এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
🎯 দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর, ডায়ালাইসিস ব্যবস্থাপনা, গ্লোমেরুলার রোগ
প্রোফাইল দেখুন →নেফ্রোলজিস্ট
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (নেফ্রোলজিস্ট)
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অ্যাকিউট কিডনি সমস্যা (হঠাৎ কিডনি বিকল হওয়া), ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা, প্রোটিনুরিয়া (প্রস্রাবের সাথে প্রোটিন যাওয়া), কিডনি প্রতিস্থাপন, পলিসিস্টিক কিডনি রোগ
🎓 সহকারী অধ্যাপক, (নেফ্রোলজি বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
সহকারী অধ্যাপক, (নেফ্রোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা এবং কিডনি প্রতিস্থাপনের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, ডায়ালিসিস এবং অভ্যন্তরীণ মেডিসিনের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং নেফ্রোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা, প্রোটিনুরিয়া বা প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া, কিডনি প্রতিস্থাপন এবং পলিসিস্টিক কিডনি রোগের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, তরল-ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য এবং রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার দীর্ঘ দুই দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরির জরুরি রিসাসসিটেশন প্রোটোকল, গুরুতর ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার নিখুঁত কারেকশন চিকিৎসা, প্রোটিনুরিয়া হ্রাসের মাধ্যমে কিডনি সুরক্ষা, কিডনি প্রতিস্থাপন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মূল্যায়ন এবং পলিসিস্টিক কিডনি রোগের জিনগত মনিটরিং। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | নেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিদনি ও মেডিসিন) |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা, ইলেক্ট্রোলাইট রোগ ও কিডনি প্রতিস্থাপন কেয়ার |
| পদবী | সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১৮+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)
পদবী: সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)
কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট স্থিতিশীলতা লাগে।
ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় নিখুঁত কারেকশন প্রয়োজন।
প্রোটিনুরিয়া পরিচর্যায় সুনির্দিষ্ট রেনোপ্রোটেক্টিভ থেরাপি লাগে।
কিডনি প্রতিস্থাপন মূল্যায়নে সঠিক গ্রহীতা নির্বাচন হয়।
পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।
ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।
কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।
ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।
ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।
নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।
মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।
লুপাস নেফ্রাইটিসে রিউমাটোলজিক্যাল নেফ্রোলজি কেয়ার।
টিউবুলোইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিসে বিষাক্ততা দূর করা লাগে।
রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে খনিজ হাড়ের যত্ন প্রয়োজন।
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার নেফ্রোলজি এবং ইন্টারনাল মেডিসিনের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি ও ক্রিটিক্যাল নেফ্রোলজি: তীব্র কিডনি ফেইলিওরের রোগীদের জন্য জরুরি আইসিইউ সাপোর্ট, হেমোডায়ালিসিস এবং রেনাল রিপ্লেসমেন্ট চিকিৎসা।
ইলেকট্রোলাইট ও অ্যাসিড-বেস ডিসঅর্ডার: সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং শরীরের অ্যাসিড-বেস মারাত্মক ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রোটোকল।
প্রোটিনুরিয়া ও গ্লোমেরুলার কেয়ার: প্রস্রাবে প্রোটিন লিক হওয়া রোধ করতে এবং গ্লোমেরুলার কার্যক্ষমতা রক্ষায় আধুনিক রেনোপ্রোটেক্টিভ চিকিৎসা।
কিডনি প্রতিস্থাপন ও পলিসিস্টিক কেয়ার: রেনাল ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য প্রি-ট্রান্সপ্লান্ট ওয়ার্কআপ, পোস্ট-ট্রান্সপ্লান্ট ফলোআপ এবং পলিসিস্টিক কিডনি রোগের সমন্বিত কেয়ার।
আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লোমেরুলার রোগ নির্ণয়।
হেমোডায়ালিসিস সেশনের তদারকি, ফিস্টুলা কেয়ার এবং কিডনি রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখা।
কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।
ঘণ্টা বা দিনের ব্যবধানে কিডনির কার্যক্ষমতা হঠাৎ হ্রাস পাওয়া সমস্যা, যা জরুরি ফ্লুইড থেরাপি, ইলেক্ট্রোলাইট কারেকশন ও ডায়ালিসিসে ভালো হয়।
প্রস্রাবের সাথে অতিরিক্ত প্রোটিন নির্গত হওয়া যা কিডনির ফিল্টারিং ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণ, যা সুনির্দিষ্ট ওষুধ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভালো থাকে।
বংশগত জিনগত ত্রুটির কারণে কিডনিতে অসংখ্য তরলপূর্ণ সিস্ট তৈরি হওয়া রোগ, যার জন্য নিয়মিত মনিটরিং ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি।
অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ পলাশ তরফদার প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)
সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)
পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইউরিয়া এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং ডায়ালিসিস সামারি শিট সাথে রাখুন।
রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 19, 2026
কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করলে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পা, গোড়ালি বা মুখে ফোলাভাব (এডিমা), ফেনাযুক্ত প্রস্রাব, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং বিনা কারণে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (eGFR) রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই এই সমস্যা ধরা সম্ভব। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।
অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরির মূল কারণ চিহ্নিত করে তা নিরাময়, শরীরের ফ্লুইড ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখা এবং কিডনির জন্য ক্ষতিকর ওষুধ বর্জন করা হয়। গুরুতর ক্ষেত্রে ফুসফুসে পানি জমা বা তীব্র পটাশিয়াম বাড়লে তাৎক্ষণিকভাবে ডায়ালিসিস শুরু করা হয়। দ্রুত চিকিৎসায় কিডনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়া (হাইপারক্যালেমিয়া) বা সোডিয়াম কমে যাওয়ার (হাইপোনেট্রিমিয়া) মতো গুরুতর ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটিয়ে প্রাণঘাতী অ্যারিথমিয়া বা খিঁচুনি তৈরি করতে পারে। নেফ্রোলজিস্টরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রোটোকল অনুসরণ করে এই ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করেন।
প্রস্রাবের সাথে অতিরিক্ত প্রোটিন লিক হওয়া কিডনির গ্লোমেরুলাইয়ের স্কারিং দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। এসিই ইনহিবিটর বা এআরবি জাতীয় টার্গেটেড ওষুধের মাধ্যমে প্রোটিনুরিয়া কমিয়ে গ্লোমেরুলার ওপর চাপ কমানো হয়। সঠিক প্রোটিনুরিয়া পরিচর্যা কিডনির আয়ুষ্কাল উল্লেখযোগ্যভাবে দীর্ঘায়িত করে।
কিডনি প্রতিস্থাপনের আগে রোগীর শারীরিক স্থায়িত্ব, ইমিউনোলজি, হৃদরোগের ঝুঁকি এবং মানসিক প্রস্তুতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করা হয়। দাতা ও গ্রহীতার টিস্যু ম্যাচিং, ব্লাড গ্রুপ ও ভাসকুলার অ্যানাটমি পরীক্ষা করে উপযুক্ততা নিশ্চিত করা হয়। নেফ্রোলজিস্ট ও ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন মিলে সফল প্রতিস্থাপনের রূপরেখা তৈরি করেন।
পলিসিস্টিক কিডনি রোগে জিনগত ত্রুটির কারণে সময়ের সাথে সাথে কিডনিতে অসংখ্য সিস্ট বড় হতে থাকে, যা সুস্থ রেনাল টিস্যুকে চাপ দিয়ে সংকুচিত করে এবং কিডনির আকার বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, কোমর ব্যথা এবং ক্রনিক কিডনি রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। নেফ্রোলজিস্টের নিয়মিত তদারকিতে এই রোগ সফলভাবে পরিচালনা করা যায়।
পুনরায় পাথর হওয়া রোধ করতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে পর্যাপ্ত প্রস্রাব নিশ্চিত করতে হবে, খাবারে লবণ ও অ্যানিমেল প্রোটিন কমাতে হবে এবং পাথরের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাবার বর্জন করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে বিপাকীয় ত্রুটি খুঁজে বের করে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করলে পাথর গঠন সফলভাবে প্রতিরোধ করা যায়।
রক্ত পরীক্ষায় পটাশিয়াম বা সোডিয়ামের মাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পাওয়া গেলে এবং রোগীর মধ্যে মানসিক বিভ্রান্তি, পেশী দুর্বলতা বা হৃদস্পন্দনে অনিয়মের লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের কাছে যেতে হবে। তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা বড় ধরনের বিপদ এড়াতে সাহায্য করে।
রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা (R/M ও Protein-Creatinine Ratio) সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা ডায়ালিসিস শিট সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ পলাশ তরফদার নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।