এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, এমসিপিএস, এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক ও কোলোরেক্টাল সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: পেরিঅ্যানাল অ্যাবসেস (মলদ্বারের চারপাশে ফোড়া), ফিমোরাল হার্নিয়া, আম্বিলিক্যাল হার্নিয়া (নাভির হার্নিয়া), প্যারাস্টোমাল হার্নিয়া, রেকটাল প্রোল্যাপ্স (মলদ্বার বেরিয়ে আসা)
🎓 সহযোগী অধ্যাপক, (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ বাংলাদেশ নেভি হাসপাতাল, খালিশপুর, খুলনা
সহযোগী অধ্যাপক, (সার্জারি বিভাগ) — বাংলাদেশ নেভি হাসপাতাল, খালিশপুর, খুলনা
লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম খুলনা শহরের সেরা জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনার খলিসপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতালের এই প্রখ্যাত সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা পেরিয়ানাল অ্যাবসেস বা পুঁজ জমা হওয়া, ফেমোরাল হার্নিয়া, আম্বিলিক্যাল হার্নিয়া, প্যারাস্টোমাল হার্নিয়া এবং রেক্টাল প্রোল্যাপস বা মলদ্বার নিচে নেমে যাওয়ার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, হার্নিয়া পুনর্গঠন এবং কোলোরেক্টাল চিকিৎসায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, এমসিপিএস এবং সার্জারিতে এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Sunrise Diagnostic & Consultation Center · Diagnostic Center
📍 ৪২৮, খানজাহান আলী রোড (হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে), খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা (বন্ধ: শুক্রবার)
💳 Consultation fee: ৳800
লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা-এর সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত সহযোগী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি পেরিয়ানাল অ্যাবসেস, ফেমোরাল হার্নিয়া, আম্বিলিক্যাল হার্নিয়া, প্যারাস্টোমাল হার্নিয়া এবং রেক্টাল প্রোল্যাপস চিকিৎসার একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি মেম্বার অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (MCPS) এবং ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন, যা পেটের জটিল রোগ, ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি এবং জেনারেল সার্জারিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার প্রাতিষ্ঠানিক ও সামরিক হাসপাতালের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে পেরিয়ানাল অ্যাবসেসের জরুরি ড্রেনেজ অপারেশন, ফেমোরাল ও আম্বিলিক্যাল হার্নিয়ার মেশ রিপেয়ার সার্জারি, প্যারাস্টোমাল হার্নিয়ার জটিল এবডোমিনাল ওয়াল পুনর্গঠন এবং রেক্টাল প্রোল্যাপসের আধুনিক সার্জিক্যাল চিকিৎসা। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান ফিল্ম ইন্টারপ্রিটেশন এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কোলোরেক্টাল সার্জারি, হার্নিয়া পুনর্গঠন ও প্রোক্টোলজি |
| পদবী | সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১২+ বছর |
| অবস্থান | খলিসপুর, খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
এমসিপিএস (সার্জারি) – মেম্বার অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
পদবী: সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী হাসপাতাল, খলিসপুর, খুলনা
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে জরুরি পুঁজ নিষ্কাশন অপারেশন।
ফেমোরাল হার্নিয়ায় জরুরি মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
আম্বিলিক্যাল হার্নিয়ায় পেটের দেওয়াল শক্তিশালীকরণ।
প্যারাস্টোমাল হার্নিয়ায় জটিল ওয়াল পুনর্গঠন।
রেক্টাল প্রোল্যাপসে বিশেষ সার্জিক্যাল মেরামত।
ইঙ্গুইনাল ও ইনসিশনাল হার্নিয়ায় মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি অপারেশন।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
ভেরিকোস ভেইনে ভাসকুলার সার্জারি।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং কোলোরেক্টাল সার্জারির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং পেটের জটিল অপারেশন, যা দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
জটিল হার্নিয়া ও এবডোমিনাল ওয়াল সার্জারি: ফেমোরাল, আম্বিলিক্যাল, প্যারাস্টোমাল এবং ইনসিশনাল হার্নিয়ার জন্য আধুনিক মেশ রিপেয়ার ও পুনর্গঠন সার্জারি।
কোলোরেক্টাল ও প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি: পেরিয়ানাল অ্যাবসেস, রেক্টাল প্রোল্যাপস, পাইলস এবং ফিস্টুলার জন্য আধুনিক সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
জরুরি ও ট্রমা সার্জারি: তীব্র পেটের সমস্যা, অস্ত্রোপচারের জরুরি পরিস্থিতি এবং ট্রমা কেয়ারের নিখুঁত চিকিৎসা।
মলদ্বারের আশপাশে জমে থাকা পুঁজ নিরাপদে নিষ্কাশন করার এবং পরবর্তীতে ফিস্টুলা হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সুনির্দিষ্ট সার্জিক্যাল পদ্ধতি।
সার্জিক্যাল মেশ ব্যবহার করে দুর্বল পেটের দেওয়াল ও স্টোমার আশপাশের স্থান স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার উন্নত হার্নিয়া অপারেশন।
মলদ্বার বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা (Prolapse) স্থায়ীভাবে ঠিক করতে এবং স্বাভাবিক অ্যানাটমি ফিরিয়ে আনতে আধুনিক সার্জিক্যাল মেরামত।
কৃত্রিম পায়খানার রাস্তা বা স্টোমার চারপাশে পেশী দুর্বল হয়ে হার্নিয়া তৈরি হওয়া সমস্যা, যা বিশেষ মেশ সার্জারির মাধ্যমে মেরামত করা হয়।
মলদ্বারের ভেতরের অংশ বা রেক্টাম বাইরে ঝুলে পড়ার সমস্যা, যা আধুনিক পেরিনিয়াল বা ল্যাপারস্কোপিক রেক্টোপেক্সি অপারেশনের মাধ্যমে ভালো হয়।
কুঁচকির নিচে ফেমোরাল খালের দুর্বলতার কারণে হওয়া হার্নিয়া, যেখানে খাদ্যনালী আটকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় দ্রুত অপারেশন করা জরুরি।
লে. কর্নেল ডাঃ মো. মুস্তাসিনুল ইসলাম প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা বা কুঁচকিতে অসহ্য ব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া, হার্নিয়ার ফুলা অংশ লাল হয়ে যাওয়া ও না কমা, উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি এবং পায়খানা বা গ্যাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
ফেমোরাল হার্নিয়া কুঁচকির নিচে ছোট একটি খালের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং এই খালের দেয়াল খুব শক্ত হওয়ায় অন্ত্র বা খাদ্যনালী সহজেই সেখানে আটকে গিয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে (Strangulation)। এই মারাত্মক জটিলতা এড়ানোর জন্য ফেমোরাল হার্নিয়া ধরা পড়ার সাথে সাথেই জরুরি অপারেশন করিয়ে নেওয়া উচিত।
যাদের কৃত্রিম পায়খানার রাস্তা বা স্টোমা (Stoma) রয়েছে, তাদের পেটের পেশী কেটে স্টোমা তৈরি করায় ওই এলাকায় দুর্বলতা তৈরি হয় এবং অন্ত্র বাইরে বেরিয়ে এসে প্যারাস্টোমাল হার্নিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষায়িত মেশ (Mesh) ব্যবহার করে এবং আধুনিক ওপেন বা ল্যাপারস্কোপিক উপায়ে এই হার্নিয়া সফলভাবে পুনর্গঠন করা যায়।
রেক্টাল প্রোল্যাপসের চিকিৎসায় রোগীর বয়স ও শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পেরিনিয়াল পদ্ধতি (যেমন ডেলর্মে বা অল্টিমায়ার অপারেশন) অথবা পেটের ভেতর থেকে ল্যাপারস্কোপিক রেক্টোপেক্সি করা হয়। এই সার্জারিগুলোর মূল লক্ষ্য হলো মলদ্বারের পেশী ও অ্যানাটমি স্বাভাবিক স্থানে ফিরিয়ে এনে প্রোল্যাপস স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেস হলো মলদ্বারের আশপাশে সংক্রামিত গ্রন্থিতে পুঁজ জমে ফুলে যাওয়া। এটি তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করে এবং সময়মতো পুঁজ নিষ্কাশন না করলে ইনফেকশন চারপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে ফিস্টুলা বা ভগন্দর তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত ইনসিশন ও ড্রেনেজ করে পুঁজ বের করা আবশ্যক।
হার্নিয়া অপারেশনে সার্জিক্যাল মেশ বা জালি ব্যবহার করলে পেটের দুর্বল পেশী অত্যন্ত শক্তভাবে মজবুত হয় এবং পরবর্তীতে হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার (Recurrence) ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। এটি পেশীতে কোনো টান না রেখে (Tension-free) অপারেশন সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
কুঁচকিতে বা পেটে হঠাৎ করে যদি তীব্র ব্যথা শুরু হয় এবং সেখানে শক্ত কোনো ফুলা অংশ দেখা যায় যা হাত দিয়ে চাপলেও ভেতরে যায় না, সাথে বমি বা জ্বর থাকে, তবে তা অবরুদ্ধ হার্নিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে।
বড় ধরনের হার্নিয়া বা এবডোমিনাল ওয়াল অপারেশনের পূর্বে রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং ফুসফুসের ক্ষমতা পরীক্ষা করে নেওয়া হয় যাতে পেট বন্ধ করার সময় অতিরিক্ত চাপ বা জটিলতা এড়ানো যায়।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম এবং রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।