সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, হেমাটুরিয়া মূল্যায়ন এবং অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতার একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।
প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, ডায়াবেটিসজনিত রেনাল জটিলতা এবং তরল-ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য রক্ষায় তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথির রেনোপ্রোটেক্টিভ প্রোটোকল, ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসের ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসা, হেমাটুরিয়া বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান এবং অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার নিখুঁত ব্যবস্থাপনা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।
এক নজরে প্রোফাইল
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | নেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিডনি ও মেডিসিন) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও রেনাল কেয়ার |
| পদবী | সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি, সাবেক) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (সাবেক) |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
যোগ্যতা ও শিক্ষা
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)
পদবী ও কর্মস্থল
যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসে প্রদাহরোধী চিকিৎসা লাগে।
হেমাটুরিয়া মূল্যায়নে রক্তপাতের উৎস ধরা পড়ে।
অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যে নিখুঁত কারেকশন প্রয়োজন।
ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।
কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।
ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।
উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।
নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।
মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।
ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।
পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।
লুপাস নেফ্রাইটিসে রিউমাটোলজিক্যাল নেফ্রোলজি কেয়ার।
রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে খনিজ হাড়ের যত্ন প্রয়োজন।
ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী নেফ্রোলজি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি ও কিডনি কেয়ার: ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা কঠোর নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনি সুরক্ষার আধুনিক রেনোপ্রোটেক্টিভ চিকিৎসা।
ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস ও রেনাল কেয়ার: ওষুধ বা সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস এবং রেনাল প্যারেনকাইমাল রোগের ডায়াগনস্টিক ও মেডিকেল ব্যবস্থাপনা।
হেমাটুরিয়া ও প্রোটিনুরিয়া মূল্যায়ন: প্রস্রাবের সাথে রক্ত বা প্রোটিন লিক হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় ও গ্লোমেরুলার রোগ মূল্যায়ন।
অ্যাসিড-বেস ও ইলেক্ট্রোলাইট ডিসঅর্ডার: শরীরের অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা এবং তীব্র ইলেক্ট্রোলাইট জটিলতার জন্য সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রোটোকল।
অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ
পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি
আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে ইন্টারস্টিশিয়াল ও গ্লোমেরুলার রোগ নির্ণয়।
হেমোডায়ালিসিস ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা
হেমোডায়ালিসিস সেশনের তদারকি, ফিস্টুলা কেয়ার এবং কিডনি রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখা।
রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার মূল্যায়ন
কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।
কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি (Diabetic Nephropathy)
দীর্ঘমেয়াদী ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সমস্যা, যা সঠিক সুগার ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণে ভালো রাখা যায়।
ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস (Interstitial Nephropathy)
কিডনির টিউবুল ও পার্শ্ববর্তী টিস্যুতে প্রদাহ হওয়া, যা সাধারণত ওষুধ বা সংক্রমণের কারণে ঘটে এবং চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য।
অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা (Acid-Base Disorders)
রক্তে অ্যাসিড ও ক্ষারের মাত্রায় অস্বাভাবিক তারতম্য, যা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও ইলেক্ট্রোলাইট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্বাভাবিক করা হয়।
ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ সিদ্ধার্থ বাওয়ালী প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন।
বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)
সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)
রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি
পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইউরিয়া এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং ইউরিন টেস্ট রিপোর্ট সাথে রাখুন।
রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 19, 2026