এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, ব্রেস্ট (স্তন), পাইলস, ফিস্টুলা ও কোলোরেক্টাল সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া, পিত্তথলির রোগ, অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা (বাধা) এবং থাইরয়েড সার্জারি
🎓 কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল
কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ) — শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল
ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান খুলনা শহরের সেরা জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া অপারেশন, পিত্তথলির পাথর এবং কোলরেক্টাল সমস্যার বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, পাইলস, ফিস্টুলা এবং থাইরয়েড সার্জারিতে তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং সার্জারিতে এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: বিকাল ২:০০টা থেকে বিকাল ৫:৩০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া মেরামত, পিত্তথলির রোগ, অন্ত্রের বাধা (Bowel obstruction) এবং থাইরয়েড সার্জারির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন, যা পেটের রোগ, ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি এবং জেনারেল সার্জারিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার অভিজ্ঞ একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি, হার্নিয়ার জন্য মেশ রিপেয়ার সার্জারি, পিত্তথলির ল্যাপারস্কোপিক কোলেসিস্টেক্টমি, অন্ত্রের জরুরি সার্জারি এবং থাইরয়েডেক্টমি অপারেশন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, ল্যাপারস্কোপিক ডায়াগনোসিস এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কোলরেক্টাল, ব্রেস্ট ও থাইরয়েড সার্জারি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১২+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
পদবী: কনসালটেন্ট (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, শহীদ শেখ আবু-নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, খুলনা
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি অপারেশন প্রয়োজন।
হার্নিয়া অপারেশনে পেটের দেওয়াল শক্তিশালী হয়।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি করা হয়।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্পRESSION লাগে।
থাইরয়েড সার্জারিতে গয়টার অপসারণ হয়।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক সার্জারি করা হয়।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন লাগে।
ব্রেস্টের চাকা বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
কোলরেক্টাল ক্যানসারে সমন্বিত সার্জারি।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন করা হয়।
ভেরিকোস ভেইনে ভাসকুলার সার্জারি।
লাইপোমা ও সিস্ট সার্জিক্যাল অপসারণ।
হাইড্রোসিল অপারেশনের মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং প্রোক্টোলজির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং অন্যান্য পেটের জটিল অপারেশন, যা দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
কোলরেক্টাল ও প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি: পাইলস, ফিস্টুলা, ফিশার এবং কোলরেক্টাল রোগের জন্য আধুনিক ও উন্নত সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
হার্নিয়া ও অ্যাবডোমিনাল সার্জারি: ইঙ্গুইনাল, আম্বিলিক্যাল ও ইনসিশনাল হার্নিয়ার জন্য আধুনিক টেনশন-মুক্ত মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
থাইরয়েড ও এন্ডোক্রাইন সার্জারি: থাইরয়েড গয়টার, টিউমার এবং ঘাড়ের বিভিন্ন এন্ডোক্রাইন গ্রন্থির নিখুঁত সার্জিক্যাল চিকিৎসা।
ক্ষুদ্র ছিদ্র ও ক্যামেরার সাহায্যে পিত্তথলি বা অ্যাপেন্ডিক্স নিরাপদে অপসারণ করার আধুনিক ল্যাপারস্কোপিক পদ্ধতি।
সার্জিক্যাল মেশ ব্যবহার করে দুর্বল পেটের দেওয়ালকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করার উন্নত হার্নিয়া অপারেশন।
পাইলস ও ফিস্টুলার চিকিৎসায় স্টেপড হেমোরয়েডোেপেক্সি এবং আধুনিক স্ফিংটার-সেভিং অপারেশন।
পেটের ডান দিকের নিচের অংশে তীব্র ব্যথা সৃষ্টিকারী অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ, যা জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অপারেশনের মাধ্যমে নিরাময় করা হয়।
পেটের পেশীর দুর্বলতার কারণে ভেতরের অঙ্গ বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা, যা মেশ সার্জারির মাধ্যমে সফলভাবে মেরামত করা হয়।
পিত্তথলিতে পাথর জমার কারণে সৃষ্ট তীব্র ব্যথা ও প্রদাহ, যা ল্যাপারস্কোপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলি অপসারণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে ভালো হয়।
ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেটে শক্ত ভাব বা অনমনীয়তা, উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি এবং পায়খানা বা গ্যাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া (অন্ত্রের বাধা) দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথার শুরু হয় সাধারণত নাভির চারপাশে, যা পরবর্তীতে পেটের ডান দিকের নিচে স্থায়ী হয় এবং এর সাথে বমি ভাব, হালকা জ্বর ও খাওয়ার অরুচি দেখা দেয়। অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে পেটে মারাত্মক সংক্রমণ (পেরিটোনাইটিস) হওয়ার ঝুঁকি থাকায় দ্রুত ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি অপারেশন করা অত্যন্ত জরুরি।
হার্নিয়া অপারেশনে সার্জিক্যাল মেশ বা জালি ব্যবহার করলে পেটের দুর্বল পেশী অত্যন্ত শক্তভাবে মজবুত হয় এবং পরবর্তীতে হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার (Recurrence) ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। এটি পেশীতে কোনো টান না রেখে (Tension-free) অপারেশন সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
হ্যাঁ, পিত্তথলিতে পাথর হলে শুধু পাথর না রেখে পুরো পিত্তথলিটিই ল্যাপারস্কোপিক পদ্ধতিতে অপসারণ করতে হয়। মানবদেহে পিত্তথলি ছাড়া হজমে বড় কোনো সমস্যা হয় না, কিন্তু পিত্তথলি রেখে দিলে পাথর বারবার ফিরে আসার এবং মারাত্মক প্যানক্রিয়াটাইটিস বা ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে।
পাইলস ও ফিস্টুলার চিকিৎসায় বর্তমানে স্টেপল্ড সার্জারি, লেজার থেরাপি এবং স্ফিংটার-সেভিং অপারেশনের মতো আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিগুলোতে অপারেশন পরবর্তী ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত থাকে না এবং রোগী খুব দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যেতে পারেন।
অন্ত্রের বাধা মানে হলো খাবার বা মল পেটের ভেতরে কোথাও আটকে যাওয়া, যার ফলে তীব্র পেট ব্যথা, বমি এবং পায়খানা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে অন্ত্র পচে যাওয়ার (Gangrene) ঝুঁকি থাকায় এটি একটি মারাত্মক সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সি, যার জন্য অবিলম্বে অপারেশন প্রয়োজন।
থাইরয়েডে বড় আকারের গয়টার বা নডিউল যা শ্বাস নিতে বা গিলতে সমস্যা করে, অতিরিক্ত হরমোন তৈরি করে (হাইপারথাইরয়েডিজম) কিংবা ক্যানসারের আশঙ্কা থাকে, সেগুলোর জন্য থাইরয়েড সার্জারি বা থাইরয়েডেক্টমি করানো হয়। দক্ষ সার্জনের মাধ্যমে এই অপারেশন অত্যন্ত নিরাপده সম্পন্ন করা যায়।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া কারারসেশন বা অন্ত্র ছিদ্র হওয়ার মতো জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম, রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) ও লিভার/কিডনি ফাংশন টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।