এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, ব্রেস্ট (স্তন), পাইলস, ফিস্টুলা ও কোলোরেক্টাল সার্জন
🎯 অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া, পিত্তথলির রোগ, অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা (বাধা) এবং থাইরয়েড সার্জারি
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
🎓 কনসালট্যান্ট (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট (সার্জারি বিভাগ) — খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ মিল্টন মল্লিক খুলনা শহরের সেরা জেনারেল, কোলোরেক্টাল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা এবং প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্টের বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, কোলোরেক্টাল সার্জারি এবং অ্যাডভান্সড এবডোমিনাল অপারেশনে তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, বিসিএস এবং সার্জারিতে এফসিপিএস ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Citizen Lab Doctor and Diagnostic, Khulna · Diagnostic Center
📍 ২২ কেডিএ অ্যাভিনিউ, ইসলাম টাওয়ার, ময়লাপোতা মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ০২:৩০টা থেকে বিকেল ০৪:০০টা, বন্ধ: (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ মিল্টন মল্লিক খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা এবং প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্টের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
ডাঃ মিল্টন মল্লিক সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন, যা পেটের জটিল রোগ, ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি এবং জেনারেল সার্জারিতে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার অভিজ্ঞ একাডেমিক জ্ঞান ও সরকারি মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ইনসিশনাল হার্নিয়ার জন্য মেশ রিপেয়ার সার্জারি, গ্যাস্ট্রিক বাইপাসের মতো মেটাবলিক সার্জারি, পাইলোরিক স্টেনোসিসের অপারেশন, ফিস্টুলার জন্য স্ফিংটার-রক্ষণশীল সার্জারি এবং প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্টের ইন্টারনাল ড্রেনেজ। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান ফিল্ম ইন্টারপ্রিটেশন এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ মিল্টন মল্লিক |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | কোলরেক্টাল, ব্রেস্ট ও অ্যাডভান্সড এবডোমিনাল সার্জারি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১৮+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
বিসিএস (স্বাস্থ্য) – বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
পদবী: কনসালটেন্ট (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, খুলনা
ইনসিশনাল হার্নিয়ায় জটিল পেটের দেওয়াল পুনর্গঠন লাগে।
গ্যাস্ট্রিক বাইপাসে মেটাবলিক ও ওজন কমানোর সার্জারি।
পাইলোরিক স্টেনোসিসে সার্জিক্যাল বাইপাস বা পাইলোরিময়োটমি।
অ্যানাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল আধুনিক অপারেশন।
প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্টে ইন্টারনাল ড্রেনেজ প্রয়োজন।
ইঙ্গুইনাল ও আম্বিলিক্যাল হার্নিয়ায় মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি অপারেশন।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি।
কোলরেক্টাল ক্যানসারে সমন্বিত অনকোলজিক্যাল সার্জারি।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
পেটের আঘাত বা ট্রমাতে জরুরি সার্জারি।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
ডাঃ মিল্টন মল্লিক জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং অ্যাডভান্সড পেটের অপারেশনের আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং জটিল হার্নিয়া অপারেশন, যা দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
কোলরেক্টাল ও প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি: অ্যানাল ফিস্টুলা, পাইলস এবং কোলরেক্টাল রোগের জন্য স্ফিংটার-রক্ষণশীল আধুনিক সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
এবডোমিনাল ওয়াল ও হার্নিয়া সার্জারি: বড় ইনসিশনাল হার্নিয়া এবং পেটের দেওয়ালের দুর্বলতা মেরামতের জন্য উন্নত মেশ সার্জারি।
আপার জিআই, বেরিয়াট্রিক ও প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি: গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস এবং প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্টের নিখুঁত সার্জিক্যাল চিকিৎসা।
পূর্ববর্তী অপারেশনের দাগের জায়গায় হওয়া হার্নিয়া ঠিক করতে পেটের ভেতরে বিশেষ কম্পোজিট মেশ স্থাপন করার আধুনিক ল্যাপারস্কোপিক পদ্ধতি।
স্থূলতা ও মেটাবলিক জটিলতা দূর করতে পরিপাকতন্ত্রের গঠন পরিবর্তন করে ওজন কমানোর উন্নত সার্জিক্যাল প্রোটোকল।
পায়খানার রাস্তা সুরক্ষার জন্য মলদ্বারের পেশী অক্ষত রেখে ফিস্টুলা বা ভগন্দর নিরাময়ের আধুনিক সার্জিক্যাল পদ্ধতি।
পূর্ববর্তী সার্জারির কাটা দাগের দুর্বল পেশীর মধ্য দিয়ে পেটের ভেতরের অঙ্গ বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা, যা মেশ সার্জারির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে মেরামত করা হয়।
পাকস্থলীর শেষের অংশ বা পাইলোরাস সংকুচিত হয়ে খাবার সামনের দিকে যেতে বাধা দেওয়ার সমস্যা, যা অপারেশনের মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের ফলে তরল ও এনজাইম জমে তৈরি হওয়া সিস্ট, যার চিকিৎসায় ইন্টারনাল ড্রেনেজ বা অপারেশন প্রয়োজন হয়।
ডাঃ মিল্টন মল্লিক প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেটে শক্ত ভাব বা অনমনীয়তা, উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি, ইনসিশনাল হার্নিয়ায় অবরুদ্ধ বা স্ট্রাংগুলেশন লক্ষণ কিংবা রক্তপাত দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান, এন্ডোস্কোপি এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
ইনসিশনাল হার্নিয়া হলো পূর্ববর্তী অপারেশনের কাটা দাগের জায়গায় পেশীর দুর্বলতার কারণে সৃষ্ট হার্নিয়া। এই হার্নিয়াগুলোর আকার সাধারণত বড় হয় এবং ফাইব্রোসিস থাকে বলে বিশেষ সার্জিক্যাল দক্ষতার প্রয়োজন হয়। সার্জিক্যাল মেশ বা জালি ব্যবহার করে পেটের দেওয়াল মজবুত করলে হার্নিয়া পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।
গ্যাস্ট্রিক বাইপাস সার্জারিতে পাকস্থলীর আকার ছোট করে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করে খাদ্যের শোষণ ও ক্যালরি গ্রহণ কমিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে দ্রুত ওজন হ্রাসের পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্লিপ অ্যাপ্নার মতো মেটাবলিক রোগগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে।
পাইলোরিক স্টেনোসিস হলো পাকস্থলীর নির্গমন পথ সংকুচিত হওয়া, যার ফলে বমি (বিশেষ করে খাওয়ার সাথে সাথে প্রোজেক্টাইল ভমিটিং), ওজন হ্রাস ও পানির স্বল্পতা দেখা দেয়। সঠিক ইমেজিং পরীক্ষার পর সার্জিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে এই পথ প্রসারিত বা বাইপাস করে স্বাভাবিক পরিপাক ক্রিয়া ফিরিয়ে আনা হয়।
অ্যানাল ফিস্টুলার ঐতিহ্যগত অপারেশনে মলদ্বারের পেশী বা স্ফিংটার কেটে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, যার ফলে পরবর্তীতে পায়খানা ধরে রাখার ক্ষমতা বা কন্টিনেন্স নষ্ট হতে পারে। আধুনিক স্ফিংটার-রক্ষণশীল পদ্ধতিগুলোতে (যেমন LIFT বা লেজার) পেশী সম্পূর্ণ অক্ষত রেখে ফিস্টুলা নিরাময় করা হয়।
অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের পর যখন সিস্ট বা সিউডোসিস্ট তৈরি হয় এবং তা যদি আকারে বড় হয়ে তীব্র ব্যথা, পিত্তনালী বা পাকস্থলীতে চাপ সৃষ্টি করে কিংবা ইনফেকশন ঘটায়, তখন এন্ডোস্কোপিক বা সার্জিক্যাল ইন্টারনাল ড্রেনেজের মাধ্যমে সিস্টের তরল পাকস্থলী বা অন্ত্রে নিষ্কাশন করা হয়।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি অবরুদ্ধ হার্নিয়া বা তীব্র সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সির লক্ষণ হতে পারে।
বড় ধরনের পেটের অপারেশনের পূর্বে রোগীর হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি এবং বিপাকীয় অবস্থা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখা হয় যাতে রোগী অ্যানাস্থেসিয়া ও সার্জারির ধকল নিরাপদে সহ্য করতে পারেন। এই মূল্যায়ন যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম, এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট এবং রক্তের সম্পূর্ণ রক্ত কণিকা (CBC) টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।