এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), এফএমএএস (ভারত)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, ব্রেস্ট (স্তন) ও কোলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞ সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পিলোনিডাল সাইনাস, ভ্যারিকোজ ভেইন, হাইড্রোসিল, অন্ত্রে ছিদ্র (ইনটেস্টিনাল পারফোরেশন) এবং সফট টিস্যু সংক্রান্ত সমস্যা
🎓 কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস খুলনা শহরের সেরা জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে পিলোনিডাল সাইনাস, ভেরিকোস ভেইন, হাইড্রোসিল অপারেশন, অন্ত্রের ছিদ্র (Intestinal perforation) এবং সফট টিস্যুর বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, ফিস্টুলা এবং মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারিতে তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস, সার্জারিতে এফসিপিএস এবং ভারত থেকে অর্জিত এফএমএএস (FMAS) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Popular Diagnostic Center, Khulna · Diagnostic Center
📍 বাড়ি নং ৩৭, কেডিএ এভিনিউ (ময়লাপোতা-শেখপাড়া), খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ৪:০০টা থেকে বিকাল ৮:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পিলোনিডাল সাইনাস, ভেরিকোস ভেইন, হাইড্রোসিল মেরামত, অন্ত্রের ছিদ্র এবং সফট টিস্যু সার্জারির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি ভারত থেকে মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারিতে মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ এফএমএএস (FMAS) সম্পন্ন করেন, যা ল্যাপারস্কোপিক ও আধুনিক অস্ত্রোপচারে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পিলোনিডাল সাইনাসের জন্য ফ্ল্যাপ ও লেজার সার্জারি, ভেরিকোস ভেইনের আধুনিক চিকিৎসা, হাইড্রোসিল অপারেশন, অন্ত্রের ছিদ্র বা পারফোরেশনের জরুরি সার্জারি এবং সফট টিস্যু টিউমারের নিখুঁত অপসারণ। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ভাসকুলার ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড, পেটের আল্ট্রাসাউন্ড এবং ল্যাপারস্কোপিক ডায়াগনোসিস।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি (FMAS), কোলরেক্টাল ও ভাসকুলার সার্জারি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
এফএমএএস (ভারত) – ফেলোশিপ ইন মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি, ভারত
পদবী: কনসালটেন্ট (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
পিলোনিডাল সাইনাসে ফ্ল্যাপ বা লেজার সার্জারি প্রয়োজন।
ভেরিকোস ভেইনে আধুনিক ভাসকুলার চিকিৎসা লাগে।
হাইড্রোসিল অপারেশনে স্ক্রোটাল গঠন ঠিক হয়।
অন্ত্রের ছিদ্রে জরুরি সার্জিক্যাল ক্লোজার প্রয়োজন।
সফট টিস্যু চাকা বা টিউমারে নিখুঁত অপসারণ।
ইঙ্গুইনাল হার্নিয়ায় মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি অপারেশন।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক সার্জারি।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং ভাসকুলার সার্জারির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: উন্নত এফএমএএস দক্ষতার সাথে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং পেটের জটিল অপারেশন।
ভাসকুলার ও সফট টিস্যু সার্জারি: ভেরিকোস ভেইন, ভেনাস আলসার এবং সফট টিস্যুর বিভিন্ন টিউমার বা সিস্টের আধুনিক সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
পিলোনিডাল সাইনাস ও প্রোক্টোলজিক্যাল কেয়ার: পিলোনিডাল সাইনাস, পাইলস এবং ফিস্টুলার জন্য আধুনিক ফ্ল্যাপ ও লেজার সার্জারি।
জরুরি ও পেটের সার্জারি: অন্ত্রের ছিদ্র (Intestinal perforation) এবং তীব্র পেটের সমস্যার জন্য জীবন রক্ষাকারী জরুরি অপারেশন।
পিলোনিডাল সাইনাস নিরাময়ে আধুনিক ফ্ল্যাপ রিএ্যারেঞ্জমেন্ট বা লেজার অ্যাবলেশন পদ্ধতি, যা রোগ পুনরায় হওয়া রোধ করে।
পায়ে ফুলে থাকা রক্তনালী বা ভেরিকোস ভেইনের ত্রুটি দূর করতে আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ভাসকুলার চিকিৎসা।
আলসার বা আঘাতের কারণে অন্ত্রে ছিদ্র হলে জরুরি অপারেশন করে তা বন্ধ করা এবং পেটের ইনফেকশন দূর করা।
কোমরের পেছনের অংশে বা নিতম্বের খাঁজে চুল ও ময়লা জমে সৃষ্ট প্রদাহজনক সিস্ট, যা আধুনিক সার্জারির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে নিরাময় করা হয়।
পায়ের রক্তনালীর ভাল্ব দুর্বল হয়ে রক্ত জমে ফুলে যাওয়ার সমস্যা, যা সঠিক ভাসকুলার চিকিৎসায় ভালো হয়।
পাকস্থলী বা অন্ত্রের দেওয়াল ফুটো হয়ে পেটের ভেতরে বিষাক্ত পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার একটি মারাত্মক জরুরি অবস্থা, যার জন্য অবিলম্বে অপারেশন প্রয়োজন।
ডাঃ বিপ্লব বিশ্বাস প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ভাসকুলার ডপলার টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা অনমনীয়তা (অন্ত্রের ছিদ্রের লক্ষণ), উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি কিংবা রক্তনালীতে তীব্র ব্যথার লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
ফেলো, মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জনস অফ ইন্ডিয়া (FMAS)
পূর্বের করা ভাসকুলার ডপলার রিপোর্ট, পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
পিলোনিডাল সাইনাস হলো নিতম্বের খাঁজে চুল ও ময়লা জমে হওয়া একটি প্রদাহজনক সিস্ট। সাধারণ অপারেশনের পর এটি বারবার ফিরে আসার প্রবণতা থাকে। আধুনিক ফ্ল্যাপ সার্জারি বা লেজার পদ্ধতিতে রোগাক্রান্ত অংশ পুরোপুরি অপসারণ করে সুস্থ ত্বক দিয়ে রিএ্যারেঞ্জ করা হয়, ফলে রোগ পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।
ভেরিকোস ভেইন নির্ণয়ের জন্য ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার পাশাপাশি ভাসকুলার ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করা হয়, যা রক্তনালীর ভাল্বের অবস্থা ও রক্তপ্রবাহের দিক দেখিয়ে দেয়। এর চিকিৎসায় কম্প্রেশন স্টকমিং থেকে শুরু করে এন্ডোভেনাস লেজার অ্যাবলেশন বা সার্জিক্যাল স্ট্রিপিং পর্যন্ত আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
অন্ত্রের ছিদ্র হলে পেটের ভেতরের খাবার বা মল জীবাণসহ পেটের গহ্বরে ছড়িয়ে পড়ে এবং মারাত্মক পেরিটোনাইটিস ও সেপটিক শক ঘটায়। এটি একটি জীবনঘাতী জরুরি অবস্থা, যার জন্য অবিলম্বে জরুরি অপারেশন করে অন্ত্রের ছিদ্র বন্ধ করা এবং পেটের ভেতর পরিষ্কার করা আবশ্যক।
হাইড্রোসিল হলো অণ্ডথলিতে তরল জমে ফুলে যাওয়ার সমস্যা। ছোট একটি স্ক্রোটাল ইনসিশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত তরল নিষ্কাশন করে এবং থলির মেমব্রেনটি ঠিক করার মাধ্যমে হাইড্রোসিল অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। অপারেশনের পর কিছুদিন ভারী কাজ থেকে বিরত থাকা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা জরুরি।
সফট টিস্যু লিপোমা বা সিস্ট সার্জারির মাধ্যমে পুরোপুরি ক্যাপসুলসহ সফলভাবে অপসারণ করলে তা সাধারণত আর ফিরে আসে না। তবে দক্ষ সার্জনের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে রিমুভ করাটাই মূল শর্ত।
এফএমএএস (FMAS) হলো মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারিতে একটি বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ যা ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনে উচ্চতর দক্ষতা এবং নিখুঁত কৌশল নিশ্চিত করে। এর ফলে রোগীরা ক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে অত্যন্ত নিরাপদ অপারেশন লাভ করেন।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি অন্ত্রের ছিদ্র বা তীব্র সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সির লক্ষণ হতে পারে।
রোগীদের পূর্বে করা ভাসকুলার ডপলার রিপোর্ট, পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।