🚨 জাতীয় জরুরি সেবা: 999  |  স্বাস্থ্য সেবা: 16263 ✉️ info@specialistdoctorkhulna.com
ডদ

ডাঃ মিঠুন দেবনাথ ✔ যাচাইকৃত

নেফ্রোলজিস্ট

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
কনসালট্যান্ট, মেডিসিন বিভাগ

🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস, কিডনি বায়োপসি, ভাস্কুলার অ্যাক্সেস, ফ্লুইড ওভারলোড (শরীরে অতিরিক্ত তরল জমা হওয়া), ইউরেমিক সিনড্রোম

🎓 কনসালট্যান্ট (নেফ্রোলজি বিভাগ)

🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

💼 ১০+ বছরের অভিজ্ঞতা 📍 Khulna
New (0 reviews)
—বিএমডিসি রেজি. নং ✔
1চেম্বার
Newরেটিং (০)
1জেলা

👨‍⚕️ পরিচিতি

কনসালট্যান্ট (নেফ্রোলজি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

ডাঃ মিথুন দেবনাথ খুলনা শহরের সেরা নেফ্রোলজিস্ট বা কিডনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস, কিডনি বায়োপসি এবং ফ্লুইড ওভারলোড বা পানি জমার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। কিডনি রোগ, ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা, ভাসকুলার অ্যাক্সেস এবং ইউরেমিক সিন্ড্রোমের জটিল সমস্যায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং নেফ্রোলজিতে এমডি ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।

🏥 চেম্বার ও বসার সময় (১)

চেম্বার ১ 📍 Khulna

🏥 Labaid Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center

📍 বাড়ি নং এ-৫, মজিদ সরণি, সোনাডাঙ্গা, খুলনা

🕒 Visiting hours: বিকাল ৪:৩০টা থেকে বিকাল ৭:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)

💳 Consultation fee: ৳800

📖 ডাক্তার সম্পর্কে আরও

ডাঃ মিথুন দেবনাথ – খুলনার সেরা নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মিথুন দেবনাথ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও কিডনি বিশেষজ্ঞ, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস, পারকিউটেনিয়াস কিডনি বায়োপসি, ভাসকুলার অ্যাক্সেস কেয়ার, ফ্লুইড ওভারলোড এবং ইউরেমিক সিন্ড্রোমের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা কিডনি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক নেফ্রোলজি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত কিডনি পরিচর্যা।

প্রফেশনাল বায়োগ্রাফি

ডাঃ মিথুন দেবনাথ সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং নেফ্রোলজিতে উচ্চতর ডক্টরেট ডিগ্রি এমডি (MD in Nephrology) অর্জন করেন, যা কিডনি রোগ, তরল-ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য, ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনা এবং রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা নেফ্রোলজিস্ট কিংবা অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার এক দশকের একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস ক্যাথেটার ও ফ্লুইড অপ্টিমাইজেশন, আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্সে কিডনি বায়োপসি, হেমোডায়ালিসিস ভাসকুলার অ্যাক্সেস তদারকি, ফ্লুইড ওভারলোডের জরুরি চিকিৎসা এবং ইউরেমিক সিন্ড্রোমের টক্সিন অপসারণ। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে রেনাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি, পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি ব্যাখ্যা এবং জিএফআর (GFR) মনিটরিং।

এক নজরে প্রোফাইল

প্রোফাইল তথ্যবিবরণ
পূর্ণ নামডাঃ মিথুন দেবনাথ
প্রধান বিশেষজ্ঞতানেফ্রোলজি ও ইন্টারনাল মেডিসিন (কিডনি ও মেডিসিন)
উপ-বিশেষজ্ঞতাপেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস, কিডনি বায়োপসি ও ভাসকুলার অ্যাক্সেস
পদবীকনসালটেন্ট (নেফ্রোলজি)
কর্মস্থলখুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
মোট অভিজ্ঞতা১০+ বছর
অবস্থানখুলনা, বাংলাদেশ

যোগ্যতা ও শিক্ষা

  • এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি

  • বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)

  • এমডি (নেফ্রোলজি) – ডাক্তার অব মেডিসিন (নেফ্রোলজি)

পদবী ও কর্মস্থল

  • পদবী: কনসালটেন্ট (নেফ্রোলজি)

  • কর্মস্থল: নেফ্রোলজি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা

যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়

  • পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসে হোম-বেসড ক্যাথেটার যত্ন প্রয়োজন।

  • কিডনি বায়োপসিতে নিখুঁত টিস্যু স্যাম্পলিং করা হয়।

  • ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত হয়।

  • ফ্লুইড ওভারলোডে সুনির্দিষ্ট ডাইউরেসিস ও আল্ট্রাফিল্ট্রেশন লাগে।

  • ইউরেমিক সিন্ড্রোমে জরুরি রক্ত পরিশোধন প্রয়োজন।

  • ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনি সুরক্ষামূলক চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • কিডনি পাথরে বিপাকীয় মূল্যায়ন ও প্রতিরোধ জরুরি।

  • হেমোডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনায় সঠিক রক্ত পরিশোধন হয়।

  • ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিতে শর্করা ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

  • উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ক্ষতিতে ব্লাড প্রেশার কমাতে হয়।

  • অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে জরুরি স্থিতিশীলতা লাগে।

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে প্রোটিন যাওয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন।

  • মূত্রনালীর সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি লাগে।

  • ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতায় সুনির্দিষ্ট কারেকশন প্রয়োজন।

  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগে নিয়মিত মনিটরিং লাগে।

ক্লিনিক্যাল স্পেশালিটি ও চিকিৎসা ক্ষেত্র

ডাঃ মিথুন দেবনাথ নেফ্রোলজি, পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস এবং রেনাল কেয়ারের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।

  • পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস কেয়ার: হোম-বেসড পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস প্রশিক্ষণ, ক্যাথেটার সাইট ব্যবস্থাপনা এবং আল্ট্রাফিল্ট্রেশন অপ্টিমাইজেশন।

  • পারকিউটেনিয়াস কিডনি বায়োপসি: গ্লোমেরুলার ও রেনাল প্যারেনকাইমাল রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্সে নিখুঁত কিডনি বায়োপসি সেবা।

  • ভাসকুলার অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা: এভি ফিস্টুলা, গ্রাফট এবং ক্যাথেটারের কার্যক্ষমতা তদারকি এবং ডায়ালিসিস অ্যাক্সেস জটিলতার চিকিৎসা।

  • ফ্লুইড ওভারলোড ও ইউরেমিক কেয়ার: তীব্র পানি জমা, শরীরের ফোলাভাব এবং ইউরেমিক টক্সিন দূর করার জন্য জরুরি নেফ্রোলজিক্যাল ব্যবস্থাপনা।

অ্যাডভান্সড প্রসিডিউর বিশ্লেষণ

পারকিউটেনিয়াস রেনাল বায়োপসি

আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেন্স ব্যবহার করে কিডনি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম টিস্যু সংগ্রহ করে হিস্টোপ্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে রেনাল রোগ নির্ণয়।

পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস ক্যাথেটার ব্যবস্থাপনা

ক্রমাগত অ্যাম্বুলেটরি পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (CAPD) বা অটোমেটেড পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (APD) রোগীদের জন্য বিশেষ ক্লিনিক্যাল তদারকি।

হেমোডায়ালিসিস ভাসকুলার অ্যাক্সেস অপ্টিমাইজেশন

ডায়ালিসিস সেশন সফল করতে এভি ফিস্টুলা বা ক্যাথেটারের রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং থ্রম্বোসিস প্রতিরোধ করা।

কন্ডিশন-নির্দিষ্ট বিস্তারিত আলোচনা

ফ্লুইড ওভারলোড (Fluid Overload)

কিডনি অকার্যকর হওয়ার কারণে শরীরে অতিরিক্ত তরল ও পানি জমে যাওয়া, যা ডাইউরেটিকস ও ডায়ালিসিসের মাধ্যমে সফলভাবে অপসারণ করা হয়।

ইউরেমিক সিন্ড্রোম (Uremic Syndrome)

কিডনি ফেইলিওরের কারণে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বা টক্সিন জমে তৈরি হওয়া জটিল অবস্থা, যার জন্য দ্রুত ডায়ালিসিস চিকিৎসা প্রয়োজন।

পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস (Peritoneal Dialysis)

রোগীর পেটের ভেতরের প্রাকৃতিক পর্দা ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই রক্ত পরিষ্কার করার আধুনিক রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি।

ডাক্তারের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি

ডাঃ মিথুন দেবনাথ প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং রেনাল বায়োপসি, জিএফআর ও বিপাকীয় ল্যাব রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি রোগীর দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সঠিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়ালিসিস ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন।

বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়াবলী

জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া (অ্যানিউরিয়া), তীব্র হাইপারক্যালেমিয়া বা রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে গিয়ে হৃদস্পন্দনে সমস্যা হওয়া, ফুসফুসে পানি জমা (পালমোনারি ইডিমা), ইউরেমিক এনকেফালোপ্যাথি বা গুরুতর অ্যাসিড-বেস ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সার্টিফাইড ও পেশাগত সদস্যপদ

  • সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)

  • সদস্য, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন (BRA)

  • সদস্য, আন্তর্জাতিক নেফ্রোলজি সোসাইটি (ISN)

রোগী দেখার পূর্ব প্রস্তুতি

  • পূর্বের করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইজিএফআর (eGFR), ইলেক্ট্রোলাইট এবং ইউরিন টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনুন।

  • বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।

  • সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড, পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস লগ এবং ডায়ালিসিস সামারি শিট সাথে রাখুন।

  • রোগীর লক্ষণগুলো প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেন এমন একজন নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।

Last Modified: October 20, 2026

❓ সচরাচর জিজ্ঞাসা

কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ বা উপসর্গগুলো কী কী?

কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করলে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, পা, গোড়ালি বা মুখে ফোলাভাব (এডিমা), ফেনাযুক্ত প্রস্রাব, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং বিনা কারণে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর (eGFR) রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই এই সমস্যা ধরা সম্ভব। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।

পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস কীভাবে কাজ করে এবং এর প্রধান সুবিধাগুলো কী কী?

পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসে রোগীর পেটের ভেতরের প্রাকৃতিক পর্দা (পেরিটোনিয়াম) ব্যবহার করে রক্ত পরিষ্কার করা হয় এবং এটি বাড়িতে বসেই প্রতিদিন করা যায়। এর প্রধান সুবিধা হলো জীবনযাত্রায় বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যায়, রেনাল ফাংশন দীর্ঘ সময় সংরক্ষিত থাকে এবং বারবার হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

পারকিউটেনিয়াস কিডনি বায়োপসি কেন অত্যন্ত জরুরি একটি ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা?

কিডনির বিভিন্ন রোগ (যেমন গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস বা প্রোটিনুরিয়া) বাইরে থেকে লক্ষণ দেখে পুরোপুরি বোঝা যায় না। কিডনি বায়োপসির মাধ্যমে অত্যন্ত সূক্ষ্ম সুঁই দিয়ে কিডনি থেকে টিস্যু নিয়ে মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়, যা নির্ভুল চিকিৎসায় সাহায্য করে।

হেমোডায়ালিসিসের জন্য ভাসকুলার অ্যাক্সেস বা এভি ফিস্টুলা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এভি ফিস্টুলা হলো রোগীর ধমনী ও সিরার সংযোগস্থল যা হেমোডায়ালিসিসের সময় দ্রুত ও পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে। এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি কম থাকে। ফিস্টুলার সঠিক যত্ন ও নিয়মিত তদারকি ডায়ালিসিস সেশন সফল করতে অত্যন্ত জরুরি।

ফ্লুইড ওভারলোড বা অতিরিক্ত পানি জমা হলে তা কিডনি রোগীদের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?

ফ্লুইড ওভারলোডের কারণে পায়ে পানি আসা, শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসে পানি জমার মতো (Pulmonary edema) মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যা হৃদপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। ডাইউরেটিকস বা ডায়ালিসিসের মাধ্যমে এই অতিরিক্ত তরল দ্রুত বের করে দিতে হয়।

ইউরেমিক সিন্ড্রোম কী এবং কেন এটি তাৎক্ষণিক ডায়ালিসিসের ইঙ্গিত দেয়?

কিডনি সম্পূর্ণ অকার্যকর হলে রক্তে অতিরিক্ত ইউরিয়া ও অন্যান্য টক্সিন জমে ইউরেমিক সিন্ড্রোম তৈরি করে, যার ফলে বমি ভাব, বিভ্রান্তি, স্নায়বিক দুর্বলতা এবং হৃৎপিণ্ডের চারপাশে প্রদাহ হতে পারে। এই জীবনঘাতী অবস্থা থেকে বাঁচতে দ্রুত ডায়ালিসিস শুরু করা আবশ্যক।

ক্রনিক কিডনি রোগে ডায়েট বা খাদ্য তালিকায় কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন?

উন্নত ক্রনিক কিডনি রোগে কিডনির ওপর চাপ কমাতে আমিষ বা প্রোটিনের পরিমাণ সীমিত করা, রক্তে পটাশিয়াম ও ফসফরাস বেড়ে গেলে সেই অনুযায়ী ফলমূল ও শাকসবজি নিয়ন্ত্রণ করা এবং শরীরে পানি জমা রোধ করতে লবণ কঠোরভাবে বর্জন করা উচিত। ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান ও নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম ডায়েট চার্ট মেনে চলা জরুরি।

অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI) দেখা দিলে কখন দ্রুত নেফ্রোলজিস্টের কাছে যাওয়া উচিত?

হঠাৎ করে সিরাম ক্রিয়েটিনিন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে গেলে বা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হলে অবিলম্বে নেফ্রোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে কিডনির এই হঠাৎ ক্ষতি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব হয়।

ডাঃ মিথুন দেবনাথের সাথে সাক্ষাতের সময় রোগীর কী কী মেডিকেল রিপোর্ট সাথে আনা উচিত?

রোগীদের পূর্বে করা সিরাম ক্রিয়েটিনিন রিপোর্ট, ইজিএফআর চার্ট, ইলেক্ট্রোলাইট প্যানেল, ইউরিন পরীক্ষা সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং সাম্প্রতিক রেনাল আল্ট্রাসাউন্ড বা পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস লগ সাথে রাখা প্রয়োজন। এসব পুরনো রেকর্ড পর্যালোচনা করে ডাঃ মিথুন দেবনাথ নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন।

⭐ Patient Reviews (0)

এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।

মতামত লিখুন

📞 01766661020 📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন