🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সব

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী ✔ যাচাইকৃত

নেফ্রোলজিস্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: কিডনি মেডিসিন, ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, হেমাচুরিয়া (প্রস্রাবের সাথে রক্ত ​​যাওয়া) সংক্রান্ত সমস্যা

🎓 ​​সহকারী অধ্যাপক, (নেফ্রোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (সাবেক)

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
51755বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

​​সহকারী অধ্যাপক, (নেফ্রোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (সাবেক)

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস এবং অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা এবং ইন্টারনাল মেডিসিনের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং নেফ্রোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ প্রধান 📍 Khulna

🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, হেমাটুরিয়া মূল্যায়ন এবং অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতার একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, ডায়াবেটিসজনিত রেনাল জটিলতা এবং তরল-ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য রক্ষায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথির রেনোপ্রোটেক্টিভ প্রোটোকল, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসা, হেমাটুরিয়া বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান এবং অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার নিখুঁত ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী
প্রধান বিশেষজ্ঞতানেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিডনি ও মেডিসিন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাউচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও রেনাল কেয়ার
পদবীসহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি, সাবেক)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (সাবেক)
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)

  • কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (সাবেক)

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

  • ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসে প্রদাহরোধী চিকিৎসা লাগে।

  • হেমাটুরিয়া মূল্যায়নে রক্তপাতের উৎস ধরা পড়ে।

  • অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যে নিখুঁত কারেকশন প্রয়োজন।

  • ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।

  • ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।

  • উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।

  • অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।

  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।

  • লুপাস নেফ্রাইটিসে রিউমাটোলজিক্যাল নেফ্রোলজি কেয়ার।

  • রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে খনিজ হাড়ের যত্ন প্রয়োজন।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী নেফ্রোলজি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি ও কিডনি কেয়ার: ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা কঠোর নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনি সুরক্ষার আধুনিক রেনোপ্রোটেক্টিভ চিকিৎসা।

  • ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস ও রেনাল কেয়ার: ওষুধ বা সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস এবং রেনাল প্যারেনকাইমাল রোগের ডায়াগনস্টিক ও মেডিকেল ব্যবস্থাপনা।

  • হেমাটুরিয়া ও প্রোটিনুরিয়া মূল্যায়ন: প্রস্রাবের সাথে রক্ত বা প্রোটিন লিক হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় ও গ্লোমেরুলার রোগ মূল্যায়ন।

  • অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট ডিসঅর্ডার: শরীরের অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা এবং তীব্র ইলেক্ট্রোলাইট জটিলতার জন্য সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রোটোকল।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি

আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে ইন্টারস্টিশিয়াল ও গ্লোমেরুলার রোগ নির্ণয়।

হেমোডায়ালিসিস ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা

হেমোডায়ালিসিস সেশনের তদারকি, ফিস্টুলা কেয়ার এবং কিডনি রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখা।

রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার মূল্যায়ন

কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি (Diabetic Nephropathy)

দীর্ঘমেয়াদী ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সমস্যা, যা সঠিক সুগার ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণে ভালো রাখা যায়।

ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস (Interstitial Nephropathy)

কিডনির টিউবুল ও পার্শ্ববর্তী টিস্যুতে প্রদাহ হওয়া, যা সাধারণত ওষুধ বা সংক্রমণের কারণে ঘটে এবং চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য।

অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা (Acid-Base Disorders)

রক্তে অ্যাসিড ও ক্ষারের মাত্রায় অস্বাভাবিক তারতম্য, যা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও ইলেক্ট্রোলাইট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্বাভাবিক করা হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইউরিয়া এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।

  • সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং ইউরিন টেস্ট রিপোর্ট সাথে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 19, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ বা উপসর্গগুলো কী কী?

কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করলে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পা, গোড়ালি বা মুখে ফোলাভাব (এডিমা), ফেনাযুক্ত প্রস্রাব, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং বিনা কারণে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (eGFR) রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই এই সমস্যা ধরা সম্ভব। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।

ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি কেন হয় এবং এর অগ্রগতি কীভাবে ধীর করা যায়?

দীর্ঘদিন ধরে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা কিডনির রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি সৃষ্টি করে। এর অগ্রগতি ধীর করতে কঠোরভাবে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা, এসিই ইনহিবিটর জাতীয় ওষুধ দিয়ে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা এবং নিয়মিত মাইক্রোঅ্যালবুমিন পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস রোগটি কী এবং এটি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস হলো কিডনির টিউবুল ও আশেপাশের টিস্যুতে প্রদাহ হওয়ার একটি অবস্থা, যা সাধারণত কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা সংক্রমণের কারণে হয়। প্রস্রাব পরীক্ষা, রোগীর ওষুধের ইতিহাস এবং প্রয়োজনে রেনাল বায়োপসি করে এটি নির্ণয় করা হয়। সন্দেহভাজন ওষুধটি দ্রুত বন্ধ করা এর প্রধান চিকিৎসা।

হেমাটুরিয়া বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে কোন বিষয়গুলো দেখা হয়?

প্রস্রাবে রক্ত যাওয়ার কারণ কিডনি, মূত্রনালী, পাথর বা অন্য কোনো গ্লোমেরুলার রোগ থেকে হতে পারে। মাইক্রোস্কোপিক হেমাটুরিয়া এবং ম্যাক্রোস্কোপিক হেমাটুরিয়ার পার্থক্য বুঝতে প্রস্রাবের আর/এম, ফেজ-কনট্রাস্ট মাইক্রোস্কোপি এবং পেটের আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করা হয়। সুনির্দিষ্ট উৎস শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা বা অ্যাসিডোসিস কেন স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক?

শরীরের রক্তে অ্যাসিড ও ক্ষারের সঠিক ভারসাম্য না থাকলে শরীরের এনজাইম ও কোষগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যা হৃদস্পন্দন ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। নেফ্রোলজিস্টরা রক্ত পরীক্ষার (ABG) মাধ্যমে অ্যাসিডোসিস বা অ্যালকোহলজনিত সমস্যা নির্ণয় করে সুনির্দিষ্ট কারেকশন থেরাপি দেন।

জটিল কিডনি রোগ নির্ণয়ে রেনাল বায়োপসি বা কিডনি বায়োপসি কেন অত্যন্ত জরুরি?

গ্লোমেরুলার বা ইন্টারস্টিশিয়াল রোগে প্রস্রাবে প্রোটিন ও রক্ত গেলেও এর অন্তর্নিহিত কারণ ভিন্ন হতে পারে, যার জন্য সুনির্দিষ্ট ওষুধের প্রয়োজন হয়। রেনাল বায়োপসির মাধ্যমে কিডনি টিস্যু মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়। এই নির্ভুল ডায়াগনস্টিক তথ্য রোগীকে সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ করে তুলতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি সুরক্ষায় প্রতিদিন কোন অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা উচিত?

ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি সুরক্ষায় নিয়মিত সুগার মাপা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান বর্জন করা, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওভার-দ্য-কাউন্টার পেইন কিলার না খাওয়া এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। বছরে অন্তত একবার সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও প্রস্রাবে মাইক্রোঅ্যালবুমিন পরীক্ষা করা আবশ্যক।

অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI) দেখা দিলে কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত?

হঠাৎ করে সিরাম ক্রিয়েটিনিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির এই হঠাৎ ক্ষতি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব হয়।

ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা (R/M ও Protein-Creatinine Ratio) সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান রিপোর্ট সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711 894 175 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন