🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সব

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আফজালুল বাশার ✔ যাচাইকৃত

নেফ্রোলজিস্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর, ডায়ালাইসিস ব্যবস্থাপনা, গ্লোমেরুলার রোগ

🎓 সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল

💼 ১৫+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
53302বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি বিভাগ) — খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ক্রনিক কিডনি রোগ, কিডনি পাথর এবং ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, ডায়ালিসিস, গ্লোমেরুলার ডিজিজ এবং অভ্যন্তরীণ মেডিসিনের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং নেফ্রোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৩:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো. আফজালুল বাশার – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ 

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, কিডনি পাথর, ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা এবং জটিল গ্লোমেরুলার রোগের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, তরল-ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য এবং রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার দেড় দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ক্রনিক কিডনি রোগের রেনোপ্রোটেক্টিভ প্রোটোকল, কিডনি পাথরের বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ, হেমোডায়ালিসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা, গ্লোমেরুলার রোগের জন্য ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপি এবং উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতির চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার
প্রধান বিশেষজ্ঞতানেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিদনি ও মেডিসিন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা, কিডনি পাথর ও গ্লোমেরুলার কেয়ার
পদবীসহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১৫+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)

  • কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।

  • ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।

  • গ্লোমেরুলার রোগে সুনির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট লাগে।

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

  • উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।

  • অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।

  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।

  • লুপাস নেফ্রাইটিসে রিউমাটোলজিক্যাল নেফ্রোলজি কেয়ার।

  • টিউবুলোইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসে বিষাক্ততা দূর করা লাগে।

  • রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে খনিজ হাড়ের যত্ন প্রয়োজন।

  • প্রোটিনুরিয়া মূল্যায়নে প্রাথমিক কিডনি ক্ষতি ধরা পড়ে।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার নেফ্রোলজি এবং ইন্টারনাল মেডিসিনের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) কেয়ার: কিডনি রোগের অগ্রগতি ধীর করতে স্টেজ অনুযায়ী ডায়েট, রেনোপ্রোটেক্টিভ থেরাপি ও চিকিৎসা সেবা।

  • ডায়ালিসিস ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস কেয়ার: হেমোডায়ালিসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসের সূচনা, তদারকি এবং ডায়ালিসিস জটিলতার ব্যবস্থাপনা।

  • গ্লোমেরুলার ডিজিজ ও নেফ্রোপ্যাথি: গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস ও নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের জন্য রেনাল বায়োপসি এবং সুনির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা।

  • কিদনি পাথর ও মেটাবলিক কেয়ার: রিকারেন্ট নেফ্রোলিয়াসিস প্রতিরোধে বিপাকীয় মূল্যায়ন, পাথর বিশ্লেষণ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি

আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লোমেরুলার রোগ নির্ণয়।

হেমোডায়ালিসিস ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা

হেমোডায়ালিসিস সেশনের তদারকি, ফিস্টুলা কেয়ার এবং কিডনি রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখা।

রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার মূল্যায়ন

কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD)

সময়ের সাথে সাথে কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাওয়া রোগ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

গ্লোমেরুলার ডিজিজ (Glomerulonephritis)

কিদনির রক্ত ছাঁকনি ইউনিট গ্লোমেরুলাইয়ে প্রদাহ হওয়া, যার ফলে প্রস্রাবে প্রোটিন ও রক্ত যায় এবং সুনির্দিষ্ট চিকিৎসায় ভালো হয়।

কিডনি পাথর (Nephrolithiasis)

কিডনির ভেতরে খনিজ ও লবণের কঠিন কণা জমা হওয়া, যা তীব্র কোমর ব্যথা ও রক্তপ্রস্রাবের সৃষ্টি করে, যার জন্য সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মো. আফজালুল বাশার প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইউরিয়া এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।

  • সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং ডায়ালিসিস সামারি শিট সাথে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 19, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ বা উপসর্গগুলো কী কী?

কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করলে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পা, গোড়ালি বা মুখে ফোলাভাব (এডিমা), ফেনাযুক্ত প্রস্রাব, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং বিনা কারণে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (eGFR) রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই এই সমস্যা ধরা সম্ভব। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।

ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) বিভিন্ন স্টেজে কীভাবে পরিচালনা করা হয়?

ক্রনিক কিডনি ডিজিজকে জিএফআর-এর মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ১ থেকে ৫টি স্টেজে ভাগ করা হয়। এর চিকিৎসায় মূল রোগ (যেমন ডায়াবেটিস বা উচ্চ প্রেশার) কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখা, প্রোটিন ও লবণের পরিমাণ সীমিত করা এবং নেফ্রোটক্সিক ওষুধ বর্জন করা হয়। নেফ্রোলজিস্টরা প্রতিটি স্টেজে সুনির্দিষ্ট রেনোপ্রোটেক্টিভ ওষুধ দিয়ে কিডনির কার্যক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করেন।

হেমোডায়ালিসিস এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসের মধ্যে মূল পার্থক্য কোথায়?

হেমোডায়ালিসিসে মেশিনের সাহায্যে শরীরের বাইরে কৃত্রিম ফিল্ডারে রক্ত পরিষ্কার করা হয় এবং সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালিসিস সেন্টারে যেতে হয়। অন্যদিকে পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসে রোগীর পেটের ভেতরের প্রাকৃতিক পর্দা বা পেরিটোনিয়াল মেমব্রেন ব্যবহার করে বাড়িতেই প্রতিদিন ডায়ালিসিস ফ্লুইড এক্সচেঞ্জ করা হয়। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে নেফ্রোলজিস্ট সঠিক পদ্ধতি নির্বাচন করেন।

জটিল গ্লোমেরুলার রোগ নির্ণয়ে রেনাল বায়োপসি বা কিডনি বায়োপসি কেন অত্যন্ত জরুরি?

গ্লোমেরুলার রোগে প্রস্রাবে প্রোটিন ও রক্ত গেলেও এর অন্তর্নিহিত কারণ ভিন্ন হতে পারে, যার জন্য সুনির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধের প্রয়োজন হয়। রেনাল বায়োপসির মাধ্যমে কিডনি টিস্যু মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে সঠিক গ্লোমেরোনেফ্রাইটিসের ধরন নিশ্চিত করা যায়। এই নির্ভুল ডায়াগনস্টিক তথ্য রোগীকে সঠিক ও টার্গেটেড চিকিৎসায় সুস্থ করে তুলতে সাহায্য করে।

পুনরায় কিডনি পাথর হওয়া রোধ করার জন্য কোন নিয়মগুলো মেনে চলা উচিত?

পুনরায় পাথর হওয়া রোধ করতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে পর্যাপ্ত প্রস্রাব নিশ্চিত করতে হবে, খাবারে লবণ ও অ্যানিমেল প্রোটিন কমাতে হবে এবং পাথরের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাবার বর্জন করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে বিপাকীয় ত্রুটি খুঁজে বের করে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করলে পাথর গঠন সফলভাবে প্রতিরোধ করা যায়।

ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি কীভাবে কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং তা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

দীর্ঘদিন ধরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে তা কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালী ও ছাঁকনিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে প্রস্রাবে প্রোটিন লিক হতে শুরু করে এবং কিডনি দুর্বল হয়। এটি প্রতিরোধে সুগার কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখা, এসিই ইনহিবিটর বা এআরবি জাতীয় ওষুধ দিয়ে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা এবং নিয়মিত মাইক্রোঅ্যালবুমিন পরীক্ষা করা আবশ্যক।

উন্নত ক্রনিক কিডনি রোগে ডায়েট বা খাদ্য তালিকায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন?

উন্নত ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনির ওপর চাপ কমাতে আমিষ বা প্রোটিনের পরিমাণ সীমিত করা, রক্তে পটাশিয়াম ও ফসফরাস বেড়ে গেলে সেই অনুযায়ী ফলমূল ও শাকসবজি নিয়ন্ত্রণ করা এবং শরীরে পানি জমা রোধ করতে লবণ কঠোরভাবে বর্জন করা উচিত। ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম ডায়েট চার্ট মেনে চলা জরুরি।

অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI) দেখা দিলে কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত?

হঠাৎ করে সিরাম ক্রিয়েটিনিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পেলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির এই হঠাৎ ক্ষতি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী ডায়ালিসিসের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

ডাঃ মো. আফজালুল বাশারের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা (R/M ও Protein-Creatinine Ratio) সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা ডায়ালিসিস শিট সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ আফজালুল বাশার নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন