এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
🎯 মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস
প্রোফাইল দেখুন →শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (বিএসএমএমইউ)
শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু রক্তরোগ ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ (পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজিস্ট অ্যান্ড অনকোলজিস্ট)
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: শিশুদের মাইগ্রেন, কথা বলতে দেরি হওয়া (স্পিচ ডিলে), খাদ্যে অ্যালার্জি, ঘুমের সমস্যা, বিছানায় প্রস্রাব করা (বেডওয়েটিং) সংক্রান্ত সমস্যা।
🎓 কনসালট্যান্ট (শিশু বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ ও পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি-অনকোলজিস্ট হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে রক্তরোগ, ক্যানসার, শিশু মাইগ্রেন এবং কথা বলায় দেরির বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। শিশু রোগ, নবজাতক যত্ন, শিশু রক্তরোগ এবং পেডিয়াট্রিক অনকোলজির জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং বিএসএমএমইউ থেকে অর্জিত এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Doctors Point Specialized Hospital, Khulna · Private Hospital
📍 ৪৯, কেডিএ অ্যাভিনিউ, খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ৪:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা (শনিবার থেকে মঙ্গলবার)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও শিশু রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি শিশুদের রক্তরোগ, ক্যানসার, পেডিয়াট্রিক মাইগ্রেন, কথা বলায় দেরি এবং বিছানা ভেজানোর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত রক্তরোগ পরিচর্যা।
ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) থেকে শিশু স্বাস্থ্যে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Pediatrics) অর্জন করেন। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে শিশুদের রক্তরোগ ও ক্যানসারের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক প্রোটোকল, পেডিয়াট্রিক মাইগ্রেনের ব্যথা ব্যবস্থাপনা, কথা বলায় দেরির জন্য স্পিচ থেরাপি গাইডেন্স, খাদ্যের অ্যালার্জি নির্ণয়, ঘুমের ব্যাঘাত দূর করতে স্লিপ হাইজিন কাউন্সেলিং এবং বিছানা ভেজানোর আচরণগত চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, বোন ম্যারো মূল্যায়ন এবং ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোন স্ক্রীনিং।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | পেডিয়াট্রিক্স, পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি ও অনকোলজি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | শিশু স্নায়ুরোগ, কিশোর চিকিৎসা ও ক্লিনিক্যাল পুষ্টি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স ও পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি-অনকোলজি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (বিএসএমএমইউ) – ডাক্তার অব মেডিসিন (পেডিয়াট্রিক্স), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
পদবী: কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স ও পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি-অনকোলজি)
কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
শিশুর রক্তরোগে বিশেষ হেমাটোলজি কেয়ার লাগে।
ক্যানসার চিকিৎসায় উন্নত অনকোলজি থেরাপি প্রয়োজন।
শিশু মাইগ্রেনে নিয়মিত মাথা ব্যথা কমে।
কথা বলায় দেরিতে সঠিক থেরাপি লাগে।
খাদ্যে অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।
ঘুমের ব্যাঘাতে সঠিক রুটিন মেনে চলা।
বিছানা ভেজানো সমস্যায় আচরণগত থেরাপি কার্যকর।
নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।
শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।
গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।
শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।
শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।
দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।
শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ শিশু রোগ, পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি এবং ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি ও অনকোলজি: শিশুদের রক্তাল্পতা, থ্যালাসেমিয়া, লিউকেমিয়া এবং বিভিন্ন রক্তরোগের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক ও কেমোথেরাপি ব্যবস্থাপনা।
পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি ও মাইগ্রেন কেয়ার: শিশুদের দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের সুনির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও আধুনিক চিকিৎসা।
শিশু বিকাশ ও স্পিচ থেরাপি: শিশুদের কথা বলায় দেরি এবং ভাষা বিকাশের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিশেষ স্ক্রীনিং ও রিহ্যাবিলিটেশন সেবা।
কিশোর চিকিৎসা ও আচরণগত স্বাস্থ্য: শিশুদের ঘুমের ব্যাঘাত, বিছানা ভেজানো এবং বয়ঃসন্ধিকালীন মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা।
শিশুর রক্ত তৈরি প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন এবং লিউকেমিয়া বা রক্তরোগ নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে নিরাপদ উপায়ে বোন ম্যারো সংগ্রহ ও পরীক্ষা।
শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় সুনির্দিষ্ট কেমোথেরাপি ওষুধ প্রয়োগ এবং জটিলতা রোধে বিশেষ সাপোর্টিভ কেয়ার প্রদান।
শিশুর মানসিক, ভাষা এবং শারীরিক বিকাশ বয়স অনুযায়ী সঠিক ছন্দে এগোচ্ছে কি না তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা।
শিশুদের রক্তকণিকা ও প্লেটলেটের জটিল রোগ যা নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন, কেমোথেরাপি এবং বিশেষ হেমাটোলজিক্যাল নজরদারির মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
শিশুদের মাথায় তীব্র ও স্পন্দিত ব্যথা যা বমি ভাব ও আলোর সংবেদনশীলতা তৈরি করে, যার সঠিক চিকিৎসায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফেরে।
নির্ধারিত বয়সের পরেও ঘুমের মধ্যে অজান্তেই প্রস্রাব করার সমস্যা, যার জন্য আচরণগত প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকরী।
ডাঃ এস. এম. জাভেদ মাহমুদ প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, বিকাশগত স্ক্রীনিং এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পরামর্শের ওপর জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে, তীব্র রক্তপাতের লক্ষণ প্রকাশ পেলে কিংবা পানির স্বল্পতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি সোসাইটি (BPHOS)
শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, বোন ম্যারো রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।
বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।
শিশুর মাথা ব্যথার ধরণ, ঘুমের অভ্যাস বা বিছানা ভেজানোর সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।
Last Modified: October 18, 2026
রুটিন রক্ত পরীক্ষায় যদি শিশুর অস্বাভাবিক রক্তাল্পতা, প্লেটলেট কমে যাওয়া বা শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, তবে বোন ম্যারো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে অস্থিমজ্জার ভেতরের কোষগুলোর অবস্থা সরাসরি দেখা যায় এবং লিউকেমিয়া বা থ্যালাসেমিয়ার মতো জটিল রক্তরোগ নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়। পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজিস্ট এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা শুরু করেন।
শিশুদের মাইগ্রেনে সাধারণত বড়দের মতো দীর্ঘস্থায়ী একপেশে মাথার ব্যথা নাও থাকতে পারে; এর বদলে তাদের পেটে ব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরানো এবং আলোর প্রতি তীব্র অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। ছোট শিশুরা অনেক সময় মাথাব্যথা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে না, তাই খিটখিটে মেজাজ বা কান্নাকাটি দিয়ে এটি প্রকাশ পায়। পেডিয়াট্রিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সঠিক মাইগ্রেন প্রোটোকল অনুসরণ করা উচিত।
খাদ্যে অ্যালার্জি শনাক্ত করতে শিশুর ক্লিনিক্যাল ইতিহাস পর্যালোচনার পাশাপাশি স্কিন প্রিক টেস্ট (Skin Prick Test) অথবা সুনির্দিষ্ট আইজিই (Specific IgE) রক্ত পরীক্ষা করা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ডায়েট থেকে সন্দেহভাজন খাবার বাদ দিয়ে আবার খাইয়ে পরীক্ষা (Elimination Challenge) করা হয়।
শিশুদের নিয়মিত ঘুমের রুটিন তৈরি করা, ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা টিভি স্ক্রিন বন্ধ রাখা এবং শোবার ঘর শান্ত ও অন্ধকার রাখা ঘুমের ব্যাঘাত দূর করতে সাহায্য করে। যদি এর পরেও ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বা নাক ডাকার সমস্যা থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
বিছানা ভেজানো সমস্যা দূর করতে সন্ধ্যার পর তরল খাবার সীমিত করা, শোয়ার আগে প্রস্রাব করার অভ্যাস করা এবং পুরস্কারের মাধ্যমে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করা অত্যন্ত কার্যকর। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ময়েশ্চার অ্যালার্ম ডিভাইস ব্যবহার করেও এই অভ্যাসের সফল প্রতিকার করা যায়।
নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। এর ফলে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।
জাতীয় টিকাদান সময়সূচি মেনে চললে শিশুরা পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া এবং হুপিংকাশির মতো মারাত্মক ও জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পায়। ভ্যাকসিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে নিরাপদ উপায়ে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
তিন মাসের কম বয়সী শিশুর জ্বর, শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন বমি, খিঁচুনি বা অতিরিক্ত নিস্তেজ অবস্থা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে নিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, বোন ম্যারো রিপোর্ট, পূর্ববর্তী হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।