🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
সআ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম ✔ যাচাইকৃত

নেফ্রোলজিস্ট

এমবিবিএস, এমসিপিএস (মেডিসিন), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নেফ্রোলজি), ফেলো-আইএসপিডি (হংকং)
কিডনি রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি (কিডনিজনিত হাড়ের রোগ), সিস্টিনুরিয়া, রেনাল আর্টারি (কিডনির ধমনী) সংক্রান্ত সমস্যা, টিউবুলার অ্যাসিডোসিস এবং মূত্রনালীর রোগ।

🎓 সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি বিভাগ)

🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

💼 ১৩+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি বিভাগ) — শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১৩ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি, সিস্টিনুরিয়া পরিচর্যা এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, ডায়ালিসিস, রেনাল আর্টারি জটিলতা এবং অ্যাসিডোসিসের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। হংকংয়ের আইএসপিডি (ISPD) ফেলোশিপ এবং এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 City Heart Diagnostic & Consultation Center · Diagnostic Center

📍 ৪৩, কে.ডি.এ. এভিনিউ, ময়লাপোতা, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৩:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি, সিস্টিনুরিয়া, রেনাল আর্টারি রোগ, রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস এবং জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি মেডিসিনে এমসিপিএস (MCPS), এফসিপিএস (FCPS) এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি হংকং থেকে পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসে মর্যাদাপূর্ণ আইএসপিডি (ISPD) ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার দেড় দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফির জন্য হাড় ও খনিজ বিপাক ব্যবস্থাপনা, সিস্টিনুরিয়ার মেটাবলিক কেয়ার, রেনাল আর্টারি রোগের ভাসকুলার মূল্যায়ন, রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিসের অ্যাসিড-বেস কারেকশন এবং জটিল মূত্রনালীর সংক্রমণের আধুনিক চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামঅ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম
প্রধান বিশেষজ্ঞতানেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিদনি ও মেডিসিন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (ISPD Fellow), রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি ও মূত্রনালী কেয়ার
পদবীসহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১৩+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • এমসিপিএস (মেডিসিন) – মেম্বার অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (মেডিসিন)

  • এফসিপিএস (মেডিসিন) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (মেডিসিন)

  • এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)

  • ফেলো-আইএসপিডি (হংকং) – ফেলো অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস, হংকং

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: সহকারী অধ্যাপক (নেফ্রোলজি)

  • কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফিতে হাড়ের বিপাকীয় যত্ন প্রয়োজন।

  • সিস্টিনুরিয়া পরিচর্যায় বিপাকীয় মূল্যায়ন জরুরি।

  • রেনাল আর্টারি রোগে রক্তচাপ ও রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখা হয়।

  • টিউবুলার অ্যাসিডোসিসে অ্যাসিড-বেস কারেকশন লাগে।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।

  • ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।

  • ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

  • উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।

  • অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।

  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।

  • লুপাস নেফ্রাইটিসে রিউমাটোলজিক্যাল নেফ্রোলজি কেয়ার।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম নেফ্রোলজি এবং পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি ও হাড়ের স্বাস্থ্য: ক্রনিক কিডনি রোগের সাথে জড়িত খনিজ ভারসাম্যহীনতা এবং হাড়ের দুর্বলতা দূর করার বিশেষ মেডিকেল চিকিৎসা।

  • পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস ও রেনাল কেয়ার: হংকংয়ের আইএসপিডি ফেলোশিপের আলোাকে হোম-বেসড পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস, ক্যাথেটার কেয়ার ও জটিলতা ব্যবস্থাপনা।

  • রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস: জন্মগত ও অর্জিত টিউবুলার ত্রুটির কারণে সৃষ্ট অ্যাসিডোসিস ও ইলেক্ট্রোলাইট জটিলতার নিখুঁত চিকিৎসা।

  • রেনাল আর্টারি ও ভাসকুলার নেফ্রোলজি: রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস ও রক্তচাপজনিত ভাসকুলার কিডনি রোগের সমন্বিত মেডিকেল কেয়ার।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস ক্যাথেটার কেয়ার ও ব্যবস্থাপনা

ক্রমাগত অ্যাম্বুলেটরি পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (CAPD) বা অটোমেটেড পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (APD) রোগীদের জন্য বিশেষ কেয়ার ও প্রশিক্ষণ।

পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি

আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লোমেরুলার ও টিউবুলার রোগ নির্ণয়।

রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার মূল্যায়ন

কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি (Renal Osteodystrophy)

কিডনি ব্যর্থতার কারণে রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার সমস্যা, যা সঠিক ওষুধ ও ডায়ালিসিসে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রেনাল আর্টারি রোগ (Renal Artery Stenosis)

কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী সংকুচিত হয়ে যাওয়ার সমস্যা যা উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনির রক্তপ্রবাহ কমায়, যার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা প্রয়োজন।

রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস (RTA)

কিডনির টিউবুলের ত্রুটির কারণে প্রস্রাবের মাধ্যমে অ্যাসিড সঠিকভাবে বের হতে না পারার সমস্যা, যার সঠিক চিকিৎসায় ক্ষার জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিম প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • ফেলো, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (ISD, হংকং)

  • সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইউরিয়া এবং ইলেক্ট্রোলাইট রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।

  • সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি এনজিওগ্রাম এবং ডায়ালিসিস সামারি শিট সাথে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 19, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি কী এবং ক্রনিক কিডনি রোগীরা কীভাবে এটি থেকে সুরক্ষা পেতে পারেন?

রেনাল অস্টিওডিস্ট্রফি হলো কিডনি দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে শরীরের খনিজ ও হাড়ের বিপাক নষ্ট হয়ে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া বা দুর্বল হওয়ার একটি সমস্যা। এর চিকিৎসায় ফসফরাস বাইন্ডার, ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট এবং সঠিক ডায়ালিসিস নিশ্চিত করা হয়। নিয়মিত প্যারাথরমোন (PTH) ও ক্যালসিয়াম পরীক্ষা করে এই জটিলতা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

হংকং থেকে প্রাপ্ত আইএসপিডি (ISPD) ফেলোশিপ পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস চিকিৎসায় কতটা কার্যকরী?

আন্তর্জাতিক সোসাইটি ফর পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (ISPD) থেকে অর্জিত ফেলোশিপ চিকিৎসকদের হোম-বাসড পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস পরিচালনা, পেরিটোনাইটিস সংক্রমণ রোধ এবং আল্ট্রাফিল্ট্রেশন অপ্টিমাইজ করার ক্ষেত্রে বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর ফলে রোগীরা আন্তর্জাতিক মানের পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস সেবা নিজ দেশেই লাভ করতে পারেন।

রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস (RTA) রোগটি কেন হয় এবং কীভাবে এর চিকিৎসা করা হয়?

রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস হলো কিডনির টিউবুলের ত্রুটি যার কারণে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায় এবং স্বাভাবিক পিএইচ নষ্ট হয়। এর চিকিৎসায় সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা পটাশিয়াম সাইট্রেটের মতো ক্ষার জাতীয় পরিপূরক ওষুধ দিয়ে শরীরের অ্যাসিড-বেস ভারসাম্য স্বাভাবিক রাখা হয়।

রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করে এবং এর প্রভাব কিডনিতে কেমন পড়ে?

রেনাল আর্টারিতে রক্তপ্রবাহ কমে গেলে কিডনি নিজেকে রক্ষার্থে রেনিন হরমোন নিঃসরণ করে যা রক্তচাপ মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয় এবং চিকিৎসায় সহজে কমতে চায় না। দীর্ঘমেয়াদে এই রক্তচাপ ও রক্তপ্রবাহের ঘাটতি কিডনির স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়। ডুপ্লেক্স ডপলার বা সিটি এনজিওগ্রামের মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা হয়।

সিস্টিনুরিয়া (Cystinuria) পাথরের সমস্যা রোধ করতে প্রতিদিন কী ধরনের সতর্কতা নেওয়া উচিত?

সিস্টিনুরিয়া হলো একটি জন্মগত বিপাকীয় ত্রুটি যার ফলে প্রস্রাবে সিস্টিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিড জমে পাথর তৈরি করে। এটি রোধ করতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে অতিরিক্ত প্রস্রাব নিশ্চিত করতে হবে, প্রস্রাবের পিএইচ বাড়াতে পটাশিয়াম সাইট্রেট সেবন করতে হবে এবং লবণ ও আমিষ কমাতে হবে।

ক্রনিক কিডনি রোগে ডায়েট বা খাদ্য তালিকায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন?

উন্নত ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনির ওপর চাপ কমাতে আমিষ বা প্রোটিনের পরিমাণ সীমিত করা, রক্তে পটাশিয়াম ও ফসফরাস বেড়ে গেলে সেই অনুযায়ী ফলমূল ও শাকসবজি নিয়ন্ত্রণ করা এবং শরীরে পানি জমা রোধ করতে লবণ কঠোরভাবে বর্জন করা উচিত। ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম ডায়েট চার্ট মেনে চলা জরুরি।

জটিল কিডনি রোগ নির্ণয়ে রেনাল বায়োপসি বা কিডনি বায়োপসি কেন অত্যন্ত জরুরি?

গ্লোমেরুলার বা টিউবুলার রোগে প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত গেলে অন্তর্নিহিত কারণ ভিন্ন হতে পারে, যার জন্য সুনির্দিষ্ট ওষুধের প্রয়োজন হয়। রেনাল বায়োপসির মাধ্যমে কিডনি টিস্যু মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়। এই নির্ভুল ডায়াগনস্টিক তথ্য রোগীকে সঠিক ও টার্গেটেড চিকিৎসায় সুস্থ করে তুলতে সাহায্য করে।

অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI) দেখা দিলে কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত?

হঠাৎ করে সিরাম ক্রিয়েটিনিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির এই হঠাৎ ক্ষতি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব হয়।

ডাঃ মুহাম্মদ আরশাদ-উল-আজিমের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা এনজিওগ্রাম রিপোর্ট সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ আরশাদ-উল-আজিম নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 0179533946 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন