এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিসিএইচ (ডিইউ)
নবজাতক, শিশু রোগ ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ
🎯 মূত্রনালীর সমস্যা, শিশুদের একজিমা, শৈশবের স্থূলতা, শিশুদের আর্থ্রাইটিস (বাত), টাইপ ১ ডায়াবেটিস
প্রোফাইল দেখুন →শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু), এফসিপিএস (শিশু), এফপি, আইসিপিপিএন (পুষ্টি), এএএমই (আমেরিকা)
নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: নবজাতকের যত্ন, শিশুদের টিকাদান, শারীরিক বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, শিশুদের হাঁপানি (অ্যাজমা), শিশুদের পুষ্টি
🎓 কনসালট্যান্ট, (শিশু বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট, (শিশু বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ পলাশ বিশ্বাস খুলনা শহরের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ ও পেডিয়াট্রিশিয়ান হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে নবজাতক যত্ন, শিশুর টিকাদান এবং পেডিয়াট্রিক অ্যাজমার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। নবজাতক ও শিশু রোগ, পুষ্টি এবং টিকাদানের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমডি, এফসিপিএস এবং আন্তর্জাতিক পুষ্টি ও চিকিৎসা ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ পলাশ বিশ্বাস খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও শিশু বিশেষজ্ঞ, যার ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা, শিশুর টিকাদান কর্মসূচি, গ্রোথ মনিটরিং, পেডিয়াট্রিক অ্যাজমা এবং শিশুর পুষ্টি ব্যবস্থাপনার একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা পেডিয়াট্রিশিয়ানের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক শিশু চিকিৎসা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পুষ্টি পরিচর্যা।
ডাঃ পলাশ বিশ্বাস সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং পেডিয়াট্রিক্সে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Child Health) এবং শিশু চিকিৎসায় এফসিপিএস (FCPS Child FP) অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেডিয়াট্রিক পুষ্টিতে বিশেষায়িত আইসিপিপিএন (ICPPN) এবং আমেরিকার একাডেমি অফ মেডিকেল এডুকেশন থেকে ফেলোশিপ অর্জন করেন। খুলনায় সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ কিংবা অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার দেড় দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে নবজাতকের বিশেষ যত্ন ও রিসাসসিটেশন, জাতীয় টিকাদান প্রোটোকল বাস্তবায়ন, শিশুর শারীরিক বিকাশ ট্র্যাকিংয়ের জন্য গ্রোথ মনিটরিং, পেডিয়াট্রিক অ্যাজমার ইনহেলার থেরাপি এবং শিশুর সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে পেডিয়াট্রিক অ্যান্থ্রোপ্রোমেট্রিক গ্রোথ অ্যাসেসমেন্ট, পুষ্টি স্ক্রীনিং এবং জন্মগত ত্রুটি মূল্যায়ন।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ পলাশ বিশ্বাস |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | পেডিয়াট্রিক্স ও নিওনাটোলজি (শিশু ও নবজাতক রোগ) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | শিশু পুষ্টি, টিকাদান ও গ্রোথ মনিটরিং |
| পদবী | কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১৫+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (শিশু) – ডাক্তার অব মেডিসিন (পেডিয়াট্রিক্স)
এফসিপিএস (শিশু) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (পেডিয়াট্রিক্স)
আইসিপিপিএন (পুষ্টি) – আন্তর্জাতিক পেডিয়াট্রিক ও পেরিন্যাটাল পুষ্টি কোর্স
এএএমই (আমেরিকা) – আমেরিকান একাডেমি অফ মেডিকেল এডুকেশন ফেলোশিপ
পদবী: কনসালটেন্ট (পেডিয়াট্রিক্স)
কর্মস্থল: পেডিয়াট্রিক্স বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
নবজাতকের যত্নে নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।
শিশুর টিকাদানে মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ হয়।
গ্রোথ মনিটরিংয়ে শারীরিক বিকাশ মাপা হয়।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমায় ইনহেলার থেরাপি কার্যকর।
শিশুর পুষ্টিতে সঠিক খাবার দেওয়া হয়।
নবজাতকের জন্ডিসে সঠিক মূল্যায়ন লাগে।
তীব্র ডায়রিয়ায় তাৎক্ষণিক রিহাইড্রেশন থেরাপি জরুরি।
শিশু অপুষ্টিতে সুনির্দিষ্ট পুষ্টি সহায়তা লাগে।
শ্বাসনালীর সংক্রমণে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়।
নবজাতকের সেপসিসে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।
খাদ্যের অ্যালার্জিতে সুনির্দিষ্ট পরিহার জরুরি।
দীর্ঘমেয়াদী কাশিতে বিস্তারিত পরীক্ষা লাগে।
শিশুর জ্বরে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রয়োজন।
ত্বকের সংক্রমণে টপিক্যাল কেয়ার লাগে।
বিকাশগত দেরিতে বহুমুখী মূল্যায়ন প্রয়োজন।
ডাঃ পলাশ বিশ্বাস শিশু রোগ, নবজাতক পরিচর্যা এবং ক্লিনিক্যাল পুষ্টির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
নবজাতক যত্ন ও প্রিম্যাচিউরিটি কেয়ার: নবজাতকের বিশেষ রিসাসসিটেশন, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং আইসিইউ লেভেলের নিবিড় পরিচর্যা।
শিশুর টিকাদান ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য: সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট টিকাদান প্রোটোকল এবং শিশুর শারীরিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ।
শিশু পুষ্টি ও মেটাবলিক কেয়ার: শিশু অপুষ্টি, সেলিয়াক রোগ এবং শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের জন্য বিশেষ পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ও ডায়েট থেরাপি।
পেডিয়াট্রিক অ্যাজমা ও রেসপিরেটরি কেয়ার: পেডিয়াট্রিক অ্যাজমা, ক্রনিক কাশি এবং শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সংক্রমণের আধুনিক ইনহেলার ও মেডিকেল থেরাপি।
হাসপাতালে জন্ম নেওয়া জটিল নবজাতকদের জন্য তাৎক্ষণিক জীবন রক্ষাকারী ও স্থিতিশীল করার উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি।
WHO গ্রোথ চার্টের সাথে তুলনা করে শিশুর ওজন, উচ্চতা এবং মাথার পরিধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে সঠিক তাপমাত্রায় শিশুদের জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন প্রয়োগ।
জন্মের প্রথম ২৮ দিন পর্যন্ত নবজাতকের বিশেষ যত্ন, যার মধ্যে খাওয়ানো প্রতিষ্ঠা, উষ্ণতা রক্ষা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ অন্তর্ভুক্ত।
শিশুদের শ্বাসনালীর দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ যার ফলে শ্বাসকষ্ট ও কাশি হয়, যা স্পেসার ও সঠিক ইনহেলার থেরাপিতে নিয়ন্ত্রণে থাকে।
জীবনের প্রথম বছরে শিশুর সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নিশ্চিত করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
ডাঃ পলাশ বিশ্বাস প্রতিটি শিশুর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, গ্রোথ চার্ট বিশ্লেষণ এবং পুষ্টিগত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক থেরাপি এবং পরিবার-কেন্দ্রিক পুষ্টি পরামর্শের ওপর জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: শিশুর তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে, উচ্চ জ্বরের সাথে নিস্তেজভাব দেখা দিলে, বারবার বমি হলে কিংবা তীব্র পানির স্বল্পতা বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (BPA)
ফেলো, আমেরিকান একাডেমি অফ মেডিকেল এডুকেশন (AAME)
শিশুর পূর্বে করা টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে আনুন।
বর্তমানে শিশুকে সেবন করা সকল ওষুধ ও ভিটামিনের তালিকা সাথে রাখুন।
শিশুর পেটে ব্যথার তীব্রতা, খাদ্যাভ্যাস বা পায়খানার সমস্যার সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
সঠিক ইতিহাস প্রদানে শিশুর পিতা-মাতা বা উভয় অভিভাবক সাথে উপস্থিত থাকুন।
Last Modified: October 18, 2026
হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নবজাতককে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে এসে খাওয়ানোর ধরন, ওজন বৃদ্ধি এবং জন্ডিসের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত। জন্মের প্রথম মাসে নিয়মিত ফলোআপ করলে যেকোনো জন্মগত ত্রুটি বা সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা যায়।
জাতীয় টিকাদান সময়সূচি মেনে চললে শিশুরা পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া এবং হুপিংকাশির মতো মারাত্মক ও জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা পায়। ভ্যাকসিন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে নিরাপদ উপায়ে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করে। সকল টিকা সম্পন্ন করলে সমাজে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়।
শিশুর ক্লিনিক্যাল ইতিহাস, বারবার কাশি বা সাঁ সাঁ শব্দ এবং শারীরিক পরীক্ষার ভিত্তিতে পেডিয়াট্রিক অ্যাজমা নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ট্রিগারগুলো এড়িয়ে চলা এবং স্পেসার ডিভাইসের মাধ্যমে সঠিক নিয়মে ইনহেলার ব্যবহার করে অ্যাজমা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ এবং পরবর্তীতে সঠিক ও পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার শিশুর মস্তিষ্কের কোষ গঠন ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। আয়রন, জিঙ্ক এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
বুকের দুধ খাওয়া শিশুর জন্ডিস (ব্রেস্ট মিল্ক জন্ডিস) সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে বিলিরুবিনের মাত্রা নিরাপদ সীমার মধ্যে আছে কি না তা রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হয়। চিকিৎসকরা বিলিরুবিনের মাত্রা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে ফটোথেরাপি বা অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্কুলগামী শিশুদের নিয়মিত হাত ধোয়া শেখানো, শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে সংক্রমণ কমানো যায়। ঠান্ডা লাগার লক্ষণ দেখা দিলে শিশুকে বিদ্যালয়ে পাঠানো থেকে বিরত রাখলে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমে।
নিয়মিত গ্রোথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিশুর ওজন ও উচ্চতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গ্রোথ চার্টের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়, যাতে অপুষ্টি বা বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার লক্ষণ আগেই ধরা পড়ে। সময়মতো এই ত্রুটিগুলো শনাক্ত করা গেলে বড় ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
তিন মাসের কম বয়সী শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে কিংবা বড় শিশুর ক্ষেত্রে প্রচণ্ড নিস্তেজভাব, বারবার বমি, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অবিলম্বে জরুরি হাসপাতালে যাওয়া উচিত। দ্রুত চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।
শিশুর টিকাদান কার্ড, গ্রোথ চার্ট, পূর্ববর্তী হাসপাতাল ডিসচার্জ পেপার এবং সাম্প্রতিক ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে শিশুকে খাওয়ানো খাবার ও ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।