত্রায় শিশুদের জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন প্রয়োগ।
শিশুদের মাথায় তীব্র ও স্পন্দিত ব্যথা যা বমি ভাব ও আলোর সংবেদনশীলতা তৈরি করে, যার সঠিক চিকিৎসায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফেরে।
শিশুর বয়স অনুযায়ী কথা বলার ক্ষমতা স্বাভাবিকের চেয়ে পিছিয়ে থাকার সমস্যা, যা প্রাথমিক স্পিচ থেরাপিতে সফলভাবে সমাধান করা যায়।
নির্ধারিত বয়সের পরেও ঘুমের মধ্যে অজান্তেই প্রস্রাব করার সমস্যা, যার জন্য আচরণগত প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকরী।
ডা. এ কে এম মামুনুর রশিদ প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, বিকাশগত স্ক্রীনিং এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পরামর্শের ওপর জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে কিংবা তীব্র পানির স্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
ফেলো, রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস (FRCP, UK)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)
শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, অ্যালার্জি টেস্ট রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।
বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।
শিশুর মাথা ব্যথার ধরণ, ঘুমের অভ্যাস বা বিছানা ভেজানোর সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।
Last Modified: October 18, 2026
শিশুদের মাইগ্রেনে সাধারণত বড়দের মতো দীর্ঘস্থায়ী একপেশে মাথার ব্যথা নাও থাকতে পারে; এর বদলে তাদের পেটে ব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরানো এবং আলোর প্রতি তীব্র অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। ছোট শিশুরা অনেক সময় মাথাব্যথা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে না, তাই খিটখিটে মেজাজ বা কান্নাকাটি দিয়ে এটি প্রকাশ পায়। পেডিয়াট্রিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সঠিক মাইগ্রেন প্রোটোকল অনুসরণ করা উচিত।
শিশু যদি দুই বছর বয়সেও অর্থপূর্ণ শব্দ না বলে বা তিন বছর বয়সেও পরিষ্কার বাক্য তৈরি করতে না পারে, তবে দ্রুত স্পিচ থেরাপিস্ট ও শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। যত দ্রুত থেরাপি শুরু করা যায়, শিশুর মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটির কারণে ভাষা শেখার ক্ষমতা তত দ্রুত বিকশিত হয়।
খাদ্যে অ্যালার্জি শনাক্ত করতে শিশুর ক্লিনিক্যাল ইতিহাস পর্যালোচনার পাশাপাশি স্কিন প্রিক টেস্ট (Skin Prick Test) অথবা সুনির্দিষ্ট আইজিই (Specific IgE) রক্ত পরীক্ষা করা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ডায়েট থেকে সন্দেহভাজন খাবার বাদ দিয়ে আবার খাইয়ে পরীক্ষা (Elimination Challenge) করা হয়।
শিশুদের নিয়মিত ঘুমের রুটিন তৈরি করা, ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভি স্ক্রিন বন্ধ রাখা এবং শোবার ঘর শান্ত ও অন্ধকার রাখা ঘুমের ব্যাঘাত দূর করতে সাহায্য করে। যদি এর পরেও ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বা নাক ডাকার সমস্যা থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
বিছানা ভেজানো সমস্যা দূর করতে সন্ধ্যার পর তরল খাবার সীমিত করা, শোয়ার আগে প্রস্রাব করার অভ্যাস করা এবং পুরস্কারের মাধ্যমে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করা অত্যন্ত কার্যকর। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ময়েশ্চার অ্যালার্ম ডিভাইস ব্যবহার করেও এই অভ্যাসের সফল প্রতিকার করা যায়।
নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।
জাতীয় টিকাদান সময়সূচি মেনে চললে শিশুরা পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া এবং হুপিংকাশির মতো মারাত্মক ও জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পায়। ভ্যাকসিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে নিরাপদ উপায়ে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
তিন মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর, শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন বমি, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত নিস্তেজ অবস্থা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে নিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, অ্যালার্জি টেস্ট রিপোর্ট, পূর্ববর্তী হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।