🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডপ

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল ✔ যাচাইকৃত

ফুসফুস বিশেষজ্ঞ (বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ)

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (রেসপিরেটরি মেডিসিন)
বুকের রোগ, ব্রঙ্কোস্কোপি ও থোরাকোস্কোপি বিশেষজ্ঞ
বক্ষব্যাধি বা ফুসফুস বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ডিজিজ, সারকয়ডোসিস, অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া, প্লুরাল ইফিউশন (ফুসফুসের আবরণে জল জমা), পালমোনারি এমবলিজম

🎓 কনসালট্যান্ট (রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ৮+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
66865বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট (রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল খুলনা শহরের সেরা পালমোনোলজিস্ট (বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ) এবং ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট হিসেবে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস (ফুসফুস শক্ত হয়ে যাওয়া), সারকয়ডোসিস এবং অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া)-এর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। প্লুরাল ইফিউশন (ফুসফুসে পানি জমা), পালমোনারি এমবোলিজম এবং উন্নত ব্রঙ্কোস্কোপিক চিকিৎসার জন্য তিনি অত্যন্ত দক্ষ। তিনি নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং ইন্টারভেনশনাল পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ও সুস্থতা নিশ্চিত করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৫:৩০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল – খুলনার সেরা বক্ষব্যাধি বা ফুসফুস, থোরাকোস্কোপি ও ব্রঙ্কোস্কোপি বিশেষজ্ঞ 

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি) বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট, যার বক্ষব্যাধি ও ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিতে ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস, সারকয়ডোসিস, অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া, প্লুরাল ইফিউশন এবং পালমোনারি এমবোলিজম-এর একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। ব্রঙ্কোস্কোপি ও থোরাকোস্কোপি বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগগুলো দ্রুত নির্ণয় ও চিকিৎসায় আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করেন।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বক্ষব্যাধিতে সর্বোচ্চ ডিগ্রি ডক্টর অব মেডিসিন (MD in Respiratory Medicine) অর্জন করেন। এই ডিগ্রি ফুসফুসের জটিল রোগ নির্ণয় এবং ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা পালমোনোলজিস্ট খুঁজতে গেলে রোগীরা তার সরকারি হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা এবং ব্রঙ্কোস্কোপিক দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পালমোনারি ফাইব্রোসিসের জন্য অ্যান্টি-ফাইব্রোটিক থেরাপি, সারকয়ডোসিসের বিশেষ ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা, স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য সিপ্যাপ (CPAP) থেরাপি, ফুসফুসে পানি জমার কারণ খুঁজতে মেডিকেল থোরাকোস্কোপি এবং পালমোনারি এমবোলিজমের জরুরি চিকিৎসা। তিনি আধুনিক বুকের এইচআরসিটি (HRCT), ডায়াগনস্টিক ব্রঙ্কোস্কোপি এবং স্লিপ স্টাডির ওপর ভিত্তি করে নির্ভুল চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ সুশান্ত কুমার পাল
প্রধান বিশেষজ্ঞতাপালমোনোলজি ও রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি)
উপ-বিশেষজ্ঞতাইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি (ব্রঙ্কোস্কোপি ও থোরাকোস্কোপি)
পদবীকনসালটেন্ট (রেসপিরেটরি মেডিসিন)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা৮+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (রেসপিরেটরি মেডিসিন) – ডক্টর অব মেডিসিন (বক্ষব্যাধি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (রেসপিরেটরি মেডিসিন)

  • কর্মস্থল: রেসপিরেটরি মেডিসিন (বক্ষব্যাধি) বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিসে (ফুসফুস শক্ত হওয়া) অ্যান্টি-ফাইব্রোটিক থেরাপি।

  • সারকয়ডোসিসে বিশেষ ইমিউনোসাপ্রেসিভ ও স্টেরয়েড চিকিৎসা।

  • অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় (ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া) সিপ্যাপ (CPAP) থেরাপি।

  • প্লুরাল ইফিউশনে (ফুসফুসে পানি জমা) পানি বের করা ও থোরাকোস্কোপি।

  • পালমোনারি এমবোলিজমে (ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধা) জরুরি অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট চিকিৎসা।

  • সিওপিডি (COPD) বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টে উন্নত ব্রঙ্কোডাইলেটর থেরাপি।

  • হাঁপানি বা অ্যাজমায় সুনির্দিষ্ট ইনহেলার ও অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ চিকিৎসা।

  • ব্রঙ্কিয়েক্টেসিসে জমে থাকা কফ বের করা এবং ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ।

  • নিউমোনিয়ায় কালচার-ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা।

  • যক্ষ্মা বা টিবি (TB) রোগে দীর্ঘমেয়াদী ডটস (DOTS) প্রটোকল।

  • ফুসফুসের ক্যানসারে ব্রঙ্কোস্কোপির মাধ্যমে দ্রুত রোগ নির্ণয় ও বায়োপসি।

  • দীর্ঘস্থায়ী খুসখুসে কাশির মূল কারণ নির্ণয় ও নিরাময়।

  • রেসপিরেটরি ফেইলিউরে জরুরি অক্সিজেন ও ভেন্টিলেশন সাপোর্ট।

  • অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিহিস্টামিন ও নেজাল স্প্রে।

  • এআরডিএস (ARDS) বা ফুসফুসের মারাত্মক প্রদাহে নিবিড় শ্বাসযন্ত্রের সাপোর্ট।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

  • ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি: পেট বা বুক না কেটে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ভেতরের পরীক্ষা এবং চিকিৎসা, যেমন- ব্রঙ্কোস্কোপি ও থোরাকোস্কোপি।

  • ইন্টারস্টিশিয়াল ও গ্রানুলোমাটাস লাং ডিজিজ: ফুসফুস শক্ত হয়ে যাওয়া (IPF) এবং সারকয়ডোসিসের মতো প্রদাহজনিত জটিল রোগগুলোর আধুনিক চিকিৎসা।

  • স্লিপ মেডিসিন ও পালমোনারি ভাস্কুলার কেয়ার: ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাঘাত ঘটা এবং ফুসফুসের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার মতো মারাত্মক অবস্থার চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

ডায়াগনস্টিক ও থেরাপিউটিক ব্রঙ্কোস্কোপি (Bronchoscopy)

এটি একটি এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষা যেখানে নাক বা মুখ দিয়ে একটি চিকন, নমনীয় ক্যামেরা ফুসফুসের শ্বাসনালীর ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এর মাধ্যমে ডাঃ পাল ফুসফুসের ভেতরের টিউমার, রক্তক্ষরণ বা আটকে থাকা কফ সরাসরি দেখতে পারেন এবং ক্যানসার বা যক্ষ্মা নির্ণয়ের জন্য টিস্যু (Biopsy) সংগ্রহ করতে পারেন।

মেডিকেল থোরাকোস্কোপি (Pleuroscopy)

ফুসফুস এবং বুকের পাঁজরের মাঝখানে বারবার পানি জমলে (প্লুরাল ইফিউশন) এই আধুনিক পরীক্ষাটি করা হয়। পাঁজরের মাঝে একটি ছোট ছিদ্র করে ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে ফুসফুসের বাইরের আবরণী পরীক্ষা করা হয় এবং পানি বের করে ক্যানসার বা যক্ষ্মা নিশ্চিত করার জন্য নিখুঁত বায়োপসি নেওয়া হয়।

পলিসমনোগ্রাফি (স্লিপ স্টাডি) ও সিপ্যাপ (CPAP)

রোগী ঘুমের মধ্যে কতবার শ্বাস বন্ধ করছেন, অক্সিজেনের মাত্রা কতটা কমছে—তা মাপার জন্য স্লিপ স্টাডি করা হয়। মারাত্মক স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়লে রোগীকে রাতে ঘুমানোর সময় একটি সিপ্যাপ (CPAP) মেশিন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়, যা বাতাসের চাপ দিয়ে শ্বাসনালী খোলা রাখে এবং নিরবচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করে।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস (IPF)

এটি ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক রোগ যার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা নেই। এতে ফুসফুসের নরম টিস্যুগুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে শক্ত (Fibrosis/স্কারিং) হয়ে যায়। এর ফলে রোগীর সারাক্ষণ শুকনো কাশি থাকে এবং শ্বাসকষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকে। বিশেষ অ্যান্টি-ফাইব্রোটিক ওষুধের মাধ্যমে এই শক্ত হওয়ার গতি ধীর করা হয়।

সারকয়ডোসিস (Sarcoidosis)

এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অস্বাভাবিক প্রদাহজনিত রোগ। এই রোগে ফুসফুস এবং লসিকা গ্রন্থিতে (Lymph nodes) প্রদাহ হয়ে ছোট ছোট গুটি বা গ্রানুলোমা তৈরি হয়। এর কারণে বুকে ব্যথা, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হয়। অনেক সময় এটি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়, তবে জটিল হলে স্টেরয়েড ওষুধের প্রয়োজন হয়।

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)

এটি একটি মারাত্মক স্লিপ ডিসঅর্ডার যেখানে ঘুমানোর সময় গলার পেশীগুলো শিথিল হয়ে শ্বাসনালীকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। ফলে রোগী ঘুমের মধ্যেই কিছুক্ষণের জন্য শ্বাস নিতে পারে না এবং নাক ডাকার সাথে সাথে হঠাৎ দম আটকে জেগে ওঠে। চিকিৎসা না করালে এটি উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ সুশান্ত কুমার পাল অত্যন্ত সহানুভূতি ও মনোযোগের সাথে রোগীর শ্বাসকষ্টের ধরন শোনেন। তিনি ব্রঙ্কোস্কোপির মতো ইন্টারভেনশনাল পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন। ক্রনিক ফুসফুসের রোগীদের জন্য তিনি এমন একটি চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন যা তাদের দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: যদি কোনো রোগীর হঠাৎ করে বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং সাথে শ্বাসকষ্ট ও কাশির সাথে তাজা রক্ত আসে (পালমোনারি এমবোলিজমের লক্ষণ), হঠাৎ প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় যা ইনহেলার নিলেও কমে না, অথবা ফুসফুসে পানি জমার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ

  • সদস্য, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা বুকের এক্স-রে, এইচআরসিটি (HRCT) স্ক্যান এবং স্পাইরোমেট্রি বা স্লিপ স্টাডির রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা আনবেন এবং আপনার ব্যবহৃত ইনহেলারগুলো সাথে আনবেন।

  • নাক ডাকার তীব্রতা, দিনে অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া বা কাশির ধরন একটি ডায়রিতে লিখে আনলে ভালো হয়।

  • যদি ব্রঙ্কোস্কোপি বা থোরাকোস্কোপির মতো কোনো এন্ডোস্কোপিক পরীক্ষার পরিকল্পনা থাকে, তবে অবশ্যই একজন স্বজনকে সাথে আনবেন, কারণ এতে হালকা ঘুমের ওষুধের প্রয়োজন হয়।

Last Modified: October 24, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

ব্রঙ্কোস্কোপি এবং থোরাকোস্কোপির মধ্যে পার্থক্য কী?

ব্রঙ্কোস্কোপি হলো নাক বা মুখ দিয়ে নল ঢুকিয়ে ফুসফুসের ভেতরের শ্বাসনালী পরীক্ষা করা, যা কফ পরিষ্কার করতে বা ভেতরের টিউমার দেখতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে থোরাকোস্কোপি হলো পাঁজরের মাঝে ছোট ছিদ্র করে ফুসফুসের বাইরের অংশ এবং বুকের দেয়াল পরীক্ষা করা, যা মূলত ফুসফুসের বাইরের পানি (Pleural effusion) বের করতে এবং যক্ষ্মা বা ক্যানসারের বায়োপসি নিতে ব্যবহৃত হয়।

ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিস (IPF) রোগটি কি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য?

'ইডিওপ্যাথিক' মানে হলো এর কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানা নেই। এই রোগে ফুসফুসে স্কার (দাগ) পড়ে তা শক্ত হয়ে যায়। শরীরের কোথাও স্কার তৈরি হলে তা আর কখনো আগের মতো নরম ও স্বাভাবিক হয় না। তাই এই রোগ পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো বিশেষ অ্যান্টি-ফাইব্রোটিক ওষুধ দিয়ে ফুসফুস শক্ত হওয়ার এই গতিকে ধীর করা।

সারকয়ডোসিস কীভাবে ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এর চিকিৎসা কী?

সারকয়ডোসিস হলো শরীরের ইমিউন সিস্টেমের অতিরিক্ত রিঅ্যাকশন, যার ফলে ফুসফুসে ছোট ছোট প্রদাহের গুটি (Granuloma) তৈরি হয়। এর ফলে কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এটি নিজে থেকেই কয়েক বছরের মধ্যে সেরে যায়। তবে রোগটি ক্রনিক হলে ফুসফুসকে স্থায়ী ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে দীর্ঘমেয়াদে স্টেরয়েড বা ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধ দিতে হয়।

নাক ডাকা মানেই কি স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea)?

উচ্চস্বরে নাক ডাকা স্লিপ অ্যাপনিয়ার একটি প্রধান লক্ষণ ঠিকই, কিন্তু নাক ডাকা মানেই স্লিপ অ্যাপনিয়া নয়। স্লিপ অ্যাপনিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ঘুমের মধ্যে কয়েক সেকেন্ডের জন্য শ্বাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং এরপর হঠাৎ দম আটকে জেগে ওঠা। স্লিপ স্টাডি (Polysomnography) করার মাধ্যমেই কেবল সাধারণ নাক ডাকা এবং বিপজ্জনক স্লিপ অ্যাপনিয়ার মধ্যে পার্থক্য করা যায়।

পালমোনারি এমবোলিজম (PE) কী এবং কেন এটি একটি ইমার্জেন্সি অবস্থা?

পালমোনারি এমবোলিজম হলো ফুসফুসের রক্তনালীতে হঠাৎ রক্ত জমাট বাঁধা, যা সাধারণত পায়ের গভীর শিরা (DVT) থেকে ছুটে এসে ফুসফুসে পৌঁছায়। এটি একটি মারাত্মক ইমার্জেন্সি কারণ রক্তনালী ব্লক হয়ে যাওয়ার ফলে ফুসফুসের ওই অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং হার্টের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। দ্রুত চিকিৎসা না করলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

প্লুরাল ইফিউশন বা ফুসফুসে পানি জমা কেন হয় এবং এটি কীভাবে বের করা হয়?

হার্ট ফেইলিউর, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা (TB) অথবা ফুসফুসের ক্যানসারের কারণে ফুসফুস এবং বুকের পাঁজরের মাঝখানের স্তরে অতিরিক্ত পানি জমতে পারে। সিরিঞ্জ বা ছোট টিউবের সাহায্যে পাঁজরের মাঝখান দিয়ে ফুটো করে এই পানি বের করে আনা হয় (Thoracentesis), যা রোগীর শ্বাসকষ্ট কমায় এবং পানি পরীক্ষা করে আসল রোগটি নির্ণয় করা যায়।

ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট হওয়ার সুবিধা কী?

সাধারণ বক্ষব্যাধি চিকিৎসকরা শুধু ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করেন। কিন্তু একজন ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট ব্রঙ্কোস্কোপি ও থোরাকোস্কোপির মতো অত্যাধুনিক এন্ডোস্কোপিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে পেট বা বুক না কেটেই ফুসফুসের ভেতরে গিয়ে সরাসরি রোগ নির্ণয় করতে, বায়োপসি নিতে এবং অনেক সময় আটকে থাকা শ্বাসনালী খুলে দিতে পারেন।

বক্ষব্যাধিতে এমডি (MD) ডিগ্রি থাকার গুরুত্ব কতটুকু?

এমডি (MD) বা ডক্টর অব মেডিসিন হলো বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের সর্বোচ্চ ক্লিনিক্যাল ডিগ্রি। রেসপিরেটরি মেডিসিনে এই ডিগ্রি থাকার অর্থ হলো চিকিৎসক শ্বাসতন্ত্রের সবচেয়ে জটিল, বিরল এবং মারাত্মক রোগগুলোর নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসার ওপর অত্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী এবং নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন