🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সন

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জীবন নেসা ✔ যাচাইকৃত

ফুসফুস বিশেষজ্ঞ (বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ)

এমবিবিএস, এমডি (চেস্ট ডিজিজেস বা বক্ষব্যাধি)
বক্ষব্যাধি ও হাঁপানি (অ্যাজমা) বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: নন-টিউবারকিউলোাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, পেশাজনিত ফুসফুসের রোগ (অকুপেশনাল লাং ডিজিজ), হাইপারসেন্সিটিভিটি নিউমোনাইটিস, অ্যালার্জিক ব্রঙ্কোপালমোনারি রোগ এবং ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়া।

🎓 সহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ জীবন নেসা খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি) বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার বক্ষব্যাধি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নন-টিউবারকিউলাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস, পেশাগত বক্ষব্যাধি, ABPA এবং ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়া-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। শ্বাসতন্ত্রের যেকোনো জটিল ও পরিবেশজনিত ফুসফুসের অবস্থায় তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital

📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে বিকাল ৭:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জীবন নেসা – খুলনার সেরা পালমোনোলজিস্ট ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ জীবন নেসা খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি) বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার বক্ষব্যাধি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নন-টিউবারকিউলাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস, পেশাগত বক্ষব্যাধি, ABPA এবং ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়া-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। শ্বাসতন্ত্রের যেকোনো জটিল ও পরিবেশজনিত ফুসফুসের অবস্থায় তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ জীবন নেসা সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বক্ষব্যাধিতে সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Chest Diseases) অর্জন করেন। এই ডিগ্রি ফুসফুসের জটিল, সংক্রামক এবং বিরল অ্যালার্জিজনিত রোগ নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসায় তার অসামান্য দক্ষতা নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা পালমোনোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা এবং ক্লিনিক্যাল নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে NTM ইনফেকশনের দীর্ঘমেয়াদী অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি, হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিসের জন্য অ্যালার্জেন পরিহার ও স্টেরয়েড চিকিৎসা, পেশাগত কারণে হওয়া ফুসফুসের ক্ষতির মূল্যায়ন এবং ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়ার জরুরি চিকিৎসা। তিনি আধুনিক স্পাইরোমেট্রি, বুকের এইচআরসিটি (HRCT) এবং ব্রঙ্কোস্কোপির ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ জীবন নেসা
প্রধান বিশেষজ্ঞতাপালমোনোলজি ও রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপরিবেশ ও পেশাগত বক্ষব্যাধি
পদবীসহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরি মেডিসিন)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • এমডি (বক্ষব্যাধি) – ডক্টর অব মেডিসিন (বক্ষব্যাধি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (রেসপিরেটরি মেডিসিন)

  • কর্মস্থল: রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি) বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • নন-টিউবারকিউলাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল (NTM) ইনফেকশনে দীর্ঘমেয়াদী বিশেষ অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা।

  • হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিসে অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকা ও স্টেরয়েড থেরাপি।

  • পেশাগত বক্ষব্যাধিতে (যেমন সিলিকোসিস) পরিবেশগত মূল্যায়ন ও চিকিৎসা।

  • অ্যালার্জিক ব্রঙ্কোপালমোনারি অ্যাসপারগিলোসিস (ABPA) রোগে বিশেষ অ্যান্টিফাঙ্গাল ও স্টেরয়েড চিকিৎসা।

  • ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়ায় জরুরি স্টেরয়েড থেরাপি।

  • সিওপিডি (COPD) বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টে উন্নত ব্রঙ্কোডাইলেটর থেরাপি।

  • হাঁপানি বা অ্যাজমায় সুনির্দিষ্ট ইনহেলার ও অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ চিকিৎসা।

  • ইন্টারস্টিশিয়াল লাং ডিজিজে (ILD) বিশেষ অ্যান্টি-ফাইব্রোটিক কেয়ার।

  • ব্রঙ্কিয়েক্টেসিসে জমে থাকা কফ বের করা এবং ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ।

  • যক্ষ্মা বা টিবি (TB) রোগে দীর্ঘমেয়াদী ডটস (DOTS) প্রটোকল।

  • নিউমোনিয়ায় কালচার-ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা।

  • প্লুরাল ইফিউশনে (ফুসফুসে পানি জমা) পানি বের করা ও কারণ নির্ণয়।

  • ফুসফুসের ক্যানসারে ব্রঙ্কোস্কোপির মাধ্যমে দ্রুত রোগ নির্ণয়।

  • দীর্ঘস্থায়ী খুসখুসে কাশির মূল কারণ নির্ণয় ও নিরাময়।

  • স্লিপ অ্যাপনিয়ায় (ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া) স্লিপ স্টাডি ও সিপ্যাপ (CPAP) থেরাপি।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • পরিবেশ ও পেশাগত বক্ষব্যাধি: কাজের পরিবেশের বিষাক্ত ধুলো, কেমিক্যাল বা পাখির বিষ্ঠা থেকে হওয়া ফুসফুসের অ্যালার্জি বা ফাইব্রোসিস (যেমন হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস) নিরাময়ের বিশেষায়িত চিকিৎসা।

  • বিরল ইনফেকশন ও ইওসিনোফিলিক রোগ: যক্ষ্মার মতো দেখতে NTM ইনফেকশন এবং ফুসফুসে তীব্র অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনের (ABPA) উন্নত চিকিৎসা।

  • জেনারেল রেসপিরেটরি মেডিসিন: ১০ বছরের অভিজ্ঞতায় হাঁপানি, সিওপিডি এবং জটিল শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশনের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও নিখুঁত চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ব্রঙ্কোস্কোপি ও ব্রঙ্কোঅ্যালভিওলার ল্যাভেজ (BAL)

এটি একটি এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষা যেখানে ক্যামেরা যুক্ত নল দিয়ে ফুসফুসের ভেতরে স্যালাইন পানি স্প্রে করে তা আবার সংগ্রহ করা হয়। এই ফ্লুইড পরীক্ষা করে দেখা হয় ফুসফুসে ঠিক কোন ধরনের কোষ প্রদাহ তৈরি করছে, যা NTM বা ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়া নির্ণয়ে অত্যন্ত কার্যকরী।

এইচআরসিটি (HRCT) ইমেজিং বিশ্লেষণ

পেশাগত বক্ষব্যাধি বা হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিসের ক্ষেত্রে সাধারণ এক্স-রেতে সব কিছু ধরা পড়ে না। এইচআরসিটি (High-Resolution CT) স্ক্যানের মাধ্যমে ফুসফুসের সূক্ষ্ম টিস্যুর গঠন, দাগ (Fibrosis) বা নোডিউল নিখুঁতভাবে বোঝা যায়, যা সঠিক চিকিৎসায় সাহায্য করে।

স্পাইরোমেট্রি (Spirometry) ও লাং ফাংশন টেস্ট

ফুসফুসের শ্বাসনালী কতটা সরু হয়ে আছে এবং ফুসফুসের বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা কতটা কমে গেছে—তা মাপার জন্য এই পরীক্ষাটি অপরিহার্য। পেশাগত বক্ষব্যাধি বা অ্যাজমা রোগীদের চিকিৎসার অগ্রগতি বুঝতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস

এটি ফুসফুসের একটি মারাত্মক অ্যালার্জিজনিত রোগ। চারপাশে থাকা নির্দিষ্ট অ্যালার্জেন (যেমন কবুতর বা পাখির বিষ্ঠা, ছত্রাকযুক্ত খড়) বারবার শ্বাসের সাথে ফুসফুসে গেলে তীব্র প্রদাহ শুরু হয়। এটি এড়িয়ে না চললে ফুসফুস চিরতরে শক্ত (Fibrosis) হয়ে যেতে পারে। এর মূল চিকিৎসা হলো অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা এবং স্টেরয়েড গ্রহণ করা।

নন-টিউবারকিউলাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল (NTM) ইনফেকশন

এটি মাটি ও পানিতে থাকা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয়। সাধারণ যক্ষ্মার (TB) মতোই এতে দীর্ঘস্থায়ী কাশি, ওজন কমা ও জ্বর থাকে, তবে এটি ছোঁয়াচে নয়। যক্ষ্মার সাধারণ ওষুধ এতে কাজ করে না। এটি নির্ণয় করার পর দীর্ঘ ১২ থেকে ১৮ মাস ধরে বিশেষ অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পন্ন করতে হয়।

অ্যালার্জিক ব্রঙ্কোপালমোনারি অ্যাসপারগিলোসিস (ABPA)

যাদের আগে থেকেই হাঁপানি আছে, তাদের শ্বাসনালীতে 'অ্যাসপারগিলাস' নামক ফাঙ্গাস বা ছত্রাক আক্রমণ করলে ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এর ফলে রোগীর হাঁপানির টান মারাত্মক রূপ নেয় এবং কাশির সাথে শক্ত কফের দলা বের হয়। এটি ফুসফুসের শ্বাসনালীকে চিরতরে নষ্ট করে দিতে পারে, তাই দ্রুত অ্যান্টিফাঙ্গাল ও স্টেরয়েড চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ জীবন নেসা রোগীর বর্তমান শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি তার কাজের পরিবেশ (Occupational history) নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন। তার মূল লক্ষ্য থাকে ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহের পেছনের লুকানো কারণগুলো খুঁজে বের করা এবং রোগীকে পরিবেশগত সতর্কতা সম্পর্কে সচেতন করার মাধ্যমে ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগীর হঠাৎ করে বিশ্রামরত অবস্থায় প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, হাঁপানির টান ইনহেলার নেওয়ার পরও না কমে, কাশির সাথে প্রচুর পরিমাণে তাজা রক্ত আসে, অথবা অক্সিজেনের অভাবে ঠোঁট বা আঙুল নীল হয়ে যায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ

  • সদস্য, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা বুকের এক্স-রে, এইচআরসিটি (HRCT) স্ক্যান এবং স্পাইরোমেট্রির রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • আপনার কাজের পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত ইতিহাস (যেমন ধুলাবালি, কেমিক্যাল, পাখি পোষার অভ্যাস) চিকিৎসককে জানাতে প্রস্তুত থাকুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন এবং আপনার ব্যবহৃত ইনহেলারগুলো সাথে আনবেন।

  • কাশির ধরন, নির্দিষ্ট কোনো পরিবেশে গেলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে কি না—তা একটি ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের বুঝতে সুবিধা হয়।

Last Modified: October 24, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

নন-টিউবারকিউলাস মাইকোব্যাকটেরিয়াল (NTM) ইনফেকশন এবং সাধারণ যক্ষ্মার (TB) মধ্যে পার্থক্য কী?

উভয় রোগই একই প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয় এবং লক্ষণগুলোও প্রায় এক (দীর্ঘস্থায়ী কাশি, জ্বর)। তবে যক্ষ্মা অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। অন্যদিকে, NTM মাটি বা পানি থেকে ছড়ায় এবং এটি ছোঁয়াচে নয়। এছাড়া যক্ষ্মার সাধারণ ওষুধ NTM-এর ওপর কাজ করে না; এর জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ও দীর্ঘমেয়াদী অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপির প্রয়োজন হয়।

হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিসের প্রধান কারণ কী এবং এটি কি ভালো হয়?

পরিবেশের কোনো নির্দিষ্ট উপাদান (যেমন পাখির বিষ্ঠা, ফাঙ্গাস বা কেমিক্যাল) বারবার শ্বাসের সাথে ফুসফুসে গেলে ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ফুসফুসকে ফুলিয়ে দেয়। প্রাথমিক অবস্থায় অ্যালার্জেনটি থেকে দূরে থাকলে এবং স্টেরয়েড নিলে এটি পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। কিন্তু বারবার এক্সপোজার হলে ফুসফুস শক্ত হয়ে যায় (ফাইব্রোসিস), যা আর ভালো হয় না।

ইওসিনোফিলিক নিউমোনিয়া আসলে কী?

এটি একটি বিরল রোগ যেখানে ফুসফুসে 'ইওসিনোফিল' নামক এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা অতিরিক্ত মাত্রায় জমা হয়ে তীব্র প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে কাশির সাথে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হয়। এটি কোনো ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন নয় এবং সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকে কাজ হয় না। তবে স্টেরয়েড ওষুধ দিলে রোগী জাদুর মতো দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

পেশাগত বক্ষব্যাধি (Occupational lung disease) কেন এত বিপজ্জনক?

কাজের ক্ষেত্রে বিষাক্ত ধুলো (যেমন- পাথর ভাঙার সিলিকা ডাস্ট বা কেমিক্যাল) শ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করলে ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হয়। বিপজ্জনক ব্যাপার হলো, অনেক সময় কাজ ছেড়ে দেওয়ার ১০-২০ বছর পরও ফুসফুস ধীরে ধীরে শক্ত হতে থাকে এবং শ্বাসকষ্ট বাড়ে। এর কোনো স্থায়ী প্রতিকার নেই, তাই কাজের সময় মাস্ক পরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

অ্যালার্জিক ব্রঙ্কোপালমোনারি অ্যাসপারগিলোসিস (ABPA) হাঁপানি রোগীদের কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে?

যাদের আগে থেকেই হাঁপানি (Asthma) আছে, তাদের ফুসফুসে 'অ্যাসপারগিলাস' ফাঙ্গাস বাসা বাঁধলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত রিঅ্যাকশন করে। এর ফলে হাঁপানির টান মারাত্মক আকার ধারণ করে, শ্বাসনালী ব্লক হয়ে যায় এবং কাশির সাথে শক্ত কফের দলা বের হয়। দ্রুত চিকিৎসা না করালে শ্বাসনালী স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়।

বক্ষব্যাধিতে এমডি (MD) ডিগ্রির তাৎপর্য কী?

এমডি (ডক্টর অব মেডিসিন) হলো বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি। এই ডিগ্রি থাকার অর্থ হলো ডাঃ জীবন নেসা বক্ষব্যাধির ওপর দীর্ঘমেয়াদী, নিবিড় এবং সর্বোচ্চ স্তরের প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন, যা তাকে ফুসফুসের সবচেয়ে জটিল ও বিরল রোগগুলো সঠিকভাবে নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা দেওয়ার যোগ্যতা প্রদান করে।

শখ করে পাখি পুষলে কি ফুসফুসের ক্ষতি হতে পারে?

হ্যাঁ, সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হতে পারে। কবুতর বা অন্যান্য পাখির পালক বা বিষ্ঠায় থাকা প্রোটিন শ্বাসের সাথে ফুসফুসে গেলে "বার্ড ফ্যান্সিয়ার্স লাং" (Bird Fancier's Lung) নামক হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস হতে পারে। শুরুতে খুসখুসে কাশি দিয়ে শুরু হলেও, পাখি পোষা বাদ না দিলে ফুসফুস চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বিরল ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে ব্রঙ্কোঅ্যালভিওলার ল্যাভেজ (BAL) কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

ব্রঙ্কোস্কোপির মাধ্যমে ফুসফুসের ভেতরের পানি (BAL ফ্লুইড) সংগ্রহ করে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে দেখলে বোঝা যায় যে, প্রদাহের জন্য ঠিক কোন কোষটি দায়ী (যেমন অতিরিক্ত ইওসিনোফিল বা লিম্ফোসাইট)। সিটি স্ক্যানে অনেক সময় বিভিন্ন রোগ দেখতে একই রকম মনে হয়, তখন সঠিক রোগটি আলাদা করতে BAL সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01712-068684 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন