এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, পাইলস ও হার্নিয়া সার্জারি বিশেষজ্ঞ
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, পেপটিক আলসার, স্তনের চাকা, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, প্লীহা অপসারণ সংক্রান্ত চিকিৎসা
🎓 কনসালট্যান্ট (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট (সার্জারি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ পলাশ কুমার দে খুলনা শহরের সেরা জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, পেপটিক আলসার, ব্রেস্ট পিন বা টিউমার এবং কোলরেক্টাল ক্যানসারের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, পাইলস এবং হার্নিয়া চিকিৎসায় তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং সার্জারিতে এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ২:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ পলাশ কুমার দে খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, পেপটিক আলসার, ব্রেস্ট লাম্প, কোলরেক্টাল ক্যানসার এবং স্প্লেনেকটমি কেয়ারের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
ডাঃ পলাশ কুমার দে সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন, যা পেটের রোগ, ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি এবং জেনারেল সার্জারিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ডাইভার্টিকুলার রোগের চিকিৎসা, পেপটিক আলসারের সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা, ব্রেস্ট লাম্পের বায়োপসি ও অপারেশন, কোলরেক্টাল ক্যানসারের অনকোলজিক্যাল রিসেকশন এবং স্প্লেনেকটমি পরবর্তী যত্ন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, ল্যাপারস্কোপিক ডায়াগনোসিস এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ পলাশ কুমার দে |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কোলরেক্টাল, ব্রেস্ট ও অনকোলজি সার্জারি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
পদবী: কনসালটেন্ট (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাইভার্টিকুলার রোগে সুনির্দিষ্ট মেডিকেল ও সার্জিক্যাল কেয়ার।
পেপটিক আলসারে এন্ডোস্কোপিক ও সার্জিক্যাল চিকিৎসা।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
কোলরেক্টাল ক্যানসারে সমন্বিত অনকোলজিক্যাল সার্জারি।
স্প্লেনেকটমি কেয়ারে বিশেষ রক্তরোগ ও সার্জিক্যাল তদারকি।
হার্নিয়া অপারেশনে মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি অপারেশন।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন।
লাইপোমা ও সিস্ট সার্জিক্যাল অপসারণ।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
ডাঃ পলাশ কুমার দে জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং প্রোক্টোলজির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং অন্যান্য পেটের জটিল অপারেশন, যা দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
কোলরেক্টাল ও অনকোলজি সার্জারি: কোলরেক্টাল ক্যানসার, ডাইভার্টিকুলার রোগ এবং পাইলস বা ফিস্টুলার জন্য আধুনিক ও উন্নত সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
হার্নিয়া ও অ্যাবডোমিনাল সার্জারি: ইঙ্গুইনাল, আম্বিলিক্যাল ও ইনসিশনাল হার্নিয়ার জন্য আধুনিক টেনশন-মুক্ত মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
ব্রেস্ট ও এন্ডোক্রাইন সার্জারি: ব্রেস্টের চাকা, টিউমার এবং ব্রেস্ট ক্যানসারের নিখুঁত ডায়াগনস্টিক ও সার্জিক্যাল চিকিৎসা।
ক্ষুদ্র ছিদ্র ও ক্যামেরার সাহায্যে পিত্তথলি বা অ্যাপেন্ডিক্স নিরাপদে অপসারণ করার আধুনিক ল্যাপারস্কোপিক পদ্ধতি।
সার্জিক্যাল মেশ ব্যবহার করে দুর্বল পেটের দেওয়ালকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার উন্নত হার্নিয়া অপারেশন।
কোলরেক্টাল ম্যালিগন্যান্সির আধুনিক অনকোলজিক্যাল অপারেশন এবং প্লীহা অপসারণ বা স্প্লেনেকটমি সম্পর্কিত জটিল সার্জারি।
বৃহদান্ত্রের দেওয়ালে ছোট থলির মতো পাউচ তৈরি হওয়া এবং পরবর্তীতে তাতে প্রদাহ বা ইনফেকশন হওয়ার সমস্যা, যা ওষুধ বা অপারেশনে ভালো হয়।
কোলোন বা মলদ্বারে সৃষ্ট ক্যানসার টিউমার, যা সঠিক স্টেজিং এবং সুনির্দিষ্ট অনকোলজিক্যাল সার্জারির মাধ্যমে সফলভাবে অপসারণ করা হয়।
পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের উপরের অংশে ঘা তৈরি হওয়া, যা ওষুধে না সারলে বা রক্তক্ষরণ ও ছিদ্র হওয়ার মতো জটিলতায় সার্জারির প্রয়োজন হয়।
ডাঃ পলাশ কুমার দে প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেটে শক্ত ভাব বা অনমনীয়তা, উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি, পেপটিক আলসার পারফোরেশন বা কোলরেক্টাল রক্তপাত দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান, কোলনোস্কোপি এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ হলো কোলনের দেওয়ালে ছোট থলি বা পাউচ তৈরি হওয়া, যা অনেক সময় প্রদাহ বা ডাইভার্টিকুলাইটিসের সৃষ্টি করে। যদি বারবার ইনফেকশন হয়, অন্ত্রে ছিদ্র (Perforation) হয় বা রক্তপাত ও অবস্ট্রাকশন দেখা দেয়, তবে কোলন রিসেকশন সার্জারির প্রয়োজন পড়ে।
কোলরেক্টাল ক্যানসার নির্ণয়ের জন্য কোলনোস্কোপি ও বায়োপসি এবং পেটের সিটি স্ক্যান করা হয়। এর চিকিৎসায় ক্যানসার আক্রান্ত কোলন বা মলদ্বারের অংশটি সুস্থ টিস্যুসহ কেটে ফেলা হয় এবং প্রয়োজনে লিম্ফ নোড অপসারণ করা হয়। আধুনিক সার্জারিতে রোগীর সুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদী বেঁচে থাকার হার অনেক বেশি।
পেপটিক আলসার বা পাকস্থলীর ঘা যখন ওষুধে ভালো হয় না এবং আলসার ফেটে গিয়ে পেটে ছিদ্র (Perforation) হয়ে যায়, রক্তক্ষরণ হয় কিংবা পাকস্থলীর মুখ বন্ধ হয়ে যায় (Obstruction), তখন এটি সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সি হিসেবে গণ্য হয় এবং অবিলম্বে অপারেশন করতে হয়।
ব্রেস্টের চাকা মূল্যায়নে ট্রিপল অ্যাসেসমেন্ট প্রোটোকলে ক্লিনিক্যাল ব্রেস্ট এক্সামিনেশন, ইমেজিং টেস্ট (ম্যামোগ্রাফি বা ব্রেস্ট আল্ট্রাসাউন্ড) এবং টিস্যু বায়োপসি (কোর নিডেল বায়োপসি) অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যানসার বা অন্য কোনো জটিলতা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়।
প্লীহা বা স্প্লিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে জড়িত। স্প্লেনেকটমি অপারেশনের পর রোগীকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন নিতে হয় এবং সামান্য জ্বর বা সংক্রমণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয় যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ঘাটতি সামলানো যায়।
হার্নিয়া অপারেশনে সার্জিক্যাল মেশ বা জালি ব্যবহার করলে পেটের দুর্বল পেশী অত্যন্ত শক্তভাবে মজবুত হয় এবং পরবর্তীতে হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার (Recurrence) ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। এটি পেশীতে কোনো টান না রেখে (Tension-free) অপারেশন সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পেপটিক আলসার পারফোরেশন বা অন্ত্র ছিদ্র হওয়ার মতো জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম, কোলনোস্কোপি রিপোর্ট এবং রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।