এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল, ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল, ব্রেস্ট ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 ইনসিশনাল হার্নিয়া, গ্যাস্ট্রিক বাইপাস, পাইলোরিক স্টেনোসিস, অ্যানাল ফিস্টুলা, প্যানক্রিয়াটিক সিউডোসিস্ট
প্রোফাইল দেখুন →জেনারেল সার্জন
এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এফএমএএস (ভারত)
জেনারেল, কোলোরেক্টাল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
🎯 যেসব রোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ: ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি, অ্যাড্রিনালেক্টমি (অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অপসারণ), ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, মেসেন্টেরিক ইস্কেমিয়া, ট্রমা ল্যাপারোটমি
🎓 কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ)
🏛️ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনা
কনসালট্যান্ট, (সার্জারি বিভাগ) — ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনা
ডাঃ ফাতেমা আক্তার খুলনা শহরের সেরা জেনারেল, কোলোরেক্টাল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জন হিসেবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতার সাথে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। খুলনায় সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে রোগীরা তার কাছে বেরিয়াট্রিক সার্জারি, এড্রেনালেকটমি, এসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়া এবং ট্রমা লাপারোটমির বিশ্বস্ত সমাধান পেয়ে থাকেন। জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি, এন্ডোক্রাইন এবং জরুরি ট্রমা সার্জারিতে তিনি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তার এমবিবিএস, সার্জারিতে এফসিপিএস এবং ভারত থেকে অর্জিত এফএমএএস (FMAS) ডিগ্রির আলোকে রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করেন।
🏥 Islami Bank Hospital, Khulna · Private Hospital
📍 ৪২, খান জাহান আলী রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা
🕒 Visiting hours: দুপুর ১২:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা (শুক্রবার বন্ধ)
💳 Consultation fee: ৳800
ডাঃ ফাতেমা আক্তার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনা-এর সার্জারি বিভাগের একজন প্রখ্যাত কনসালটেন্ট ও সার্জন, যার ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাদানের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বেরিয়াট্রিক সার্জারি, এড্রেনালেকটমি কেয়ার, এসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স, মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়া এবং ট্রমা লাপারোটমির একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের খোঁজ করছেন এমন রোগীরা তার কাছে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তার চিকিৎসাসেভার মূলে রয়েছে আধুনিক সার্জারি, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত পোস্ট-প্রোসিজার কেয়ার।
ডাঃ ফাতেমা আক্তার সফলতার সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি উচ্চতর ডিগ্রি সার্জারিতে এফসিপিএস (FCPS in Surgery) অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি ভারত থেকে মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারিতে মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ এফএমএএস (FMAS) সম্পন্ন করেন, যা ল্যাপারস্কোপিক ও আধুনিক অস্ত্রোপচারে তার গভীর দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। খুলনায় সেরা সার্জন কিংবা অভিজ্ঞ ল্যাপারস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ পেতে রোগীরা তার একাডেমিক জ্ঞান ও হাসপাতালের অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তার বিশেষ চিকিৎসা ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে ওজন কমানোর জন্য বেরিয়াট্রিক সার্জারি, ল্যাপারস্কোপিক এড্রেনালেকটমি কেয়ার, তীব্র গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সের অ্যান্টি-রিফ্লাক্স সার্জারি, মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়ার জরুরি রক্তনালী ও সার্জিক্যাল চিকিৎসা এবং ট্রমা লাপারোটমি বা পেটের জরুরি আঘাতজনিত অপারেশন। তার ডায়াগনস্টিক কাঠামোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ-রেজোলিউশন আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান ফিল্ম ইন্টারপ্রিটেশন এবং সার্জিক্যাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট।
| প্রোফাইল তথ্য | বিবরণ |
| পূর্ণ নাম | ডাঃ ফাতেমা আক্তার |
| প্রধান বিশেষজ্ঞতা | জেনারেল, কোলোরেক্টাল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি |
| উপ-বিশেষজ্ঞতা | বেরিয়াট্রিক সার্জারি, মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি (FMAS) ও ট্রমা সার্জারি |
| পদবী | কনসালটেন্ট (সার্জারি) |
| কর্মস্থল | ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনা |
| মোট অভিজ্ঞতা | ১০+ বছর |
| অবস্থান | খুলনা, বাংলাদেশ |
এমবিবিএস (MBBS) – ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি
এফসিপিএস (সার্জারি) – ফেলো অব দ্য কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (সার্জারি)
এফএমএএস (ভারত) – ফেলোশিপ ইন মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি, ভারত
পদবী: কনসালটেন্ট (সার্জারি)
কর্মস্থল: সার্জারি বিভাগ, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, খুলনা
বেরিয়াট্রিক সার্জারিতে মেটাবলিক ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
এড্রেনালেকটমি কেয়ারে নিখুঁত এন্ডোক্রাইন সার্জারি।
এসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সে ল্যাপারস্কোপিক অ্যান্টি-রিফ্লাক্স কেয়ার।
মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়ায় জরুরি ভাসকুলার ও সার্জিক্যাল কেয়ার।
ট্রমা লাপারোটমিতে পেটের জরুরি আঘাতের সার্জারি।
ইঙ্গুইনাল ও ইনসিশনাল হার্নিয়ায় মেশ রিপেয়ার সার্জারি।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসে জরুরি ল্যাপারস্কোপিক অ্যাপেন্ডেক্টমি।
পিত্তথলির পাথরে কোলেসিস্টেক্টমি অপারেশন।
পাইলস বা হেমোরয়েডে আধুনিক প্রোক্টোলজিক্যাল সার্জারি।
এনাল ফিস্টুলায় স্ফিংটার-রক্ষণশীল অপারেশন।
কোলরেক্টাল ক্যানসারে সমন্বিত অনকোলজিক্যাল সার্জারি।
ব্রেস্ট লাম্প বা টিউমারে এক্সাইজিনাল বায়োপসি।
অন্ত্রের বাধায় জরুরি সার্জিক্যাল ডিকম্প্রেশন।
পেরিয়ানাল অ্যাবসেসে পুঁজ নিষ্কাশন।
ডায়াবেটিক পায়ে ডেব্রেইডমেন্ট সার্জারি।
ডাঃ ফাতেমা আক্তার জেনারেল সার্জারি, ল্যাপারস্কোপি এবং বেরিয়াট্রিক সার্জারির আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
বেরিয়াট্রিক ও মেটাবলিক সার্জারি: অতিরিক্ত ওজন এবং মেটাবলিক সিন্ড্রোমের জন্য গ্যাস্ট্রিক স্লিভ ও বাইপাস সার্জারির মতো উন্নত চিকিৎসা।
ল্যাপারস্কোপিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি: ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে পিত্তথলি, অ্যাপেন্ডিক্স এবং পেটের জটিল অপারেশন।
এন্ডোক্রাইন ও এড্রেনাল সার্জারি: এড্রেনাল গ্রন্থির টিউমার এবং হরমোনজনিত জটিলতার নিখুঁত সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা।
জরুরি ও ট্রমা সার্জারি: ট্রমা লাপারোটমি, মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়া এবং তীব্র পেটের সমস্যার জন্য জীবন রক্ষাকারী জরুরি অপারেশন।
আধুনিক ল্যাপারস্কোপিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে পরিপাকতন্ত্রের গঠন পরিবর্তন করে নিরাপদ উপায়ে ওজন কমানো ও মেটাবলিক সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি।
পেটে ছোট ছিদ্র করে এড্রেনাল গ্রন্থির টিউমার বা রোগাক্রান্ত অংশ নিখুঁতভাবে অপসারণ করার আধুনিক ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি।
পেটে গভীর আঘাত, অভ্যন্তরীণ রক্তপাত বা অঙ্গ ফুটো হয়ে গেলে জরুরি অপারেশনের মাধ্যমে তা দ্রুত মেরামত করার জীবন রক্ষাকারী সার্জিক্যাল পদ্ধতি।
অন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে বা সংকুচিত হয়ে অন্ত্রের টিস্যু নষ্ট হওয়ার একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক জরুরি অবস্থা, যার জন্য অবিলম্বে সার্জারি প্রয়োজন।
পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উঠে এসে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করার দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, যা ওষুধে না সারলে ল্যাপারস্কোপিক ফান্ডোপ্লিকেশন সার্জারির মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
অতিরিক্ত ওজন জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সুনির্দিষ্ট বেরিয়াট্রিক সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী মেটাবলিক প্রোটোকল।
ডাঃ ফাতেমা আক্তার প্রতিটি রোগীর পুঙ্খানুপুঙ্খ শারীরিক পরীক্ষা, ল্যাব টেস্ট এবং আধুনিক ইমেজিং রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সার্জিক্যাল পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি রোগীর নিরাপদ অপারেশন এবং দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া বা অনমনীয়তা (মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়া বা ট্রমার লক্ষণ), উচ্চ জ্বরের সাথে বারবার বমি কিংবা রক্তপাত দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)
সদস্য, সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (SSB)
সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ (ASB)
ফেলো, মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জনস অফ ইন্ডিয়া (FMAS)
পূর্বের করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান, এন্ডোস্কোপি এবং ল্যাব রিপোর্ট সাথে আনুন।
বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধ, রক্তচাপ মাপার চার্ট এবং পূর্ববর্তী প্রেসক্রিপশন সাথে রাখুন।
ব্যথার তীব্রতা ও সময়কাল ডায়রিতে লিখে রাখুন।
অপারেশন ও পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিকটস্থ স্বজনকে সাথে আনুন।
Last Modified: October 20, 2026
বেরিয়াট্রিক সার্জারি সাধারণত এমন রোগীদের জন্য নির্দেশিত যাদের বডি ম্যাস ইনডেক্স (BMI) ৪০ বা তার বেশি, অথবা BMI ৩৫ বা তার বেশি এবং সাথে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা স্লিপ অ্যাপ্নার মতো স্থূলতা-সম্পর্কিত স্বাস্থ্য জটিলতা রয়েছে। লাইফস্টাইল পরিবর্তনে ব্যর্থ হলে এই সার্জারি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ল্যাপারস্কোপিক এড্রেনালেকটমি হলো ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে এড্রেনাল গ্রন্থি অপসারণের সার্জারি। অতিরিক্ত হরমোন উৎপাদনকারী টিউমার (যেমন ফিওক্রোমােসাইটোম বা কুশিং সিন্ড্রোম) অথবা সন্দেহজনক ও ম্যালিগন্যান্ট lesion এর চিকিৎসায় এই আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়ায় অন্ত্রের রক্তনালীতে রক্ত চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যার ফলে খুব দ্রুত অন্ত্র পচে যাওয়ার (Gangrene) ঝুঁকি তৈরি হয়। এটি একটি জীবনঘাতী জরুরি অবস্থা, যার জন্য অবিলম্বে জরুরি লাপারোটমি এবং রক্তনালী মেরামত বা অন্ত্রের অংশ কেটে ফেলার প্রয়োজন হয়।
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) যখন দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনেও ভালো হয় না এবং রোগীর খাদ্যনালীতে মারাত্মক ক্ষতি বা প্রদাহ তৈরি করে, তখন ল্যাপারস্কোপিক ফান্ডোপ্লিকেশন সার্জারি করে পাকস্থলীর উপরের অংশ দিয়ে রিফ্লাক্স রোধ করা হয়।
ট্রমা লাপারোটমি হলো পেটে তীব্র আঘাত (যেমন সড়ক দুর্ঘটনা বা ছুরিকাঘাত) পাওয়ার পর অভ্যন্তরীণ রক্তপাত, অঙ্গ ফুটো হয়ে যাওয়া বা পেরিটোনাইটিস রোধ করতে জরুরি অপারেশন করে পেট এক্সপ্লোর করার পদ্ধতি। এটি রোগীর প্রাণ বাঁচাতে তাৎক্ষণিকভাবে করা হয়।
ল্যাপারস্কোপিক বা দূরবীন পদ্ধতির অপারেশনের প্রধান সুবিধা হলো ছোট ছিদ্র করা হয়, অপারেশনের পর ব্যথা অনেক কম হয়, রক্তপাত কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় কমে যায় এবং রোগী খুব দ্রুত কাজে ফিরে যেতে পারেন। এছাড়া বড় কোনো কাটাছেঁড়ার দাগও থাকে না।
পেটে যদি হঠাৎ করে মারাত্মক ও অসহ্য ব্যথা শুরু হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, বারবার বমি হয় বা জ্বর আসে, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে জেনারেল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে। এটি মেসেন্টেরিক ইসকেমিয়া বা ট্রমার মতো জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে।
বেরিয়াট্রিক সার্জারির পূর্বে পুষ্টি কাউন্সেলিং রোগীর লিভারের চর্বি কমাতে সাহায্য করে যাতে অপারেশন নিরাপদ হয়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সঠিক ডায়েট মেনে চলা এবং ভিটামিন ঘাটতি রোধে এই কাউন্সেলিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
রোগীদের পূর্বে করা পেটের আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট, সিটি স্ক্যান ফিল্ম, এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট এবং ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট সাথে আনা আবশ্যক। বর্তমানে সেবন করা সকল ওষুধের তালিকা ডায়রিতে লিখে আনলে চিকিৎসকের সার্জিক্যাল সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
এখনো কোনো মতামত নেই — প্রথম মতামতটি আপনিই দিন।