🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডস

ডাঃ মোঃ ওবায়দুল হক সুমন ✔ যাচাইকৃত

নেফ্রোলজিস্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অ্যাসোসিয়েটেড ভাস্কুলাইটিস, মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি, ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোস্ক্লেরোসিস, রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিস

🎓 কনসালট্যান্ট (নেফ্রোলজি বীভাগ)

🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

💼 ৮+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট (নেফ্রোলজি বীভাগ) — শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিস, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি এবং ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোনেফ্রোসিসের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, গ্লোমেরুলার ডিজিজ, ডায়ালিসিস এবং রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং নেফ্রোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital

📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৪:০০টা থেকে বিকাল ৭:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ, যার ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিস, মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি, ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোনেফ্রোসিস (FSGS) এবং রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিসের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি 

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, গ্লোমেরুলার প্যাথলজি, ডায়ালিসিস এবং কিডনি প্রতিস্থাপনে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার অভিজ্ঞ একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিসের ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি ও মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজের টার্গেটেড প্রোটিনুরিয়া কেয়ার, এফএসজিএস (FSGS) এর আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিসের বিপাকীয় মূল্যায়ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন
প্রধান বিশেষজ্ঞতানেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিডনি ও মেডিসিন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা, কিডনি প্রতিস্থাপন ও গ্লোমেরুলার রোগ
পদবীকনসালটেন্ট (নেফ্রোলজি)
কর্মস্থলশহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা৮+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (নেফ্রোলজি)

  • কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • এএনসিএ-ভাস্কুলাইটিসে নিবিড় ইমিউন চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজে কর্টিকোস্টেরয়েড থেরাপি লাগে।

  • মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথিতে প্রোটিনুরিয়া কমানো জরুরি।

  • এফএসজিএস রোগে গ্লোমেরুলার সুরক্ষা প্রয়োজন।

  • রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিসে বিপাকীয় মূল্যায়ন লাগে।

  • ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।

  • ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

  • উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।

  • অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।

  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন নেফ্রোলজি, গ্লোমেরুলার রোগ এবং কিডনি প্রতিস্থাপন পরিচর্যার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • গ্লোমেরুলার ও অটোইমিউন রোগ: এএনসিএ ভাস্কুলাইটিস, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি এবং এফএসজিএস এর জন্য রেনাল বায়োপসি এবং সুনির্দিষ্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম ও প্রোটিনুরিয়া কেয়ার: মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ এবং নেফ্রোটিক ডিসঅর্ডারের জন্য আধুনিক অ্যান্টিপ্রোটিনুরিক প্রোটোকল ও এডিমা নিয়ন্ত্রণ।

  • কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালিসিস কেয়ার: রেনাল ট্রান্সপ্লান্টেশনের প্রি-ট্রান্সপ্লান্ট মূল্যায়ন, পোস্ট-ট্রান্সপ্লান্ট ইমিউনোসাপ্রেসিভ কেয়ার এবং হেমোডায়ালিসিস অ্যাক্সেস অপ্টিমাইজেশন।

  • মেটাবলিক ও সিস্টেমিক রেনাল কেয়ার: রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিস এবং সিস্টেমিক রোগজনিত কিডনি ক্ষতির ডায়াগনস্টিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি

আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে জটিল গ্লোমেরুলার ও অটোইমিউন রোগ নির্ণয়।

হেমোডায়ালিসিস ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা

হেমোডায়ালিসিস সেশনের তদারকি, ফিস্টুলা কেয়ার এবং কিডনি রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখা।

রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও ডপলার মূল্যায়ন

কিদনির আকার, প্যারেনকাইমা, কর্টিক্যাল থিকনেস এবং রেনাল রক্তপ্রবাহ নন-ইনভেসিভ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণ করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিস (ANCA-Associated Vasculitis)

ক্ষুদ্র রক্তনালীতে প্রদাহ সৃষ্টির মাধ্যমে কিডনি ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত করার বিরল অটোইমিউন রোগ, যার জন্য নিবিড় ইমিউনোসাপ্রেসিভ চিকিৎসা প্রয়োজন।

মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি (Membranous Nephropathy)

গ্লোমেরুলার বেসমেন্ট মেমব্রেনে ইমিউন কমপ্লেক্স জমা হয়ে মারাত্মক প্রোটিনুরিয়া ও নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম তৈরির গ্লোমেরুলার রোগ।

ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোনেফ্রোসিস (FSGS)

কিদনির ছাঁকনিতে দাগ বা স্কার টিস্যু তৈরি হওয়ার সমস্যা যা প্রোটিন লিক করায় এবং ক্রমান্বয়ে রেনাল ফেইলিওরের ঝুঁকি বাড়ায়।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমন প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও ইমিউনোলজিক্যাল ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধের পরামর্শ দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা ভাস্কুলাইটিসজনিত গুরুতর সিস্টেমিক রক্তপাত দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইলেক্ট্রোলাইট এবং ইউরিন টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।

  • সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড, বায়োপসি রিপোর্ট এবং ডায়ালিসিস সামারি শিট সাথে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 19, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিস রোগটি কী এবং এটি কীভাবে কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে?

এএনসিএ-সম্পর্কিত ভাস্কুলাইটিস হলো একটি অটোইমিউন রোগ যা শরীরের ক্ষুদ্র রক্তনালীতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং কিডনির ছাঁকনিগুলোকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে খুব দ্রুত কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং প্রস্রাবে রক্ত ও প্রোটিন যায়। নেফ্রোলজিস্টরা কর্টিকোস্টেরয়েড এবং শক্তিশালী ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধ দিয়ে এই প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করেন

মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি কীভাবে নির্ণয় করা হয় এবং এর চিকিৎসায় কোন পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়?

মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি নির্ণয়ের জন্য রোগীর প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন (নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম) পরীক্ষা এবং পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি করা হয়, যেখানে সাবএপিথেলিয়াল ইমিউন ডিপোজিট দেখা যায়। এর চিকিৎসায় এসিই ইনহিবিটর দিয়ে প্রেশার নিয়ন্ত্রণ, ডাইউরেটিকস দিয়ে ফোলা কমানো এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে টার্গেটেড ইমিউনোসাপ্রেসিভ বা মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি থেরাপি দেওয়া হয়।

মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ এবং ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোনেফ্রোসিস (FSGS) এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কোথায়?

মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ ও এফএসজিএস উভয় ক্ষেত্রেই নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম ও প্রোটিনুরিয়া হয়, কিন্তু মাইক্রোস্কোপে তাদের গঠনগত পার্থক্য রয়েছে। মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজে গ্লোমেরুলাই স্বাভাবিক দেখায় এবং এটি স্টেরয়েড চিকিৎসায় খুব দ্রুত ভালো হয়। অন্যদিকে, এফএসজিএস-এ গ্লোমেরুলাইয়ে স্কার টিস্যু বা দাগ তৈরি হয় এবং এর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ও জটিল ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপির প্রয়োজন হয়।

রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিস (Renal Amyloidosis) কিডনিতে কীভাবে অ্যামাইলয়েড প্রোটিন জমা করে?

রেনাল অ্যামাইলয়েডোসিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে অস্বাভাবিক ফাইবার প্রোটিন বা অ্যামাইলয়েড কিডনি টিস্যুতে জমা হয়ে রেনাল ফিল্ট্রেশন নষ্ট করে দেয়। এটি সাধারণত অন্য কোনো সিস্টেমিক প্রদাহজনিত বা প্লাজমা সেল রোগের কারণে হয়ে থাকে। এর চিকিৎসায় মূল রোগ বা প্লাজমা সেল ডিসঅর্ডার নিয়ন্ত্রণ করাটাই প্রধান লক্ষ্য।

জটিল কিডনি রোগ নির্ণয়ে রেনাল বায়োপসি বা কিডনি বায়োপসি কেন অত্যন্ত জরুরি?

গ্লোমেরুলার বা অটোইমিউন রোগে প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত গেলে অন্তর্নিহিত কারণ ভিন্ন হতে পারে, যার জন্য সুনির্দিষ্ট ওষুধের প্রয়োজন হয়। রেনাল বায়োপসির মাধ্যমে কিডনি টিস্যু মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়। এই নির্ভুল ডায়াগনস্টিক তথ্য রোগীকে সঠিক ও টার্গেটেড চিকিৎসায় সুস্থ করে তুলতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি সুরক্ষায় প্রতিদিন কোন অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা উচিত?

ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি সুরক্ষায় নিয়মিত সুগার মাপা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান বর্জন করা, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওভার-দ্য-কাউন্টার পেইন কিলার না খাওয়া এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। বছরে অন্তত একবার সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও প্রস্রাবে মাইক্রোঅ্যালবুমিন পরীক্ষা করা আবশ্যক।

অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI) দেখা দিলে কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত?

হঠাৎ করে সিরাম ক্রিয়েটিনিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির এই হঠাৎ ক্ষতি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব হয়।

কিডনি প্রতিস্থাপন বা রেনাল ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য রোগীর কোন বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হয়?

কিডনি প্রতিস্থাপনের আগে রোগীর শারীরিক স্থায়িত্ব, ইমিউনোলজি, হৃদরোগের ঝুঁকি এবং মানসিক প্রস্তুতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করা হয়। দাতা ও গ্রহীতার টিস্যু ম্যাচিং, ব্লাড গ্রুপ ও ভাসকুলার অ্যানাটমি পরীক্ষা করে উপযুক্ততা নিশ্চিত করা হয়। নেফ্রোলজিস্ট ও ট্রান্সপ্লান্ট সার্জন মিলে সফল প্রতিস্থাপনের রূপরেখা তৈরি করেন।

ডাঃ মো. ওবায়দুল হক সুমনের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা (R/M ও Protein-Creatinine Ratio) সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা বায়োপসি রিপোর্ট সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ ওবায়দুল হক সুমন নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01711298607 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন