এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
MBBS, FCPS (Surgery), FRCS (UK)
General, Laparoscopic & Colorectal Specialist Surgeon
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এফআরসিএস (ইউকে)
🎓 জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক ও কোলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞ সার্জন
🏛️ অধ্যাপক (সার্জারি বিভাগ)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক ও কোলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞ সার্জন — অধ্যাপক (সার্জারি বিভাগ)
অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক যশোর ও বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের সেরা জেনারেল, ল্যাপারস্কোপিক ও কোলোরেক্টাল বিশেষজ্ঞ সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ২২ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত এই প্রখ্যাত সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা কোলরেক্টাল ক্যানসার অপারেশন, আধুনিক ল্যাপারস্কোপি এবং জটিল হার্নিয়া চিকিৎসার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ন্যূনতম আক্রমণাত্মক সার্জারি (Laparoscopy), কোলোরেক্টাল এবং অনকোলজিক্যাল সার্জারিতে তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, সার্জারিতে এফসিপিএস এবং ইউকে থেকে অর্জিত মর্যাদাপূর্ণ এফআরসিএস (FRCS) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Doctors Point Specialized Hospital, Khulna · Private Hospital
📍 ৪৯, কেডিএ অ্যাভিনিউ, খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ৫:০০টা থেকে বিকাল ৮:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট, যার ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি কোলোরেক্টাল ক্যানসার, অ্যাডভান্সড ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি, জটিল হার্নিয়া মেরামত, প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগের জটিলতা এবং প্রোক্টোলজিক্যাল রোগের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। যশোর কিংবা বৃহত্তর অঞ্চলে সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্য থেকে মর্যাদাপূর্ণ রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস-এর ফেলোশিপ এফআরসিএস (FRCS, UK) লাভ করেন, যা বিশ্বমানের সার্জিক্যাল দক্ষতা, ক্লিনিক্যাল বিচারবুদ্ধি এবং আধুনিক অস্ত্রোপচরীবিদ্যায় তার গভীর পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তার দুই দশকেরও বেশি সময়ের একাডেমিক নেতৃত্ব ও চিকিৎসা অভিজ্ঞতার ওপর রোগীরা পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের অনকোলজিক্যাল রিসেকশন, ল্যাপারস্কোপিক কোলেসিস্টেক্টমি ও অ্যাপেন্ডেক্টমি, জটিল পেটের দেওয়ালের হার্নিয়ার মেশ রিপেয়ার সার্জারি, স্ফিংটার-রক্ষণশীল ফিস্টুলা অপারেশন এবং জরুরি পেটের সার্জারি। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান ফিল্ম ইন্টারপ্রিটেশন এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল, ল্যাপারস্কোপিক ও কোলোরেক্টাল সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি ও সার্জিক্যাল অনকোলজি |
| পদবী | অধ্যাপক (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, যশোর |
| মোট অভিজ্ঞতা | ২২+ বছর |
| অবস্থান | যশোর / খুলনা অঞ্চল, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
এফআরসিএস (ইউকে) – ফেলো অব দ্য রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস, যুক্তরাজ্য
পদবী: অধ্যাপক (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, যশোর
কোলরেক্টাল ক্যানসারে সমন্বিত অনকোলজিক্যাল সার্জারি।
জটিল পেটের হার্নিয়ায় মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
পিত্তথলির পাথরে ল্যাপারস্কোপিক কোলেসিস্টেক্টমি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন।
ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজের জটিলতায় সার্জারি।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
থাইরয়েড নডিউলে নিখুঁত সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন।
ভেরিকোস ভেইনে ভাসকুলার সার্জারি।
লাইপোমা ও সিস্ট সার্জিক্যাল অপসারণ।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং কোলোরেক্টাল সার্জারির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
কোলোরেক্টাল ও অনকোলজি সার্জারি: কোলন ও মলদ্বারের ক্যানসার, ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ এবং কোলোরেক্টাল ম্যালিগন্যান্সির জন্য উন্নত অনকোলজিক্যাল রিসেকশন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং পেটের জটিল অপারেশন, যা দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
হার্নিয়া ও অ্যাবডোমিনাল সার্জারি: ইঙ্গুইনাল, আম্বিলিক্যাল ও ইনসিশনাল হার্নিয়ার জন্য আধুনিক টেনশন-মুক্ত মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
জেনারেল ও এন্ডোক্রাইন সার্জারি: থাইরয়েড রোগ, ব্রেস্ট টিউমার, সফট টিস্যু লেশন এবং তীব্র পেটের সার্জিক্যাল জরুরি অবস্থার নিখুঁত চিকিৎসা।
কোলন বা মলদ্বারে ক্যানসার আক্রান্ত অংশ এবং সংশ্লিষ্ট লিম্ফ নোডগুলো সুস্থ টিস্যুসহ নিখুঁতভাবে অপসারণ করার আধুনিক অনকোলজিক্যাল সার্জারি।
ক্ষুদ্র ছিদ্র ও ক্যামেরার সাহায্যে পিত্তথলি অপসারণ এবং পেটের দেওয়ালের দুর্বলতা ঠিক করার জন্য উন্নত মেশ রিপেয়ার অপারেশন।
মলদ্বারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ও পেশী সম্পূর্ণ অক্ষত রেখে পাইলস ও ফিস্টুলার আধুনিক সার্জিক্যাল চিকিৎসা।
কোলন বা মলদ্বারে উৎপন্ন ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, যা সঠিক স্টেজিং ও সুনির্দিষ্ট অনকোলজিক্যাল সার্জারির মাধ্যমে সফলভাবে নিরাময় করা হয়।
পেটের পেশীর দুর্বলতার কারণে ভেতরের অঙ্গ বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা, যা উন্নত মেশ সার্জারির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে মেরামত করা হয়।
ক্রোহনস ডিজিজ বা আলসারেটিভ কোলাইটিসের কারণে অন্ত্রে সংকোচন বা ছিদ্র হওয়ার মতো জটিলতা, যার জন্য সার্জিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
অধ্যাপক ডাঃ শেখ সাইদুল হক প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা অনমনীয়তা, উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি এবং পায়খানা বা গ্যাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া (অন্ত্রের বাধা) দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
ফেলো, রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস (FRCS, ইউকে)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং কোলনোস্কোপি রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
কোলোরেক্টাল ক্যানসারের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মলত্যাগের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন (ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য), মলের সাথে রক্ত যাওয়া, অকারণে ওজন হ্রাস, পেটে ব্যথা এবং দুর্বলতা। কোলনোস্কোপি ও বায়োপসির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হয়। ক্যানসার আক্রান্ত অংশ সার্জারির মাধ্যমে সম্পূর্ণ অপসারণ করা হলো রোগমুক্তির প্রধান উপায়।
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস থেকে প্রাপ্ত এফআরসিএস ডিগ্রি বিশ্বমানের সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণ, নিখুঁত অপারেশন কৌশল এবং আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণের নিশ্চয়তা দেয়। এই ডিগ্রিধারী সার্জনরা জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশনগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করতে সক্ষম।
জটিল বা বড় ইনসিশনাল হার্নিয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ সেলাই টিকতে চায় না। সার্জিক্যাল মেশ বা জালি ব্যবহার করলে পেটের দুর্বল পেশী অত্যন্ত শক্তভাবে মজবুত হয় এবং পরবর্তীতে হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।
পাইলস ও ফিস্টুলার আধুনিক চিকিৎসায় মলদ্বারের sphincter পেশী সম্পূর্ণ অক্ষত রেখে (যেমন LIFT বা লেজার পদ্ধতি) অপারেশন করা হয়। এর ফলে রোগীর অপারেশন পরবর্তী ব্যথা অনেক কম হয় এবং পায়খানা ধরে রাখার ক্ষমতা বা কন্টিনেন্স পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে।
ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ (যেমন ক্রোহনস ডিজিজ) যখন ওষুধে নিয়ন্ত্রণে থাকে না এবং অন্ত্রে অবস্ট্রাকশন, ফিস্টুলা, অ্যাবসেস বা ছিদ্র হওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়, তখন ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কেটে ফেলে দেওয়ার জন্য সার্জারির প্রয়োজন হয়।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি অন্ত্রের ছিদ্র বা তীব্র সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সির লক্ষণ হতে পারে।
ক্যানসার বা বড় ধরনের টিউমার অপারেশনের পূর্বে রোগীর হৃদযন্ত্র, ফুসফুস ও কিডনির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা হয় যাতে রোগী সার্জারি ও অ্যানাস্থেসিয়ার ধকল নিরাপদে সহ্য করতে পারেন। এই মূল্যায়ন রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম, কোলনোস্কোপি রিপোর্ট এবং রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।